পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করুন অল্প দামে পপকর্ন মেশিন কিনে |Business of making popcorn for 2 thousand rupees , Right Now

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা অনেক অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করা যায়। বর্তমানে শপিংমল, সিনেমাহল, পার্ক, মেলা সমস্ত জায়গাতেই মানুষ পপকর্ন খেতে ভীষণভাবে পছন্দ করে। এছাড়াও অনেকেই আছে যারা বাড়িতে পপকর্ন অর্ডার করে কিনে খেতে বেশি পছন্দ করে, তাই জন্য আপনি যদি পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করে এলাকার লোকাল দোকানে ও মার্কেটে সাপ্লাই দিতে পারেন তাহলেও আপনার ব্যবসার অনেক উন্নতি করবে।

ভুট্টা থেকে তৈরি হওয়া পপকর্নের ব্যবসা বর্তমানে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিস্তার লাভ করেছে। আপনি হয়তো দেখে থাকবেন বর্তমানে মেলা এবং পার্কে পপকর্নের স্টল বা দোকান দিয়ে অনেকে ব্যবসা করছে। আপনিও পপকর্নের দোকান তৈরি করে পপকর্ন তৈরীর ব্যবসা করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে বিভিন্ন মার্কেটে পপকর্ন তৈরীর মেশিন কিনে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে ভ্রম্যমান স্টল দিতে পারেন। বর্তমানে ছোট বড় সব বয়সের মানুষ তাই পপকর্ন খেতে খুব পছন্দ করে। হালকা খাবার হিসাবে পপকর্নের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর পপকর্ন তৈরির ব্যবসা কিভাবে করবেন তার সমস্ত তথ্য দেওয়া হল।

Table of Contents

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (How much does it cost to run a popcorn business?)

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা অল্প পুঁজির ব্যবসা। তাই এই ব্যবসা করতেও খুব অল্প টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। আপনি চাইলে ব্যবসার শুরুতে 5 থেকে 10 হাজার টাকা বিনিয়োগ করে পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে পারেন। আর আপনি যদি বড় আকারের পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে 20 থেকে 25 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

পপকর্ন তৈরীর ব্যবসায় ব্যাংক ঋণ

পপকর্ন তৈরীর ব্যবসা করতে যদি আপনার কাছে বুঝি কম থাকে তাহলে বাংলাদেশের ঋণ ধারি ব্যাংক যেগুলি রয়েছে সেখান থেকে আপনি যথেষ্ট পরিমাণে ঋণ নিতে পারবেন। বর্তমানে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক পপকন তৈরীর ব্যবসা করার জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। এছাড়াও যে সকল বেসরকারি ব্যাংকগুলোর রয়েছে বাংলাদেশের তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন শর্ত সাপেক্ষে অল্প সুদে ঋণ দেয়।

The business of making popcorn
পপকর্ন তৈরির ব্যবসা

পপকর্ন তৈরী করতে কি কি কাঁচামাল লাগে? (What is the raw material to make popcorn?)

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে পপকর্ন তৈরি করার সমস্ত কাঁচামাল কিনতে হবে। যদিও পপকন বানানোর জন্য কাঁচামালের পরিমাণ খুব অল্প হয়ে থাকে। যেমন বলা যেতে পারে-

  • ছোট ভুট্টার দানা
  • মুখরোচক মসলা
  • লবণ
  • সাদা তেল

পপকর্ন তৈরীর কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে হলে সমস্ত কাঁচামাল আপনাকে অল্প মূল্যে কিনে ব্যবসা করতে হবে। তাই পপকন বানানোর সমস্ত কাঁচামাল অল্প মূল্যে কেনার জন্য আপনার এলাকার যে পাইকারি মুদিখানা দোকান রয়েছে সেখানে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। পাইকারি মুদিখানা দোকান থেকে আপনি যদি একটু বেশি পরিমাণে সমস্ত কাঁচামাল কিনতে করতে পারেন তাহলে অনেক কম দামে আপনি পেতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি খুব বড় আকারের একাধিক স্টল দিয়ে ব্যবসা করেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে বলব আপনার শহরের সবচেয়ে বড় হোলসেল মার্কেট যেগুলো রয়েছে, যেমন পশ্চিমবঙ্গের বড় বাজার, এবং বাংলাদেশের চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে সমস্ত কাঁচামাল কিনতে পারেন।

পপকর্ন তৈরির মেশিনের দাম কত? (How much does a popcorn machine cost?)

পপকর্ন তৈরীর ব্যবসা করতে আপনাকে অবশ্যই পপকর্ন বানানোর মেশিন কিনতে হবে। বর্তমানে পপকর্ন বানানোর মেশিনের দাম পড়ছে 10 থেকে 12 হাজার টাকা। আর আপনি যদি বড় আকারের কারখানা তৈরি করে পপকর্ন ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনাকে 50 থেকে 60 হাজার টাকা দামের মেশিন কিনতে হবে।

অবশ্যই পড়ুন- হোয়াটসঅ্যাপ মার্কেটিং কি?

পপকর্ন তৈরীর মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে যে মেশিন আপনার প্রয়োজন পড়বে তা আপনি কিনতে পারেন যে কোন মেশিন নির্মাতা কোম্পানির কাছ থেকে। আপনি আপনার ব্যবসার প্রয়োজনমতো মেশিন অর্ডার দিয়ে বানাতে পারেন। আবার আপনি চাইলে অনলাইনে ইন্ডিয়ামার্ট এবং যে সকল অনলাইন ওয়েবসাইটে মেশিন বিক্রি হয়ে থাকে সেখান থেকে খুব স্বল্প মূল্যে পপকর্ন তৈরীর মেশিন কিনতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের বড়বাজার থেকে মেশিন কিনতে পারেন। বাংলাদেশের শাহবাগ, ঢাকা থেকে মেশিন কিনতে পারেন।

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন পড়ে?

পপকর্ন তৈরি করতে খুব অল্প পরিমাণ জায়গার প্রয়োজন পড়ে। আপনি আপনার ভ্রাম্যমাণ স্টলে বা গাড়িতে পপকন বানানোর মেশিন রেখে পপকর্ন তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আর আপনি যদি একটি পপকর্ন তৈরীর কারখানা খুলে পপকর্ন ব্যবসা করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে কমপক্ষে 10/20 ফুটের জায়গার প্রয়োজন পড়বে।

পপকন তৈরীর ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

প্রতিটা ব্যবসায় মতোই পপকন তৈরীর ব্যবসা করতে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। তবে ছোট আকারের ব্যবসায়ীদের যেকোনো বিনা লাইসেন্সে ব্যবসা করলে কোন সমস্যায় পড়তে হয়। তবে বড় আকারের পপকন তৈরীর ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করতে হবে। এছাড়াও যেহেতু আপনি খাবারের প্রোডাক্ট এর ব্যবসা করছেন তাই আপনাকে ব্যবসার শুরুতেই অবশ্যই FSSAI লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়া আপনার ব্যবসায় যদি মাসিক আয় 2 লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে জিএসটি নাম্বার নিতে হবে।

প্রতিটা লাইসেন্স আপনি চাইলে অনলাইনে এপ্লাই করে করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস অথবা বিডিও অফিসের সাথে যোগাযোগ করে সকল প্রকার লাইসেন্স নিতে পারেন। বর্তমানে সমস্ত লাইসেন্স গুলির জন্য আলাদা আলাদা ভাবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হবে।

আরো পড়ুন- বেকারি ব্যবসা শুরু করুন

কিভাবে পপকর্ন তৈরি করা হয়? (How is popcorn made?)

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে আগে থেকে কোথাও প্রশিক্ষণ না নিয়েও এ ব্যবসা করা যায়। কারণ পপকর্ন তৈরি করার পদ্ধতি খুব সহজ হয়ে থাকে।

  • প্রথমে ভুট্টার ছোট দানা গুলিকে নিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
  • তারপর পপকর্ন তৈরীর মেশিন এর মধ্য অল্প পরিমাণে সোয়াবিন তেল সাদা তেল দিয়ে মেশিনটি অন করতে হবে।
  • মেশিন টা একটু গরম হয়ে গেলেই মেশিনের মধ্যে অল্প অল্প পরিমাণে ভুট্টার দানা দিলেই 2-3 মিনিটের মধ্যে পপকর্ন তৈরি হয়ে যাবে।
  • পপকর্ন বানানোর সময় পরিমাণ মতো স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিতে হবে এবং মসলা ও পরিমাণমতো দিতে হবে।
  • মনে রাখবেন পপকর্ন বানানোর সময় অবশ্যই পপকর্ন এর মুখের ঢাকা বন্ধ রাখতে হবে কারণ পপকর্ন ছিটকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে।
Popcorn making machine
পপকর্ন তৈরীর মেশিন

কিভাবে পপকর্ন বিক্রি করা যায়?

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেই পপকর্ন কিভাবে আপনি বিক্রি করবেন। বর্তমানে পপকর্ন বিক্রির জন্য আপনি একাধিক পদ্ধতির ব্যবহার করতে পারেন।

  • ভ্রাম্যমাণ স্টল তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় পপকর্ন বিক্রি করতে পারেন।
  • পার্কের ধারে একটা স্টল তৈরি করে বা ছোট দোকান তৈরি করে পপকর্ন বিক্রি করতে পারেন।
  • সিনেমা হলের পাশে অথবা সিনেমা হলের ভেতরে একটা স্টল ভাড়া নিয়ে পপকর্ন বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন বাজারে বাজারে একাধিক ছোট ছোট পপকর্ন স্টল তৈরি করে একাধিক ছেলে কে কাজে লাগিয়ে আপনি ব্যবসা করতে পারেন।
  • পপকর্ন তৈরীর কারখানা তৈরি করে ছোট ছোট প্যাকেটের ভেতরে ওজন মেপে আপনি বাজারে বাজারে বিক্রি করতে পারেন।
  • অনলাইনে নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরী করে বিভিন্ন ধরনের পপকর্ন তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
  • ফুড ডেলিভারি যে সকল অনলাইন ওয়েবসাইট রয়েছে তাদের সাথে একত্রিত আপনি পপকর্ন হোম ডেলিভারির ব্যবসা করতে পারেন। যেমন সোহাগী, জমাটো ইত্যাদি।
  • বর্তমানের বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলিতে আপনার নিজস্ব বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলে সেখানে পপকর্ন ব্যবসা করতে পারেন।
  • প্রতিটা বাজারের ফাস্টফুড দোকানে আপনি পপকর্ন সরবরাহ করতে পারেন।

পপকর্ন তৈরীর ব্যবসায় মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

পপকন তৈরীর ব্যবসায় আধুনিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে না পারলে আপনার ব্যবসার উন্নতি সম্ভব হবে না। এর জন্য আপনি চাইলে বিভিন্নভাবে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট করতে পারেন। লিফলেট ছাপিয়ে এলাকায় এলাকায় প্রচার করতে পারেন। আবার জনবহুল এলাকার মরুভূমিতে ফ্লেক্স ছাপিয়ে প্রচার করতে পারেন। আপনার কোম্পানির একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব এর মাধ্যমে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট করতে পারেন।
এছাড়াও আপনি প্রতিটা অলিতে-গলিতে গাড়িতে একটা মাইক লাগিয়ে মাইকিং করে প্রচার করতে পারেন আপনার ব্যবসার। যেহেতু ছোট-বড় বয়সের সমস্ত মানুষটাই পপকর্ন খেতে ভীষণভাবে পছন্দ করে। তাই পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করলে আপনি সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে পারলে আপনার ব্যবসায় লাভের পরিমাণ অনেক গুন বেড়ে যাবে।

পপকর্নের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

আপনি কোথায় পপকর্ন তৈরির করবেন তার ওপরে নির্ভর করবে পপকর্নের প্যাকেজিং টা। কারণ আপনি যদি সিনেমা হলের পাশে পপকর্ন তৈরীর ব্যবসা শুরু করেন তাহলে ছোট ছোট রঙিন প্যাকেট যাতে আপনার কোম্পানির নাম সহ লোগো দেওয়া আছে এমন প্যাকেট তৈরি করে পপকর্ন বিক্রি করতে পারেন। আবার আপনি যদি এলাকায় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে পপকর্ন ব্যবসা করেন তাহলে ছোট ছোট প্লাস্টিকের প্যাকেট পপকর্ন ভর্তি করে বিক্রি করতে পারেন। আবার আপনি যদি অনলাইনে পপকর্ন ব্যবসা করেন তাহলে ভালো কোয়ালিটির প্যাকেটে আপনার কোম্পানির নাম লোগো লাগানো প্লাস্টিকের ভেতরে পপকর্ন ভর্তি করে সুন্দর করে সিল করে পপকর্ন বিক্রি করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- ছাতা তৈরির ব্যবসা

পপকর্ন তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit of popcorn making business?)

পপকর্ন তৈরীর ব্যবসায় লাভ হয় অনেকটাই বেশি পরিমাণে। বলা যেতে পারে 15 কেজি পপকর্ন বানাতে খরচ হয় 1500 টাকা থেকে 2000 টাকার মতো। আর 15 কেজি পপকর্ন বিক্রি করলে লাভ হয় 3000 টাকা থেকে 3500 টাকা পর্যন্ত। একজন ছোট ভ্রাম্যমান গাড়ি নিয়ে পপকর্ন ব্যবসায়ীর লাভ প্রতিদিন থাকে 1500 টাকা থেকে 2 হাজার টাকার মতো। অর্থাৎ প্রতি মাসে পপকন তৈরীর ব্যবসা করে ছোট ব্যবসায়ীদের লাভ হতে পারে 50 হাজার থেকে 60 হাজার টাকা। একজন বড় পপকর্ন ব্যবসায়ীর মাসিক আয় 1.5 লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকা হতে পারে।

পপকর্ন ব্যবসা করতে কিছু সতর্কতাঃ

পপকর্ন তৈরির ব্যবসা করতে আপনাকে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। যেমন

  • আপনি যখন ব্যবসা করবেন তখন অবশ্যই ভুট্টার দানা কেনার আগে দেখে নেবেন ভুট্টার দানা গুলি যেন শুকনো ভালোভাবে হয়ে থাকে।
  • আপনার তৈরি হওয়া পপকর্ন যেন সুন্দর স্বাদের হয়ে থাকে।
  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।
  • আপনি হোম ডেলিভারি অথবা অনলাইনে ব্যবসা করলে পপকর্নের প্যাকেজিং যেন সুন্দরভাবে হয়ে থাকে তা নজর রাখবেন।
  • বাজারে বিক্রি হওয়া বাকি পপকর্ন গুলি থেকে আপনার তৈরি পপকর্নের কোয়ালিটি যেন ভাল হয় এই দিকেও নজর রাখবেন।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

পপকর্ন কি?

উত্তর: পপকর্ন এর নামের মধ্যেই রয়েছে ভুট্টার দানা কথা। অর্থাৎ ভুট্টার দানা দিয়ে তৈরি হওয়া মজাদার খাদ্যই হল পপকর্ন।

পপকর্ন ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: পপকর্ন ব্যবসা করতে কমপক্ষে 10 হাজার টাকা থেকে 15 হাজার টাকা খরচ হবে।

পপকন বানানোর গাড়ি তৈরি করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: পপকন বানানোর গাড়ি অর্ডার দিয়ে তৈরি করতে আপনার কমপক্ষে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা লাগবে।

পপকর্ন কোথায় বিক্রি করা যায়?

উত্তর: পপকর্ন মেলায়, সিনেমা হলে, জনবহুল বাজারে, পার্কের ধারে, এবং বিভিন্ন বাজারের মোড়ে মোড়ে বিক্রি করা যায়।

পপকর্ন ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: পপকর্ন ব্যবসায় লাভ প্রতিদিন 1.5 হাজার টাকা থেকে 2 হাজার টাকা হতে পারে। অর্থাৎ প্রতি মাসে লাভ হতে পারে 50 হাজার টাকা থেকে 60 হাজার টাকা।

পপকর্ন তৈরির মেশিনের দাম কত?

উত্তর: পপকর্ন তৈরির মেশিনের দাম 10 হাজার টাকা থেকে 15 হাজার টাকার মতো

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায়?

কিভাবে গার্মেন্টস বায়িং হাউসের ব্যবসা করা যায়?

Leave a Comment