মৌমাছি চাষের ব্যবসা | Became a successful businessman in bee farming business 1

বর্তমান সময়ে মৌমাছি চাষের ব্যবসা করে সফল হয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। তাই আপনার জন্যেও মৌমাছি চাষের ব্যবসা এনে দিতে পারে অনেক সাফল্য। বর্তমানে ভারতের মধু সারা পৃথিবীতে সুনাম অর্জন করছে। তাই মৌমাছি চাষের ব্যবসা করে আপনি মধু দেশে বিদেশে রপ্তানী করতে পারেন। এছাড়া মৌমাছি চাষ করতে খুব অল্প পুঁজি খরচ হয় এবং এই ব্যবসা গ্রামে থেকে করা খুব সহজ। কিন্তু যদি আপনি ভেবে থাকেন কিভাবে মৌমাছি চাষ করবেন এবং কিভাবে মধু ব্যবসা শুরু করবেন তাহলে আপনার জন্য আজকের এই পোষ্টটি।

Bee keeping business
মৌমাছি পালনের ব্যবসা

কিভাবে মৌমাছি চাষের ব্যবসা করা হয়? (How is bee keeping business done?)

আমরা অনেকেই মৌমাছির নাম শুনলে ভয় পায়, কিন্তু মৌমাছি চাষের ব্যবসা অনেক লাভজনক একটি ব্যবসা। তাই সঠিক উপায় সুকৌশলে যদি আপনি মৌমাছি চাষের ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনি অনেক লাভবান হবেন। সমস্ত ভয় কাটিয়ে মৌমাছি চাষের ট্রেনিং নিয়ে মৌমাছি চাষের ব্যবসা শুরু করা যায়। মৌমাছি চাষ করার জন্য একটা ফাঁকা ঘর অথবা ফাঁকা জায়গার প্রয়োজন। তাই আপনি যদি গ্রামে থাকেন তাহলে আপনার জন্য সুবর্ণ সুযোগ এর থেকে বেশি কিছু নয়।

আমরা সবাই জানি মধু এবং মোমের চাহিদা শুধু আমাদের দেশে নয় বিদেশেও ব্যাপকভাবে রয়েছে। তাই মৌমাছি চাষের ব্যবসা করে আপনি দেশে-বিদেশে মধুও মোম সরবরাহ করতে পারেন। উল্টোদিকে আবার অন্য বাকি সব ব্যবসার মতো মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে প্রচুর টাকার দরকার পড়েনা, খুবই অল্প টাকা দিয়ে মৌমাছি চাষের ব্যবসা শুরু করা যায়। চলুন দেখা যাক মৌমাছি চাষের পদ্ধতি গুলি।

মৌমাছি পালন করতে কেমন পরিবেশ দরকার

মৌমাছি পালন করার জন্য মৌমাছি সম্পর্কে আমাদের সাধারণ ধারণা তৈরি হওয়ার অনেক দরকার রয়েছে। মৌমাছি পালন করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় গ্রীষ্মকাল কারণ গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ এর ফুল ফোটে এবং সেই সব ফুলের সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মধু পাওয়া যায়। এছাড়াও শীতকালে অনেক ধরনের ফুল ফোটার কারণে শীতকালেও মৌমাছি চাষ সুন্দর ভাবে করা যায়। মৌমাছি চাষ করার জন্য নির্ভরযোগ্য এবং সুন্দর যে জায়গার প্রয়োজন সে বিষয়ে আমাদের জানা উচিত-

  1. যে এলাকাতে মৌমাছি চাষ করা হবে তার কাছাকাছি যেন নেকটার উৎপাদনকারী প্রচুর উদ্ভিদ থাকে।
  2. মৌমাছি যে স্থানে তার বাসা টি তৈরি করে সাধারণত তার কাছাকাছি পরিষ্কার জলের উৎস থাকে। তাই আপনাকেও মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে হলে পরিস্কার জলের উৎস আগে ঠিক করতে হবে।
  3. যে এলাকায় উদ্ভিদে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয় সেই এলাকাতে মৌমাছি পালন না করাই ভালো।
  4. গ্রীষ্মকালের সময় মৌমাছির বাসা টি অবশ্যই ছায়াযুক্ত অঞ্চলে তৈরি করতে হবে।
  5. শীতকালের সময় মৌমাছি চাষ করতে হলে আপনাকে আংশিক সূর্যের আলো যেন মৌমাছির বাসায় প্রবেশ করে এমন জায়গা নির্ধারণ করে বাসা তৈরি করতে হবে।

অবশ্যই পড়ুন- ১০ টি অনলাইন ইনকাম করার উপায়

মৌমাছি পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কি কি?

মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে মৌমাছি পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গুলিকে। আর সেই সব সরঞ্জাম হল-

  1. বিশেষ ধরনের কাঠের বাক্স যার ভেতরে মৌমাছি মৌচাক তৈরি করবে।
  2. নরম চামড়ায় গ্লাভস যাতে মৌমাছির হুল থেকে আপনার হাত থেকে বাঁচানো যায়।
  3. হাইভ টুলস যা ব্যবহার করা হয় মৌমাছির কলোনির ভেতরে হাইভ সরানোর জন্য।
  4. বি ভেল মুখ যা আপনার ঘাড় এবং গলাকে মৌমাছির হুল ফোটানো থেকে রক্ষা করে।

মৌমাছি চাষের প্রথম ধাপ

মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে মৌমাছির জন্য বাক্স তৈরি করতে হবে। এক একটা বাক্সতে 2 থেকে 4 লক্ষ মৌমাছি থাকতে পারে যা 4 থেকে 5 কেজি মধু উৎপাদন করে দেয়। এছাড়া প্রতিটা বাক্স ভেতরে 8 থেকে 10 টি ট্রে থাকবে যার মধ্য রানী মৌমাছি থাকবে এবং মৌচাক তৈরি করে মধু দেবে।

প্রতিটা বাক্সে অবশ্যই একটা করে রানী মৌমাছি থাকতে হবে। পুরুষ মৌমাছিদের আলাদা করে রাখতে হবে কারন পুরুষ মৌমাছির ডিম নষ্ট করে দেয় এবং মধু খেয়ে নেয়। মৌমাছি পালন করার জন্য যে কাঠের বাক্স তৈরি আপনি করবেন তা অবশ্যই একাধিক তৈরি করা ভালো। কারণ মৌমাছিরা দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করতে পারে।
আপনি যদি প্রথমে দুটো বাক্স থেকে মৌমাছি চাষের ব্যবসা শুরু করেন তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সেটা 6 থেকে 7 টা বাক্স ভর্তি করে ফেলবে বংশবৃদ্ধি করে। তাই আপনি যখন কাঠের বাক্স তৈরি করবেন একসাথে 10 থেকে 15 টা কাঠের বাক্স বানিয়ে নেবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো মৌমাছি চাষের ব্যবসা সাধারণত বছরের 9 মাস করা হয় কারণ বৃষ্টির সময় মৌমাছি পালন করা সম্ভব হয় না।

Bee keeping box
মৌমাছি পালনের বাক্স

মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই দু’তিনবার করার পরেই আপনার অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব। ব্যবসার শুরুতে আপনি ভালো প্রজাতির মৌমাছি নিয়ে ছোট করে ব্যবসা শুরু করুন। যেহেতু মৌমাছি দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে তাই আপনার একটা বাক্স থেকে দশটা বাক্স পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগবে না। মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে হলে প্রথম একটা বছর আপনি খুব ভালোভাবে ব্যবসা করতে পারবেন না কারণ আপনার মৌমাছিকে বুঝতে এবং ব্যবসাটি সম্পূর্ণ বুঝতে চলে যাবে। তারপর দ্বিতীয় বছর থেকে আপনি খুব ভালোভাবে মৌমাছি পালন করতে পারবেন।

আরো পড়ুন- পেপার কাপ তৈরির ব্যবসা

মৌমাছি পালনের জন্য কেমন আবহাওয়া দরকার

মৌমাছি চাষ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে মৌমাছির জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া সম্পর্কে জানতে হবে। মৌমাছি চাষ অবশ্যই আবহাওয়ার ওপরে নির্ভর করে। বছরের চারটে মাস মৌমাছি চাষ করা একদমই সম্ভব নয়, যে সময় বর্ষাকাল হয় সেই সময়। আবহাওয়া ঠিক থাকলে প্রতিটি বাক্স থেকে একমাসেই 4 থেকে 5 বার মধু আপনি পেতে পারেন এবং প্রতি মাসে 1 টিন করে ভর্তি মধু বিক্রি করতে পারেন। আর আপনি বুঝতেই পারছেন প্রথমের দিকে ব্যবসা করে আপনার লাভ না হলেও, পরবর্তীকালে মৌমাছি চাষের ব্যবসাতে একটা বাক্স থেকে 1 টিন মধু পেলে, যত বাক্স বাড়বে তত বেশি মধু উৎপাদন হবে।

আবার আবহাওয়া খারাপ থাকলে মৌমাছিদের বিভিন্ন রোগ হবে এই রোগে অনেক মৌমাছি মারা যাবে ফলে সঠিক আবহাওয়ার ভীষণ দরকার মৌমাছি চাষ করতে হলে। মৌমাছি পালন করতে হলে প্রতি মাসেই আপনাকে বাক্সগুলো থেকে ট্রেন গুলি বার করে দেখতে হবে মৌমাছি সুস্থ আছে কিনা আর যদি আপনার মনে হয় মৌমাছির কোন রোগ হয়েছে তার জন্য আপনাকে টিটমেন্ট করতে হবে। মৌমাছি যত সুস্থ থাকবে তত বেশি পরিমাণে মধু উৎপাদন হবে, তাই মৌমাছির সুস্থ থাকার দিকে আপনাকে অবশ্যই লক্ষ্য দিতে হবে।


মৌমাছি চাষের ব্যবসাতে খুব বেশি ক্ষতি না হলেও আপনাকে ব্যবসার শুরু থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। বছরের প্রতিটা মরশুমে আপনি 2 থেকে 3 বার করে মধু সংগ্রহ করতে পারবেন। গ্রীষ্মকালে যখন মধু চাষ করা হয় তখন জুনের সময়ে আপনি মধু সংগ্রহ করতে পারবেন আবার সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে আপনি দ্বিতীয়বারের জন্য মধু সংগ্রহ করতে পারবেন।

মৌমাছি পালন করতে কি লাইসেন্স লাগে?

মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে মৌমাছি পালনের জন্য কিছু অনুমতিপত্রের কথা ভাবতে হবে। যেমন আপনি যে স্থানে মৌমাছি পালন করবেন তার কাছাকাছি যদি জনবসতি থাকে সেই জনবসতি এলাকাতে মৌমাছি পালন করার জন্য কোন বিধি-নিষেধ আছে কিনা এটা আপনাকে অবশ্যই জানতে। আপনার নিকটবর্তী বিডিও অফিসে যোগাযোগ করতে হবে এবং যে অঞ্চলে ব্যবসা করবেন সেই অঞ্চলে ব্যবসা করার ছাড়পত্র নিতে হবে। যে কোন ব্যবসা করতে গেলে যেমন ট্রেড লাইসেন্স এর প্রয়োজন হয় তাই আপনিও চাইলে আপনার ব্যবসার শুরুতে কিংবা পরে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে নিতে পারেন।


এছাড়া আপনি যে জায়গাতে মৌমাছি পালন করছেন সেই জায়গার মালিকের অনুমতি পত্র অবশ্যই আপনার লাগবে।বর্তমানে কিছু সমিতি দ্বারা মৌমাছি চাষের ব্যবসা করা হচ্ছে। তাই সেই সব সমিতির কাছ থেকে অনুমতি পত্র নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। এছাড়া আপনি সরকারি পশু কল্যাণ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে মৌমাছি পালন করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি পত্র সম্পর্কে জেনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। রাজ্যের বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন রকমের নিয়ম থাকতে পারে তাই অবশ্যই বিডিও অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই ব্যবসা করা উচিত। এতে করে আপনার কোনো আইনি জটিলতার মধ্যে কোনদিনও পড়তে হবে না।

মৌমাছি পালনের নিজের সুরক্ষা কিভাবে করা হয়?

মৌমাছি চাষের ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে মৌমাছির থেকে নিজেকে সুরক্ষা রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা সকলেই জানি মৌমাছি হুল ফোটালে অনেক যন্ত্রণা হয় তাই সেই ফুল ফোটানো থেকে বাঁচতে আপনাকে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মৌমাছি নিজে কামড়ায় না নিজের আত্মরক্ষার জন্য হুল ফোটায়। তাই জন্য আপনাকে মুখ ও হাত ঢাকার জন্য নেটের টুপি পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে হবে আর মধু সংগ্রহ করার জন্য এক ধরনের ধোঁয়া মেশিন পাওয়া যায় তা দিয়ে মধু সংগ্রহ করবেন। সাধারণত মৌমাছি পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

  1. মৌমাছি প্রতিরক্ষামূলক রক্ষাকবচ
  2. মধু সংগ্রহের জন্য এবং মৌচাক রক্ষণাবেক্ষণের সরঞ্জাম

একটি টুপিসহ ওড়না লাগানো পোশাক মৌমাছির কামড় থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। এছাড়া ধোঁয়া দিয়ে মধু সংগ্রহ করলে মৌমাছি শান্ত থাকবে অফুরন্ত আপনি নির্দ্বিধায় মধু সংগ্রহ করতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন- ব্যবসা করুন মাত্র 600 টাকা দিয়ে

মধু ও মোমের মার্কেটিং কিভাবে করা হয়

মৌমাছি চাষের ব্যবসা করার পর যে মধু উৎপাদন হবে সেই মধুকে অবশ্যই আপনাকে মার্কেটিং করার দিকে বা বিক্রি করার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। উৎপাদিত মধু এবং মোম বাজারে খুব সহজেই বিক্রি হয়ে যায়। উৎপাদিত মধু আপনি নিজে যদি বাজারে নিয়ে যান দেখবেন সাথে সাথে সেই মধু কেনার জন্য লোকের ভিড় লেগে যাবে। আর উৎপাদিত মোম বিক্রি করার জন্য আপনি কিছু পাইকারি দোকান ধরতে পারেন যাদের প্রধান ব্যবসা মোমের।

এছাড়াও আপনি চাইলে বর্তমানের অনলাইন ব্যবস্থাতে অনলাইনের পদ্ধতিতে মধু ও মোম বিক্রি করতে পারেন। অনলাইনে বিক্রি করলে যে লাভটা আপনার হবে তা সাধারণ পাইকারি ব্যবসা তে আপনার হবে না। অনলাইনে মধুর ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অনলাইনে কমার্স ওয়েবসাইট গুলিতে একটি বিজনেস একাউন্ট খুলতে হবে। তারপর এক একটি পাত্রে পরিমাণমতো মধু দিয়ে সেটা নির্দিষ্ট দাম রেখে বিক্রি করতে পারেন। আপনি যদি বর্তমানে প্রচলিত ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেমন অ্যামাজন ফ্লিপকার্ট খুলে দেখতে পারেন মধুর কত রেট বর্তমানে চলছে। বুঝতে পারবেন মধু ব্যবসা করে আপনি কত বেশি লাভবান হতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি মধু এবং মোম দেশে বিদেশে রপ্তানী করতে পারেন। বিদেশের বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি যারা ভারত থেকে মধু এবং মম নিয়ে যায়। তাই আপনি যদি ভারত কিংবা বাংলাদেশ থেকে থাকেন তাহলে আপনার জন্য সেই সব কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবসা করলে অনেক বেশি লাভবান হতে পারবেন।

Bee farming
মৌমাছি চাষ

মৌমাছি পালনের ব্যবসাতে লাভ কত?

মৌমাছি পালনের ব্যবসা শুরু করতে আপনার যেমন খরচা হবে 5 থেকে 10 হাজার টাকা তেমন মধু উৎপাদন হয়ে যাবার পর লাভ হবে তিনগুণ টাকা। বর্তমানে 1 কেজি মধুর দাম অনলাইনে বিক্রি হয় 1 হাজার টাকা। পাইকারি বিক্রি করলে আপনি 1 কেজি মধু বিক্রি করতে পারেন 600 টাকা দামে।

একটা বাক্স থেকে মধু উৎপাদিত হয় 3 থেকে 5 কেজি। একটা বাক্স করে মৌমাছি পালন করতে আপনার খরচ হবে 500 টাকা। অর্থাৎ 500 টাকা দিয়ে 5000 হাজার টাকা লাভের ব্যবসা। বুঝতেই পারছেন মৌমাছি চাষের ব্যবসা কেন লাভজনক একটি ব্যবসা। বর্তমানের কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ী শুধুমাত্র মৌমাছি পালনের ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছেন।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

মৌমাছি চাষের ট্রেনিং কোথায় হয়?

উত্তর: কৃষি বিভাগের অধীনে ন্যাচারাল বি বোর্ড এবং সেন্ট্রাল রিচার্জ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে মৌমাছি প্রশিক্ষণের ট্রেনিং দেওয়া হয়। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ট্রেনিং দিয়ে থাকেন। এ ছাড়াও স্থানীয় মৌমাছি চাষীদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।

বাংলাদেশে মৌমাছি পালন ইনস্টিটিউট কোথায় আছে?

উত্তর: বাংলাদেশ মৌমাছি পালন ইনস্টিটিউট আছে অনেকগুলি। যেমন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন প্রভৃতি।

মৌমাছি চাষকে কি বলে?

উত্তর: মৌমাছিকে প্রাকৃতিক উপায় তাদের মৌচাক তৈরি করার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করা কি মৌমাছি চাষ বলে।

ডিজিটাল মৌ-বাক্সের দাম কত?

উত্তর: ডিজিটাল মৌ-বাক্সের দাম 500 থেকে 1000 টাকার মধ্যে পড়ে। এলাকা বিবেচনায় ডিজিটাল মৌ-বাক্সের দাম আলাদা আলাদা হতে পারে।

রানী মৌমাছি চেনার উপায় কি?

উত্তর: রানী মৌমাছি আকারে অনেক বড় হয়ে থাকে অন্য বাকি মৌমাছিদের থেকে। এছাড়া ও রানী মৌমাছি অনেকটা লম্বা ও প্রশস্ত কিন্তু এদের ডানাগুলি খুব ছোট হয়ে থাকে। আরেকটি মৌচাকের মধ্য একটামাত্র রানী মৌমাছি থাকতে পারে। রানী মৌমাছির প্রধান কাজ ডিমপাড়া। তাই এরা ডিম পেড়ে নতুন মৌমাছির জন্ম দেয়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

মোমবাতি তৈরির ব্যবসা

পারফিউম তৈরির ব্যবসা

1 thought on “মৌমাছি চাষের ব্যবসা | Became a successful businessman in bee farming business 1”

  1. মৌমাছিকে বর্তমানে চাষের জন্যও ব্যবহৃত হয়, মৌমাছি চাষ করে মধু সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে।

    Reply

Leave a Comment