2 হাজার টাকায় পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করুন | Pepsi making business right now

পেপসি এমন একটা খাবার যা ছোট থেকে বড় প্রায় সব ধরনের মানুষই ভীষণভাবে পছন্দ করে। সবথেকে কম পুঁজি বিনিয়োগ করে লাভযুক্ত ব্যবসা যদি করতেই হয় তাহলে আপনি পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বছরের আটটা মাস রম রম নিয়ে চলবে এই ব্যবসা। বেশিরভাগ কাস্টমার বাচ্চা হলেও বড়দের মধ্যেও পেপসি খাওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। আপনি যদি একটু আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে পেপসি তৈরির ব্যবসা আপনার এলাকায় শুরু করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুততার সাথে এই ব্যবসায়ী আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক এই ব্যবসা করার জন্য যাবতীয় তথ্যগুলি।

Table of Contents

পেপসি তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায়? (How to start a Pepsi making business?)

পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে ভালো করে মার্কেট রিসার্চ করে নিতে হবে। দেখতে হবে তৈরি হওয়া পেপসি কোথায় বিক্রি করবেন কোথা থেকে কাঁচামাল আনবেন এবং বর্তমান মার্কেটে কি ধরনের পেপসির চাহিদা বেশি। মার্কেট রিসার্চ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আপনি অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে শুরু করে ফেলতে পারেন আপনার বাড়িতেই একটি পেপসি তৈরির কোম্পানি। কারণ এই ব্যবসা করার জন্য খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন পড়ে না বাড়ি থেকেই কাজ করে আপনি প্রতিদিন 2 হাজার টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

শুনে হয়তো একটু অবাক হচ্ছেন 2 হাজার টাকা ইনভেস্ট করে 1 হাজার টাকা প্রতিদিনের আয় এই ব্যবসায়, এটা সত্যি। ইপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনি বিভিন্ন পেপসি তৈরীর কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন সামান্য ট্রেনিং নিয়ে এই ব্যবসা করতে পারেন আবার এই পোস্টটি পড়ে যোগাযোগ নাম্বারে ফোন করে কোম্পানির কাছ থেকে মেশিন কিনেও ব্যবসা করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- খুব কম টাকা লাগিয়ে প্রতি মাসে 1 লাখ টাকা লাভ

পেপসি তৈরি করতে কি কি কাঁচামাল লাগে? (What raw materials are needed to make Pepsi?)

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে এই পেপসি তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কিনতে হবে। পিপসির মূলত জল এর প্রধান উপাদান হওয়ার কারণে খুব অল্প পরিমান কাঁচামাল কিনেই আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে গেলে যে সকল কাঁচামাল আপনাকে কিনতে হবে তা হল-

  • চিনি
  • বেঞ্জয়িক এসিড
  • ফুড ফ্লেভার
  • ফ্লেভার সেন্ট
  • পেপসি প্যাকেজিং প্লাস্টিক

পেপসি তৈরির কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে গেলে পেপসির সকল কাঁচামাল স্বল্পমূল্যে কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। পেপসি তৈরি করার প্রায় সব ধরনের কাঁচামাল পেয়ে যাবেন আপনার এলাকার মুদিখানা দোকান থেকে। যেহেতু আপনি অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে এই ব্যবসা শুরু করছেন তাই চাইলে আপনি 2-3 কেজি চিনিসহ বাকি সব জিনিস অল্প অল্প করে কিনে নিয়ে ব্যবসার কাজ করতে পারেন। তবে আপনি যদি বড় আকারের পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই বড় কোনো পাইকারি মার্কেট থেকে সব ধরনের কাঁচামাল কিনে নিয়ে আসতে হবে।

পেপসি প্যাকেজিং প্লাস্টিক সাধারণ বাজারে না পাওয়া গেলেও আপনি চাইলে অর্ডার করতে পারেন যে দোকানে প্লাস্টিক বিক্রি হয় সেই দোকানে। আবার আপনি নিজে থেকে চাইলে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে পেপসি প্যাকেজিং প্লাস্টিক কিনতে পারেন খুবই কম দামে। 80 টাকা কেজি দরে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইটে পেপসি প্যাকেজিং প্লাস্টিক বিক্রি হয়। কলকাতার বড়বাজার থেকে সমস্ত ধরনের কাঁচামাল খুবই কম দামে কিনে নিয়ে গিয়ে আপনার এলাকায় আপনি এই ব্যবসা রম রমরমে করতে পারেন। বাংলাদেশে যারা আছেন তারা আপনার এলাকার বড় পাইকারি বাজার বা ঢাকার চকবাজার থেকে সব ধরনের কাঁচামাল কিনে নিয়ে এসে আপনার এলাকায় ব্যবসা করতে পারেন।

Pepsi making machine
পেপসি তৈরির মেশিন

পেপসি তৈরি করতে কি কি মেশিন লাগে?

পেপসি তৈরির ব্যবসা যদি অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করেন সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্যাকেট সিলিং মেশিন কিনেই এই ব্যবসার কাজ করা যেতে পারে। তবে আপনি যদি বেশি প্রোডাকশন চান তাহলে অটোমেটিক পেপসি মেকিং মেশিন কিনতে পারেন। অটোমেটিক পেপসি মেকিং মেশিনের মধ্যে পেপসি তৈরির তরল মিশ্রণ বা জলটি ভরে দিলে অটোমেটিক পদ্ধতিতে পেপসি তৈরি হয়। তবে অটোমেটিক পেপসি মেকিং মেশিনের দাম একটু বেশি হওয়ার জন্য সবাই তা কিনে নিয়ে ব্যবসা করতে পারে না। এই কারণে শুধুমাত্র প্যাকেট সিলিং মেশিন কিনে নিয়ে নিজে হাতে প্যাকেট সিলিং করে মার্কেটে বিক্রি করতে পারেন।

পেপসি তৈরির মেশিনের দাম কত? (How much does a pepsi making machine cost?)

আপনি যদি এই ব্যবসা খুব অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করেন এবং শুধুমাত্র প্যাকেট সিলিং মেশিন কিনে নিয়ে পেপসি তৈরি করার কাজ করেন সে ক্ষেত্রে আপনার একটি মেশিন কিনতে খরচ পড়বে খুবই অল্প টাকা। তবে অটোমেটিক পেপসি মেকিং মেশিন এর দাম একটু বেশি যা আপনি ভারত কিংবা বাংলাদেশ থেকে পেয়ে যাবেন। বর্তমানে যে দুটি মেশিনের সাহায্যে পেপসি বানানো হয়ে থাকে সেই মেশিন দুটির নাম হলো-

  1. প্যাকেট সিলিং মেশিন– 800 টাকা থেকে 1500 টাকা
  2. অটোমেটিক পেপসি মেকিং মেশিন– 15 হাজার টাকা থেকে 25 হাজার টাকা।

পেপসি তৈরির মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where to buy Pepsi making machine?)

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে গেলে সর্বদাই দেখতে হবে অল্প টাকায় কোথায় মেশিন পাওয়া যায় এবং কাঁচামাল কিনতে পাওয়া যায়। কারণ যত কম দামে আপনি মেশিন বা কাঁচামাল কিনবেন এবং ব্যবসায় ইনভেস্ট করবেন তত বেশি পরিমাণে আপনি লাভ করতে পারবেন। তাই আপনাদের সুবিধার্থে সব ধরনের মেশিন কেনার জন্য ভারত এবং বাংলাদেশের একাধিক কোম্পানির যোগাযোগ নাম্বার নিচে দেওয়া হল, আপনারা চাইলে এই সকল কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে মেশিন কিনে নিয়ে আপনার বাড়িতে থেকেই ব্যবসা করতে পারেন। আপনারা আরো চাইলে ইন্ডিয়া মার্ট ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে মেশিন কিনে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন।

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

এই ব্যবসা করার জন্য আলাদা করে বড় করে কারখানা করার কোন প্রয়োজন পড়বে না যদি না আপনি এই ব্যবসা বড় করে শুরু করেন। অর্থাৎ পেপসি তৈরির ব্যবসা ছোট করে শুরু করার সময় আপনি চাইলে আপনার বাড়ি থেকেই সব কাজ করতে পারেন। যেহেতু পেপসি বানানোর মেশিন গুলি খুবই ছোট হয়ে থাকে তাই এটি চাইলে একটি চেয়ারের ওপর বা টেবিলের ওপর বসিয়েই কাজ করা যেতে পারে। তাই বলা যেতে পারে 5 থেকে 10 ফুট জায়গা হলেই পেপসি তৈরির ব্যবসা করা যেতে পারে।

কিভাবে পেপসি বানানো হয়? (How is Pepsi made?)

পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে জানতে হবে পেপসি বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে। খুবই সহজ পদ্ধতিতে পেপসি বানানো যায় যা আপনি এই পোস্টটি পড়েই শুরু করতে পারেন অথবা যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখানে আধ ঘন্টা ট্রেনিং এই শিখে যেতে পারেন।
500 পিস পেপসি তৈরি করার পদ্ধতি হল-

পেপসি তৈরির পদ্ধতি

  • 20 লিটার জল এর সাথে 1.5 কেজি চিনি, 1 চা চামচ ফ্লেভার সেন্ট, 20 ml ফ্লেভার, 5 ml বেঞ্জয়িক এসিড ভালো করে মেশান
  • মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে পেপসি প্যাকেজিং প্লাস্টিকের ভেতর ভর্তি করে ফেলুন।
  • এই সরু প্লাস্টিকের ভেতরে পেপসি লিকুইড ভরার জন্য আপনি একটি কাঁপা প্লাস্টিকের মুখে লাগিয়ে আস্তে আস্তে তরল ঢালুন।
  • প্যাকেজ সিলিং মেশিন দিয়ে প্লাস্টিক টি পরিমাণ মতো সমান আয়তনে কেটে পেপসি বানান।
  • দশটা করে পেপসি প্লাস্টিকের ভেতরে ভর্তি করে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করুন।

অটোমেটিক মেশিনের ওপর মিশ্রিত তরলটি ঢেলে দিলেই খুব সহজেই পেপসি বানানো যায়, এবং খুব দ্রুত পেপসি তৈরি হয়ে যায়।

আরো পড়ুন- আইসক্রিম তৈরির ব্যবসা অল্প টাকায়

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্সের প্রয়োজন?

যেহেতু পেপসি খাদ্যজাতীয় বস্তু তাই এই ব্যবসা করার জন্য ফুড দপ্তরের লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়বে। প্রত্যেক ব্যবসায়ীকেই তার ব্যবসা শুরু করার জন্য সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন পত্র নিতে হয়। তাই আপনি যখন পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনাকেও দুই একটি লাইসেন্স নিয়ে এই ব্যবসার কাজ করতে হবে। তাই পেপসি ব্যবসা করতে যে সকল লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে তা হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • FSSAI লাইসেন্স
  • GST নাম্বার
  • নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র

এই সমস্ত ধরনের লাইসেন্স আপনি অনলাইনে আবেদন করেই পেতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করার জন্য প্রতিটি লাইসেন্সের আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করতে হয়। আপনি যদি অনলাইন থেকে লাইসেন্স না সংগ্রহ করতে পারেন তাহলে আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস কিংবা বিডিও অফিসে যোগাযোগ করুন। এই লাইসেন্স গুলি নেওয়ার জন্য আপনার খরচ হবে 1 থেকে 2 হাজার টাকার মত।

Pepsi
পেপসি

পেপসির মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

বর্তমান কম্পিটিশন মার্কেটে আপনি যখন একটি নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে আসবেন তখন সেই প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য অনেক বেশি পরিমাণে মার্কেটিং করার প্রয়োজন পড়ে। যেহেতু পেপসি আগে থেকেই মার্কেটে কোনো না কোনো ব্যবসায়ী বিক্রি করছে, তাই আপনাকে নতুন করে মার্কেট ধরতে হলে এবং ব্যবসাটি করে লাভবান হতে গেলে ভালো করে মার্কেটিং বুঝতে হবে, এবং সব ধরনের পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে হবে। পেপসি তৈরির ব্যবসা করে সফল ব্যবসায়ী হতে গেলে এবং প্রতিদিন এক হাজার পেপসি বিক্রি করতে হলে খুব ভালো করে মার্কেট ক্যাপচার করতে হবে। যে পদ্ধতিতে আপনি মার্কেটিং করলে আপনার ব্যবসায় সফলতা পাবেন তা হল-

  • যে এলাকায় ব্যবসা করছেন সেই এলাকার আশেপাশে পেপসি বিক্রেতাদের কাছে অল্প দামে পেপসি বিক্রি করতে পারেন।
  • স্কুল কলেজ গেটের বাইরে বড় বড় ফ্লেক্স ছাপিয়ে আপনার কোম্পানির বিজ্ঞাপন সহ পেপসির অ্যাডভার্টাইজমেন্ট করতে পারেন।
  • বাজারে বিক্রি হওয়া বাকি অন্যান্য কোম্পানির পেপসিগুলির থেকে ভালো কোয়ালিটি এবং উন্নত মানের প্লাস্টিক ব্যবহার করে আপনার পেপসিগুলিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।
  • ফেসবুক গুগল ইউটিউবে অল্প টাকা খরচ করে অনলাইন বিজ্ঞাপন দিয়ে আপনার ব্যবসা দ্রুততার সাথে বাড়াতে পারেন। যেহেতু বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষ অনলাইনের উপর নির্ভরশীল এবং তাদের বেশিরভাগ সময় অনলাইনে কাটাই তাই অনলাইন বিজ্ঞাপন বর্তমানে খুব লাভজনক একটি পদ্ধতি।
  • জনবহুল মোড় অথবা বাজার এলাকাতে পোস্টার বা ফ্লেক্স ব্যানার ছাপিয়ে প্রচার করতে পারেন।
  • যেসব আইসক্রিমের দোকান আপনার এলাকায় রয়েছে সেই সব দোকানে অল্প দামে বা পাইকারি দামে পেপসি বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ডিস্ট্রিবিউটার তৈরি করে তাদের মারফত পেপসি বিক্রি করা যেতে পারে।
  • অ্যামাজন ইন্ডিয়া মার্ট ফ্লিপকার্ট এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলিতে বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইনে এর মাধ্যমে পেপসি বিক্রি করা যেতে পারে।
  • ফুল ডেলিভারি সাইড যেমন জোমাটো ও সুইগীর মত সাইটে আপনি বিজনেস অ্যাকাউন্ট তৈরি করে হোম ডেলিভারি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- আইসক্রিম কোন ব্যবসা

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (How much money does it take to Pepsi making business?)

পেপসি তৈরির ব্যবসা খুব অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করা যায় যেমন আপনি চাইলে মাত্র 2 হাজার টাকা থেকে 3 হাজার টাকা বিনিয়োগ করে এই ব্যবসা করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে বড় মেশিন কিনে বা অটোমেটিক পেপসি মেকিং মেশিন কিনে এই ব্যবসা করতে পারেন। তবে মেশিন কিনে ব্যবসা করতে গেলে বিনিয়োগটাও একটু বেশি করতে হয়। সাধারণত বেশি বড় করে ব্যবসা করতে হলে আপনাকে কমপক্ষে 15 থেকে 20 হাজার টাকা কিংবা 39 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এই ব্যবসা করতে।

ব্যবসার শুরুতে আপনি ছোট করে ব্যবসাটি শুরু করুন এবং অল্প টাকা বিনিয়োগ করুন। নিজস্ব মার্কেট তৈরি করার পর আপনি যখন বুঝতে পারবেন মার্কেটে চাহিদা বেশি, তখন আপনি পেপসি তৈরীর মেশিন কিনে পেপসি বানিয়ে মার্কেটে বিক্রি করতে পারেন। তাই ব্যবসার শুরুতেই মেশিন কিনে ব্যবসা করার থেকে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছোট প্যাকেট সিলিং মেশিন দিয়েই ব্যবসা করুন।

পেপসি তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? (How much profit Pepsi making business)

পেপসি তৈরির ব্যবসা অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করা গেলেও এই ব্যবসায় লাভ হয় 60% থেকে 60%। অর্থাৎ আপনি মাত্র 2 হাজার টাকায় ব্যবসা ইনভেস্ট করলেও প্রতিদিন 1 থেকে 2 হাজার টাকা আয় করতে পারেন। বোঝার জন্য বলা যেতে পারে একটা পেপসি তৈরি করতে খরচ হয় 35 পয়সা। সেই 1 টাকার পেপসি যদি আপনি 1 হাজার পিস বিক্রি করতে পারেন তাহলে লাভ থাকে 750 টাকা। 2 টাকার পেপসি তৈরি করতে খরচ হয় 45 পয়সা। 2 টাকার পেপসি 1 হাজার পিস বিক্রি করে আপনার লাভ থাকবে 1.5 হাজার টাকা। খুব সহজেই আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে 1 হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। বর্তমানে প্রায় প্রতিটি পেপসি ব্যবসায়ী প্রতিমাসে 50 হাজার টাকা থেকে 70 হাজার টাকা আয় করে থাকেন।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

পেপসি ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: 2-3 হাজার টাকা পেপসি ব্যবসা করতে লাগে।

পেপসি তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

উত্তর: 4 ফুটের একটি টেবিল হলেই পেপসি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারবেন অর্থাৎ আপনার ব্যবহৃত 10/10 এর এক কামরা ঘরে থেকেই এই ব্যবসা করা যায়।

গ্রামে থেকে কি পেপসি ব্যবসা করা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ, গ্রামে থেকেই পেপসির ব্যবসা করা যায়।

পেপসি তৈরীর প্লাস্টিক কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

উত্তর: যেকোনো বড় বাজারের প্লাস্টিকের দোকান অথবা অনলাইনে ইন্ডিয়া মার্ট ওয়েবসাইট থেকে পেপসি তৈরির প্লাস্টিক কিনতে পাওয়া যায়।

পেপসি বানানোর প্লাস্টিকের দাম কত?

উত্তর: 80 টাকা থেকে 150 টাকা প্রতি কেজি দরে এই প্লাস্টিক বিক্রি হয়।

পেপসি তৈরির মেশিন কি ধরনের ইলেকট্রিক চলে?

উত্তর: সাধারণত বাড়ির টু-টোয়েন্টি ভোল্টে এই মেশিন চলে।

পেপসি ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: প্রতিদিন 1 হাজার টাকা থেকে 2000 টাকা আয় করা যায় এই ব্যবসায়।

একটা পেপসি তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়?

উত্তর: 35 পয়সা খরচ একটি পেপসি তৈরি করতে

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

বাড়িতে চকলেট তৈরির ব্যবসা

কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবসা

Leave a Comment