সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা মাত্র ১০ হাজার টাকায় | 10 Simple Rules to Start a Bicycle Garage Business, Wow

ভারত বাংলাদেশের সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ সাইকেল ব্যবহার করে থাকে। তাই আপনি যদি সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা থেকে আপনি বহু টাকা উপার্জন করতে পারবেন এবং বছরের শেষ দিন পর্যন্ত আপনার ব্যবসা ভালোভাবে চলবে, আর ব্যবসাতে কোন সময় লস খাবেন না। গ্রাম বাংলার মানুষ থেকে শহরাঞ্চলের মানুষের প্রায় প্রতিটা পরিবারেই একটি করে সাইকেল দেখতে পাওয়া যায়। সাইকেল থাকা মানে সাইকেল সারানোর প্রয়োজন পড়বে এবং সাইকেল সারাতে হলে সাইকেল গ্যারেজে যেতে হবে।

তাই দিনে দিনে সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা ও খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করছে আগের থেকে অনেক বেশি করে। কারণ এখন শুধুমাত্র পুরোনো দিনের সাইকেল না এখন আধুনিক ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রিক সাইকেল ও সারানোর জন্য সাইকেল গ্যারেজের প্রয়োজন পড়ছে। আজ তাই এই পোস্টে সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেওয়া হল, আপনারা আপনাদের সুবিধার্থে ভালো করে পড়ে ব্যবসা করতে পারবেন।

Table of Contents

সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

প্রতিটা অল্প পুঁজির ব্যবসার মতো সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করার জন্য আপনাকে নূন্যতম অল্প টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ আপনার কাছে যদি কম টাকা থেকে থাকে তাহলেও আপনি ছোট করে সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে পারবেন। আবার আপনি যদি চান সাইকেল গ্যারেজ অনেক বড় করে শুরু করতে পারেন বেশি টাকা বিনিয়োগ করে। সাধারণত ছোট করে সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে আপনার 10 হাজার টাকা থেকে 20 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আবার আপনি যদি শহরের দিকে বড় আকারের সাইকেল গ্যারেজ তৈরি করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে 50 হাজার টাকা থেকে 2 লক্ষ টাকার মত বিনিয়োগ করতে হবে।

আপনার কাছে যেমন পুঁজি আছে আপনি আপনার ব্যবসা সেইভাবে শুরু করতে পারেন। তবে আপনার যদি আগে থেকে সাইকেল গ্যারেজ ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য না জানা থাকে বা এই ব্যবসা সম্বন্ধে একটুও না জ্ঞান থাকে তাহলে ব্যবসা শুরুতে অল্প পুজি বিনিয়োগ করে ছোট করে ব্যবসাটি শুরু করুন। অযথা আপনি বেশি পুঁজি বিনিয়োগ করে ব্যবসা শুরু করলে পরবর্তীকালে বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে আপনি পড়তে পারেন কারণ এই ব্যবসা সম্পর্কে আপনার সাধারণ জ্ঞান না থাকার জন্য। তবে সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা খুবই সহজ একটি ব্যবসা যা সহজেই আপনি বুঝতে পারবেন এবং করতে পারবেন।

Bicycle garage business
সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা

সাইকেল গ্যারেজ তৈরি করতে কি কি যন্ত্রপাতি কিনতে হয়?

একটি সাইকেল গ্যারেজ তৈরি করতে হলে আপনাকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কিনতে হবে সাইকেল সারানোর জন্য। আর এই সকল যন্ত্রপাতি গুলি হল-

  • রেঞ্চ সেট
  • রিং রেঞ্চ
  • সিরিঞ্জ
  • প্লাস
  • স্ক্রু ড্রাইভার একাধিক সাইজের
  • আঠা ও টেপ
  • কাঁচি
  • জলের পাত্র
  • এলানচি ইত্যাদি

সাইকেল সারানোর দোকান তৈরি করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

আপনি যদি অল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন সেক্ষেত্রে একটি ছোট কাঠের গুমটি তৈরি করে সাইকেল সারানোর দোকান তৈরি করতে পারেন। আবার আপনার কাছে যদি প্রয়োজনীয় অর্থ থাকে তাহলে যে কোন রাস্তার ধারে বা বাজার এলাকাতে দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে সাইকেল গ্যারেজ বানাতে পারেন। এক্ষেত্রে 10/10 ফুটের একটি ঘর হলেই যথেষ্ট ভালোভাবে আপনি সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে পারবেন। সাধারণত আমরা লক্ষ্য করি যে সকল সাইকেল গ্যারেজ রয়েছে তারা সবাই সাধারণ দোকানের মত ঘর ভাড়া নিয়ে বা নিজস্ব ঘর তৈরি করে গ্যারেজ চালাচ্ছে।

আবার আপনি যদি একটি পাইকারি বড় সাইকেল গ্যারেজ তৈরি করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার দোকানের আয়তন অবশ্যই 20/20 ফুট অথবা 20/30 ফুটের প্রয়োজন। আপনি কতটা পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় নামছেন তার ওপরে নির্ভর করবে দোকানের আয়তন। সাধারণত ছোট দোকান করেও ব্যবসা করা যায়।

অবশ্যই পড়ুন- গাড়ি ধোয়ার ব্যবসা করুন বিনা পুঁজিতে

সাইকেল পার্টস কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে সাইকেল পার্টস কোথায় কিনতে পাওয়া যায়। বর্তমানে আপনি যদি পশ্চিমবঙ্গে থেকে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে কম দামে সাইকেল পার্টস কেনার জন্য আসতে হবে কলকাতার বড় বাজারে। ওয়েলিংটন এবং মল্লিকবাজার চত্বরেও বাইকের পার্সের সাথে সাথে সাইকেলের পার্টস পেয়ে যাবেন। আর আপনি যদি বাংলাদেশে থেকে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে আসতে হবে ঢাকার চকবাজার এলাকাতে।

চকবাজারে সাইকেল পার্টস এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ পার্টসের আলাদা একটি মার্কেট রয়েছে এই মার্কেট থেকে আপনি পেয়ে যাবেন সকল প্রকার সাইকেল পার্টস অল্প দামে। যদি কোন কারণবশত মার্কেটে সাইকেল পার্টস আপনি না পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইন থেকে সেই পার্টস গুলি কিনতে হবে। অনলাইনে কেনার জন্য আপনি amazon ও ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।

সাইকেল দোকান তৈরি করুন?

সাইকেল গ্যারাজের ব্যবসার সাথে সাথে আপনি চাইলে নতুন সাইকেল দোকান তৈরি করতে পারেন। কারণ বর্তমানে প্রায় প্রতিটা ব্যবসায়ী সাইকেলে গ্যারেজের পাশাপাশি নতুন সাইকেল দোকান তৈরি করে। যাতে কোন গ্রাহক এসে সাইকেল সারানোর পাশাপাশি নতুন সাইকেল তার কাছ থেকে কিনতে পারে। আবার আপনি যদি শুধু সাইকেল দোকান তৈরি করে থাকেন তাহলে সাইকেল দোকানের পাশেই আপনি সাইকেল সারানোর গ্যারেজ বা সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

কারণ একটি দোকানে সাইকেল নতুন করে তৈরি করা এবং বিক্রি করার পাশাপাশি সেই সাইকেল রিপিয়ারিং এর জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হয়। তবে সাইকেলের দোকান তৈরি করতে গেলে আপনাকে একটু বেশি পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় নামতে হবে। বর্তমানে যেহেতু ইলেকট্রিক সাইকেল এর যুগ তাই আপনি আপনার দোকানে একাধিক মডেলের ইলেকট্রিক সাইকেল রাখতে পারেন। আর আপনি যদি শুধু ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা করতে চান তাহলে অবশ্যই দেখুন এই লিংকে- ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা

সাইকেল সারানোর প্রশিক্ষণ

সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে সাইকেল সারানোর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর আপনি যদি চান প্রশিক্ষিত সাইকেল মেকানিককে কাজে নিযুক্ত করে আপনি সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করবেন তাহলেও আপনি তা করতে পারেন। বর্তমানে এমন অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা নিজেরা সাইকেল সারানোর কাজ জানেন না কিন্তু তার দোকানে একাধিক সাইকেল সারানোর মিস্ত্রি রয়েছে। তাই আপনি যদি সাইকেল সারানোর মিস্ত্রি হতে চান এবং নিজে একটি সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা খুলতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সাইকেল সারানোর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর সাইকেল সারানোর প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য আপনাকে যে কোন সাইকেল গ্যারেজে কিছুদিন কাজ করতে হবে।

সাইকেল সারানোর দোকানের ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্সের প্রয়োজন?

যেকোনো ব্যবসা শুরু করতে গেলে বর্তমানে সরকারি দু-একটি লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে। তবে আপনি যদি ছোট আকারের সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনার কোন লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়বে না। আবার আপনি যদি গ্রামাঞ্চলের দিকে গ্যারেজ তৈরি করেন তাহলেও আপনার কোন লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়বে না। কারণ গ্রামাঞ্চলের দিকে তেমন বেশি সরকারি আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে হয় না কোন ছোট ব্যবসায়ীকে।

তবে আপনি শহরে বা শহরাঞ্চলের দিকে যদি সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করেন তাহলে অবশ্যই আপনার দোকান তৈরীর সাথে সাথেই একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে নিতে হবে। আর আপনার ব্যবসা যখন বড় হয়ে যাবে বা আপনার ব্যবসা যদি বড় হয়ে থাকে, আর আপনার ব্যবসা থেকে যদি প্রতি মাসে 2 লক্ষ থেকে 3 লক্ষ টাকা আয় হতে শুরু করে তাহলে অবশ্যই আপনাকে একটি জিএসটি নাম্বার নিতে হবে।

আরো পড়ুন- ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসা

সাইকেল গ্যারেজের দোকান ডেকোরেশন কেমন করবেন?

সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে গ্যারেজের ভেতর এবং বাইরের ডেকোরেশনের দিকে খেয়াল দিতে হবে। সাধারণত দোকান তৈরির পরে আপনাকে একটি দোকানের নাম রাখতে হবে এবং এই নামটার সাইনবোর্ড দোকানের ওপরে লাগাতে হবে। দোকানের বাইরে থেকে যাতে গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তার জন্য আপনাকে একাধিক সাইজের সাইনবোর্ড বা ফ্লেক্স লাগাতে হবে। দোকানের ভেতরে সাইকেল এর বিভিন্ন পার্টস সাজিয়ে রাখতে হবে। সাইকেল সাজানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম দোকানের দেওয়ালে সুন্দর করে আটকে রাখতে হবে।

এরজন্য আপনি দোকানের দেওয়ালে কাঠের সেলফ তৈরি করতে পারেন এই কাঠের সেলফে সাজিয়ে সকল প্রকার আইটেম রাখতে পারেন। দোকানের ভেতরে নতুন সাইকেলের কালেকশন রাখতে পারেন যাতে গ্যারেজে আসা গ্রাহক সাইকেল সারাতে সারাতে নতুন সাইকেল দেখে তা কেনার চেষ্টা করে।

Bicycle repair shop
সাইকেল সারানোর দোকান

ইলেকট্রিক সাইকেল সারানোর গ্যারেজ

বর্তমানে যেহেতু ইলেকট্রিক সাইকেলের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে তাই আপনাকেও আপনার সাইকেল গ্যারেজের মধ্য ইলেকট্রিক সাইকেল সারানোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। সাধারণ সাইকেল আর ইলেকট্রিক সাইকেলের মধ্যে খুব বেশি তফাৎ না থাকার কারণে আপনি খুব সহজেই ইলেকট্রিক সাইকেল চালাতে পারবেন। ইলেকট্রিক সাইকেল সারানোর জন্য আপনাকে আলাদা করে ইলেকট্রিক ব্যাটারি ও ইলেকট্রিক সাইকেলে লাগানো আধুনিক পার্টস গুলি সম্পর্কে জানতে হবে এবং তা পাইকারি বাজার থেকে কম দামে কিনে আনতে হবে।

কারণ হতেই পারে আপনি যে এলাকাতে সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করছেন সেই এলাকায় একাধিক ইলেকট্রিক সাইকেল রয়েছে, এবং অন্য সাইকেল গ্যারেজ গুলিতে ইলেকট্রিক সাইকেল সারানোর সুবিধা না থাকার কারণে তারা আপনার কাছে আসতে পারে যদি আপনার কাছে এই সুবিধা পাওয়া যায়।

অবশ্যই পড়ুন- পাঁপড় তৈরির ব্যবসা করুন 5 হাজার টাকায়

সাইকেল গ্যারেজের মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে গেলে মার্কেটিং এর ওপরে আপনি একটু বেশি জোর দিতে পারেন। যেহেতু আপনি যে এলাকাতে ব্যবসা করছেন সেই এলাকায় আগে থেকেই বহুসাইকেল গ্যারেজ রয়েছে তাই আপনি যদি সঠিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং এর উপর জোর দেন তাহলে আপনি খুব সহজেই তাদের থেকে বেশি গ্রাহক পেয়ে যাবেন। যে পদ্ধতিতে মার্কেটিং করবেন তা হল-

  • স্কুল-কলে কলেজের গেটের বাইরে বা কাছাকাছি আপনি বড় ফ্লেক্স লাগিয়ে সাইকেল গ্যারেজের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • বিভিন্ন জনবহুল মোড় গুলিতে ফ্লেক্স লাগিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
  • বিজ্ঞাপনে আপনার দোকানে আলাদা কি কি সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তা অবশ্যই দিয়ে দিন।
  • ফেসবুক ও ইউটিউবে পেজ তৈরি করেও আপনার আধুনিক সাইকেল গ্যারেজের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • ইউটিউব, গুগল এবং ফেসবুকের মাধ্যমে অল্প টাকা খরচ করে যে এলাকাতে আপনি ব্যবসা করছেন সেই এলাকার আশেপাশের অঞ্চলের মধ্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • যে এলাকাতে আপনি ব্যবসা করছেন সেই এলাকার আশেপাশের অঞ্চলে, গ্রামেগঞ্জে অথবা শহরের অলিতে গলিতে ছোট বড় পোস্টার ছাপিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।

সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসায় লাভ কত?

সাধারণত সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসার শুরু করতে যেমন অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয় তেমন এই ব্যবসা থেকে প্রচুর টাকা লাভ করা যায়। যেকোনো সাইকেলে যে কোন ছোট কাজের জন্য আপনি কমপক্ষে দশ টাকা চার্জ করতে পারেন। একজন ছোট সাইকেল সারানোর দোকানের মালিক প্রতিদিন 2 হাজার টাকা থেকে 3 হাজার টাকা ইনকাম করে থাকেন। আপনিও যদি সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করেন তাহলেও আপনি প্রতিদিন 2-3 হাজার টাকা ইনকাম করার পাশাপাশি প্রতিমাসে 50-60 হাজার টাকা খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। বড় বড় সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসায়ীরা প্রতিমাসে 1 লক্ষ টাকা থেকে 2 লক্ষ টাকার মত ইনকাম করেন। আপনি কি পদ্ধতিতে ব্যবসা করছেন এবং কোন জায়গাতে ব্যবসা করছেন তার ওপরে নির্ভর করবে সম্পূর্ণ আপনার লাভের পরিমাণটা।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

  1. সাইকেল গ্যারেজের ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

    উত্তর: 30 হাজার টাকা থেকে 50 হাজার টাকা।

  2. বাইসাইকেল গ্যারেজ কোথায় করা যায়?

    উত্তর: গ্রাম হোক কিংবা শহর যেকোনো রাস্তার ধারে বাইসাইকেল গ্যারেজ তৈরি করা যায়।

  3. বাইক গ্যারেজে কি সাইকেল সারানো যায়?

    উত্তর: কোন কোন গ্যারেজে অল্প কাজ হলেও সাধারণত বাইক গ্যারেজে সাইকেল সারানো যায় না।

  4. সাইকেল গ্যারেজে কি ইলেকট্রিক সাইকেল সারানো যায়?

    উত্তর: সব সাইকেল গ্যারেজে ইলেকট্রিক সাইকেল সারানো না গেলেও বেশিরভাগ সাইকেল গ্যারেজে ইলেকট্রিক সাইকেল সারানোর ব্যবস্থা বর্তমানে রয়েছে।

  5. ইলেকট্রিক সাইকেল কি বাইক গ্যারেজে সারানো যায়?

    উত্তর: কিছু কাজ বাইক গ্যারেজে হলেও সব কাজ বাইক গ্যারেজে সম্ভব নয়।

  6. সাইকেল সারানোর দোকানে লাভ কত?

    উত্তর: প্রতিদিন 1 থেকে 2 হাজার টাকা সাইকেল সারানোর দোকানে লাভ থাকে

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

কেটে ফেলে কলা গাছ থেকে মাসে 1 লাখ টাকা আয়

কাঁচের চুড়ির ব্যবসা করুন মাত্র 10 হাজার টাকায়

Leave a Comment