ব্রয়লার মুরগির খামারের পরিকল্পনা | মুরগির খামার ব্যবসা শুরু করুন |1no. Poultry farm business right now

মুরগির খামার ব্যবসার পরিকল্পনা শুধু এখনের নয়,বহু সময় আগে থেকেই মানুষ আর মুরগি একে অপরের জীবন-জীবিকার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থেকেই গেছে। আগেকার দিনের বেশিরভাগ পরিবারই হাঁস-মুরগী পালন করত। তবে বর্তমান সময়ে মানুষ ব্যস্ততার জন্য হাঁস-মুরগী পালন করা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু মানুষের আমিষ খাবারের উৎস হল মুরগি। বর্তমান সময়ে হাঁস-মুরগী পালন পারিবারিকভাবে দুটো চারটে হাঁস-মুরগি পালনের মধ্যেই রয়ে গেছে।
তবে সকলের মুরগির মাংস থেকে ডিম প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। এই জন্য আপনি যদি পোল্ট্রি মুরগির খামার করবেন ভাবছেন তাহলে এখনই শুরু করুন পোল্ট্রি মুরগির খামার। মুরগির খামার ব্যবসা শুরু করার জন্য যে সকল নিয়মাবলী আপনাকে মেনে চলতে হবে তা নিম্নলিখিত পয়েন্ট গুলো থেকে পেয়ে যাবেন।

মুরগি সংগ্রহ
মুরগি সংগ্রহ কোথায় থেকে করবেন

মুরগির খামার ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন?

মুরগির খামার তৈরি করার আগে আপনাকে বেশ কিছু জ্ঞান অর্জন করতে হবে মুরগির সম্পর্কে। এর জন্য সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি কোথাও থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারপরে মুরগির খামার ব্যবসা শুরু করেন। এছাড়াও যদি আপনি কোন মুরগির ফার্মে গিয়ে কিছুদিন কাজ করে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তারপরে মুরগির খামার ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনি একটা ভালো মানের খামার তৈরি করতে পারবেন। তবে ব্যবসার শুরুতে আপনি অল্প 500 থেকে 1000 মুরগি নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করুন।

মুরগির খামার তৈরি করতে কত খরচ হয়?

100 টা মুরগির জন্য আপনি যদি খামার তৈরি করেন তাহলে আপনার খরচ হবে- মুরগির ঘর বানানো, মুরগির খাবার, বিদ্যুৎ, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, এবং অন্যান্য সমস্ত খরচ মিলিয়ে 30 হাজার টাকার মতো।

ব্রয়লার মুরগির খামার স্থাপনের সুবিধা

ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা হল এমন একটি বিশেষ ধরনের বাচ্চা যা মাত্র 4-5 সপ্তাহের মধ্যে 1.5 কেজি থেকে 2 কেজি হয়ে যায়। ফলে আপনি যদি ব্রয়লার মুরগি চাষ করেন তাহলে আপনার ব্যবসা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

  1. অল্প টাকা খরচ করে ব্রয়লার খামার করা সম্ভব।
  2. মাত্র 4-5 সপ্তাহের মধ্যে আপনার মুরগি বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত।
  3. বছরে আপনি অনেকবার মুরগি পালন করতে পারবেন।
  4. অনেক অল্প ঝুঁকি ব্রয়লার মুরগি পালনে।
  5. দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন পড়বে না, উপরন্ত কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

মুরগি পালন করার ঘর কেমন হবে?

একটা ব্রয়লার মুরগির জন্য 1 বর্গ ফুট জায়গার প্রয়োজন হয়। ফলে আপনি যদি 100 টা ব্রয়লার মুরগি পালন করেন তাহলে আপনার খামারে আয়তন 100 বর্গফুট হলেই হবে।

আরো পড়ুন- পেরেক তৈরির ব্যবসা

মুরগির ঘরের প্রকৃতি

মুরগি থাকার জন্য যে সকল অভ্যন্তরীণ চাহিদা থাকে সেই জন্য মুরগির ঘর একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। মুরগির খামার বা পোল্ট্রি খামার তৈরি করার জন্য কয়েকটা জিনিস আপনাকে মেনে চলতে হবে।

  1. একচালা ঘর
  2. মনিটর বা মুরগি দেখাশোনা
  3. সেমি মনিটর টাইপ

ছাদ

মুরগির ঘর সাধারণত খর বা পাতা দিয়ে ছাওয়া থাকলে একটু বেশি ভাল থাকে। আপনি যদি সিমেন্ট বা অ্যাসবেস্টস বা টিনের চাল করেন তাহলে তার ওপরে যেন কোন পাতা বা ঘরছাড়া থাকে এটা দেখবেন। আসলে মুরগির ঘরটা একটু ঠাণ্ডা থাকলে তবেই মুরগি দ্রুত বড় হওয়া থেকে শুরু করে মুরগির জন্য আদর্শ হয়ে থাকবে।
শুধু টিনের ছাওয়া ঘর হলে দ্রুত গরম হয়ে যায় ফলে মুরগির অনেক সমস্যা দেখা যায় মুরগি মারা যাওয়াটাও বেশি হয়ে থাকে টিনের চাল দেওয়া ঘরে।

মেঝে

মুরগির ডিম দেওয়া নির্ভর করে আদ্রতা মুক্ত মেঝে জন্য। হলে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে মেঝেটি যেন মসৃণ এবং পরিষ্কার হয় যাতে ইঁদুরের প্রবেশ বন্ধ থাকে। মুরগির ঘরে কোনভাবে ইন্দুর প্রবেশ করা চলবে না ফলে মেঝেটা আপনি চাইলে বাঁকা অথবা মাজা মেঝে করতে পারেন।

দেওয়াল

মুরগিকে রোদ জল বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় হলো দেওয়াল। ফলে মুরগির খামার তৈরির আগে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে দেওয়ালটা যেন ঠিক থাকে, তার দেওয়ালের 2-3 আংশ খোলা রাখতে হবে, যাতে সুন্দরভাবে বায়ুপ্রবাহ ও অক্সিজেন পাই। দরকার হলে দেওয়ালে জিআই পাইপ দিয়ে কিছু ফাঁক ফাঁক করে রাখতে পারেন ফলে হাওয়া বাতাস এর অভাব হবে না ঘরের মধ্যে।

poultry farming
ব্রয়লার মুরগির খামার

মুরগির সম্পূর্ণ ঘর

500 থেকে 1000 মুরগি পালন করার জন্য আপনাকে মুরগির ঘর সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি করার জন্য যে সকল জিনিস গুলো খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হলো-

  1. ঘর যেন সব সময় শুকনো ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে।
  2. ঘরটি খোলামেলা স্থানে বানাতে হবে যাতে নিয়মিত বায়ু চলাচল করতে পারে।
  3. ঘরের মেঝেতে দুই তিন ইঞ্চি পুরু কাঠের গুঁড়ো অথবা ধানের তুষ দিয়ে ভালো করে বিছিয়ে দিতে হবে।
  4. মেঝেতে বিছানো কাঠের গুঁড়ো গুলিকে প্রতি সপ্তাহে একবার করে পাল্টে দিতে হবে। যাতে কোনভাবে স্যাঁতস্যাঁতে বা জল জমে না থাকে। ফলে ঘরটা প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে পরিষ্কার করতে হবে ভালো করে।(কাঠের গুঁড়ো গুলো দেওয়া হয় মুরগির বড় হওয়া থেকে শুরু করে মুরগির ঠান্ডা যাতে না লেগে যায় এবং ডিম পাড়াতে যাতে ডিমের কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য)

মুরগি সংগ্রহ কোথায় থেকে করবেন?

বর্তমান সময়ে মুরগির বাচ্চা সংগ্রহ করাটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। স্বাস্থ্যবান সুন্দর বাচ্চা নেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বড় যে সকল মুরগির বাচ্চা তোলার ডিমের ফার্ম রয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আপনার এলাকার পাশাপাশি যদি কোনো বড় ফার্ম থেকে থাকে তারা নিজেরা মুরগির বাচ্চা উৎপাদন করে থাকে। আপনি চাইলে তাদের কাছ থেকে মুরগির বাচ্চা সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনাকে নজর রাখতে হবে মুরগির বাচ্চা যার কাছ থেকেই কিনুন না কেন বাচ্চা যেন উন্নত জাতের এবং উন্নত মানের হয়ে থাকে।

অবশ্যই পড়ুন- অনলাইন ইনকাম করার উপায়

মুরগিকে কেমন খাদ্য দিতে হবে?

আপনি যদি ব্রয়লার মুরগি পালন করেন তাহলে শুরুতে আপনাকে মুরগির জন্য সুষম খাবার বা মুরগির ম্যাচ বাজারে কিনতে পাওয়া যায় তা আপনাকে খাওয়াতে হবে। আপনি যদি দিনের জন্য মুরগী পালন করেন তাহলে সেই মুরগিকে প্রতিদিন 115 গ্রাম করে সুষম খাদ্য খাওয়াতে হবে। আর মুরগির জন্য বিশুদ্ধ জল এবং কুড়ি থেকে পঁচিশ গ্রাম সবুজ শাকসবজি বা কচি ঘাস খাওয়াতে হবে।

মুরগির খাবার কতটা প্রয়োজন?

মুরগি পালন করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে একটা মুরগি কতটা করে খাবার খায় এবং সেই মুরগির কতটা করে খাবার প্রয়োজন।

  1. 90 থেকে 100 গ্রাম খাবার খাই ছোট মুরগি।
  2. 110 থেকে 120 গ্রাম খাবার খাই আর একটু বড় ধরনের মুরগি।
  3. 150 থেকে 160 গ্রাম খাবার খায় বড় হয়ে যাওয়া মুরগি গুলি।

মুরগির খাবার সবচেয়ে ভালো হয় গম, ভুট্টা বা চাল থেকে বের হওয়া খুদ। শুটকি মাছের গুড়া। ঝিনুকের গুড়া। এই ধরনের খাবারগুলো মুরগির খাবারের তালিকায় থাকলে মুরগির দ্রুত বেড়ে চলে।

মুরগির খামার ব্যবসা করতে গেলে কাজের ধারা কেমন হতে হবে

মুরগির খামার ব্যবসা আপনি যদি করতে চান তাহলে বেশ কয়েক রকমের কাজের ধারা আপনার যদি না থাকে তাহলে আপনি মুরগির খামার ব্যবসা করতে পারবেন না। আপনাকে কিছু নিয়মিত এবং সুপরিকল্পিতভাবে মুরগির খামার তৈরির কাজ করতে হবে। মুরগির খামার ব্যবসা করার জন্য কাজের ধারা টি হবে-

  1. প্রথমে বড় কোন মুরগি ফার্ম এগিয়ে সেই মুরগি ফার্ম পরিদর্শন করা।
  2. বিভিন্ন জাতের মুরগী এবং সেই বিভিন্ন জাতের মুরগী পালন করার পদ্ধতি সেগুলি একটি খাতায় নোট করা।
  3. মুরগির খামারে পোল্ট্রি মুরগির খাদ্য প্রদান এবং অন্যান্য লালন-পালনের যে ব্যবস্থা আছে সেইগুলো ভালো করে নজর রাখা।
  4. মুরগির রোগ ব্যাধির নির্ণয় করা এবং সেই অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা করা।
  5. মুরগির খামার ব্যবসা করতে গেলে সেই খামারে উৎপাদিত মুরগির মাংস মুরগি এবং ডিম সমস্ত কিছুর আয়-ব্যয়ের হিসাব আলাদা করে নোট করা।
  6. খামার তৈরি করার পর সেই খামারে স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে চলছে কিনা বা কি করলে আরো উন্নতি লাভ করবে সেই জিনিসটা রিচার্জ করা।

এইসব জিনিসগুলো যদি আপনি নজর রাখেন এবং খেয়াল করেন তারপরে আপনি যদি নিজে একটি খামার তৈরি করেন তাহলে আপনি হবেন সফল খামারি।

ব্রয়লার মুরগির খামার
মুরগি পালন

মুরগির রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুলো কি?

মুরগির খামার ব্যবসা করতে গেলে সবচেয়ে আগে আপনাকে নজর রাখতে হবে ও মুরগির রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুলি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। মুরগি কে সুস্থ রাখার জন্য মুরগিকে নিয়মিত টিকা দিতে হবে, এই টাকাগুলি সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে আপনি পেয়ে যেতে পারেন। মুরগির সাধারণত রানীক্ষেত, কলেরা, বসন্ত এই ধরনের রোগ হয়ে থাকে। আপনি যদি খেয়াল রাখেন তাহলে দেখতে পাবেন যে মুরগিটি একটু অসুস্থ সে মুরগি বাকী মুরগীদের থেকে আলাদা থাকছে এবং সে বেশী ছটফট করছে না। তখনই সেই মুরগীটা আপনি ধরে তার রোগ নির্ণয় করে সেই রোগের টিকা আপনাকে লাগাতে হবে।

অবশ্যই পড়ুন- পেপার কাপ তৈরির ব্যবসা

মুরগি পালনে খরচ কেমন?

এর আগে মুরগির খামার তৈরি করতে কেমন খরচ হয় তার একটি আনুমানিক হিসাব দেয়া হয়েছে। এখন বলা হবে মুরগি পালন করার জন্য আপনার কেমন খরচ হবে সেই তথ্যটা। মুরগির খাবার সহ মুরগির ঘর সাজানোর জন্য আপনার আনুমানিক খরচা হবে 1.5 হাজার থেকে 2 হাজার টাকার মধ্যে। এটা শুধুমাত্র খাবারের একদিনের খরচ। একটা মুরগি বাচ্চা কিনতে আপনার খরচ হবে 35 টাকা। 1000 পিস মুরগিতে আপনার পড়বে 35 হাজার টাকা। সম্পূর্ণ 1000 মুরগি বড় করতে আপনার খরচ পড়বে প্রায় 40 থেকে 50 হাজার টাকার মধ্যে।

মুরগির খামার ব্যবসা করে লাভ কত হবে?

একটা মুরগি পালন করার পর সেই মুরগি যখন আপনি বাজারে পাইকারি দামে বিক্রি করবেন তখন একটা মুরগির 1 কেজি ওজন অনুযায়ী আপনি পাবেন কম করে 100 টাকা। মুরগির মাংস দাম নির্ভর করে বাজার অনুযায়ী ফলে যে সময় মাংসের দাম বেশি থাকে সেই সময় যদি আপনি মুরগি বিক্রি করেন তাহলে এক একটা মুরগি বিক্রি করে আপনি 200 টাকা আয় করতে পারেন। কারন একটা একটা মুরগির ওজন 1.5 কেজি থেকে 3 কেজি ও হতে পারে।
এছাড়া মুরগির ডিম বিক্রি করে আপনি অনেক বেশি লাভবান হতে পারেন। প্রতি মুরগির ডিম বিক্রি হয় কম করে পাঁচ টাকা পাইকারি দামে। একটা মুরগি প্রতিদিন একটা করে ডিম দিলে 500 টা মুরগি প্রতিদিন 500 টা করে ডিম দেবে।

এছাড়া মুরগি যে বিষ্ঠা বা যে মল ত্যাগ করে সেই মুরগির বিষ্ঠা বিক্রি করে আপনি লাভবান হতে পারেন। কারণ মুরগির বিষ্ঠা জৈব সার হিসেবে চাষিরা কিনে নেন, ফলে মুরগীর বিষ্ঠার বাজার সব সময় থাকে। হলে মুরগির ফার্ম আপনি যখন তৈরি করবেন সেই মুরগির ফার্ম থেকে মুরগি, তারপর ডিম, তারপর মুরগির বিষ্ঠা এবং সর্বশেষে মুরগি পালন করার জন্য যে কাঠের গুঁড়ো বা ধানের তুষ আপনি বিছিয়ে ছিলেন সেইটাও পাইকারি দামে বিক্রি হয়ে যাবে।

মুরগির ফার্ম এর ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা। এই ব্যবসা করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে একজন মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ী উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ী তে রূপান্তরিত হতে পারে। শুধুমাত্র ব্যবসার ধরন এবং স্ট্যাটিজি যদি সেই ব্যবসায়ী মেনে চলেন তারপর। হলে আপনিও যদি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চান মুরগির ব্যবসা করে তাহলে প্রথমে আপনি কোথাও থেকে ট্রেনিং নিয়ে তারপর মুরগির ফার্ম এর ব্যবসা শুরু করুন। অথবা আপনি কোন মুরগির খামারে কাজ করে মুরগির খামার ব্যবসা শুরু করুন।

আমাদের এই পোষ্টে যদি কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে জানাবেন। আর আপনার ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যদি কোনো অসুবিধা হয় তাহলেও আমাদের কমেন্ট করতে ভুলবেন না, আমরা দ্রুত সম্ভব আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেব ।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

চিপস তৈরির ব্যবসা 1 লক্ষ টাকা লাভ

সম্পূর্ণ নতুন ব্যবসার আইডিয়া

Leave a Comment