ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা করুন মাত্র 8 হাজার টাকায় | Fruity making business right now

শীত গ্রীষ্ম বর্ষা প্রতিটা সময় আমরা ফ্রুটি খেয়ে থাকি। তাই ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making) দিনে দিনে অনেক বড় হয়ে উঠছে। মাত্র 1 টাকা 70 পয়সা খরচ করে আপনিও তৈরি করতে পারেন ফ্রুটির প্যাকেট। যেহেতু বর্তমানে প্রায় ছোট থেকে বড় সব ধরনের মানুষই ফ্রুটি খেতে ভীষণ পছন্দ করে তাই ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) একটি লাভজনক ব্যবসার মধ্যে পড়ে। আপনি আপনার এলাকাতে এই ব্যবসা করে সফল ব্যবসায়ী হতে পারবেন। তাই আজ এই পোস্টে ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসার সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নিয়ে হাজির করা হলো। সম্পূর্ণ পোস্টটি আপনি ভালো করে পড়লে নিজ উদ্যোগে শুরু করতে পারবেন আপনার এলাকাতে ফ্রুটি বা ফলের জুস তৈরির ব্যবসা।

Table of Contents

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায়? (How to start a fruity making business?)

যেহেতু বাচ্চারা ফ্রুটি খেতে ভীষণ পছন্দ করে তাই খুব সহজে এই ব্যবসা করে আপনি লাভবান হতে পারবেন। কারণ আপনার ব্যবসায়ী তৈরি হওয়া প্রতিটা প্রোডাক্ট খুব সহজেই মার্কেটে বিক্রি হয়ে যাবে। এই ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) করার জন্য আপনাকে প্রয়োজনীয় কিছু কাঁচামাল এবং প্যাকেট ও বোতল কিনে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। আপনি যদি একটু খোঁজখবর লাগান দেখতে পাবেন আপনার এলাকাতে এই ব্যবসা তেমনভাবে কেউ করছে না। তাই মার্কেট চাহিদা এর অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে। আপনি আপনার এলাকাতে শুরু করতে পারবেন খুব সহজে ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা এবং এই ব্যবসা করে সম্পূর্ণ মার্কেট ধরে আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হয়ে উঠতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন- কম টাকা লাগিয়ে প্রতি মাসে 1 লাখ টাকা লাভ

ফ্রুটি তৈরি করতে কি কি কাঁচামাল লাগে? (What raw materials are needed to make Fruity?)

সাধারণত ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা করতে হলে আপনাকে খুব অল্প পরিমাণের কাঁচামাল কিনতে হবে। অর্থাৎ মাত্র কয়েকটা জিনিস কিনেই আপনি খুব সহজেই এই ব্যবসা করতে পারবেন। ফ্রুটি তৈরি করার কাঁচামাল গুলি হল-

  • আমের ফ্লেভার বা প্রসেস করা আম
  • চিনি
  • প্রিমিক্স পাউডার
  • প্রিজারভিটি ওয়াটার
  • প্লাস্টিক ছোট বোতল
  • প্যাকেজিং প্লাস্টিক
Fruity making
ফ্রুটি তৈরি

ফ্রুটি তৈরির কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

Fruity making business করতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সমস্ত কাঁচামাল অল্প দামে কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। আর অল্প দামে কেনার জন্য অবশ্যই আপনাকে পাইকারি মার্কেট বা বড় পাইকারি দোকানে যোগাযোগ করতে হবে। তাই আপনি আপনার এলাকার বড় পাইকারি দোকানে এই সমস্ত কাঁচামাল গুলি কেনার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। আবার আপনি যেখান থেকে মেশিন কিনেবেন সেখান থেকেই সমস্ত কাঁচামাল কিনতে পারেন।

কলকাতার বড় বাজার থেকে আপনি সমস্ত ধরনের কাঁচামাল খুব অল্প দামে কিনে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। বাংলাদেশে থাকলে আপনি ঢাকা চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে অল্প দামে সমস্ত কাঁচামাল কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ফ্রুটি প্যাকেজিং প্লাস্টিক এবং ফ্রুটি ভর্তি করার যে বোতল তা কেনার জন্য আপনি বড় বাজারে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন।

ফ্রুটি তৈরীর মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where to buy Fruity making machine?)

ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা করতে হলে আপনাকে ফ্রুটি তৈরীর মেশিন কিনতে হবে। আর এই মেশিন সমস্ত জায়গায় পাওয়া যায় না, তাই আপনাকে আগে খোঁজখবর নিতে হবে কোথায় এই ধরনের ফ্রুটি তৈরীর মেশিন পাওয়া যায় বা ফলের জুস তৈরির মেশিন পাওয়া যায়। বর্তমানে ভারতের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের বড় বড় শহরে বিভিন্ন মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির কাছে এই ধরনের মেশিন পাওয়া যায়।

আবার শুধুমাত্র যারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তারা এই ব্যবসা সংক্রান্ত সমস্ত কাঁচামাল সহ ফ্রুট জুস মেকিং মেশিন বিক্রি করেন। তাই আপনাদের সুবিধার্থে এই ধরনের ফ্রুট জুস মেকিং মেশিনের বিক্রেতাদের ফোন নাম্বার নিচে দেওয়া হল। আপনারা চাইলে সরাসরি মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির কাছ থেকে মেশিন কিনে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। আবার অনলাইনে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে মেশিন কিনে ব্যবসা করতে পারেন।

Juice Factory Model HDX (Heavy Duty) – Hygienic and Affordable

  • +91 8822686868/+91 7588933052
  • +91 777 888 9570/+91 777 888 9580
  • +91-9870789174

ফ্রুটি তৈরী করতে কি ধরনের মেশিন লাগে? (What kind of machine is needed to make fruity?)

ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা করার জন্য যে ধরনের মেশিন ব্যবহার করা হয় তা ২/৩ ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। ফ্রুটি তৈরীর মেশিনকে ফুট জুস মেকিং মেশিন বলে। এই মেশিন টু নজেল যুক্ত হয়ে থাকে, আবার চারটি নজেলের হয়ে থাকে। অর্থাৎ একই সাথে চারটি বোতল বা প্যাকেট ভরা যায় এই মেশিনের সাহায্যে। কিছু অটোমেটিক মেশিন রয়েছে যার সাহায্যে আপনি ফ্রুটি ভর্তি করে অটোমেটিক শীল করে নিতে পারবেন।

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা করতে কত বড় জায়গা লাগে?

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) করতে হলে কমপক্ষে আপনাকে 10/10 ঘরের মধ্য এই ব্যবসা শুরু করতে হবে। যদিও ফ্রুটি তৈরীর মেশিন খুবই ছোট হয়, যা একটি টেবিলের মধ্যে বসে যাবে। তবুও ব্যবসার কাঁচামাল এবং তৈরি হওয়া প্রোডাক্ট রাখার মত কমপক্ষে এই পরিমাণ জায়গা আপনার প্রয়োজন পড়বে। তাই আপনি যখন ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making)শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে একটি দশ বাই দশ ঘর তৈরি করে বা ভাড়া নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। আপনি চাইলে এই ব্যবসা আপনার বাড়িতে থেকেই করতে পারেন।

আরো পড়ুন- ফলের ব্যবসা করুন অল্প পুঁজি

কিভাবে ফ্রুটি বানানো হয়? (How is Fruity made?)

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) করতে হলে আপনাকে জানতে হবে ফ্রুটি বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে। খুবই সহজ কিছু নিয়মে ফ্রুটি বানানো যাই যা আপনি কয়েক ঘণ্টা ট্রেনিংয়ে শিখে যাবেন। আপনি যেখান থেকে মেশিন কিনেবেন সেখানেই আপনাকে শেখানো হবে ফ্রুটি বানানোর পদ্ধতিগুলি। তবুও আজ এখানে ছুটি বানানোর সম্পূর্ণ নিয়ম জানানো হলো-

  • 45 লিটার হালকা গরম জল নিয়ে 6 কেজি চিনি ভালো করে মিশাতে হবে।
  • মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে রিমিক্স পাউডার সেই জলে ভালো করে মেশাতে হবে এবং তারপর 500 গ্রাম fruit ফ্লেভার বা আমের ফ্লেভার মেশাতে হবে।
  • এরপর খুব ভালো করে মিশ্রণটি তৈরি করতে হবে নাড়িয়ে নাড়িয়ে।
  • মিশ্রণটি তৈরি করার সময় যদি জল হালকা গরম হয়ে থাকে তাহলে আপনার তৈরি হওয়া ফ্রুটির লংজীবিটি অনেকদিন বেড়ে যাবে।
  • তাই হালকা গরম জলে ফুটিটি তৈরি করুন।
  • তারপর মিশ্রণটির মধ্য 50 ml প্রিজারভিটি ওয়াটার মিশন যাতে ফ্রুটি দীর্ঘদিন বোতলের ভেতর ভর্তি থাকলেও খারাপ না হয়।
  • এরপর বোতলে ভর্তি করার জন্য ফ্রুটি মেকিং মেশিনের ভেতর মিশ্রনটি ঢেলে দিন।
  • নির্দিষ্ট পরিমাণ অনুযায়ী মেশিনের সেট করে দিলে অটোমেটিক পদ্ধতিতে বোতল মুখে ধরলে ভর্তি হয়ে যাবে এবং তা সিল প্যাক হয়ে যাবে।
  • বাজারে বিক্রি করার জন্য আপনি 20 টা বা 30টা করে বোতল একটি কাগজের কার্টুন এর ভেতর ভর্তি করে প্যাকেজিং করতে পারেন।

ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

যেহেতু ফ্রুটি খাবার প্রোডাক্ট তাই এই ব্যবসা করতে আপনাকে বেশ কয়েকটি লাইসেন্স নিতে হবে। ব্যবসার শুরুতেই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স এবং খাদ্য দপ্তর এর লাইসেন্স নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। আপনি যদি ন্যাশনালি বা ইন্টারন্যাশনাল লিগ ব্যবসা করেন তাহলে আপনি আরো কয়েকটি লাইসেন্স নিয়ে নিতে পারেন। তাই এক কথায় বলা যায় ফ্রুটি তৈরির ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স গুলি হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • FSSAI লাইসেন্স
  • জি এস টি নাম্বার
  • নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র
  • কারেন্ট ব্যাংক একাউন্ট

সমস্ত ধরনের লাইসেন্স নেওয়ার জন্য আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। ট্রেড লাইসেন্স এবং খাদ্য দপ্তরের ফেসাই লাইসেন্স খুব সহজেই আপনি পেয়ে যেতে পারেন অনলাইন এর মাধ্যমে । সমস্ত লাইসেন্স গুলির জন্য আপনার খরচ হবে দুই থেকে তিন হাজার টাকার মত।

Fruity making machine
ফ্রুটি তৈরীর মেশিন

কিভাবে ফ্রুটির প্যাকেজিং করা হয়?

বর্তমানে বাজারে রেডিমেড প্লাস্টিক পাউচ এবং রেডিমেড প্লাস্টিক বোতল বিক্রি হয়ে থাকে। আপনি যখন ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) করবেন তখন অল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা করার জন্য এই ধরনের রেডিমেড প্লাস্টিক পাউচ কিনে নিয়ে প্যাকেজিং করতে পারেন। আর প্লাস্টিক বোতল রেডিমেড কিনলেও তার গায়ের স্টিকার লাগানোর জন্য আপনি আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ডেড স্টিকার ছাপিয়ে নিতে পারেন। আবার আপনি যদি একটু টাকা খরচ করে নিজস্ব ব্রান্ডেড পাউচ ছাপিয়ে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুততার সাথে আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ডিং ও বেড়ে যাবে এবং মার্কেটিং করার জন্য অনেক সুবিধা হবে। এই প্যাকেজিং প্লাস্টিকের ওপর শুটির নাম সহ আপনার কোম্পানির নামও যোগাযোগ নাম্বার অবশ্যই দেবেন। এতে আপনার মার্কেটে চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে।

কিভাবে ফ্রুটির মার্কেটিং করবেন?

বর্তমানে ফ্রুটির মার্কেটিং করা খুবই সহজ কাজ। কারণ যেহেতু এর মার্কেট চাহিদা অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে তাই আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার লোকাল মার্কেট এবং বড় শহরের যেকোনো মার্কেটে আপনি ফ্রুটি তৈরি করে বিক্রি করতে পারবেন। তবুও বাকি অন্য কোম্পানির থেকে আপনি যদি পিছিয়ে পড়েন তাহলে আপনার ব্যবসাও পিছিয়ে পড়বে তাই আপনার ব্যবসাকে বাকি অন্য কোম্পানির থেকে আগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে হবে। ফ্রুটির বিক্রি বাড়ানো এবং বড় মার্কেট ধরার জন্য যে পদ্ধতিতে মার্কেটিং আপনি করতে পারেন তা হল-

  • আপনার এলাকার সমস্ত ছোট বড় দোকানে আপনি ফ্রুটি বিক্রি করতে পারেন।
  • বড় পাইকারি দোকানে আপনি ছুটি বিক্রি করতে পারেন।
  • অনলাইনে google, youtube এবং ফেসবুকে অল্প টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • গুগল ফেসবুক ইউটিউবে পেজ তৈরি করে সেখানে আপনি অর্গানিক পদ্ধতিতে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • বিভিন্ন বড় বাজার ও জনবহুল এলাকাতে ছোট বড় আকারের ব্যানার তৈরি করে আপনার কোম্পানির তৈরি হওয়া বিভিন্ন ফ্রুটির বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • বিভিন্ন এলাকাতে একাধিক ডিস্ট্রিবিউটর তৈরি করে তাদের মারফত আপনার ব্যবসা আরও বড় করে তুলতে পারেন।
  • একাধিক এলাকাতে সেলসম্যান তৈরি করে ছুটির বিক্রি বাড়াতে পারেন তাদের দ্বারা।
  • বড় বাজারের মতো বড় বড় পাইকারি মার্কেটে আপনি পাইকারি রেটে ফ্রুটি বিক্রি করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- আলুর পাইকারি ব্যবসা করুন মাত্র 50 হাজার টাকায়

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (Fruity making business korte koto taka lage)

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) খুব অল্প পুঁজি দিয়েই শুরু করা যায়। আপনি যদি চান এই ব্যবসা মাত্র 8 থেকে 10 হাজার টাকা বিনিয়োগে শুরু করতে পারেন। আবার ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা 1 লক্ষ টাকা বিনিয়োগে বড় করে অটোমেটিক মেশিনের সাহায্যে করা যায়। আপনার কাছে যে পরিমাণ পুঁজি রয়েছে আপনি সেই টাকা দিয়েই শুরু করতে পারেন ছোট বা বড় আকারের এই ব্যবসা। তবে বড় আকারের ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা করার আগে আপনি ছোট মেশিন কিনে অল্প পুঁজি বিনিয়োগে ব্যবসাটি করুন এবং মার্কেট ধরুন, বুঝুন আপনার মার্কেটে চাহিদা কেমন রয়েছে, তার পরে বড় মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করুন।

ফ্রুটি তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? (How much profit Fruity making business)

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসায় লাভ হয় অনেক বেশি পরিমাণে কারণ এই ব্যবসায়ী তৈরি হওয়া ফ্রুটি খুব অল্প টাকাতেই তৈরি করা যায়। 100 ml প্যাকেট তৈরি করতে আপনার খরচ হবে 1 টাকা 70 পয়সা। সেই প্যাকেট আপনি বিক্রি করতে পারেন বাজারে 3 টাকা পাইকারি দরে। 250 গ্রাম ফ্রুটির বোতল তৈরি করতে খরচ হবে 5 টাকা। আর সেই বোতল বিক্রি করে আপনি লাভ করতে পারবেন আরো 5 টাকা অর্থাৎ 10 টাকা দামের বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিদিন একটা মেশিন দিয়ে আপনি কমপক্ষে 2 হাজার ফ্রুটি বোতল ভর্তি করতে পারবেন।

আপনি যদি সম্পূর্ণ বোতল গুলি বিক্রি করতে পারেন প্রতিদিন তাহলে আপনি 2 থেকে 3 হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। খুব সহজেই ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা (Fruity making business) করে আপনি মাসে 60 হাজার থেকে 1 লাখ টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

ফ্রুটি তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: 10 হাজার টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে আপনি শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা।

ফলের জুস তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: 8 থেকে 10 হাজার টাকা ফলের জুস তৈরির ব্যবসা করতে লাগে।

আমের জুস কিভাবে তৈরি করে?

উত্তর: পাকা আম হালকা গরম জলে সিদ্ধ করে নিয়ে ছাল ছাড়িয়ে আম থেকে আম বার করে অল্প কিছু চিনি এবং জল মিশিয়ে আমের জুস তৈরি করা হয়।

ফ্রুট জুস মেকিং মেশিন কি ধরনের ইলেকট্রিক চলে?

উত্তর: সাধারণ বাড়ির টু-টোয়েন্টি ভোল্টে ফ্রুট জুস মেকিং মেশিন চলতে পারে।

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসা করতে কত বড় জায়গা লাগে?

উত্তর: 10/10 এর এক আমরা ঘর হলেই খুব সহজেই করা যায় এই ব্যবসা।

ফ্রুটি তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: প্রতিমাসে 60 হাজার টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকার বেশি লাভ হয় এই ব্যবসায়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

পানের ব্যবসা করুন

ডালিমের হোলসেল বিজনেস

Leave a Comment