মাছের আঁশের ব্যবসা করে হয়ে যান কোটিপতি! | RIGHT NOW 1 NO IDEAS!!

শুনতে অদ্ভুত এবং আশ্চর্য হলেও মাছের আঁশের ব্যবসা করে বাংলাদেশ এবং ভারতের বহু ব্যবসায়ীরাই হয়ে গেছেন কোটিপতি। তাহলে আপনি শুধু একা বাদ যাবেন কেন আপনিও জেনে নিন এই অল্প পুজিতে কোটিপতি হওয়ার উপায়।

মাছের আঁশের ব্যবসা করতে কত টাকা খরচ হয়?

মাছের আঁশের ব্যবসা করতে আপনার খরচ হবে অল্প টাকায়। এই ব্যবসা আপনি বাজারের দোকানদারদের সঙ্গে মাসিক কন্টাক্ট করে রাখতে পারেন। অর্থাৎ বাজারের মাছ ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন যে আঁশ আপনাকে দেবে তার বদলে প্রতিমাসে আপনি তাকে কেজি দরে 14 টাকা করে দেবেন। বাজার থেকে এক কেজি আঁশ কিনবেন 14 15 টাকা করে দামে।

মাছের আঁশ সংগ্রহ করবেন কোথায়?

আপনার প্রতিবেশীদের কাছ থেকে আপনি প্রতিদিনের আঁশ সংগ্রহ করতে পারেন।
বাজার এর সকল মাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রতিদিনের আঁশ সংগ্রহ করবেন।
বড় বড় মাছের আরত থেকে আপনি আঁশ সংগ্রহ করতে পারেন।

মাছের আঁশের ব্যবসা
মাছের আঁশের ব্যবসা

মাছের আঁশ দিয়ে কি হয়?

১: মাছে আঁশ দিয়ে ব্যাটারি তৈরি হয়।
২: বৈদ্যুতিক বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করার উপাদান হিসেবে আঁশ ব্যবহার হয়।
৩: কৃত্রিম কর্নিয়া ও কৃত্রিম হার তৈরি করতে আঁশ এর ব্যবহার হয়।
৪: কপার যেখানে অতিরিক্ত দূষণ ঘটায় সেখানে কপার এর পরিবর্তে বর্তমানে আঁশ এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৫: বিভিন্ন ঔষধ তৈরী করতেও আঁশ এর দরকার হয়।
৬: মাছের খাবার মুরগির খাবার তৈরি করতেও আঁশ এর প্রয়োজন।
৭: মহিলাদের নেইলপালিশ লিপস্টিকের কিছু সাজার উপাদান তৈরী করতে আঁশের প্রয়োজন হয়।
৮: মাছের ফুলকো শুকনো করে বিদেশের সুপ তৈরি হয়।
৯: মাছের ফুলকা,পিত্ত, চর্বি আরো অনেক রকমের জিনিস তৈরি হয় যা কোম্পানির প্রকাশ্যে আনতে চায় না তাদের জিনিসপত্রের উপাদান গুলি।

মাছের আঁশ বিদেশে রপ্তানী পণ্য

মাছের আঁশ প্রতিবছর বাংলাদেশ এবং ভারত থেকে কয়েক হাজার টন বিদেশে রপ্তানি হয়।
যেসকল দেশগুলিতে মূলত আঁশ রপ্তানি হয় সেই সকল দেশ গুলির নাম হলো-ইতালি, জাপান, হংকং, চীন, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি ইত্যাদি আরো অনেক দেশেই রপ্তানি হয়।

মাছের আঁশ কোথায় বিক্রি করবেন?

মাছের আঁশ কেনার জন্য বাংলাদেশের হাজারীবাগ এলাকায় একটি কোম্পানি আছে যারা আঁশ আপনার কাছ থেকে কিনে নেবে। 017112 74431 এই নাম্বারে ফোন করেও আপনি সরাসরি আঁশের ব্যবসাব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে আপনার সমস্ত আঁশ বিক্রি করতে পারেন।

কলকাতা এবং ব্যাঙ্গালোর হায়দ্রাবাদের কিছু কোম্পানি আছে যারা আঁশ কিনে বিদেশে রপ্তানী করে আপনি চাইলে তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাদের কোম্পানির সঙ্গে ডিল করেও আপনি সমস্ত আঁশ এই সকল কোম্পানিতে পাঠাতে পারেন। 9064143627 ই নাম্বারে ফোন করেও আপনি সরাসরি ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে আঁশ বিক্রি করতে পারেন।
ব্যবসা করতে করতে আপনি যদি পুটুর হয়েছে তখন আপনি নিজে থেকেই বিদেশে রপ্তানী করতে পারবেন।

মাছের আঁশ দিয়ে কি হয়
মাছের আঁশ দিয়ে কি হয়

মাছের আঁশ কত টাকায় বিক্রি হয়?

100 টাকা কেজিতে বিক্রি হয় আঁশ।
ভারতে মাঝে হাঁস বিক্রি হয় দেড়শ থেকে দুইশ টাকা প্রতি কেজিতে।
ব্যবসায়ী এবং জায়গা বিবেচনায় দাম বিভিন্নভাবে বিভিন্ন তর হতে পারে।

কিভাবে মাছের আঁশ দিয়ে জিনিস তৈরি হয়?

আঁশ সংগ্রহ করার পর সেই আঁশ গুলি পরিষ্কার জলে ধুতে হবে অথবা অল্প গরম জল দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এমন ভাবে পরিষ্কার করতে হবে যেন মাছের গায়ে লেগে থাকা যে হড়হড়ে পদার্থটা থাকে সেটা সম্পূর্ণ ভাবে ধুয়ে যায়। তারপর সামান্য রোদে শুকনো করা ঝরঝরে করে ফেলতে হবে সমস্ত আঁশ গুলিকে। এরপর এই সমস্ত আঁশ গুলি আপনি বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।
আপনি চাইলে এই আঁশ গুলিকে শুকনো করার পর মিক্সার গ্রাইন্ডার এগুলো করে প্যাকেজিং করে ইন্ডিয়ামার্ট বা অনলাইন যত ওয়েবসাইট রয়েছে সেই সমস্ত ওয়েবসাইটে সরাসরি বিক্রয় করতে পারেন।

আঁশ সংগ্রহ
মাছের আঁশ

কোন ধরনের মাছের আঁশ বিক্রি হয়?

রুই , কাতলা বড় বড় মাছ তার আঁশ এর দাম একরকম।
চিংড়ি মাছের মাথার খোসার দাম আর একরকম।
মাছের ফুলকার দামও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।
ক্যাটফিশ জাতীয় মাছের ফুলকার দাম একরকম হয় এবং রুই কাতলা মাছের ফুলকার দাম আর একরকম হয়।
প্রতিটা মাছের চর্বি দাম একরকম।
হাঙ্গর এর লেজ পচা আমরা তার দাম একরকম।

এই ব্যবসায় কি কি সমস্যা আসতে পারে?

বাজারে অলরেডি এইরকম অনেক ব্যবসায়ী রয়েছে তাই আপনাকে প্রথমে ব্যবসা শুরু করতে গেলে মাছের ব্যবসায়ীদের একটু বেশি দাম দিয়ে তাদের কাছ থেকে মাছেরা সংগ্রহ করতে হবে। তারপর সেই আঁশ গুলো ঠিকঠাক ব্যবসায়ীর কাছে সঠিক দামে বিক্রয় করতে হবে। ব্যবসার শুরুতে অল্প পরিমাণে লাভ হলেও ঠিকঠাকভাবে ব্যবসা করলে আপনি খুব দ্রুত ব্যবসার শীর্ষে পৌছাতে পারবেন।

অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া দেখতে

হাওয়াই চপ্পল তৈরির ব্যবসা , সম্পূর্ণ নতুন ব্যবসার আইডিয়া , বিনা পুঁজিতে মাসে আয়