পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করুন আপনার এলাকায় | Paposh making business is now worth 2 lakh rupees

আমরা সবাই জানি বর্তমান সময়ের প্রায় প্রতিটা বাড়িতে একাধিক পাপোশের ব্যবহার হয়। তাই প্রতিটা পরিবারী তাদের বাড়ির জন্য দোকান থেকে কিনে নিয়ে যায় একাধিক পাপোশ। আপনি যদি পাপোশ তৈরীর ব্যবসা শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনি এই ব্যবসা থেকে অনেক লাভবান হতে পারবেন। আপনার সুবিধার্থে যে পদ্ধতিতে ব্যবসা করলে আপনার এই ব্যবসাতে দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পারবেন তা নিয়ে আজকের এই পাপোশ তৈরির ব্যবসা পোস্ট।

ভারতে একাধিক পাপোশ তৈরীর কোম্পানি থাকলেও বাংলাদেশে পাপোশ তৈরির ব্যবসা এখনো পর্যন্ত তেমনভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি। তবে বাংলাদেশে যে সকল পাপোশ ব্যবসায়ী রয়েছেন তারা ভারত কিংবা পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে পাপোশ আমদানি করে দেশে ব্যবসা করেন। তাই আপনি যদি পাপোশ তৈরীর ব্যবসা আপনার এলাকাতে শুরু করেন অবশ্যই আপনি এই ব্যবসা থেকে লাভবান হতে পারেন।

Table of Contents

পাপোশ তৈরীর ব্যবসায় বিনিয়োগ কত?

পাপোস তৈরীর ব্যবসা বা পাপোস ব্যবসা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে তাই এই ব্যবসার বিনিয়োগটাও ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে প্রতিটি ব্যবসার জন্য। আপনি যদি পাপোশ আমদানি করে ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রে আপনার বিনিয়োগের অর্থ একরকম। আবার আপনি যদি নিজের একটি কোম্পানি তৈরি করে পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করেন সে ক্ষেত্রে আপনার বিনিয়োগ অন্যরকম হবে। আবার আপনি যদি প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রে বিনিয়োগটা একটু বেশিই হবে। তবে সম্পূর্ণ বিনিয়োগ বুঝতে একটি চার্ট দেওয়া হল।

রিটেল পাপোশ ব্যবসা50 হাজার টাকা
পাইকারি পাপোশ ব্যবসা3 লাখ টাকা থেকে 5 লাখ টাকা
নারকেল ও সুতোর পাপোশ তৈরীর ব্যবসা50 টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকা
প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর ব্যবসা20 লক্ষ টাকা থেকে 30 লক্ষ টাকা

এই চাটটি দেখে আপনি হয়তো বুঝতে পারছেন পাপোস ব্যবসা কত রকমের হয় এবং তার বিনিয়োগ কেমন হয়। নারকেল দড়ি দিয়ে যে পাপোশ তৈরি করা হয় তার ব্যবসাতে আপনার বিনিয়োগ একটু কমই হয়।

paposh
পাপোশ

পাপোশ তৈরীর ব্যবসা কি করে শুরু করা যায়? (How to start a paposh making business?)

পাপোশ তৈরির ব্যবসা শুরু করতে প্রয়োজন কাঁচা মাল কিংবা পাপোশ কিনতে হবে কোম্পানির কাছ থেকে। এরপর আপনাকে মার্কেট বুঝতে হবে জন্য। মার্কেট বোঝার জন্য আপনার চাই মার্কেটিং স্ট্যাটাজি। সফলভাবে ব্যবসা করার জন্য আপনাকে একটু বুদ্ধি লাগিয়ে পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ব্যবসারকে দাঁড় করাতে হবে। যেহেতু তাপসের ব্যবহার প্রতিটা পরিবার সহ অফিস আদালত সকল জাগাতে রয়েছে তাই পাপোশ তৈরীর ব্যবসা বা পাপোস ব্যবসা খুবই জনপ্রিয় একটি ব্যবসা। এই ব্যবসা বোঝার জন্য আজকের এই পোস্ট রয়েছে। ভালো করে পড়ুন সমস্ত পোস্ট তাহলেই আপনি পাপোশের ব্যবসা সফলভাবে করতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন- ঘি তৈরির ব্যবসা বাড়িতেই শুরু করুন

পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করতে কি কি কাঁচামাল লাগে?

আপনি যদি পাপোশ তৈরীর ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনাকে আপোষ তৈরি করার জন্য বেশ কয়েক রকমের কাঁচামাল কিনতে হবে। আপনি কি ধরনের পাপোশ তৈরি করছেন তার ওপর নির্ভর করবে এই কাঁচামাল গুলি। সাধারণত চটের পাপোশ এবং নারকেল দড়ির পাপোশ তৈরি করার কাঁচামাল হিসাবে পাট ও নারকেল দড়ির প্রয়োজন পড়ে। আবার আপনি যদি উলের পাপোশ বানাতে চান বা কার্পেট পাপোশ বানাতে চান তাহলে আপনাকে কাঁচামাল হিসেবে বিভিন্ন রকমের উল এবং কার্পেটের প্রয়োজন পড়বে। আবার প্লাস্টিক পাপোশের জন্য প্লাস্টিক দানার প্রয়োজন পড়বে কাঁচামাল হিসেবে। সব মিলিয়ে বলা যেতে পারে কাঁচামাল গুলি হল-

  • পাট
  • উল বিভিন্ন রং এর
  • নারকেল দড়ি
  • বিশুদ্ধ প্লাস্টিক দানা
  • রিসাইকেলিং প্লাস্টিক দানা
  • ছুরি
  • কাঁচি
  • সুচ ইত্যাদি

পাপোশ তৈরীর কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

তাপস তৈরীর ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল গুলি অল্প দামে এবং একটু বেশি পরিমাণে কিনতে হবে। অল্প দামে ও বেশি পরিমাণে কেনার জন্য অবশ্যই আপনাকে যেতে হবেএকটি বড় পাইকারি বাজারে। আপনার বাড়ি যদি পশ্চিমবঙ্গ হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে আসতে হবে কলকাতার বড়বাজারে। কলকাতার বড়বাজার এলাকাতে আপনি পেয়ে যাবেন পাপোশ তৈরি করার সকল কাঁচামাল অনেক অল্প দামে এবং অনেক বেশি পরিমাণে। আবার আপনার বাড়ি যদি বাংলাদেশে হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে আসতে হবে ঢাকার চকবাজারে। এই চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে আপনি পেয়ে যাবেন সকল প্রকার কাঁচামাল সহ তৈরি হওয়া কার্পেট ও পাপোশ অনেক কম দামে।

চটের পাপোশ কিভাবে তৈরি হয়?

আপনি যদি চটের পাপোশ তৈরির ব্যবসা শুরু করেন এই বাংলায় তাহলে অবশ্যই আপনি একজন সফল ব্যবসাযয়ী হতে পারবেন। চটের পাপোশ তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে পাটের দড়ির। বর্তমানে অনেক আধুনিক মেশিন এসে গেছে পাপোশ তৈরি করার জন্য আপনি চাইলে এই মেশিন কিনে চটের পাপোশ তৈরি করতে পারেন। আবার হাতে বোনা চটের পাপোশ তৈরি করার জন্য একাধিক পাপোশ বানানোর শিল্পীকে আপনার ব্যবসায় নিযুক্ত করতে পারেন। এই সকল শিল্পীরা সুন্দর ডিজাইনের চটের পাপোশ তৈরি করবে আপনার কারখানায় এবং আপনি সঠিকভাবে মার্কেটিং করে এই পাপোশগুলি বিক্রি করবেন।

আরো পড়ুন- পনির তৈরির ব্যবসা

নারকেল দড়ির পাপোশ কি করে তৈরি হয়?

আপনি যদি নারকেল দড়ির পাপোশ তৈরীর ব্যবসা শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার ব্যবসার জন্য নিযুক্ত করতে হবে একাধিক পাপোশ তৈরীর কর্মচারীকে। এখনো প্রতিটি গামগঞ্জে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা নারকেল দড়ি দিয়ে পাপোশ বানাতে পারেন। আপনার ব্যবসার জন্য এই ধরনের লোককে নিযুক্ত করতে হবে অথবা আপনার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

নারকেল দড়ি দিয়ে পাপোশ তৈরি করা খুবই সহজ কাজ যা খুব অল্প প্রশিক্ষণে একজন কর্মচারী শিখে যাবে। বর্তমানে অন্য পাপোশ গুলির মতো নারকেল দড়ি তৈরি পাপোশের চাহিদা অনেক বেশি। তাই আপনি যখন নারকেল দড়ির তৈরি পাপোশের ব্যবসা করবেন তখন অবশ্যই আপনার এই ব্যবসার তৈরি পাপোশ মার্কেটে খুব সহজেই বিক্রি হয়ে যাবে।

পাপোস তৈরীর প্রশিক্ষণ কোথায় হয়?

আপনি যদি মনে করেন নিজে পাপোশ তৈরীর প্রশিক্ষণ নেবেন কিংবা আপনার কর্মচারীদের পাপোশ তৈরীর প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে নিযুক্ত করবেন তাহলেও আপনি তা করতে পারেন। কারণ বর্তমান সময়ে সরকারি উদ্যোগে কুটির শিল্পের জন্য অনেক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এই প্রশিক্ষণের জন্য আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে আপনার এলাকার বিডিও অফিসে। ভিডিও অফিসের সাহায্যে পাপোশ তৈরীর প্রশিক্ষণ আপনিও নিতে পারেন। আবার অনেক বেসরকারি সংস্থা যারা পাপোশ তৈরীর প্রশিক্ষণ আপনাকে দিতে পারে। তাই আপনি যখন পাপোশ তৈরীর ব্যবসা শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে একটু মার্কেটে রিসার্চ করে নিতে হবে। কোথায় থেকে আপনি ট্রেনিং নেবেন তা জেনে যাবেন একটু মার্কেট রিচার্জ করলে।

প্লাস্টিক পাপোশ কি করে তৈরি হয়?

প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করতে একটু বেশি পরিমাণের পুঁজি বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ এই ব্যবসায় যে মেশিনের ব্যবহার রয়েছে তা অনেকটাই দামি। প্লাস্টিক পাপোশের চাহিদা বর্তমানে একটু বেশি রয়েছে মার্কেটে। প্লাস্টিক পাপোশের ক্ষয় অনেক বেশি এবং এই পাপোশ দেখতে অনেক সুন্দর হয় কারণ এগুলি অনেক ধরনের ডিজাইনের হয়ে থাকে। তাই প্লাস্টিক পাপোশের ব্যবসা করলে আপনি খুবই লাভবান হবেন। এই প্লাস্টিক পাপোশ বানানোর পদ্ধতি ও খুবই সহজ এবং খুব সহজেই এই ব্যবসা থেকে অনেক টাকা উপার্জন করা যায়।

paposh Business
পাপোশ ব্যবসা

প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর মেশিন

ব্যবসা করার জন্য আপনাকে কিনতে হবে একটি প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর মেশিন। এই মেশিন আপনি পেয়ে যাবেন আপনার এলাকার বড় মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির কাছ থেকে। আবার আপনি চাইলে ইন্ডিয়ামার্ট, amazon ও আলিবাবা ওয়েবসাইট থেকে মেশিন অর্ডার করতে পারেন। মেশিনের দাম 15 লক্ষ টাকা থেকে 20 লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এই মেশিন চালানোর আপনাকে কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক নিতে হবে। প্লাস্টিক পাপোশ জন্য প্রয়োজন পড়বে বিশুদ্ধ প্লাস্টিক দানা কিংবা রিসাইকেলিং প্লাস্টিক দানার। মেশিনে প্লাস্টিক দানা দিয়ে চালিয়ে দিলেই মেশিনের মধ্য থেকে প্লাস্টিক পাপোশ বের হতে থাকবে। এই মেশিন প্রতিদিন 90 মিটার থেকে 100 মিটার পাপোশ খুব সহজেই তৈরি করে দেবে।

বর্তমান সময়ে প্লাস্টিক পাপোশের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর ব্যবসা ও জনপ্রিয়তা লাভ করছে। আপনি যখন প্লাস্টিক পাপোশ তৈরি করবেন তখন বিশুদ্ধ প্লাস্টিক দানার পরিবর্তে রিসাইকেলিং প্লাস্টিক দানা ব্যবহার করুন। রিসাইকেলিং প্লাস্টিক দানা ব্যবহার করলে আপনি বেশি লাভ করতে পারবেন এই ব্যবসায়। কারণ রিসাইকেলিং প্লাস্টিক দানার দাম অনেক কম হয় বিশুদ্ধ দানার থেকে। প্লাস্টিক পাপোশ তৈরি করার জন্য প্রশিক্ষণ আপনি নিতে পারেন যেখান থেকে আপনি মেশিন কিনবেন সেখানেই। বর্তমানে এমন কিছু কিছু মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি আছে যারা সেই মেশিন চালানোর জন্য আগে থেকেই কর্মচারীদের ট্রেনিং দিয়ে রেখে দেয়। আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী এই ধরনের কর্মচারী ও আপনি আপনার ব্যবসায় নিযুক্ত করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করুন অল্প দামে

পাপোশের চাহিদা কেমন

বর্তমান সময়ে পাপোশের চাহিদা অনেক বেশি আছে। আপনি লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে একাধিক পাপোশ ব্যবহারিত হয়। আবার বাসে এবং গাড়িতে পাপোশের ব্যবহার হয়। মন্দির,মসজিদ, স্কুল-কলেজ, কোর্ট, সরকারি অফিস সব জায়গায় পাপোশের ব্যবহার রয়েছে। তাই বাজারে পাপোশের চাহিদা সবসময় অনেক বেশি থাকে। আপনি যখন পাপোস তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনি পাপোশ তৈরীর ব্যবসা থেকে প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারবেন। কারণ পাপোশ পাইকারি হিসেবে কিনে যে লাভ করেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা তার থেকে বেশি লাভ হয় পাপোশ তৈরির ব্যবসা করে।

পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স এর প্রয়োজন?

পাপোস তৈরীর ব্যবসা করতে আপনাকে বেশ কয়েক রকমের লাইসেন্স নিতে হবে আপনার ব্যবসার জন্য। প্রতিটা ব্যবসায়ী তার ব্যবসার জন্য এইসব লাইসেন্স নিয়ে থাকে। তবে আপনি যদি ছোট পাপোশ ব্যবসায়ী হোন সে ক্ষেত্রে আপনার লাইসেন্সের পরিমাণ অনেক কমে যাবে। অর্থাৎ একটি পাপোশ তৈরীর বড় কারখানা করে ব্যবসা করতে বেশি লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। যে লাইসেন্স গুলি আপনাকে নিতে হবে তা হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক
  • জলের কানেকশন
  • জি এস টি নাম্বার
  • আমদানি রপ্তানি নাম্বার
  • ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার
  • নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র

পাপোশ তৈরীর ব্যবসায় বিনিয়োগ কত লাগে?

আপনি যদি পাপোস তৈরীর ব্যবসা করতে চান তাহলে ব্যবসার আগেই আপনার মাথায় আসে এই ব্যবসা করতে কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। সাধারণত আপনার কাছে যেমন পুজি রয়েছে আপনি তা দিয়েই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অর্থাৎ মাত্র 5 হাজার টাকা দিয়েও পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করা যায়। কারণ চটের পাপোশ এবং নারকেল দড়ির পাপোশ তৈরি করতে এইরকমই খুব অল্প পুঁজির বিনিয়োগ লাগে। তবে ব্যবসার কাঁচামাল কেনা, কর্মচারীদের বেতন, বিজ্ঞাপন ও আরো অন্যান্য খরচ ধরলে পাপোস তৈরীর ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে কমপক্ষে 10 হাজার টাকা থেকে 50 হাজার টাকার মতো ন্যূনতম বিনিয়োগ করতে হবে। আবার আপনি যদি প্লাস্টিক পাপোশ তৈরীর ব্যবসা শুরু করেন এবং বড় বড় মেশিন কেনেন সে ক্ষেত্রে আপনার বিনিয়োগ 15 থেকে 30 লক্ষ টাকা হতে পারে।

পাপোশ তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত?

পাপোস তৈরীর ব্যবসার লাভ অনেকটাই বেশি হতে পারে আপনার মার্কেটিং স্টেটেজির ওপর ভিত্তি করে। সাধারণত একটি চটের পাপোশ বানাতে আপনার খরচ হবে 60 টাকা থেকে 80 টাকার মতো। চটের পাপোশ বাজারে বিক্রি করতে পারবেন 150 টাকা থেকে 200 টাকা দামে। ঠিক এই রকমই আপনি যখন প্লাস্টিক পাপোশ তৈরি করবেন তখন আপনার খরচ হবে 40 টাকা থেকে 60 টাকা।

বাজারে পাইকারি মার্কেটে প্লাস্টিক পাপোশ বিক্রি করতে পারবেন 90 টাকা থেকে 120 টাকা দামের মধ্যে। ছোট পাপোশ তৈরির ব্যবসায়ী প্রতিমাসে 50 হাজার টাকা থেকে 80 হাজার টাকা লাভ করতে পারেন তার ব্যবসায়। একজন বড় পাপোশ তৈরীর ব্যবসায়ী প্রতিমাসে 2 লক্ষ টাকা থেকে 5 লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। তাই আপনি কি পদ্ধতিতে ব্যবসা করছেন এবং কোন জায়গাতে ব্যবসা করছেন তার ওপরে নির্ভর করবে আপনার ব্যবসার লাভের পরিমাণটা।

পাপোশ শুধু আপনি লোকাল মার্কেটে নয়, বিক্রি করতে পারবেন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটেও। বিভিন্ন পাইকারি বিক্রেতা কিংবা রিটেল বিক্রেতার কাছে আপনি পাপোশ বিক্রি করতে পারবেন এবং টাকা উপার্জন করতে পারবেন। অনলাইনে amazon flipkart এর মত ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলিতেও আপনি পাপোশ বিক্রি করেও পাইকারি ব্যবসায়ীকে বিক্রি করার থেকে বেশি লাভ করতে পারবেন। তাই আধুনিক পদ্ধতি মেনে নিজ উদ্যোগে অফলাইন মার্কেটিং এর সাথে সাথে অনলাইন মার্কেটিং এর ওপরেও জোর দিতে হবে। তাই আপনি কি পদ্ধতিতে ব্যবসা করছেন তার ওপর এই নির্ভর করবে আপনার ব্যবসার লাভের পরিমাণ

FAQ.

পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: ৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা লাগে পাপোশ ব্যবসা করতে।

পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

উত্তর: 200 বর্গমিটার জায়গার প্রয়োজন পড়বে পাপোশ তৈরীর ব্যবসা করতে।

কোথায় পাপোশ তৈরির ব্যবসা করা যায়?

উত্তর: গ্রাম ও শহরের যে কোন জায়গায়ই পাপোশ তৈরির ব্যবসা করতে পারেন।

পাপোশ ব্যবসা কি ধরনের ব্যবসা?

উত্তর: কুটির শিল্প ও হস্ত চালিত শিল্পের মধ্যে পড়ে।

পাপোশ তৈরির ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: 30 হাজার টাকা থেকে 50 হাজার টাকা লাভ ছোট ব্যবসায়ীদের।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

CCTV ক্যামেরার ব্যবসা

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা

Leave a Comment