ফুচকা তৈরির ব্যবসা করে 1 লক্ষ টাকা লাভ | Fuchka making business, Right Now

ফুচকা তৈরির ব্যবসা আগের থেকে এখন অনেক বেশি পরিমাণে লাভজনক একটি ব্যবসা। কারণ আগেকার সময়ে সংখ্যায় অনেক বেশি উপরন্ত টাকায় কমে ফুচকা আমরা খেতে পারতাম কিন্তু বর্তমান সময়ে ফুচকার পরিমাণ কমে গেছে আর টাকা খরচ বেড়ে গেছে। তাই জন্য এখনকার সময়ে ফুচকা তৈরির ব্যবসা অত্যান্ত একটি লাভজনক ব্যবসা। ফুচকা শুধু এখনকার মানুষের মুখরোচক পছন্দের খাবারের মধ্যে পড়ে এটা নয়, কারণ ফুচকা বহু প্রাচীন সময় থেকে রাজ রাজাদের আমল থেকে চলে আসছে। ফুচকা তৈরির ব্যবসা বর্তমানে অল্প পুঁজির একটি ব্যবসার উদাহরণ। এছাড়াও ফুচকা তৈরীর ব্যবসা করে এখন অনেক গরীব মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন-জীবিকার প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভারতের আপনি যেই রাজ্যে বসবাস করুন অথবা বাংলাদেশের যে প্রান্তেই আপনি থাকুন না কেন ফুচকা প্রতিটা রাতেই আপনি পেয়ে যাবেন। তবে ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে ফুচকা কে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে। যেমন গোলগাপ্পা, পানিপুরি, ফুচকা ইত্যাদি। ছোট বাচ্চার হোক কিংবা বয়স্ক প্রতিটা মানুষেরই খুবই প্রিয় একটি খাবার ফুচকা। তাই ফুচকা তৈরির ব্যবসা আপনাকে করে তুলতে পারে একজন সফল উদ্যোক্তা। এমন কিছু কিছু ফুচকা তৈরীর ব্যবসায়ী আছেন যারা প্রতিদিন 100 বেশি ফুচকার স্টল দেয়। তাদের জীবন কাহিনী থেকেও একটা স্টল থেকে আজ 100 টি স্টলের গল্প পাওয়া যায়। খুব অল্প পুঁজি দিয়ে আপনিও শুরু করতে পারেন ফুচকা তৈরির ব্যবসা আর এই ব্যবসা করতে আপনার যাবতীয় সমস্যার সমাধান নিয়ে উপস্থিত এই পোস্ট।

Fuchka making business
ফুচকা তৈরির ব্যবসা

Table of Contents

ফুচকা তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা খরচ?

ফুচকা তৈরির ব্যবসা একটি অল্প পুঁজির ব্যবসার মধ্যে পড়ে। এই ব্যবসা ছোট করে শুরু করতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রতিদিন 2 থেকে 3 হাজার টাকা খরচ করতে হবে। কারণ এই 2000 টাকা দিয়ে আপনি ফুচকা তৈরির প্রয়োজনীয় সকল কাঁচামাল কিনে ফুচকা তৈরি করে ব্যবসা করতে পারবেন। এরপরে যখন আপনি খুব বড় আকারের ফুচকা তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন, তখন অবশ্যই আপনাকে অটোমেটিক ফুচকা তৈরি করার মেশিন কিনতে হবে, যার জন্য আপনার খরচ হবে আরও 50 থেকে 70 হাজার টাকা।

তবে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষকে একটা কথাই বলবো যে ছোট করে শুরু করুন শিখুন এবং আস্তে আস্তে আপনার ব্যবসাকে বড় করার চেষ্টা করুন, এক ধাক্কায় যদি আপনি অনেক খরচ করে মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করেন তাহলে হতেই পারে আপনি লাভের পরিবর্তে ক্ষতির সম্মুখীন হন।

ফুচকা তৈরির ব্যবসা তে কি কি কাঁচামাল লাগে?

ফুচকা তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ফুচকা তৈরি করার জন্য বেশকিছু কাঁচামাল কিনতে হবে। সকল প্রকার কাঁচামাল কি নেই তবে আপনাকে ফুচকা তৈরি করে ব্যবসা করতে হবে। আর ফুচকা তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল গুলি হল-

  • আটা
  • সুজি
  • তেল
  • তেতুল
  • আলু
  • ছোলা
  • মটর
  • পেঁয়াজ
  • বিভিন্ন প্রকারের ফুচকার মসলা
  • কাঁচা লঙ্কা
  • প্লাস্টিক প্লেট

ফুচকা তৈরীর কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

ফুচকা তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে সকল প্রকার কাঁচামাল স্বল্পমূল্যে কিনতে হবে। ফুচকা তৈরীর জন্য সমস্ত কাঁচামাল আপনি আপনার নিকটবর্তী যেকোনো মুদিখানা দোকান থেকে কিনতে পারেন। তবে অল্প মূল্যে আপনাকে যদি সকল কাঁচামাল কিনতে হয় তাহলে আপনার শহরের পাইকারি মুদিখানা দোকান থেকে সমস্ত কাঁচামাল কিনুন। এছাড়া আপনার ব্যবসা যখন অনেক বড় হয়ে যাবে, তখন আপনি সমস্ত কাঁচামাল কিনার জন্য বড়ো হোলসেল মার্কেট যেমন বড়বাজার থেকে সকল কাঁচামাল কিনতে পারেন।

ফুচকা তৈরির মেশিনের দাম কত?

ফুচকা তৈরীর ব্যবসা যখন খুব বড় আকারে করা হয় তখন একজন ব্যবসায়ীর হাতে তৈরি করতে ফুচকা অনেক সময় লেগে যায় এবং অনেক পরিমিত মজুরি লেগে যায়। তাই জন্য বর্তমান সময়ে ফুচকা তৈরি করার জন্য অনেক আধুনিক মেশিন বাজারে চলে এসেছে। তবে সাধারণত ফুচকা তৈরি করার জন্য অটোমেটিক দুই ধরনের মেশিন ব্যবহার করা হয়। আর সেই মেশিন গুলি হল-

  • ময়দা মিক্সার মেশিন-25 হাজার থেকে 35 হাজার টাকার মধ্যে এর দাম।
  • ফুচকা মেকিং মেশিন-50 হাজার থেকে 60 হাজার টাকার মধ্যে এর দাম।

অবশ্যই পড়ুন- ব্যবসা মাত্র 10 হাজার টাকা দিয়ে শুরু করুন

ফুচকা তৈরীর মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

ফুচকা তৈরীর ব্যবসা করতে গেলে ফুচকা তৈরীর প্রয়োজনীয় মেশিন গুলো আপনাকে খুবই অল্প মূল্যে কিনতে হবে। বর্তমানে ফুচকা তৈরি করার সকল মেশিন আপনি চাইলে অনলাইনে ইন্ডিয়ামার্ট অথবা অ্যামাজন থেকে কিনতে পারেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয় সরাসরি আপনি যদি ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি থেকে ফুচকা তৈরি করার মেশিন কিনতে পারেন। আপনার শহরের আপনি খুজলে দেখতে পাবেন অনেক বড় বড় মেশিন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি রয়েছে, আপনি সেই কোম্পানিতে গিয়ে ফুচকা তৈরীর মেশিন কিনতে পারেন অথবা অর্ডার দিয়ে বানাতে পারেন।

তৈরীর মেশিন
ফুচকা তৈরীর মেশিন

ফুচকা তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

সাধারণত ফুচকা তৈরি করতে আপনার রান্নাঘর ই যথেষ্ট। তবে আপনি একটু বড় করে ব্যবসা করতে হলে ফুচকা তৈরি করা এবং সেই ফুচকা গুলোতে শুকনো করার জন্য আপনাকে কমপক্ষে 8/10 ফুট এর একটি ঘর রয়েছে। তবে এর থেকে ছোট জায়গায় ফুচকা তৈরির ব্যবসা করা যায়, আবার খুব বড় আকারের ফুচকা তৈরীর কারখানা খুললে আপনার আরও বড় জায়গার প্রয়োজন হবে। একটু বড় ঘর বা জায়গা হলে আপনি কাঁচামাল, মেশিন অথবা তৈরি হওয়া ফুচকা গুলি রাখতে পারবেন। কিন্তু যাদের এত বড় জায়গা নেই তারা চাইলে শুধুমাত্র একটি রান্নাঘর যেখানে আপনার বাড়ির রান্না হয়, সেই রান্নাঘরের মধ্যই ফুচকা তৈরি করে ব্যবসা করতে পারেন ছোট করে।

কিভাবে ফুচকা তৈরি করা হয়? (How is Fuchka made?)

ফুচকা তৈরি করার খুবই সহজ জিনিস আপনিও যদি একটু ভালো করে কোন ফুচকা ব্যবসায়ীর কাছে এক বেলা বোসের শিক্ষা নেন তাহলে আপনিও তৈরি করতে পারবেন সমস্ত ফুচকা। দেখে নেওয়া যাক ফুচকা তৈরি করার সকল প্রক্রিয়া-

  • প্রথমে আপনি যে পরিমাণ ফুচকা তৈরি করবেন তার পরিমাণ মতো ময়দা ও সুজি একটা পাত্রে ঢেলে নিতে হবে।
  • এরপর ময়দা তে পরিমাণমতো জল দিয়ে ভালো করে মাখাতে হবে।
  • এরপর ময়দার একটি শক্ত মিশ্রণ তৈরি করতে হবে,
  • তারপর ময়দার ছোট ছোট লুচির আকারে কেটে নিয়ে বলতে হবে।
  • তারপর গোলাকৃতি নরম ময়দা গুলিকে তেলেতে ভাল করে ভেজে নিলেই যখন ফুলে উঠবে সেটাই ফুচকায় পরিণত হবে।
  • এরপর ফুচকা গুলিকে আরো মজা করার জন্য সামান্য রোদে ঘণ্টাখানেক রেখে দিতে হবে।

তবে মেশিনের সাহায্যে ফুচকা তৈরি করলে ঘন্টায় আপনি 6 হাজারের বেশি ফুচকা তৈরি করতে পারবেন। আর বড় ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন 50-60 হাজার ফুচকা তৈরি অবশ্যই লাগে। এবং প্রতিটা বড় ব্যবসায়ী প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করেন শুধুমাত্র ফুচকা তৈরি করে।

আরো পড়ুন- হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম ফ্র্যাঞ্চাইজি কিভাবে পাওয়া যায়?

ফুচকা প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

ফুচকা তৈরির ব্যবসা আপনি যেমন বহু পদ্ধতিতে করতে পারেন তেমনি আরেকটি পদ্ধতি হলো ফুচকা প্যাকেজিং করে কাস্টমারের কাছে বিক্রি করা। এর জন্য আপনাকে ন্যূনতম 10 টাকার একটি প্যাকেট করে কিংবা 20 টাকার একটি প্যাকেট করে পরিমাণমতো ফুচকা সেই প্লাস্টিকের ভেতরে দিয়ে ভালো করে সিল করে দিতে হবে। এছাড়াও আপনি আপনার একটি কোম্পানি তৈরি করে কোম্পানির নাম লেখা অথবা স্টিকার লাগানো প্লাস্টিকের ভেতরের ফুচকা দিয়ে সিল করে বাজারে বিক্রি করতে পারেন অথবা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

Fuchka business
ফুচকা ব্যবসা

ফুচকা ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

যে কোন ব্যবসা করতে গেলে যেমন লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে ঠিকই কিন্তু ফুচকা ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে এমন কোন কথা নেই। তবে আপনি যদি খুব বড় মাপের ফুচকা তৈরীর ব্যবসায়ী হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে। আর আপনি যদি ছোট ফুচকা ব্যাবসায়ি হোন,যেমন পাড়ায়, মেলায় অথবা বাজারের ফুচকা বিক্রি করে থাকেন, তাহলে আপনার বিনা লাইসেন্সে আপনি ব্যবসা করতে পারবেন।

তবে আইনি জটিলতা কাটাতে বড় ব্যবসায়ীদের অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করা উচিত।
এছাড়া আপনি যখন ফুচকার বড় করে ব্যবসা শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স এর সাথে সাথেই FSSAI লাইসেন্সের প্রয়োজন।FSSAI লাইসেন্স মূলত খাদ্যপণ্য বিক্রয় ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় প্রয়োজন।

ফুচকার আধুনিক মার্কেটিং কিভাবে করা হয়?

প্রতিটা ব্যবসার মতো ফুচকা তৈরীর ব্যবসাতে যদি না আপনি আধুনিক পদ্ধতিতে ব্যবসার মার্কেটিং করতে না পারেন তাহলে আপনার ব্যবসাতে বেশি লাভ করা সম্ভব হবে না। আধুনিক পদ্ধতি বলতে ফুচকার রেস্টুরেন্ট এবং অনলাইনে বিক্রির পদ্ধতিকে মূলত বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় বর্তমান সময়ে।

  • আপনি একাধিক স্থানে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট এর সাথে কথা বলে সেই রেস্টুরেন্টের ভেতরে ফুচকার স্টল লাগাতে পারেন। আবার আপনি চাইলে নিজে থেকেই শুধুমাত্র ফুচকার রেস্টুরেন্ট খুলতে পারেন যাতে বিভিন্ন আইটেমের ফুচকা রাখবেন।
  • এছাড়াও আপনি বিভিন্ন বড় বড় জনবহুল জায়গা বেছে নিতে পারেন যেখানে পার্মানেন্ট ফুচকার স্টল বসাতে পারেন এবং মানুষের ভিড় উপচে পড়বে আপনার এই স্টলে এবং ব্যবসায় খুব ভালোভাবে করতে পারবেন।
  • এছাড়াও আপনি বর্তমানের পুরনো পদ্ধতি যেমন বাসস্ট্যান্ডের কাছে, রেলস্টেশনের কাছে, স্কুলের বাইরে, কলেজের বাইরে ছোট ছোট ফুচকার স্টল বিভিন্ন লোক লাগিয়ে একাধিক জায়গাতেই খুলতে পারেন।
  • এছাড়াও প্যাকেট তৈরি করে অনলাইনে হোম ডেলিভারি দিয়ে ফুচকার ব্যবসা করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- বাড়ির বউদের জন্য সেরা ১০টি ব্যবসার আইডিয়া 

ফুচকা তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit of Fuchka making business?)

প্রতিটা ব্যবসার মতো ফুচকা তৈরীর ব্যবসাতেও লাভের পরিমাণ নির্ভর করে ব্যবসায়ে বিনিয়োগের এবং বিক্রির ওপর। অর্থাৎ বেশি বিনিয়োগ করে বেশি পরিমাণে বিক্রি করতে পারলে তবেই আপনি বেশি পরিমাণে লাভ করতে পারবেন। তবে সাধারন কথাই বলা যায় একজন ছোট ব্যবসায়ী ভালো স্থানে ব্যবসা করে ঘন্টায় 8000 পিস ফুচকা বিক্রি করতে পারেন এবং ঘন্টায় 8000 প্রিস ফুচকা বিক্রি করে তিনি 800 টাকা লাভ করতে পারেন।

খুব কম করেও যদি একজন খুচরা ব্যবসায়ী দিনে আট ঘন্টা ফুচকা বিক্রি করে তাহলে অবশ্যই দিনে 6 হাজার টাকা কম করে ইনকাম করতে পারেন। আর প্রতিদিন 6000 টাকা ইনকাম করলে আপনি প্রতিমাসে 1.5 লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারেন। তবে ব্যবসায় লাভের পরিমাণ টা অবশ্যই নির্ভর করবে আপনি কি ধরনের পদ্ধতিতে এবং কোন জায়গাতে ব্যবসা করছেন তার ওপর।

ফুচকা তৈরীর ব্যবসায় সমস্যা গুলি কি কি?

ফুচকা তৈরির ব্যবসা কেমন লাভজনক ব্যবসা তেমন এই ব্যবসা খুব অল্প পুজিতে শুরু করা যায়। আবার ফুচকা তৈরীর ব্যবসায়ীরা সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবসা না করার জন্য অল্প পরিমাণ টাকা লাভ করে থাকে। ফুচকা তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনার বিশেষ করে যে কয়েকটা সমস্যা হবে সেগুলি হল-

  • সঠিক জায়গাতে আপনি যদি ব্যবসা না করতে পারেন তাহলে আপনি বেশি পরিমাণে লাভ করতে পারবেন না।
  • ফুচকা বিক্রি হয় বেশিরভাগ সময়টা বিকাল থেকে রাত্রের মধ্যে।
  • মেয়েরা যেহেতু বেশি পরিমাণে ফুচকা পছন্দ করে তাই এমন কোন স্থান আপনাকে নির্বাচন করতে হবে যেখানে মেয়েদের পরিমাণ বেশি থাকে।
  • বাকি অন্যান্য ফুচকার ব্যবসায়ীদের থেকে ভালো উন্নত মানের ফুচকা যেন অবশ্যই আপনার হয় এটার লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় এবং কাস্টমারদের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার আপনাকে অবশ্যই করতে হবে।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ফুচকা তৈরির ব্যবসায়ে বিনিয়োগ কত?

উত্তর: ফুচকা তৈরীর ব্যবসা আপনি মাত্র 2 থেকে 3 হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন।

ফুচকা কত ধরনের হয়?

উত্তর: ফুচকা বর্তমানে 25 থেকে 30 রকমের পাওয়া যায়।

ফুচকা তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: একজন সফল ফুচকা ব্যবসায়ীর মাসিক আয় কমপক্ষে 1 লক্ষ টাকার বেশি।

ফুচকা তৈরীর মেশিনের দাম কত?

উত্তর: ফুচকা তৈরির মেশিনের দাম 50 থেকে 60 হাজার টাকার মধ্যে পড়বে।

ফুচকা তৈরীর ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

উত্তর: ফুচকা তৈরির ব্যবসা আপনি আপনার রান্নাঘরেও শুরু করতে পারেন, তবে এই ব্যবসা করতে গেলে ন্যূনতম আপনি চাইলে 10/10 ফুটের একটি ঘর হলেই এই ব্যবসা করা যায়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

জুতার ব্যবসা করার আইডিয়া

ব্যবসা করে কিভাবে হবেন সফল ব্যবসায়ী

Leave a Comment