পারফিউম তৈরির ব্যবসা শুরু করুন আজি বাড়িতে | 1 no. Perfume making business Right Now

পারফিউম তৈরির ব্যবসা এমন একটি ব্যবসা যেখানে লাভ হয় তিনশ থেকে চারশ শতাংশ। মানে বুঝতেই পারছেন অল্প টাকা ইনভেস্ট করে অনেক বেশি পরিমাণে লাভের ব্যবসার মধ্যে অন্যতম একটি ব্যবসা পারফিউম তৈরির ব্যবসা। তাই খুব বেশি দেরি না করে আপনিও দ্রুত শুরু করুন এই পারফিউমের ব্যবসাটি।

Table of Contents

পারফিউম তৈরি ব্যবসা করতে কত টাকা খরচ হয়? (Perfume toirir babsa korte koto taka khoroch)

পারফিউম তৈরির ব্যবসা করার জন্য আপনার মূলধন লাগবে 10 থেকে 15 হাজার টাকার মধ্যে। কারণ ব্যবসা করার জন্য শুরুতে কিছু লাইসেন্স এবং যে সকল সরঞ্জাম কিনতে হবে তার জন্যেই এই টাকাটি লাগবে পরবর্তীকালে একবার সমস্ত লাইসেন্স এবং সমস্ত সরঞ্জাম কেনা হয়ে গেলে আপনি মাত্র 5-6 হাজার টাকার মধ্যে সমস্ত জিনিস কিনে ব্যবসা করতে পারবেন

পারফিউম তৈরির ব্যবসা
পারফিউম তৈরির ব্যবসা

পারফিউম তৈরি করতে কি কি কাঁচামাল লাগে?

প্রথমেই আপনাকে কিনতে হবে কিছু কাঁচামাল বা উপাদান। যা দিয়ে আপনি তৈরি করবেন পারফিউম বা সুগন্ধি। চলুন দেখে নেয়া যাক পারফিউম তৈরির উপাদান গুলি।

পারফিউম তৈরীর উপাদান –

  • ১: কাচের বিভিন্ন সাইজের মেজারিং বিকার,
  • ২: মেজারিং ড্রপার,
  • ৩: একটি বড় কাচের কন্টেনার ( যার মধ্য পারফিউম ভর্তি করে পরে রাখা হবে)
  • ৪: ইথাইল অ্যালকোহল,
  • ৫: গ্যালাক্সলাইট
  • ৬: এসেন্সিয়াল অয়েল( রোজ, ল্যাভেন্ডার, রোজমেরী, জেসমিন অথবা অন্য যেকোন এসেন্সিয়াল অয়েল )
  • ৭: বিভিন্ন সাইজের কাচের ডিজাইন করার ছোট-বড় পারফিউম ধরার পাত্র।

এই সমস্ত জিনিস গুলো কিনে আপনি প্রথমে শুরু করতে পারেন ব্যবসাটি । এবং পরবর্তীকালে শুধু মাত্র তিনটি মাত্র জিনিস কি নেই এই ব্যবসা করতে পারবেন আপনি

অয়েল

পারফিউম তৈরীর কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

পারফিউম তৈরীর কাঁচামাল কিনতে হলে আপনাকে বড় কোন পাইকারি মার্কেট অথবা কেমিক্যালের দোকান থেকে কিংবা অনলাইনে থেকেও আপনি কিনতে পারেন। অনলাইন থেকে কিনতে হলে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে হোলসেল রেটে আপনি কিনতে পারেন অনেকটা পরিমাণে সমস্ত কাঁচামাল গুলি।
পশ্চিমবঙ্গে থাকলে আপনি বড়বাজার হোলসেল মার্কেট থেকে সমস্ত কাঁচামাল কিনতে পারবেন খুবই কম রেটে।
বাংলাদেশ থাকলে মিউফোর্ড টাওয়ার মার্কেট থেকে কিনতে পারেন সমস্ত কাঁচামাল। এখানে অনেক দোকান আছে যারা শুধুমাত্র পারফিউম এর সমস্ত ধরনের কাঁচামাল বিক্রি করে থাকে তাই বাংলাদেশি বন্ধুদের জন্য এইটা অনেক সুখবর।

পারফিউম তৈরীর ল্যাবরেটরী কেমন হয়?

পারফিউম যেহেতু একটি কসমেটিক প্রোডাক্ট এইটা তৈরি করার জন্য একটি ল্যাবরেটরি তৈরি করতে হয়। এই ল্যাবরেটরীতে আপনি আপনার কোন একটি ফাঁকা ঘরে করতে পারেন অথবা রাস্তার ধারে কোন একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেটিকে আপনি ল্যাবরেটরি তে পরিণত করতে পারেন।
পারফিউম তৈরি ল্যাব খুবই সাধারণ একটি ল্যাব, এর জন্য শুধুমাত্র একটা স্টেইনলেস স্টিলের টেবিল, আর পরিমিত লাইট , কাঁচের পাত্র এবং সমস্ত সরঞ্জাম ধোয়ার জন্য একটি জলের কল বা বেসিন থাকলেই আপনি এই ল্যাবরেটরি তৈরি করে নিতে পারেন

পারফিউম তৈরীর ব্যবসার জন্য কত বড় জায়গার প্রয়োজন হয়?

পারফিউমের ব্যবসার জন্য আপনার খুব বেশি বড় জায়গার দরকার হয়না, এর জন্য সাধারন 10/10 এর এক কামরা ঘর বা আপনার ঘরের সাইজের একটা ঘর হলেই এই ব্যবসাটি নিঃসন্দেহে করতে পারবেন। এর জন্য যেটি মূল দরকার সেটা হল ল্যাবরটরি আর আপনার ঘরটা কি আপনি ল্যাবরেটরি তে রূপান্তরিত করে নিতে পারেন।

কিভাবে পারফিউম তৈরি করা হয়? (Perfume kivabe toiri hoi?)

পারফিউম তৈরি করা খুবই সহজ জিনিস, যা আপনি আমার এই লিখাটি পড়েই তৈরি করতে পারবেন। অথবা আপনি চাইলে যে কোন মানুষকে খুব সহজে পারফিউম তৈরীর পদ্ধতি শেখাতে পারেন। বাড়ির ছোট থেকে বড় এবং মহিলারা সবাই চাইলে পারফিউম তৈরি করতে পারে তার জন্য কয়েকটি ফর্মুলা মানলেই চলবে।

পারফিউম তৈরির নিয়ম

পারফিউম তৈরির নিয়ম হল কাচের মেজারিং বিকারের মধ্য 78% ইথাইল অ্যালকোহল ঢালুন একটি পাত্রে, অন্য পাত্রে গ্যালাক্সলাইট 2% নিয়ে নিন, আরেকটি পাত্রে এসেন্সিয়াল অয়েল 20% নিয়ে নিন।

ফর্মুলা টা হল 78/2/20
আরেকটি ফাঁকা কাঁচের পাত্রের মধ্যে প্রথমে এসেন্সিয়াল অয়েল 20% সাথে গ্যালাক্সলাইট 2% সুন্দর করে মিশিয়ে নিন। ভালোভাবে মেশান হয়ে গেলে ইথাইল অ্যালকোহল 75% সমস্ত টা দিয়ে মিশ্রণটি তৈরি করুন। ব্যাস তৈরি হয়ে যাবে সুন্দর এবং ভালো মানের পারফিউম। কিন্তু মনে রাখতে হবে এই পারফিউম এ কোন সুগন্ধ থাকবে না। কারণ পারফিউমের সাথে সাথে কোন আপনি গন্ধ পাবেন না। এর জন্য দু-তিনদিন কাঁচের পাত্রের ভেতরে বন্ধ করে রেখে দিলে, কিছুদিন পর থেকে এর সুগন্ধ পেরোনো শুরু হবে।
পারফিউম তৈরীর আগে আপনি যে সুগন্ধের পারফিউম তৈরি করতে চাইছেন সেই ফ্লেভারের এসেন্সিয়াল অয়েল আপনাকে বাজার থেকে কিনতে হবে।


অর্থাৎ আপনি যদি বেল ফুলের গন্ধ অথবা গোলাপের গন্ধ কিংবা রজনীগন্ধার গন্ধ যে কোন গ্রন্থের আপনি পারফিউম তৈরি করতে চান তার জন্য আপনাকে সেই গন্ধের এসেন্সিয়াল অয়েল বাজার থেকে কিনে আনতে হবে।
পারফিউম টা তৈরি হয়ে যাবার পর একটি কাঁচের পাত্রের ভেতরের সমস্ত পারফিউমটা ঢেলে সুন্দর করে বন্ধ করে রেখে দিতে পারেন। কিংবা আপনি চাইলে আপনি যে ছোট ছোট কাচের শিশি কিনে এনেছেন, যার মধ্যে পারফিউম ভরে বিক্রি করবেন, তার মধ্য পরিমাণমতো পারফিউম ভর্তি করে আপনি আলাদা করে রেখে দিতে পারেন দু-তিন দিনের জন্য। দু তিনদিন পরে আপনি সেগুলিকে মার্কেটে বিক্রি করতে পারবেন।একটি ভাল ব্রান্ডের সুগন্ধি প্রায় 8-9 ঘন্টা পর্যন্ত আপনার দেহ জুড়ে থাকবে।

পারফিউম তৈরীর উপাদান গুলির দাম কত?

1: কাচের মেজারিং বিকার -200 টাকা, 250 টাকা, 300 টাকার মধ্যে হবে।
2: মেজারিং ড্রপার এর দাম 200 টাকার মধ্যে।
3: ইথাইল অ্যালকোহল 100 টাকা থেকে দেড়শ টাকার মধ্যে হয়।
4: গ্যালাক্সলাইট দাম আড়াইশো থেকে 400 টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
5: এসেন্সিয়াল অয়েল এর দাম 2000 টাকা থেকে 2500 টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

ড্রপার মেজারিং বিকার

পারফিউম তৈরির ব্যবসায় কি কি লাইসেন্স লাগে?

পারফিউম তৈরীর ব্যবসার জন্য বেশকিছু লাইসেন্স এর দরকার হয় এবং সেইসব লাইসেন্স আপনি কোথা থেকে পাবেন সমস্ত ইনফরমেশনটা আমি নিচে দিয়ে দিলাম।
1: ট্রেড লাইসেন্স
2: কসমেটিক লাইসেন্স
3: ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন
4: MSME রেজিস্ট্রেশন

ট্রেড লাইসেন্স আপনি আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস, বিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশন থেকে পেয়ে যাবেন। বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্স অনলাইনে এপ্লিকেশন করেও পাওয়া যায়।
কসমেটিকস লাইসেন্সের জন্য আপনাকে বিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশনে যোগাযোগ করতে হবে। এবং ফরম ফিলাপ করার পরে ওখান থেকে একটা দল আসবে আপনার বাড়িতে আপনার ল্যাবরটরি দেখার জন্য।
ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন এবং MSME রেজিস্ট্রেশন এর জন্য আপনাকে বিডিও ও কর্পোরেশনে যোগাযোগ করতে হবে।

সুগন্ধি ব্যবসায় ইন্সুরেন্স কি করতে হয়?

যে কোন ব্যবসার জন্য আপনাকে ইন্সুরেন্স করা টি অত্যন্ত জরুরী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারন আপনিও জানেন না ল্যাবরেটরীতে জিনিস তৈরি করার সময় আপনার কোন দুর্ঘটনা কিংবা ব্যবসায় কোন দুর্ঘটনার সম্মুখীন আপনি হন। তার জন্য আগে থেকে একটি ইন্সুরেন্স করা থাকলে সেই দুর্ঘটনায় ক্ষতির হাত থেকে অনেকটা আপনি রেহাই পেতে পারেন যদি ইন্সুরেন্স করা থাকে।

পারফিউমের মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়?

বর্তমান সময়ে মার্কেটিং সবাই করে থাকে দু’ধরনের পদ্ধতিতে একটি পাইকারি-রিটেল মার্কেটিং অর্থাৎ অফ লাইন মার্কেটিং। আরেকটি অনলাইন মারকেটিং যা অনলাইনের মধ্যে হয়ে থাকে।

পারফিউম বা আতরের পাইকারি রিটেল ব্যবসা

পারফিউম বা আতরের পাইকারি কিংবা রিটেল ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে প্রথমেই আপনার নিকটবর্তী বাজারের সকল দোকানদারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং তাদেরকে কিছুটা সস্তা দামে অর্থাৎ আপনি অল্প লাভ রেখে তাদেরকে একটু সস্তায় আপনার তৈরি পারফিউম গুলি বিক্রি করতে পারেন।
বর্তমানে কিছু প্রকার ব্যবসায়ী আছেন যারা শুধুমাত্র পারফিউমের ব্যবসা করে থাকে ট্রেন স্টেশন কিংবা বাজারের মধ্যে বসে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে আপনি তাদেরকে পাইকারি দামে খুবই অল্পের মদ্য পারফিউম বিক্রি করতে পারেন।

পারফিউমের অনলাইন মার্কেটিং

বর্তমানে প্রতিটি জিনিসই অনলাইনে পাওয়া যায়, তাই আপনাকে ও আপনার তৈরি পারফিউম গুলি অনলাইনে বিক্রির দিকে একটু জোর দিতে হবে।
অনলাইনে বিক্রি করার জন্য প্রথমে আপনাকে অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, মিশো এই ধরনের যত ই-কমার্স সাইট গুলি রয়েছে সমস্ত সাইটে আপনাকে একটি করে বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তারপর আপনার তৈরি সমস্ত প্রোডাক্ট এর ছবি সহ বিবরণ তাতে আপলোড করতে হবে এবং দামটাও নিশ্চিত করতে হবে এরপর আপনি দেখবেন আপনার অনলাইন ব্যবসা কত উন্নতি করে এবং আপনার ব্যবসার ও কত উন্নতি সাধন করতে অনলাইন বিজনেস আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

পারফিউমের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

আমরা জানি যে জিনিসটা দেখতে যত বেশি সুন্দর লাগে আমরা বাজার থেকে আগে সেই সুন্দর জিনিষটার দিকেই নজর ফেলি এবং সেই সুন্দর জিনিসটাই নেবার কথা ভাবি। সেইরকমই আপনার তৈরি পারফিউমের প্যাকেজিং যদি সুন্দর না হয় মানুষটাকে কিনবে না তার জন্য আপনাকে সুন্দর কোয়ালিটির প্যাকেজিং করতে হবে এর জন্য আপনি বাজারে রেডিমেড বিভিন্ন কাগজের বাক্স কিনতে পাওয়া যায়। এই কাগজের বাক্স আপনি আপনার কোম্পানির নাম লোগো লাগানো স্টিকার লাগিয়ে তার ভেতর পারফিউমের বোতল গুলো ভর্তি করে বাজারে বিক্রি করতে পারেন। কিংবা আপনি চাইলে নিজে থেকে কাগজের কিছু বাক্স আপনি তৈরি করতে পারেন এবং তার ভেতরে পারফিউম ভর্তি করে সেটি বাজারে বিক্রি করতে পারেন।

পারফিউম ব্যবসায় লাভ কত? ( Perfume babsai lav koto )

পারফিউম তৈরীর ব্যবসায় লাভ হয় অনেক বেশি পরিমাণে। 100 মিলিলিটার পারফিউম তৈরি করতে খরচ হয় 75 টাকার মতো। সেই 100 মিলিলিটার পারফিউম বাজারে বিক্রি হয় 400 থেকে 500 টাকার মধ্যে। শুনতে অবাক লাগলেও আপনি চাইলে এখনই অনলাইনে সার্চ করে দেখতে পারেন পারফিউমের দাম টা বর্তমানে বাজারে কত করে চলছে।
আপনি যদি প্রতিদিন ছোট-বড় কাচের শিশি মিলিয়ে 1 লিটার পারফিউম বিক্রি করতে পারেন তাহলে প্রতিদিন আপনি 4-5 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি চাইলে মাসে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করতে পারবেন পারফিউম তৈরি ব্যবসা করে।

পারফিউম তৈরির ব্যবসা করতে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়?

পারফিউম তৈরির ব্যবসা করতে আপনাকে প্রথমে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।
যেমন বাজারে যে ধরনের কোয়ালিটির পারফিউম বিক্রি হয়ে থাকে সেই ধরনের বা তার থেকে বেশি ভালো ধরনের কোয়ালিটি পারফিউম যদি আপনি তৈরি করতে না পারেন, তাহলে আপনার প্রোডাক্ট গুলি কেউ কিনবে না। সেই জন্য আপনাকে প্রথমে নজর রাখতে হবে আপনার প্রোডাক্টের কোয়ালিটি যেন একদম খারাপ না হয়।
দ্বিতীয়তঃ আপনি ব্যবসার শুরুতে অল্প লাভ রেখে আপনার তৈরি পারফিউম বাজারে বিক্রি করতে পারেন এতে মার্কেট ধরা খুব সহজ হবে তাই শুরুতে বেশি লাভ রাখার কথা একদম ভাববেনা।


তৃতীয়ত তো আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট গুলিকে সুন্দর করে প্যাকেজিং এবং বাক্স ভর্তি করতে হবে এবং তার সাথে সাথে খুব ভালো করে মার্কেটিং টা করতে হবে। মারকেটিং আপনি যত ভালো করতে পারবেন তত বেশি পরিমাণে আপনার ব্যবসায় লাভ আসবে এবং আপনি তত বেশি লাভবান হবেন।

অল্প টাকায় বেশি লাভের ব্যবসা দেখুন-

একটা মেশিন দিয়ে 5টি ব্যবসা

মশলা তৈরির ব্যবসা

7 thoughts on “পারফিউম তৈরির ব্যবসা শুরু করুন আজি বাড়িতে | 1 no. Perfume making business Right Now”

Leave a Comment