ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে? | ব্যবসায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স | How to get the required license for business, Right Now 1

প্রতিটা ব্যবসায়ীকেই তার ব্যবসা করার জন্য বিভিন্ন প্রকার ব্যবসায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নিতে হয়। আগে যেমন প্রতিটা লাইসেন্স নেবার জন্য অনেক দৌড়ঝাঁপ করতে হতো সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে এখন কিন্তু তা করতে হয় না। কারণ এখন সমস্ত লাইসেন্সই আপনি নিতে পারেন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেই। বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্সের প্রয়োজন। তবে সাধারণ অর্থে বলতে গেলে ব্যবসা করতে গেলে যে সকল লাইসেন্স নিতে হয় সেগুলি হল-

ব্যবসায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স (Business required license)

  • ট্রেড লাইসেন্স (Trade license)
  • LLP রেজিস্ট্রেশন বা কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন (LLP registration)
  • GST রেজিস্ট্রেশন ( GST registration)
  • FSSAI লাইসেন্স (FSSAI license)
  • আমদানি-রপ্তানি নাম্বার (Import-Export Number)
  • BIS সার্টিফিকেট (BIS Certificate)
  • দোকান ও স্থাপনা আইন
  • উদ্যগ আধার রেগিস্ট্রেশন (Udyog Aadhaar Registration)
  • অন্যান্য লাইসেন্স এবং রেজিস্ট্রেশন
Business required license
ব্যবসায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে পাওয়া যায়?

একটা সময় ছিল যখন ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার জন্য আপনাকে পঞ্চায়েত অফিস অথবা বিডিও অফিসে যোগাযোগ করতে হতো। আর সেটা অনেকেই সময়ের ব্যাপার ছিল। আপনাকে দুই-তিনবার হয়তো সেখানে যেতে হতো ট্রেড লাইসেন্স পেতে। এখন ট্রেড লাইসেন্স পাওয়াটা অনেক সুবিধার হয়ে গেছে, কারণ এখন অনলাইনে আবেদন করেই লাইসেন্স পাওয়া যাচ্ছে। কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স আপনি অনলাইনে পাবেন তার সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য দেওয়া হল।

এইট লাইসেন্স নেবার জন্য আপনাকে ওয়েবসাইট ওপেন করতে হবে। তারপর সাইটে দেখবেন ট্রেড এনওসি (Trade N.O.C.) নিউ এখানে ক্লিক করে আপনি নতুন লাইসেন্স বানাতে পারবেন। এছাড়াও তার পরেই রয়েছে লাইসেন্স রেনুয়াল এর লিংক। এখানে আপনি বিল্ডিং অ্যাপ্রভাল এবং মোবাইল টাওয়ার পারমিশনের সকল কাজ করতে পারবেন। এছাড়াও তলার দিকে লাইসেন্স এর যাবতীয় স্ট্যাটাস তা এই একটাই ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। ট্রেড লাইসেন্স নিউ এই লিংকটা ওপেন করলেই একটা বড় ফর্ম আপনার সামনে খুলে যাবে।

আপনাকে ভালোভাবে ফর্মটি পড়ে ফিলাপ করতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স নেবার জন্য সমস্ত ফর্ম ফিলাপ করা হয়ে গেলে একদম শেষের দিকে যখন টাকা দিতে হবে তখন আপনি যদি প্রফেশনাল টেক্স বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স বানাতে চান তাহলে আপনাকে 150 টাকা দিতে হবে লাইসেন্সের জন্য। আর আপনাকে যদি ত্যাগ সহ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয় তাহলে আপনার খরচ হবে 750 টাকা। আরো বিস্তারিত জানতে হলে আপনি আমাদের ইউটিউব চ্যানেল দেখতে পারেন।অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স নেবার জন্য যে ওয়েবসাইটে আপনাকে যেতে হবে সেটা হল- https://wbprdgpms.in/login.php

অবশ্যই পড়ুন- ১২ টি সেরা গ্রামীণ ব্যবসার আইডিয়া

LLP রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করা হয়? (How to register for LLP?)

LLP রেজিস্ট্রেশন নিতে গেলে দু’জন পার্টনার অবশ্যই হতে হবে। এলএলপি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ন্যূনতম দু’জন পার্টনার এবং ম্যাক্সিমাম কোন পার্টনার এর লিমিট নেই। অর্থাৎ আপনি যদি পার্টনারশিপ ব্যবসা করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে LLP রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এলএলপি রেজিস্ট্রেশন করাতে গেলে আপনাকে সবচেয়ে প্রথমে একটা নাম রিজার্ভ করাতে হয়। এরপর সম্পূর্ণ ফর্ম ফিলাপ করতে হয়। ফর্ম ফিলাপের 30 দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যায়। ওয়েবসাইট খোলার পরে আপনাকে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে নিজের আইডি দিয়ে। আপনি নতুন হলে, নতুন নতুন আইডি তৈরি করতে হবে। এরপর সম্পূর্ণ ফর্ম টি আপনার সামনে খুলে যাবে। তারপর সমস্ত খরচ ফিলাপ করে নেবেন।

ভারতের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নথিভূক্ত করার জন্য এবং একাধিক মালিক অর্থ বিশিষ্ট কোম্পানিগুলিকে নথিবদ্ধ করার জন্য LLP রেজিস্ট্রেশন করা অত্যন্ত দরকারি। এলএলপি রেগিস্ট্রেশন আপনি তখন করাতে পারবেন যখন আপনার কোম্পানির বার্ষিক আয় 20 লক্ষ টাকার বেশি হবে। যে কোন ব্যবসা শুরু করার পরে পরেই বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন এবং সেই কোম্পানিটি এলএলপি নিবন্ধন করবেন কিনা সেটাও জেনে নিন।LLP রেজিস্ট্রেশন ওয়েবসাইট- https://www.indiafilings.com/llp-registration

GST রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করা হয়? (How is GST registration done?)

সাধারণত ভারতের জিএসটি রেজিস্ট্রেশন করতে হয় একটা ব্যবসায় যখন 5 লক্ষ থেকে 10 লক্ষ টাকার টার্নওভার হয়। বিভিন্ন রাজ্য বিশেষে এই টাকার পরিমাণটা আলাদা আলাদা রকমের হয়ে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে যদি 3 লক্ষ টাকা থেকে 5 লক্ষ টাকা ইনকাম করে কোন কোম্পানি তাহলে তাকে অবশ্যই জিএসটি নাম্বার নিতে হবে। GST রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার জন্য আগে যেমন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো তা এখন করতে হয় না। কারণ এখন অনলাইনে এপ্লাই করে ও GST রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায়।


বিশেষ করে আন্তঃরাজ্য পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে সরবরাহকারী যে কোন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে টার্নওভারের জন্য জিএসটি রেজিস্ট্রেশন অবশ্যই করাতে হয়। আপনি অনলাইনে GST রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আবেদন করলে তা 30 দিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন। GST রেজিস্ট্রেশন করানোর জন্য আপনাকে জিএসটির ওয়েবসাইট খুলতে হবে। তারপর সম্পূর্ণ ফর্ম ফিলাপ করার পরে আপনি জিএসটি নাম্বার পেয়ে যাবেন। অনলাইনে জিএসটি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য যে ওয়েবসাইটটি আপনি ব্যবহার করতে পারেন সেটা হল- https://reg.gst.gov.in/registration/

FSSAI লাইসেন্স কিভাবে করা হয়? (How to get FSSAI license?)

“Food safety and standard authority of India” FSSAI লাইসেন্সের এর পুরো কথা। আসলে ভারতে যদি আপনি কোন খাবারের জিনিস নিয়ে ব্যবসা করেন বা কোন রেস্টুরেন্ট তৈরি করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে FSSAI লাইসেন্স নিতে হবে। ভারতের খাদ্যের নিরাপত্তা এবং মান যাচাই করার জন্য এই লাইসেন্স ব্যবহার করা হয়। আপনার যদি রেস্টুরেন্ট থাকে এছাড়া আপনার যদি খাবার কোন কোম্পানি থাকে কিংবা আপনার কোম্পানিতে কোন ধরনের খাদ্য বস্তু তৈরি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে FSSAI লাইসেন্স নিতে হবে।

এই লাইসেন্সের জন্য আপনাকে বিভিন্ন অফিসের দরজায় দরজায় ঘুরতে হবে না, কারণ বর্তমানে অনলাইনে এপ্লাই করেই আপনি FSSAI লাইসেন্স পেয়ে যাবেন। অনলাইনে এপ্লাই করার জন্য আপনাকে প্রথমে ওয়েবসাইটে ঢুকে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর ফর্ম ফিলাপ করে সমস্ত ইনফরমেশন দেওয়ার পরে FSSAI লাইসেন্স পেয়ে যাবেন।

Business license
ব্যবসার লাইসেন্স

FSSAI লাইসেন্স তিন ভাগে বিভক্ত:

  • FSSAI কেন্দ্রীয় লাইসেন্স
  • FSSAI ট্রেড লাইসেন্স
  • FSSAI রাজ্য রেজিস্ট্রেশন

আপনার ব্যবসা কেমন ধরনের তার ওপরে নির্ভর করবে প্রতিটি লাইসেন্স। অর্থাৎ আপনার যদি শুধুমাত্র কোনো একটি রাজ্যে একটা রেস্টুরেন্ট থাকে তাহলে আপনি রাজ্য FSSAI লাইসেন্স নেবেন। আবার আপনি এমন কোন প্রোডাক্ট তৈরি করেন যা সারা ভারতে বিক্রি হয় বা বিক্রি করবেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে কেন্দ্রীয় লাইসেন্স নিতে হবে। এইরকম আপনার ব্যবসার যেমন ধরনের বা যেখানে করতে চান সেই বুঝে FSSAI লাইসেন্স নিন। মনে রাখবেন মূলত খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যে কোন ব্যবসা করার ক্ষেত্রেই FSSAI লাইসেন্স প্রয়োজনীয়।
FSSAI লাইসেন্স এর ওয়েবসাইট হলো- https://foscos.fssai.gov.in/

আরো পড়ুন- কিভাবে ব্যবসা শুরু করব?

আমদানি-রপ্তানি নাম্বার কিভাবে পাওয়া যায়? (How to get import-export code?)

আপনি যদি আপনার ব্যবসায় কোন প্রোডাক্ট বা কোন জিনিস আমদানি করেন বা বাইরে রপ্তানি করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে DGFT থেকে আমদানি রপ্তানি কোড করতে হবে। ভারত থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সঙ্গে জড়িত প্রতিটি ব্যবসায়ীকেই আমদানি-রপ্তানি নাম্বার নিতে হয়ে থাকে। তাই ব্যবসা করার সময় আপনাকে ঠিক করতে হবে যে আপনার ব্যবসায় যে সকল প্রোডাক্ট গুলো তৈরি হচ্ছে বা তৈরি হবে সেগুলো কি কোনভাবে আমদানি-রপ্তানির মধ্যে পড়ছে, যদি পড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে আমদানি-রপ্তানি নাম্বার নেই আপনার ব্যবসা শুরু করতে হবে।
আমদানি রপ্তানি কোড পাওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে আর তার সাথে সাথে প্যান কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক।

অনলাইনে আমদানি-রপ্তানি কোড পাওয়ার জন্য আপনাকে DGFT গুগোল এ টাইপ করুন। ওয়েব সাইটটি আপনার সামনে চলে আসবে। এরপর সমস্ত ইনফরমেশন করে আপনাকে ওয়েবসাইটটির ভেতরে থাকা ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। মনে রাখবেন নিতে গেলে আপনার কোম্পানির কোন স্থায়ী ঠিকানা আপনাকে দিতে হবে। এছাড়া আধার কার্ডের সাথে প্যান কার্ডের লিঙ্ক থাকতে হবে। আর বিজনেস একাউন্ট বা ব্যাংকে একটা আপনার কোম্পানির ব্যাংক একাউন্ট করতে হবে। এরপর বাকি সমস্ত ইনফরমেশন ফিলাপ করে আপনি সাবমিট করে দিলে কিছুদিনের মধ্যেই আপনি পেয়ে যাবেন আমদানি রপ্তানি কোড। যে ওয়েবসাইট এর মধ্য দিয়ে আপনি এই আমদানি-রপ্তানি কোড পাবেন তা হল- https://www.dgft.gov.in/CP/

BIS সার্টিফিকেট কিভাবে পাওয়া যায়? (How to get BIS certificate?)

BIS সার্টিফিকেট তাদের প্রয়োজন যাদের প্রোডাক্ট ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাক্টের কোয়ালিটিকে ম্যাচ করে। অর্থাৎ BIS সেই সকল প্রোডাক্ট কে দেওয়া হয়ে থাকে যারা সমগোত্রীয় ইন্টারন্যাশনাল প্রডাক্ট গুলো কে ম্যাচ করতে পারে। আপনার প্রোডাক্ট ইন্টারন্যাশনাল ভাবে ব্যবসা করে তাহলে অবশ্যই আপনাকে BIS সার্টিফিকেট নিতে হবে।

BIS কয়েকটি ভাগে বিভক্ত

  • ISI (ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট)
  • হলমার্ক
  • কম্পালসারি রেজিস্ট্রেশন

বিআইএস সার্টিফিকেট তবেই আপনি পাবেন যদি আপনার কোম্পানি কোন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি হয়ে থাকে। প্রথমে আপনার কোম্পানির একটি আইডি তৈরি করতে হয়। তারপর আপনার কোম্পানিতে তৈরি প্রোডাক্টগুলো ল্যাব টেস্ট করা হয়।BIS সার্টিফিকেট পেতে যে খরচ হবে তার পরিমাণ নির্ভর করবে আপনার প্রোডাক্টের কোয়ালিটি কেমন প্রোডাক্টটি কেমন দামের তার ওপর। https://www.bis.gov.in/index.php/product-certification/products-under-compulsory-certification/

অবশ্যই পড়ুন- হোয়াটসঅ্যাপ মার্কেটিং কি?

দোকান ও স্থাপনা আইন কি? (What is shop and installation law?)

দোকান ও স্থাপনা আইন মূলত কাজের সময় শিশু শ্রম মজুরি নিরাপত্তা কর্মচারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা নিয়ে একটি আইন। আপনি যেই ব্যবসায়ী করুন না কেন প্রতিটা ব্যবসাতে যদি আপনি দোকান ও স্থাপনা আইন লঙ্ঘন করেন তাহলে আপনার অনেক লাইসেন্স বন্ধ করে দিতে পারে সরকার। মূলত দোকান ও স্থাপনা আইন রাজ্য সরকার দ্বারা জারি করা হয়ে থাকে। আপনি যে রাজ্যে ব্যবসা করুন না কেন সেই রাজ্যের দোকান ও স্থাপনা আইন অনুসারে আপনাকে ব্যবসা করতে হবে। এর জন্য আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের গুগলে বড় কোন আর্টিকেল পড়ে জানতে পারেন। তবে মনে রাখবেন প্রত্যেকটা ব্যবসায়ী কি ব্যবসা করতে হলে এই আইনটা মেনে চলতেই হবে।

উদ্যগ আধার রেজিস্ট্রেশন কি? (What is Udyog Aadhaar registration?)

উদ্যগাধার রেজিস্ট্রেশন মূলত পরিচালিত হয় যেকোনো ছোট ব্যবসা থেকে শুরু করে মাঝারি ব্যবসার ক্ষেত্রে। আপনি যদি মাইক্রো ব্যবসা, কিংবা ছোট ব্যবসা এবং মাঝারি ব্যবসার উদ্যোগপতি হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে উদ্যগ আধার রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। উদ্যগ আধার রেজিস্ট্রেশন মূলত কোম্পানিতে তৈরি যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগ কোম্পানিতে বিনিয়োগ এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়।

আপনি যদি উদ্যগ আধার রেগিস্ট্রেশন করে থাকেন তাহলে আপনি সরকার থেকে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য কিংবা ভর্তুকি পেতে পারবেন। প্রতিটা ব্যবসায়ী চাই তার ব্যবসাতে যদি আর্থিক সাহায্য কোন ভাবে পাওয়া গিয়ে থাকে। তাই জন্য ভারত সরকার ছোট ব্যবসায়ী এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন আর্থিক সাহায্য প্রদান করার জন্য বা কোন কিছু জিনিসের ওপর ভর্তুকি দেওয়ার জন্য চালু করেছে উদ্যগ আধার রেগিস্ট্রেশন। https://udyamregistration.gov.in/Government-India/Ministry-MSME-registration.htm

অন্যান্য লাইসেন্স এবং রেজিস্ট্রেশন

ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে আরও বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স নিতে হবে। যেমন বীমা, আর্থিক পরিষেবা, সম্প্রচার পরিষেবা, প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত পরিষেবা, লেনদেন এইসব জিনিসগুলো রয়েছে বিভিন্ন ব্যবসা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স হিসাবে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক এবং IRDAI বিভিন্ন ব্যবসার ক্ষেত্রে এই সকল লাইসেন্সগুলো নেওয়ার জন্য আবেদন করেন প্রতিটা ভারতীয় ব্যবসায়ীকে। তাই আপনি যদি ভারতের ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে বীমা, আর্থিক পরিষেবা, প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত পরিষেবা, বা লেনদেন সংক্রান্ত সকল লাইসেন্স আগে থেকেই করিয়ে নিতে হবে আপনার ব্যবসার জন্য

আরো নতুন নতুন কিছু ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

১০টি অল্প পুজিতে নতুন ব্যবসার আইডিয়া

ফুল ঝাড়ু তৈরির ব্যবসা

Leave a Comment