ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করুন মাত্র 600 টাকা দিয়ে | French Fry Making Business amazing ideas

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমরা সকলেই খাই কিংবা কোনো না কোনো রেস্টুরেন্টে খেয়েছি। এবং সকলেই আমরা জানি যে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কতটা জনপ্রিয় সবার কাছে একটা খাবার হিসেবে। তাই আপনিও যদি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করার ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার লাভ হবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই প্রতি প্লেট 5 গুন দামে।
তাহলে আর বেশি দেরি না করে এই জনপ্রিয় ব্যবসাটি আপনি শুরু করুন আপনার এলাকাতে।

Table of Contents

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা খরচ হয়?

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনার মাত্র 600 টাকা দিয়েই শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে আরো ভালো মেশিন কিনে 15 হাজার টাকা খরচ করেও এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। শুনতে হয়তো অনেক অবাক লাগতে পারে কিন্তু এটাই সত্য যে এই ব্যবসা করার জন্য শুধুমাত্র আপনার সাহস আর উদ্যম হলেই এই ব্যবসা আপনি আজই শুরু করে দিতে পারেন। আপনি যদি আপনার রেস্টুরেন্টের সাথেই এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরীর ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে খরচ অনেক কম হবে এবং কাস্টমারের সংখ্যা ও অনেক বেশি পাবেন। তাই সব সময় চেষ্টা করুন সমগোত্রীয় ব্যবসা একসাথে করার। আর আপনি যদি শুধুমাত্র ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে 15 হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে যেমন করতে পারবেন, তেমন এই ব্যবসার মধ্যে কিছু স্পেশালাইজেশন ও আনতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- কুরকুরে তৈরীর ব্যবসা করে প্রতিমাসে 4 লাখ টাকা আয়

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির মেশিন এর দাম কত?

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির মেশিনের কোয়ালিটি এবং দাম ও ভিন্ন হয়ে থাকে।
যেমন-মাত্র 300 টাকা খরচ করে আপনি একটি ছোট মেশিন কিনতে পারেন যা দিয়ে আপনি বাড়ির জন্য ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বানাতে পারেন।
600 টাকা দামের মেশিন কিনে আপনি ছোট করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
আবার 15 হাজার থেকে 18 হাজার টাকা দামের মেশিন কিনে আপনি বড় আকারের ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের ব্যবসা করতে পারেন।

french fry machine edited 1
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির মেশিন

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করতে কাঁচামাল কি কি লাগে?

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করতে কাঁচামাল সাধারণত যেটা লাগে সেটি হচ্ছে আলু। এছাড়াও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করার জন্য যে কাঁচামাল গুলির প্রয়োজন পড়ে তা হল-

  • আলু ছাড়া,
  • তেল,
  • লবণ,
  • ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর মসলা,
  • টমেটোর সস,
  • চিলি সস,
  • মেয়োনিজ,
  • কাসুন্দি প্রভৃতি জিনিস হলেই এই ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারেন।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায়?

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করার কাঁচামাল গুলি আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী যে কোন ছোট বড় বাজার থেকে কিনতে পারেন।
এবারে আপনি যদি চান আরও কম দামে কিনতে তাহলে আপনাকে যেতে হবে পাইকারি মার্কেট থেকে কেনার জন্য। তবে পাইকারি মার্কেট গুলি থেকে আপনি খুচরো দরে কিনতে পারবে না তার জন্য আপনাকে একটু বেশি পরিমাণে সমস্ত জিনিস কিনতে হবে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির মেশিন কোথায় পাওয়া যায়?

আপনি যেখানে থাকেন তার কাছাকাছি বড় শহরে যদি কোন মেশিন ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি থাকে তাহলে আপনি সেখান থেকে সরাসরি মেশিন কিনতে পারেন। এছাড়াও বর্তমানে প্রায় প্রতিটি শহরেই একাধিক মেশিনারি দোকান রয়েছে আপনারা চাইলে সেই মেশিনারি দোকান থেকেও মেশিন কিনে ব্যবসা করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গে যদি আপনি থেকে থাকেন তাহলে কলকাতার বড়বাজার এলাকাতে একাধিক বড় মেশিনারি দোকান রয়েছে সেখান থেকে আপনি মেশিন কিনে ব্যবসা করতে পারেন।

আবার বাংলাদেশে যারা রয়েছেন তারা ঢাকা থেকে মেশিন কিনে ব্যবসা করতে পারেন। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ছোট থেকে বড় সব ধরনের মেশিন আপনি অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট অথবা ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে পেয়ে যাবেন।
আবার আপনি চাইলে সরাসরি ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি থেকে এই মেশিন কিনতে পারেন।
ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানিরা আপনাকে ফ্রেন্ডস ফ্রাই তৈরির যাবতীয় ফর্মুলা এবং সাহায্য করে থাকবে।
এছাড়া মেশিনের আপনি ওয়ারেন্টি এবং সার্ভিসিংয়ের গ্যারান্টিও পেয়ে থাকবেন।
8000 57 4216 এই ফোন নাম্বারে ফোন করে আপনি চাইলে সরাসরি কোম্পানি থেকে মেশিন কিনতে পারেন।

আরো পড়ুন- জমিতে গোলমরিচ চাষ করে ৬ লাখ টাকা আয়

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন হয়?

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা আপনি কিভাবে করতে চান তার ওপরে নির্ভর করবে জায়গার। অর্থাৎ আপনার যদি রেস্টুরেন্ট থেকে থাকে তার মধ্য মেশিন বসিয়ে আপনি কাস্টমার জন্য ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করে ব্যবসা করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী বাজারে একটি গাড়ির মধ্যে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই স্টল খুলে তারমধ্য ব্যবসা করতে পারেন।
তবে মেশিনটি হয় খুবই ছোট, যা আধুনিক একটি টেবিলের অর্ধেক জায়গা নেইনা।

মচমচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই রেসিপি বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কি করে তৈরি করতে হয়? (How to make crispy french fries recipe or french fries?)

প্রথমে আলুর খোসাটি একটি মেশিন দিয়ে পরিষ্কার করে নিন তারপর আলোটি ভালো করে জলে ধুয়ে নিয়ে মেশিনটি চালিয়ে মেশিনের মধ্যে আলু গুলি দিলে অটোমেটিক মেশিনের দ্বারা আলু গুলি কেটে তৈরি হয়ে যাবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করার জন্য।
এরপর সেই আলু গুলির মধ্য কনফ্লাওয়ার সুন্দর করে মাখিয়ে নিতে হবে। কনফ্লাওয়ার মাখানো হয়ে গেলে সমস্ত আলু গুলি চাইলে আপনি ফ্লায়ার মেশিন এর মধ্য বাঁচতে পারেন, অথবা আপেলের করাতে আপনি সেই আলুগুলো দিয়ে ভেজে মচমচে করে নিতে পারেন। তবে আলু গুলির কালার যতক্ষণ না বাদামী রঙ হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আলোটাকে ভাজতে হবে।

meny type French Fry
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই রেসিপি


আলুভাজা শেষ হয়ে গেলে আলুর থেকে অবশিষ্ট তিনটি ছাড়িয়ে নিয়ে তার মধ্য ফ্রেঞ্চ ফ্রাই মসলা মিশিয়ে রেডি করে নিতে হবে।
এরপর সমস্ত টা তৈরি হয়ে গেলেই আপনার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি হয়ে যাবে এবং এটি আপনি যখন কাস্টমারের হাতে তুলে দেবেন তার জন্য প্লেটের উপর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়ে তাতে আপনি যে ধরনের সস ব্যবহার করতে চান, সেই ধরনের সস বা মেয়োনিজ দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

যে কোন ব্যবসা শুরু করতে গেলেই আপনাকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে তাই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে গেলেও আপনাকে প্রথমেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে ব্যবসার জন্য।
এরপর আর সাধারণত কোনো লাইসেন্স এর দরকার পড়ে না তবে আপনি যদি এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই প্যাকেট করে মানুষের মধ্যে বিক্রি করতে চান তাহলে আপনাকে ফুড লাইসেন্স নিতে হবে।
কিন্তু আপনি যদি শুধুমাত্র স্টল করে অথবা রেস্টুরেন্টে বিক্রি করতে চান তাহলে এর জন্য আলাদা করে কোনো লাইসেন্স এর দরকার পড়বে না।
তবে যে কোন ব্যবসা শুরুতে আপনি যদি কোনো লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা শুরু করেন তাতে খুব একটা ক্ষতি সম্মুখীন হতে হয় না পরবর্তীকালে যখন আপনার ব্যবসায় লাভ বেশি হবে তখন আপনি চাইলে ধীরে ধীরে সমস্ত লাইসেন্স নিয়ে নিতে পারেন।

আর ট্রেড লাইসেন্স বলুন GST লাইসেন্স বলুন যেকোনো লাইসেন্সই আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস অথবা বিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশন থেকে পেয়ে যাবেন।
বর্তমানে অনলাইনে এপ্লাই করে ও ট্রেড লাইসেন্স সহ বাকি লাইসেন্স গুলি পাওয়া যায়।

অবশ্যই পড়ুন- ফেলে দেয়া প্লাস্টিক বোতল থেকে 2 লাখ টাকা আয়

ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের ব্যবসা কিভাবে করতে হয়?

যদি আপনার আগে থেকেই কোন রেস্টুরেন্ট থেকে থাকে তাহলে আপনি রেস্টুরেন্টের খাবার আইটেমের মধ্যে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এড করতে পারেন। যেমনটা আমরা দেখে থাকি কেএফসি, ডোমিনোজ প্রভৃতি বড় বড় কোম্পানির রেস্টুরেন্টে গেলে।
এছাড়া আপনি চাইলে একটি ঠেলাগাড়ি তৈরী করে নিয়ে তার মধ্য সুন্দর করে সাজিয়ে শুধুমাত্র ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বিক্রি করতে পারেন এবং এটা খুব জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারে বর্তমান সময়ের দিকে দেখলে।
এইটা আলাদা করে আপনার কোন দোকানের খরচ পড়বে না শুধুমাত্র একটা ঠেলা গাড়ি তৈরি করতে পারলেই হবে। যেকোনো বড় বাজারের কাছে আপনি নিয়ে গিয়ে প্রতিদিন এই ব্যবসা করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের অনলাইন ব্যবসা কিভাবে করা হয়?

আপনার রেস্টুরেন্ট ছোট হোক বা দোকান ছোট হোক বা বড় হোক যেমনি হোক না কেন আপনি চাইলে অনলাইনে ফেন্স ফাই এর ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
প্রথমে আপনাকে যে ফুড সাপ্লাইয়ের অনলাইন সাইট গুলি রয়েছে যেমন জোমাটো, সুইগী এই ধরনের ফুড ডেলিভারি সাইটগুলিতে একটি করে বিজনেস একাউন্ট খুলতে হবে, এবং সেখানে আপনার রেস্টুরেন্টের তৈরি যেকোনো খাবার আপনি ছবিসহ দাম সমস্ত কিছুই সেখানে আপলোড করতে পারেন।
এখনকার দিনের ক্রেতারা রেস্টুরেন্টে গিয়ে যতনে বেশি খায় তার থেকে বেশি ফুড অর্ডার করে বাড়িতে বসেই তাই আপনার কাছ থেকে অর্ডার চলে যাবে কাস্টমারের কাছে সরাসরি বাড়িতে। এবং আপনিও এই অনলাইন ব্যবসা করে অনেক বেশি ইনকাম করতে পারবেন বাকি সব ধরনের ব্যবসায়ির মতন।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

যদি আপনার রেস্টুরেন্ট থেকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ক্রেতারা অনলাইনে কিনে তাহলে আপনাকে সুন্দর করে প্যাকেজিং করতে হবে। আমরা যেমন বড় বড় রেস্টুরেন্টে দেখে থাকি ফেন্স ফাই এর জন্য আলাদা করে ফ্রেঞ্চ ফায়ার ছবি লাগানো সুন্দর সুন্দর কাগজের প্যাকেট দিয়ে থাকে তারা। ঠিক তেমনি আপনাকে কাগজের সুন্দর ডিজাইনের প্যাকেট তৈরি করতে হবে এবং যার মধ্য ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর ছবি সহ আপনার রেস্টুরেন্টের নামটাও থাকবে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা
ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের প্যাকেজিং

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসায় লাভ কত?

সাধারণত এক প্লেট ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করতে খরচ হয় 10 টাকা। আর সেই ফ্রেঞ্চ ফাই বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে 60 টাকা প্রতি প্লেট দামে। আপনিও চাইলে প্রতি প্লেট 60 টাকা দামে বিক্রি করতে পারেন আপনার রেস্টুরেন্ট অথবা ছোট স্টল থেকে।
মানে 10 টাকার জিনিস আপনি 60 টাকায় বিক্রি করলে 50 টাকা প্রতি প্লেটে আপনার লাভ থাকছে
প্রতিদিন আপনি যদি 100 প্লেট বিক্রি করতে পারেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তাহলে প্রতিদিন 5 হাজার টাকা আপনার লাভ থাকবে
বুঝতেই পারছেন কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই ছোট্ট একটি ব্যবসা। যেখান থেকে প্রতিদিন আপনি লাভ করতে পারেন 5000 টাকা করে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে গেলে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়?

প্রথমেই আপনাকে যে জিনিসটা মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর কোয়ালিটি।
অর্থাৎ আপনার রেস্টুরেন্টে তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের যেন কোয়ালিটি বাকি রেস্টুরেন্ট এর থেকে কম না হয়ে থাকে আর টেস্ট ও যেনো অনেক ভালো হয়ে থাকে।
ব্যবসা শুরুতে আপনি চাইলে লাভ কম রেখে ব্যবসা করতে পারেন, যাতে আপনার রেস্টুরেন্টের তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই সকল ক্রেতা খুব সহজেই কিনে খেতে পারে।
রেস্টুরেন্টটা কেউ আপনাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে, যাতে সহজেই সবার নজর পড়ে আপনার রেস্টুরেন্টের দিকে। তা না হলে কেউ রেস্টুরেন্টে ফেনসফাই শুধুমাত্র খাবার জন্য আসবে না

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: সাধারণত 15 হাজার টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করতে তবে 600 টাকা দিয়েও ছোট আকারের এই ব্যবসা করা যায়।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির মেশিনের দাম কত?

উত্তর: 15 হাজার টাকা মেশিনের দাম।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা কোথায় করা যায়?

উত্তর: শহরাঞ্চলের দিকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ব্যবসা সহজেই করা যায়। কারণ শহরে কাস্টমার বেশি থাকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাওয়ার।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ব্যবসার সাথে আর কি কি ব্যবসা করা যায়?

উত্তর: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ব্যবসার সাথে আলুর চিপসের ব্যবসা এবং সাধারন রেস্টুরেন্ট ব্যবসা করা যায়।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ব্যবসায় লাভ কত ?

উত্তর: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ব্যবসায় লাভের পরিমাণটা প্রতিদিন ২০০০ টাকা কমপক্ষে হলেও এটা নির্ভর করবে আপনি কি পদ্ধতিতে ব্যবসা করছেন ও মার্কেটিং কিভাবে করেছেন তার ওপর।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

আলুর চিপস তৈরি

2 হাজার টাকায় পেপসি তৈরির ব্যবসা

11 thoughts on “ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা করুন মাত্র 600 টাকা দিয়ে | French Fry Making Business amazing ideas”

Leave a Comment