সিগারেট তৈরির ব্যবসা করে প্রচুর টাকা উপার্জন করুন | Cigarette making business is now 20 thousand rupees, nice business ideas

সারা পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ধূমপানে আসক্ত। সেই কারণে সিগারেট তৈরির ব্যবসা প্রতিটা জায়গায় রমরমিয়ে চলছে। যদিও সিগারেট তৈরীর ব্যবসা মানুষের মনে রয়েছে এক প্রচুর টাকার বিনিয়োগের ভাবনা। কিন্তু বর্তমান সময়ে খুব অল্প টাকা বিনিয়োগ করে আপনি শুরু করতে পারেন আপনার এলাকায় সিগারেট তৈরির ব্যবসা। ভারত বাংলাদেশ সহ আশেপাশের প্রতিটি দেশে ই সিগারেট খাওয়া মানুষের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়ে চলেছে।

তাই আপনি যদি আপনার এলাকায় ছোট করে সিগারেট তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে একদিন আপনিও বড় কারখানা তৈরি করে এই ব্যবসা দেশি-বিদেশে করতে সক্ষম হবেন। তাই আজ সিগারেট তৈরির ব্যবসা কিভাবে আপনি করতে পারবেন তা নিয়ে যাবতীয় তথ্যে ভরা এই প্রতিবেদনটি। এই পোস্ট পড়লে আপনি সিগারেট তৈরির ব্যবসা সম্পর্কিত কিছু তথ্য পেয়ে যাবেন যা আপনার ব্যবসা করার জন্য অনেকটাই সুবিধা যোগাবে।

Table of Contents

সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে কি কি কাঁচামাল লাগে? (What raw materials are needed to make cigarettes?)

আপনি যদি নিজের সিগারেট না খেয়েও থাকেন তাহলেও আপনি নিজেও জানেন একটি সিগারেট তৈরি করার জন্য সাধারণত কাঁচামাল কি কি লাগে। তবুও সিগারেটের ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে সঠিক কাঁচামাল সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। একটি সিগারেট তৈরি করার জন্য যে সকল কাঁচা মাল লাগে তা হল-

  • ফিল্টার টিউব: 1-1.5 টাকার প্রতি পিসের দাম
  • তামাক পাতা: 300 টাকা থেকে 400 টাকা প্রতি কেজি।
  • সিগারেট বাক্স: একটি প্যাকেটের দাম 2 টাকা
  • রেপিং প্লাস্টিক পেপার: 40-80 টাকা রোলের দাম
Filter tube
ফিল্টার টিউব

সিগারেট তৈরির কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where to buy raw materials for making cigarettes?)

সিগারেট তৈরির কাঁচামাল কেনার জন্য আপনাকে যেতে হবে আপনার এলাকার বড় পাইকারি মার্কেটে। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের সিগারেট তৈরীর যে তামাক পাতা তার চাষ হয় না তার জন্য আপনাকে আনতে হবে বাইরে থেকে অর্ডার দিয়ে কিনে। তবে আপনি যদি ছোট করে সিগারেট ব্যবসা শুরু করেন সে ক্ষেত্রে আপনার লোকাল বড় পাইকারি বাজার থেকেই সকল কাঁচামাল পেয়ে যাবেন। আর আপনি যদি বড় করে সিগারেট তৈরির কারখানা তৈরি করেন এবং ব্যবসা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সরাসরি যে জায়গায় তামাক পাতা তৈরি হয় সেখান থেকে ক্রয় করতে হবে অনলাইন অর্ডারের মধ্য দিয়ে।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বড় বাজার পাইকারি মার্কেট থেকে সিগারেট তৈরীর সমস্ত ধরনের কাঁচামাল অল্প মূল্যে আপনি পেয়ে যাবেন। আবার যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই চাইলে আপনি কাঁচামালও কিনতে পারেন। বাংলাদেশের ঢাকার চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে সব ধরনের কাঁচামাল স্বল্পমূল্যে কেনা যায়। চকবাজার পাইকারি মার্কেটে যদি আপনি সিগারেট তৈরির কাঁচামাল কিনতে না পান তাহলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইনে দারস্ত হতে হবে। অনলাইনে ইন্ডিয়া মার্ট ওয়েবসাইটে সকল প্রকার কাঁচামাল বিক্রয় হয়। তাই এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রয়োজন মতো কাঁচামাল কিনতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন- ব্যবসা করুন মাত্র 600 টাকা দিয়ে

সিগারেট তৈরী করতে কি কি মেশিন লাগে? (What machines are needed to make cigarettes?)

সিগারেট তৈরীর ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই সিগারেট বানানোর জন্য মেশিন কিনতে হবে। বর্তমানে সিগারেট তৈরি করার মেশিন বহু ধরনের এবং বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে তাই আপনার কাছে যেমন পুঁজি থাকবে আপনি সেই পুঁজি দিয়ে মেশিন কিনে ব্যবসা করতে পারেন। সিগারেট তৈরির জন্য হ্যান্ড মেড মেশিনের সাথে সাথে অটোমেটিক ইলেকট্রিক মেশিনও পেয়ে যাবেন। সাধারণত সিগারেট তৈরীর মেশিনকে বলা হয় সিগারেট ফিলার মেশিন নামে।

সিগারেট তৈরীর মেশিনের দাম কত? (How much does the cigarette making machine cost?)

সিগারেট তৈরীর ব্যবসা করতে হলে যে সিগারেট তৈরীর মেশিন কিনতে হবে এবং সেই মেশিন কেনার জন্য অল্প টাকা থেকে লাখ টাকার মেশিন পেয়ে যাবে।
সিগারেট ফিলার মেশিন দাম 10 হাজার টাকা থেকে 10 লক্ষ টাকা পর্যন্ত। 10 হাজার টাকায় খুবই ছোট ধরনের মেশিন যা আপনি amazon indiamart ওয়েবসাইটে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

তবে এই মেশিনে ব্যবসা করার জন্য খুব বেশি সুবিধা আপনার হবে না, কারণ এই মেশিন সারা দিনে 500 থেকে 1 হাজার টার মতো সিগারেট বানাতে সক্ষম হয় কারণ এই মেশিন হ্যান্ড মেড মেশিন হাতে চালাতে হয়। তাই সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই 15 হাজার টাকা থেকে 20 হাজার টাকা দামের মেশিন কিনতে হবে। যদিও এই মেশিন হাতে চালাতে হয় তবুও এই মেশিনে আপনি বেশি পরিমাণে সিগারেট বানাতে পারবেন। আর আপনি যদি সিগারেট তৈরীর কারখানা তৈরি করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে 8 লাখ টাকা থেকে 10 লাখ টাকা দামের বড় ইলেকট্রিক অটোমেটিক মেশিন কিনতে হবে।

আরো পড়ুন- পেপার কাপ তৈরির ব্যবসা

সিগারেট তৈরীর মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where to buy cigarette making machine?)

সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে হলে যে মেশিন আপনাকে কিনতে হবে সেই মেশিন কেনার জন্য আপনার এলাকার বড় মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশের খুব অল্প পরিমাণের বিক্রেতা সিগারেট তৈরি করার ব্যবসার সাথে জড়িত তাই এই মেশিনের চাহিদা খুবই কম। এই কারণে বড় মেশিন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানির কাছে আগে থেকে অর্ডার দিতে হবে মেশিনের বা তাদের কাছে যদি কোন মেশিন থাকে তা মডিফাই করে আপনার পছন্দমত বানিয়ে নিতে হবে।

তবে সিগারেট তৈরীর মেশিন আপনি কিনতে পেয়ে যাবেন amazon ও ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে। ইন্ডিয়ান মার্ট ওয়েবসাইটে একাধিক দামের বিভিন্ন রকমের মেশিন পেয়ে যাবেন। তবুও আপনার এলাকার মধ্যে যে সকল মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি সিগারেট তৈরীর মেশিন তৈরি করে তাদের যোগাযোগ নাম্বার নিচে দেওয়া হল, আপনার ফোন করে কথা বলে নিয়ে মেশিন অর্ডার করতে পারেন। সিগারেট বানানোর ট্রেনিং ও এই কোম্পানির কাছ থেকে পেয়ে যাবেন মেশিন কেনার সময়।

  • phone no., whatsapp: +48 514281573
  • জে এস ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্ক যোগাযোগ 01710853681

কিভাবে সিগারেট তৈরি হয়? (How are cigarettes made?)

সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে নিজে জানতে হবে সিগারেট তৈরি কিভাবে হয় সেটা। হ্যান্ড মেড সিগারেট ফিলিং মেশিনে সিগারেট বানাতে হলে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা হলো-

  • সিগারেট ফিলিং মেশিনের ওপর প্রান্তে তামাক দিয়ে দিতে হয়।
  • ফিল্টার টিউবগুলি 10 থেকে 15 টির মতো আর এক প্রান্তে রেখে দিতে হয়।
  • এরপর হাত দিয়ে চাপ দিলেই সিগারেট ফিল্টার টিউবের ভেতর তামাক পাতা ভর্তি হয়ে যায় এবং বাইরে বের হয়ে আসে।
  • খুব সহজ ভাবেই সিগারেট তৈরি হয়ে যায়।
  • অটোমেটিক মেশিনে একসাথে কয়েক হাজার ফিল্টার টিউব মেশিনের ভেতর দিয়ে দিতে হয়।
  • যেখানে তামাক ঢালার জায়গা রয়েছে সেখানে তামাক পাতা ভর্তি করে দিতে হয়।
  • এরপর অটোমেটিক মেশিন চালিয়ে দিলেই খুব সহজেই সিগারেটের ফিল্টার টিউবের ভেতর তামাক ভর্তি হয়ে যায় এবং অটোমেটিক পদ্ধতিতে সিগারেট বাইরে বের হয়ে আসে।
  • এরপর সিগারেট বাক্সর ভেতরে পরিমাণ মতো দশটা করে সিগারেট ভর্তি করে প্যাকেজিং করতে হয়।

সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে? (Do you need a license to make cigarettes?)

প্রতিটা ব্যবসা করতে গেলে সরকারের কাছ থেকে একাধিক লাইসেন্স নিতে হয়। তাই আপনি যে এলাকায় ব্যবসা করবেন সেই এলাকায় সিগারেট তৈরির ব্যবসা করার জন্য আলাদা কি কি লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়বে তা অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে। সাধারণত ভারতের প্রতিটি রাজ্যের মধ্যে সিগারেট তৈরির ব্যবসা করার জন্য যে সকল লাইসেন্স নিতে হবে তা হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • জি এস টি নাম্বার
  • টোবাকো লাইসেন্স
  • MSME রেজিঃ
  • কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক (বড় মেশিন চালানোর জন্য)
Cigarette making machine
সিগারেট তৈরীর মেশিন

সিগারেট প্যাকেজিং কিভাবে করবেন? (How to do cigarette packaging?)

সিগারেট প্যাকেজিং করার জন্য সিগারেট প্যাকেট আপনার ব্র্যান্ডের তৈরি করাতে হবে। আপনি যদি সিগারেট তৈরির ব্যবসা শুরু করেন সে ক্ষেত্রে সিগারেট প্যাকেট তৈরি করা নিজস্ব ব্যান্ডের তা অত্যান্ত প্রয়োজনীয়। সিগারেট প্যাকেট যেকোনো বড় শহরের প্যাকেট তৈরির কোম্পানির কাছ থেকে আপনি নিজস্ব ব্র্যান্ডের প্যাকেট তৈরি করাতে পারবেন। এরপর প্রতিটি সিগারেট বাক্সে দশটা করে সিগারেট ভর্তি করে প্লাস্টিক রেপিং পেপার দিয়ে সিল করে দিতে হবে। আবার দশটা সিগারেট প্যাকেট একসাথে নিয়ে প্লাস্টিক পেপারে প্যাকেজিং করে দোকানে পাইকারি বিক্রির জন্য প্রস্তুত করতে হবে। মনে রাখবেন সিগারেট প্যাকেটের ওপর আপনার কোম্পানির নামসহ যোগাযোগ নাম্বার হিসেবে আপনার অফিসের নাম্বার দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

অবশ্যই পড়ুন- একটা মেশিন দিয়ে 5টি ব্যবসা করুন

কিভাবে সিগারেটের মার্কেটিং করবেন? (How to do cigarette marketing?)

সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে সর্বপ্রথম মার্কেটিং এর উপর বেশি করে জোর দিতে হবে। কারণ বাজারে নামিদামি কোম্পানির ব্র্যান্ডেড সিগারেট বিক্রি হওয়ার কারণে আপনার সিগারেটের বেশি মার্কেটিং করা অত্যান্ত প্রয়োজনীয়। যেহেতু আপনি সিগারেটের নতুন ব্র্যান্ড বাজারে লঞ্চ করতে চলেছেন এবং তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিক্রি করতে চাইছেন তাই আপনাকে আধুনিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং এর ওপর বেশি করে জোর দিতে হবে। আপনার ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য যে পদ্ধতিতে আপনি মার্কেটিং করতে পারেন তা হল-

  1. যে এলাকায় সিগারেট তৈরির ব্যবসা করছেন সেই এলাকার আশেপাশের পাইকারি দোকানগুলিতে আপনি সিগারেট বিক্রি করতে পারেন।
  2. আপনার এলাকার ছোট বড় রিটেল দোকানদারদের সিগারেট বিক্রি করতে পারেন এবং একটা দুটো অফার দিয়ে আপনার সিগারেট কেনার জন্য আকর্ষণ বাড়াতে পারেন।
  3. পাইকারি বিক্রেতাদেরও সিগারেট বিক্রির ক্ষেত্রে একটি করে এক্সট্রা প্যাকেট এমনিতে দিতে পারেন।
  4. ফেসবুক গুগল ইউটিউবে সিগারেটের একটি অ্যাড তৈরি করে তা ব্যাপকভাবে প্রচার চালাতে পারেন। যেহেতু বর্তমান সময়ে মানুষ ইন্টারনেটের ওপর বেশি করে আসক্ত তাই এই ধরনের ইন্টারনেটের বিজ্ঞাপনগুলি মানুষের কাছে খুব দ্রুত হাড়ে নিয়ে পৌঁছে যাবে আপনার ব্র্যান্ডের সিগারেট কে।
  5. ফেসবুক, ইউটিউবে নিজস্ব পেজ তৈরি করে সিগারেট সম্পর্কে বিভিন্ন পোস্ট করতে পারেন এবং সেখানে প্রতিদিন আপনার ব্রান্ডের সিগারেটের নিত্যনতুন ছবি আপলোড করতে পারেন।
  6. সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। এই ওয়েবসাইটে আপনার সিগারেট কোম্পানি সম্পর্কে যাবতীয় পোস্ট প্রতিদিন আপডেট করতে হবে। এই ওয়েবসাইটের মধ্যে দিয়েও আপনি অনেক কাস্টমার পেয়ে যাবেন।
  7. ছোট-বড় বিভিন্ন শহরে একাধিক ডিস্ট্রিবিউটার তৈরি করে সিগারেট বিক্রি করতে পারেন।
  8. আপনার এলাকার বড় বড় পাইকারি বাজারে গিয়ে পাইকারি দোকানগুলিতে সিগারেট বিক্রি করতে পারেন।

সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (How much money does it take to make cigarettes?)

আপনি যদি ছোট করে সিগারেট তৈরির ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে কমপক্ষে 20 হাজার টাকা থেকে 30 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এই ব্যবসায়। তবে আপনি যদি একটি সিগারেট তৈরীর কারখানা বড় আকারের শুরু করেন এবং দামি মেশিন কিনে শুরু করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে কমপক্ষে 10 লাখ টাকা থেকে 15 লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এই ব্যবসা করার জন্য।

ব্যবসার শুরুতেই বড় প্লান্ট তৈরি না করে ছোট হ্যান্ড মেড মেশিন কিনে ব্যবসা করুন। মার্কেট সম্পর্কে বুঝুন, মার্কেট রিসার্চ করুন এবং তারপরেই আপনি সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে পারলে বড় মেশিন কিনে কাজ শুরু করতে পারেন। বর্তমানে যেহেতু আপনার এলাকায় কেউ সিগারেট তৈরির ব্যবসা করছে না সেক্ষেত্রে আপনি যদি এই ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনি সফল ব্যবসায়ী হবেন এবং ব্যাপক মার্কেট ধরতে পারবেন।

সিগারেট তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? (How much profit in the cigarette manufacturing business?)

ছোট আকারের সিগারেট তৈরির ব্যবসা শুরু করুন আর বড় আকারের সিগারেট ব্যবসা করুন লাভ হবে আপনি যে পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করবেন ব্যবসায় তার অনুপাতে। ধরুন 1 হাজার ফিল্টার টিউব সহ এক কেজি তামা কিনতে খরচ হচ্ছে 1300 টাকা। 1 টা সিগারেট প্যাকেট তৈরি করতে খরচ হচ্ছে 2 টাকা। অর্থাৎ 1 হাজার সিগারেট আপনি 100 টি প্যাকেটে ভরে ফেলতে পারবেন। এক প্যাকেট সিগারেট তৈরি করতে আপনার খরচ হবে 20 টাকা থেকে 25 টাকা।

পাইকারি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন 40-50 টাকা দামে। অর্থাৎ এক প্যাকেট সিগারেট তৈরি করে আপনি 15 টাকা থেকে 25 টাকা লাভ করতে পারবেন। একজন ছোট সিগারেট তৈরির ব্যবসায়ী প্রতিদিন 2 হাজার টাকা থেকে 2.5 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। আর বড় সিগারেট তৈরীর কারখানাগুলো প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে শুধুমাত্র সিগারেট তৈরি করে বিক্রি করে।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

সিগারেট ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: সিগারেট তৈরির ব্যবসা ছোট করে করতে 20 হাজার টাকা থেকে 30 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হয়।

সিগারেট তৈরীর ব্যবসা বাড়িতে থেকে কি করা যায়?

উত্তর: বাড়িতেই ছোট মেশিন কিনে আপনি সিগারেট তৈরির ব্যবসা করতে পারবেন।

সিগারেট ফিল্টার টিউবের দাম কত?

উত্তর: 1 টাকা করে প্রতিটা ফিল্টার টিউবের দাম পড়বে পাইকারি মার্কেটে।

সিগারেটের কি ধরনের তামাকের প্রয়োজন?

উত্তর: উন্নত জাতের তামাক পাতা সিগারেটের জন্য পাতলা করে কাটা হয় এবং তা ব্যবহার করা হয়।

সিগারেট ফিলার মেশিনের দাম কত?

উত্তর: সিগারেট ফিলার মেশিনের দাম 10 হাজার টাকা থেকে 10 লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।

সিগারেট তৈরির ব্যবসায় লাভ কত হয়?

উত্তর: ছোট ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন 2000 টাকা করে, মাসে 60 হাজার টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকার ওপরে লাভ হয়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

বিস্কুট তৈরির ব্যবসা

 খুব কম টাকা লাগিয়ে প্রতি মাসে 1 লাখ টাকা লাভ

Leave a Comment