নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা করে মাসে আয় 1 লক্ষ টাকা | Non Woven Bag Making Business RIGHT NOW

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা এমন একটি জিনিস যা বর্তমান সময় এবং ভবিষ্যতের মানুষের জন্য একটি উন্নত আদর্শের ব্যাগ তৈরির ব্যবসা হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করতে চলেছে এবং করেছে। আপনারা সবাই জানেন যে বর্তমান সময়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে নন ওভেন টিস্যু ব্যাগের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই আর বেশী দেরী না করে আপনারা এখনই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

Table of Contents

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগের ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

এই ব্যাগ তৈরীর ব্যবসা করতে আপনার খরচ হবে সর্বনিম্ন 80 হাজার টাকা। এবং মেশিনের তারতম্য এবং প্রোডাক্টের কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে খরচ 1 লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে আপনি যদি সঠিক উপায়ে ভালোভাবে ব্যবসাটি শুরু করতে চান তাহলে আপনার সব মিলিয়ে খরচ হবে 1 লক্ষ 70 হাজার টাকা।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা
নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ

নন ওভেন ব্যাগ তৈরীর ব্যবসায় কাঁচামাল কি কি লাগে?

এই ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনার কাঁচামাল লাগবে শুধুমাত্র নন ওভেন ফেব্রিক মেটেরিয়াল। এবং প্রতিটি টিস্যুর কোয়ালিটি আলাদা আলাদা ধরনের হয়ে থাকে। তাই প্রতিটা কালার সহ টিস্যুর দাম ভিন্ন হয়ে থাকে। এবং এই টিস্যুগুলি সাধারণত রোল আকারে আপনি কিনতে পারেন বাজার থেকে

নন ওভেন ব্যাগ তৈরীর কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির কাঁচামাল আপনি যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে বড়বাজার হোলসেল মার্কেট থেকে এই টিস্যু ব্যাগ তৈরীর কাঁচামাল হোলসেল রেটে কিনতে পারেন।
আপনি যদি বাংলাদেশে থাকেন তাহলে চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে এই কাঁচামাল কিনে আনতে পারেন।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ মেশিনের দাম কত?(How much does a non-oven tissue bag making machine cost?)

প্রথমত আমাদের জানতে হবে নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি করতে কি কি মেশিন লাগে। হলে প্রতিটি মেশিনের দামও ভিন্ন হয়ে থাকে।
তবুও নন ওভেন ব্যাগ তৈরি করতে আপনার লাগবে–সেমি অটোমেটিক মেশিন, অটোমেটিক মেশিন, পাঞ্চিং মেশিন, প্রিন্টার মেশিন।
মূলত দুই ধরনের মেশিন হলেই আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সেমি অটোমেটিক মেশিন এবং পাঞ্চিং মেশিন। এই দুই প্রকার মেশিনের দাম আপনার 1 লক্ষ 70 হাজার টাকা পড়বে।
আপনি চাইলে আলাদা আলাদা ভাবে এই মেশিন গুলি কিনতে পারেন।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

আপনারা চাইলে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি এই মেশিন কিনতে পারেন অনলাইনে। এবং ইন্ডিয়ামার্ট থেকেও র-মেটেরিয়াল গুলো খুব অল্প দামে আপনারা কিনতে পারেন।
এছাড়া আপনি যদি চান সরাসরি ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি থেকে কিনবেন তার জন্য আমি কয়েকটি ম্যানুফেকচার কোম্পানির যোগাযোগ নাম্বার দিয়ে দিলাম। এই কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে আপনার ঠিকানায় আপনি মেশিনসহ কাঁচামাল কিনে আনতে পারবেন। এবং কোম্পানি থেকে টেকনিশিয়ান নিজে এসে আপনার বাড়িতে মেশিন ইন্সটল করে দেবে এবং আপনাকে সমস্ত কাজ শিখিয়ে দিয়ে যাবে।

01865125940 (Whatsapp)
01879976968

মেশিনারিজ মার্কেট নবাবপুর ঢাকা,বাংলাদেশ

ওভেন ব্যাগ তৈরি মেশিন
নন ওভেন ব্যাগ তৈরি মেশিন

টিস্যু তৈরির মেশিনের দাম কত?

নন ওভেন ব্যাগ তৈরি করতে লাগে অটোমেটিক মেশিন, সেমি অটোমেটিক মেশিন, পাঞ্চিং মেশিন, কালার প্রিন্টার মেশিন।নন ওভেন ব্যাগ তৈরির জন্য যে সকল মেশিন পাওয়া যায় তার বেশির ভাগটাই বাইরের ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি তৈরি করলেও, বর্তমান সময়ে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা এই মেশিন গুলি তৈরি করে থাকেন।

অটোমেটিক মেশিন-15 লক্ষ টাকা
সেমি অটোমেটিক মেশিন-80 হাজার থেকে 1 লক্ষ টাকা
পাঞ্চিং মেশিন-60 হাজার টাকা
কালার প্রিন্টার মেশিন-1.5 লাখ টাকা থেকে 8 লক্ষ টাকার মধ্যে

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন হয়?

আপনি যদি প্রথমে ছোট করে ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার 10/12 ফুটের এক কামরা ঘর হলেই এই ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি ব্যবসা বড় করে শুরু করতে চান তাহলে আপনাকে অটোমেটিক মেশিন কিনতে হবে আর অটোমেটিক মেশিন এর দৈর্ঘ্য প্রায় 24 ফুটের মতো হয়ে থাকে। তাহলে বুঝতেই পারছেন অটোমেটিক মেশিন নিয়ে আপনি কাজ করলে তাহলে আপনার ব্যবসার জন্য ঘরের আয়তন দাও অন্তত 50 ফুট এর মত করতে হবে

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ কিভাবে তৈরি হয়?

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি করার পদ্ধতি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে এবং প্রতিটা পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

অটোমেটিক মেশিনের দ্বারা টিস্যু ব্যাগ তৈরি-

অটোমেটিক মেশিনের একটি প্রান্তে টিস্যু ব্যাগের রোলটি লাগিয়ে দিতে হবে। তারপর টিস্যু ব্যাগের অন্যপ্রান্ত টি রোল থেকে খুলে নিয়ে মেশিনের ভেতর দিয়ে কাটিং ডিপারমেন্ট হয় হোল্ডিং ডিপারমেন্ট হয় ফাইনাল কাটিং ডিপারমেন্ট এর সঙ্গে যোগ করতে হবে। তারপর আর কোন কাজ নেই এবার শুধু মেশিনের যে মেইন সুইচ দ্বারা কন্ট্রোল করা হয় সেই মেইন সুইচ অন করে দিলেই অটোমেটিক ব্যাগ তৈরি হতে থাকবে। এর জন্য আর দ্বিতীয় কোন লোকের দরকার হবে না। এবং প্রতি মিনিটে 120 করে ব্যাগ তৈরি হতে থাকবে এই মেশিন দ্বারা।

সেমি অটোমেটিক মেশিন দিয়ে টিস্যু ব্যাগ তৈরির প্রশিক্ষণ-

সেমি অটোমেটিক মেশিনটি হয় একটি সেলাই মেশিনের মত দেখতে।
এই মেশিনের একটি প্রান্তে হিটার যোগ করা থাকে যা টিস্যু ব্যাগ টি গরম করে জুড়তে সাহায্য করে। এবং মেশিনের একটি প্রান্তে কাটিং ব্লেড থাকে। তাই ব্যাংক আপনি যেই সাইজের তৈরি করবেন সেই সাইজের টিস্যু কাপড় নিয়ে মেশিনে দিয়ে ব্যাগ এর আকারে তৈরি করুন। এরপর তৈরি হয়ে গেলে একসঙ্গে 50 টি ব্যাগ একত্রে পাঞ্চিং মেশিন এর তলায় নিয়ে গেলে, পাঞ্চিং মেশিন যে ধরনের ডাইস দেওয়া থাকবে, অর্থাৎ ইউ কাটিং ডাইস, ডি কাটিং ডাইস, ডাবলু কাটিং ডাইস। সেই ডাইস অনুযায়ী সমস্ত ব্যাগগুলি কেটে রেডি হয়ে যাবে বাজারে বিক্রি করার জন্য। এবং প্রতিটি ডাইস প্রতিটি ব্যাগের কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়।

কালার প্রিন্টার মেশিন দিয়ে টিস্যু ব্যাগের ওপরে বিভিন্ন ডিজাইন প্রিন্ট করা হয়।
বিভিন্ন দোকানদার বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন প্রিন্ট করতে বলে কেউ তাদের লোগো প্রিন্ট করে কেউ পুরোপুরি কোম্পানি এবং দোকানের নাম প্রিন্ট করে যেমন প্রিন্ট করতে চান তেমন ধরনের প্রিন্টার মেশিন দিয়ে প্রিন্ট করতে হবে ব্যাগ গুলিকে।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা
সেমি অটোমেটিক মেশিন

সেমি অটোমেটিক মেশিন দিয়ে শ্রমিক বা অপারেটরের হিসাব

টিস্যু রোল থেকে মেশিনের সাহায্যে টিস্যু ব্যগ তৈরি করার জন্য জন্য কমপক্ষে 3 থেকে 4 জন শ্রমিকের প্রয়োজন হতে পারে।
এখন যদি 3 জন শ্রমিক দিয়ে 8 ঘন্টা কাজ করান তাহলে প্রতিদিন 1200 পিস টিস্যু ব্যাগ তৈরি করতে পারেন। প্রতি ঘন্টায় 200 পিস এর মত ব্যাগ তৈরি করতে পারেন।আর আপনারা চাইলে দু সিপটি করেও কাজ করাতে পারেন। আসলে বর্তমান সময়ে কোম্পানি ভাল করে চালানোর জন্য প্রত্যেকটি কম্পানি দু শিফটে করে কাজ করাচ্ছে। প্রথম 8 ঘন্টা কিছু জন লেবার কাজ করে, এবং পরের 8 ঘন্টা অন্য লেভেলে কাজ করে।

টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা কি কি লাইসেন্স লাগে?

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে প্রথমে প্রতিটা ব্যবসার মতো একটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। এই ট্রেড লাইসেন্স কি আপনি আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস বা বিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।
বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্স অনলাইনে এপ্লিকেশন করেও পাওয়া যায়।

এরপর ব্যবসার লাভ যখন আপনার প্রতি মাসে দু লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা হবে, তখন আপনাকে একটি GST লাইসেন্স তৈরি করতে হবে।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসায় কি ইন্সুরেন্স করতে হয়?

যেকোনো ব্যবসায়ী ব্যবসা করার সাথে সাথে ব্যবসার একটি ইন্সুরেন্স করার দরকার। কারণ আপনি বা আমি কেউই বলতে পারে না ব্যবসায়ী কখন কোন বিপদের সম্মুখীন হতে হয় তাই সেই বিপদ থেকে রক্ষা পাবার জন্য যদি আপনার ইন্সুরেন্স করা থাকে তাহলে কিছুটা কম ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে আপনাকে। তাই আপনিও ব্যবসা শুরুর পরে পরেই আপনার ব্যবসার জন্য একটি ইন্সুরেন্স করে রাখবেন।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগের মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়?

টিস্যু ব্যাগের মার্কেটিং সাধারণত করা হয়ে থাকে অফলাইন এবং হোলসেল মার্কেটিং।
অর্থাৎ আপনি আপনার নিকটবর্তী যত দোকান আছে সমস্ত দোকানদারদের সঙ্গে এবং সেইসব ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, তাদের দরকার মতো টিস্যু ব্যাগ আপনি তাদের প্রতিদিন বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া যেসব হোলসেলার রয়েছে আপনার লোকাল মার্কেটে সেই সমস্ত হোলসেলার আপনি পাইকারি দামি ব্যাগ বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে সরাসরি বড়বাজার হোলসেল মার্কেটের এসে বড় বাজারে এই ব্যাগ বিক্রি করতে পারেন।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগের অনলাইন মার্কেট

বর্তমান সময়ে প্রত্যেকটা ব্যবসায়ী তার ব্যবসা কি অনলাইনে নিয়ে গেছে, তাই আপনাকেও আপনার ব্যবসাকে অনলাইনে বিক্রি করতে হবে।
প্রথমে অ্যামাজন ফ্লিপকার্ট ইন্ডিয়ামার্ট এই ধরনের ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলিতে আপনি একটি বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলুন। তারপর সেই একাউন্ট গুলিতে আপনার কোম্পানির তৈরি প্রতিটি ব্যাগের ছবি সহ সমস্ত বিবরণ দিন। দেখবেন অফলাইনের সাথে সাথে অনলাইন মার্কেট থেকে আপনি অনেক বেশি ইনকাম করতে পারছেন।বাংলাদেশের অনলাইন যতগুলি সাইট আছে আপনারা চাইলে প্রতিটি সাইটে আপনাদের অ্যাকাউন্ট করে এই ভাবেই অনলাইন ব্যবসা করতে পারেন।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ গুলি আপনার কোম্পানির ছবি এবং নাম সহজে প্লাস্টিক রয়েছে তার ভেতরের 50 টি কিংবা 100টি করে গুনে ব্যাগভর্তি করে আপনি বাজারে বিক্রি করতে পারেন। এতে আপনার কোম্পানির ব্যান্ড মার্কেটিং হয়ে যাবে। এবং তার সাথে সাথে অনেক ছোট ব্যবসায়ী আছে যারা এই ভাবে অল্প ব্যাগ কিনতে চাই তারা এই ব্যাগ আপনার কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে পারে।সাধারণত খুব বেশি উপায় টিস্যু ব্যাগের প্যাকেজিং করা হয় না। কিন্তু বর্তমান সময়ের নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ গুলি সমস্ত দোকানে ব্যবহার করছে।

20202 non woven shopping bags non woven bag print your logo 12 colors 5 edited
Non Woven Bag Making Business

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? |টিস্যু ব্যাগের পাইকারি দাম

100 টাকা রোল প্রতি কেজির দাম পড়ে। 10 টাকা প্রিন্ট করে একপিস মাল বিক্রি হয়। আর শুধুমাত্র এক পিস ব্যাগ বিক্রি করা যায় 5-6 টাকা দামে। প্রতিদিন আপনি যদি একহাজার করে ব্যাগ বিক্রি করতে পারেন। তাহলে আপনি প্রতিদিন 5 হাজার টাকা করে লাভ রাখতে পারেন। অর্থাৎ আপনি চাইলে মাসে কম করে 1 লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারেন। বুঝতেই পারছেন এই ব্যবসা কতটা লাভজনক ব্যবসা।

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা করতে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়?

প্রথমত আপনি যদি সঠিক মার্কেটিং না করতে পারেন তাহলে এই ব্যবসা করে আপনি প্রতিমাসে 1 লক্ষ টাকা কামাতে পারবেন না। তবে হ্যা আপনি এই ব্যবসা করে ঠিকঠাক মার্কেটিং না করেও 50000 টাকা অবশ্যই কামাতে পারেন।
আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে বাজারে যে সকল কোম্পানির নন ওভেন ব্যাগ বিক্রি হয়, তাদের থেকে কিছুটা কম লাভ রেখে, অর্থাৎ অল্প দামে আপনি যদি মার্কেটে আপনার ব্যাগগুলি বিক্রি করতে পারেন, তাহলে অতিদ্রুত আপনার মার্কেটটা ধরা যাবে এবং আপনি বেশি পরিমাণে লাভ করতে পারবেন।

মাত্র কয়েক হাজার টাকা লাগিয়ে ব্যবসার উপায় দেখুন-

টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা 10 হাজার টাকা লাগিয়ে