দুধের ব্যবসা করে 50 হাজার টাকা আয় | Milk Wholesale Business Ideas in Bengali,Right Now

দুধের ব্যবসা এমন একটি ব্যবসা যা অতীতেও চলেছে, বর্তমানে চলছে, এবং ভবিষ্যতেও চলবে। তাই আপনি যদি দুধের ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার সংসার সারাটা জীবন সুন্দর ভাবে চলতে থাকবে। কিন্তু দুধের ব্যবসা করার জন্য যেসকল জিনিসগুলো আমাদের জানার প্রয়োজন, সে সমস্ত জিনিস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

How-to-start-milk-supply-business-in-Bangla

কিভাবে দুধের পাইকারি ব্যবসা শুরু করবেন

শহরের মানুষেরা বর্তমান সময়ে নির্ভেজাল খাবার কেনার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। উল্টো দিকে শহরের মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে আর তাদের খাবার চাহিদা ও বিভিন্ন ধরনের হয়ে চলেছে। সেই সব শহরের মানুষজন তারা চাই পুষ্টিকর সমৃদ্ধ ও নির্ভেজাল খাবার কিনতে কিন্তু তারা সেই নির্ভেজাল খাবার বাস্তবে পারছে না। তারা যে নির্ভেজাল খাবার খুঁজছে তার শহরের বাস্তবিক দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না সেই জন্য তারা সবসময়ই রেডিমেট খাবারের প্রতি ঝুঁকে পড়ছেন। এই রেডিমেট খাবারগুলোর মধ্যে দুধ অন্যতম জিনিস।

যেহেতু দুধ রেডিমেড ইন এই শহরের মানুষজন খাচ্ছে তাই দুধের সঠিক পুষ্টিগুণ পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আপনি যদি নির্ভেজাল পুষ্টিগুণসম্পন্ন দুধ শহরের মানুষের জন্য বিক্রি করেন তাহলে আপনি খুব সহজে শহরের সমস্ত মার্কেট ধরতে পারবেন, এবং খুব সহজেই আপনার ব্যবসা ত্বরান্বিত করবে উচ্চতর ব্যবসার দিকে।

দুধের ব্যবসা আপনি যখন শুরু করবেন তখন আপনি অফলাইনে দুধের ব্যবসা করলেও পরবর্তীকালে এই দুধের ব্যবসা টা অনলাইনে ও পরিচালনা করতে পারবেন। আপনাকে শুধু মাথায় রাখতে হবে নির্ভেজাল খাঁটি দুধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আপনি যত নির্ভেজাল দুধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন ততো তাড়াতাড়ি আপনার ব্যবসা মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং এই ব্যবসাটা পরিচিত হয়ে যাবে সবাই এর কাছে। দুধের ব্যবসা যেমন কম পরিশ্রমে তেমনি খুব সহজ একটি ব্যবসা, এতে অল্প পুঁজি লাগিয়ে ব্যবসা করা যায় এবং প্রচুর লাভ পাওয়া যায়। দুধের ব্যবসা করার জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট কোন স্থানে দোকান দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

অবশ্যই পড়ুন- গরুর খামারের ব্যবসা

দুধের ব্যবসা শুরু করতে কি প্রয়োজন?

  1. দুধের জার-নিজের ব্যবসা করার জন্য প্রথম যেটা প্রয়োজন সেটা দুধ বহন করার জন্য জার। জারে করে যদি আপনি দুধ বহন করেন তাহলে দুধ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। হলে দুধের ব্যবসা করার জন্য আপনাকে বেশ কিছু জারের সংগ্রহ আগে থেকে করে রাখতে হবে।
  2. ছোট গাড়ি অথবা একটি বাইসাইকেল- আপনি যে গ্রাম বা খামার থেকে দুধ সংগ্রহ করে এগিয়ে যাবেন সেই জন্য আপনার দরকারি একটা কোন ছোট গাড়ি অথবা একটি বাইক। কারণ দ্রুত দুধ সরবরাহের জন্য আপনার একটি বাইসাইকেল অবশ্যই দরকার।
  3. দুধ মাপার পাত্র বা স্কেল-আপনি কাস্টমারদের যে দুধ দেবে সেই দুধ মাপার জন্য অবশ্যই দরকার একটা দুধ মাপার পাত্র। যে পাত্রের মধ্যে নির্ভর করবে দুধের পরিমাণ। আর আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনি যে পাত্রে দুধ মেপে দেবেন সেই পাথরটা অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন যেন থাকে যাতে গ্রাহকের দৃষ্টিভঙ্গি আপনার প্রতি সঠিক থাকে।

আরো পড়ুন- বোতল ক্লিনিং ব্রাশ তৈরির ব্যবসা

দুধের ব্যবসা যেভাবে শুরু করবেন

দুধের ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে এর বাজার সম্পর্কে। সাধারণত গ্রাম গঞ্জের দিকে গরুর দেখা মিললেও শহরের দিকে গরুর দেখা পাওয়া যায় না বললেই চলে। ফলে গ্রামের মানুষজন খাঁটি দুধ পেলেও শহরের মানুষেরা খাঁটি দুধ সহজে পায়না। উল্টোদিকে গ্রামের গরু গুলোকে গ্রামের মানুষজন সবুজ ঘাস পাতা খাওয়ানোর কারণে গরুর যে দুধ হয় সেটি অনেক পুষ্টিগুণসম্পন্ন নির্ভেজাল দুধ। উল্টো দিকে শহরের দিকে যে সকল খামারিরা গরু পালন করেন তাদের দুধ বেশি পরিমাণে পাওয়ার জন্য তারা অনেক ধরনের ওষুধ সহ শুকনো খড় খাওয়ানোর কারণে এর দুধ হয় গ্রামের গরুর দুধের থেকে অনেক অংশে কম পুষ্টিকর দুধ।

তাই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে কোন জায়গা থেকে দুধ সংগ্রহ করলে সঠিক গরুর খাঁটি দুধ আপনি পাবেন সেই দিকে। আর একটা জিনিস আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে বিভিন্ন জায়গাতে বিভিন্ন রকম দামে গরুর দুধ পাওয়া যায়, ফলে যে অঞ্চলে অল্প দামে গরুর দুধ বিক্রি হয় সেইখান থেকে আপনাকে দুধ সংগ্রহ করতে হবে। এতে আপনার লাভের পরিমাণ টা একটু বেশি থাকবে। দুধের ব্যবসা করার আগে আপনাকে আরো একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যে এই ব্যবসাটি একটু জনবহুল এলাকার দিকেই করলে বেশি গ্রাহক পাবেন আপনি। হলে আগুন যে পরিমাণ দুধ সংগ্রহ করে নিয়ে আসবেন, সেই সমপরিমাণ দুধ প্রতিদিন আপনার একটা এলাকাভিত্তিক করে শেষ হয়ে যাবে। ফলে আপনার দুধ নষ্ট হওয়ার পরিমাণটাও একদমই থাকবে না।

Milk Wholesale Business
দুধের পাইকারি ব্যবসা

দুধের প্রচলিত মার্কেটিং কিভাবে হয়?

আপনি যখন দুধের মার্কেটিং করতে যাবেন তখন আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে দুধের প্রচলিত মার্কেটিং কিভাবে হয় সেই দিকে। বর্তমান ক্ষেত্রে দুধের মার্কেটিং হয়ে থাকে ছোট ছোট প্লাস্টিকের মধ্য ওজন ভিত্তিকভাবে বিক্রি হয়। হলে আপনিও চাইলে এই প্রক্রিয়ায় দুধ বিক্রি করতে পারেন কিন্তু তাতে আপনার সাথে বাকি ব্যবসায়ীদের মধ্যে কোন অন্তর থাকবে না। এর জন্য আপনি এই প্রক্রিয়াটিকে বাদ দিয়ে সরাসরি গ্রাহকের বাড়িতে দুধ বিক্রি করে থাকলে আপনার ব্যবসাটি দ্রুত লাভবান হতে পারবে।

অবশ্যই পড়ুন- ১২ টি সেরা গ্রামীণ ব্যবসার আইডিয়া

দুধের ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে হবে?

আপনি যদি আপনার ব্যবসার পরিধিকে বড় করতে চান তাহলে বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং আপনাকে করতে হবে। সমস্ত ব্যবসা যেমন এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্য দিয়ে বৃহত্তর হয়ে উঠেছে তেমনি দুধের ব্যবসা ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়। ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য কিছু ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে হবে। তাছাড়া আপনার দুধের ব্যবসা বড় করার জন্য আপনার পরিচিত যদি কেউ ইউটিউবার অথবা বড় কোন ব্লগার থেকে থাকে তাদের কাছে গিয়ে আপনার দুধের ব্যবসা সম্পর্কিত যাবতীয় বিজ্ঞাপন দিতে বলতে পারেন।

এছাড়া আপনি কিছু লিফলেট ছাপিয়ে সেটা যে এলাকাতে ব্যবসা করবেন সেই এলাকাতে সেল করতে পারেন। এছাড়া আপনি যে এলাকাতে ব্যবসা করতে চাইছেন সেই এলাকাতে মাইকিং করে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারেন।
আপনি আপনার বিজ্ঞাপন এর মধ্যে এগুলো অবশ্যই রাখবেন যে শিশুদের মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি দুর, এনার্জি বুস্ট করা, স্টেজ কমানো, মজবুত হার পেশি তৈরীর জন্য দুধের অপরিহার্য খাবার আর হয় না। এই ভাবে যদি আপনি ডিজিটালি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের নজরে আসতে পারেন তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার দুধের ব্যবসা ত্বরান্বিত করতে পারবেন।

দুধের ব্যবসা করতে পুঁজি কত লাগবে?

সাধারণত দুধের পাইকারি ব্যবসা করার জন্য আপনার খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়বে না। 1 লিটার দুধ আপনি কিনতে পারবেন 30 থেকে 40 টাকার মধ্যে। অর্থাৎ আপনি যদি 100 লিটার দুধ প্রতিদিন কেনেন তাহলে আপনার খরচ পড়বে 3000 টাকা। হলে আপনি বুঝতেই পারছেন মাত্র 3 হাজার টাকা দিয়ে আপনি দুধ কিনে ব্যবসা করলে আপনি সেই ব্যবসা থেকে প্রতিদিন কম করে 8000 হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করতে পারবেন। অর্থাৎ প্রতিদিন আপনি 5000 টাকা করে লাভ রাখতে পারছেন।

কোথায় থেকে দুধ কিনবেন?

দুধের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে প্রথমে মাথায় রাখতে হবে যে কোথা থেকে আপনি দুধ কিনবেন সেই তথ্যটি। দুধ বিক্রি করে থাকে বর্তমান ক্ষেত্রে কিছু খামারি ও কিছু গ্রামীণ দুধের ব্যবসায়ী। আপনি যদি সরাসরি গ্রাম থেকে দুধের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দুধ কেনেন তাহলে দুধের দাম এর পরিমাণ টা একটু কম হতে পারে।
তবে আপনি যদি খামার থেকে দুধ কিনেন তাহলে আপনাকে জানতে হবে যে সেই খামার থেকে দুধ কিভাবে সংগ্রহ করা হয়। যখন দুধের খামার গরুর থেকে দুধ দহন করার পর, দুধ আসে চিলিং সেন্টার, তারপর চিলিংসেন্টার এ প্রক্রিয়াজাত হওয়ার পর দুধের বিভিন্ন গুণগত মান বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন কেমিক্যাল প্রয়োগের পর সেই দুধ বাজারে বিক্রি করে সেই সকল দুধের খামারিরা। এতে দুধের গুণগতমান অনেক কমে যায়।

এইজন্য আপনি দুধের কোয়ালিটি ঠিক রাখতে হলে খামারিদের কাছ থেকে দুধ থাকে না তাই আপনার পক্ষে শ্রেয় হবে।

দুধের পাইকারি ব্যবসা আয় কত?

1 লিটার দুধ কিনতে আপনাকে খরচ হবে 30 থেকে 40 টাকা। সেই দুধ শহরে বিক্রি হয় 70 থেকে 80 টাকা দামে। হলে 1 লিটার দুধ বিক্রি করে আপনি 30 থেকে 40 টাকা লাভ করতে পারবেন। প্রতিদিন আপনি যদি 3000 টাকার দুধ অর্থাৎ 100 লিটার দুধ বিক্রি করেন তাহলে আপনি প্রতিদিন 5000 টাকা লাভ করতে পারেন। ঘন 100 লিটার দুধের মধ্যে কুড়ি থেকে ত্রিশ লিটার জল মেশানো যায়। হলে আপনার এই কুড়ি থেকে ত্রিশ লিটার এক্সট্রা যে দুধটা আপনি পাবেন সেটা আপনার সম্পূর্ণ লাভ থাকবে অর্থাৎ আপনি আলাদা করে আরো দু তিন হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন।

দুধ সরবরাহ কিভাবে হবে?

যে কোন ব্যবসা শুরু করতে হলে তার প্রধান জিনিস থাকে নাম নির্বাচন করা। তাই আপনিও আপনার দুধের ব্যবসা শুরু করার পর তার একটি নাম নির্বাচন করবেন যাতে আপনার ব্যবসাটিকে লোকে এককথায় চিনে।
আপনার লক্ষ্য হবে প্রতিদিন কম করে 40 থেকে 50 টি বাসায় 2 থেকে 5 লিটার করে দুধ প্রতিদিন বিক্রি করা। এতে আপনার যাবতীয় খরচ বাদ দিয়ে 25 থেকে 30 টাকা প্রতি লিটার দুধে আপনি আয় করতে পারবেন।

আবার অনেক পরিবারের সঙ্গে আপনার যদি মাসিক চুক্তি হয়ে থাকে যে প্রতি মাসে আপনি তাদের কাছ থেকে টাকা নেবেন দুধ দেওয়ার ভিত্তিতে সেই অনুযায়ী আপনার থাকলে কিছু রেগুলার কাস্টমার আপনার তৈরি হয়ে যাবে।
আপনাকে প্রতিদিন সকাল ন’টার মধ্যে সমস্ত দুধ বিক্রি করতে হবে শহরাঞ্চলে। আপনি যদি প্রতিদিন সকাল ন’টার মধ্যে সমস্ত দুধ বিক্রি করতে পারেন বা সকাল-সকাল দুধ নিয়ে পৌছে যান বাড়ি বাড়ি তাহলে আপনার সমস্ত দুধ প্রতিদিন বিকৃত হয়ে যাবে আর দুধ একদমই নষ্ট হবে না।

Milk Business
দুধ সরবরাহ


আপনি যে এলাকাতে বা যে পাড়াতে ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে দুধ সরবরাহ করবেন সেখানে আপনার নাম বা আপনার ব্যবসার নাম যখন পরিচিত হয়ে যাবে তখন সমস্ত গ্রাহকরা আপনার কাছ থেকেই দুধকে না যা পছন্দ করবেন। দুধের ব্যবসা শুরুতে কাস্টমার পাওয়া একটু প্রবলেম হলেও, আস্তে আস্তে ব্যবসা করতে করতে আপনার এত পরিমান কাস্টমার হয়ে যাবে যে আপনি প্রতিদিন সেই পরিমাণ দুধ নিয়ে পৌঁছানোটাও আপনার পক্ষে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। হলে ব্যবসা শুরুতে আপনাকে কিছু বিজ্ঞাপন অবশ্যই দিতে হবে বা মানুষের মুখে মুখে আপনার দুধের ব্যবসার সুনাম ছড়ানোটা যেন হয় এটা লক্ষ্য রাখবেন।

দুধের ব্যবসা করতে কিছু সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরী

সব সময় মনে রাখবেন আপনি যে দুধ টা নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতার কাছে সেই দুধ টা যেন খাঁটি হয়। দুধ কোনভাবে ফ্রিজে রাখা যাবে না এতে দুধের গুণগত মান কমে যায়। দুধে আপনি যদি বেশি পরিমাণে জল মিশিয়ে ফেলেন তাহলে ও দুধের গুণগত মান কমে যাবে। দুধ সর্বদা সকালবেলায় নিয়ে যেতে চেষ্টা করবেন এতে দুধ নষ্ট হবার চান্স কম থাকবে এবং ক্রেতারা খুব তাড়াতাড়ি দুধ টা কিনতে পারবে। যেখান থেকে আপনি দুধ দোহন করে নিয়ে আসবেন নিয়ে আসার সময় যে পাত্রে করে দুধ নিয়ে আসবেন সেটি যেন পরিষ্কার হয়। একটা নির্দিষ্ট নাম দুধের সেট করবেন যেটি বাকি ব্যবসায়ীদের থেকে কম হয়। এই সকল সর্তকতা যদি আপনি অবলম্বন করেন তাহলে আপনার ব্যবসা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

আমাদের এই পোষ্টে যদি কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে জানাবেন। আর আপনার ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যদি কোনো অসুবিধা হয় তাহলেও আমাদের কমেন্ট করতে ভুলবেন না, আমরা দ্রুত সম্ভব আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেব ।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

দুধের ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: 8 থেকে 10 হাজার টাকা হলেই দুধের ব্যবসা শুরু করা যায়।

দুধের ব্যবসা কোথায় করা যায়?

উত্তর: গ্রাম কিংবা শহরের যে কোন জায়গাতেই দুধের ব্যবসা করা যায়।

দুধ কোথায় কোথায় বিক্রি করা যায়?

উত্তর: মিষ্টির দোকান, রেস্টুরেন্ট, হোটেল এবং সাধারণ পরিবারে দুধ বিক্রি করা যায়।

দুধ পাইকারি দরে কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

উত্তর: বিভিন্ন গরুর ফার্ম থেকে দুধ পাইকারি ধরে কিনতে পাওয়া যায়।

দুধের ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: প্রতিদিন 3 হাজার টাকা থেকে 5 হাজার টাকা লাভ করা যায় দুধের ব্যবসা করে।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা

পেপার প্লেট বিজনেস আইডিয়া

5 thoughts on “দুধের ব্যবসা করে 50 হাজার টাকা আয় | Milk Wholesale Business Ideas in Bengali,Right Now”

  1. আমি একজন স্টুডেন্ট, আমি ধুদের বিজনেস করতে চাই। আমি বুঝতে পারছি না কার কাছে থেকে আমি খাঁটি দুধ পাবো।
    এর জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই

    Reply
    • আমি পাইকারি ভাবে প্রতিদিন ৪থেকে ৫ মুন খাঁটি গাভীর দুধ দিতে পারবো কেউ কিনলে যোগাযোগ করুন,,01910650028

      Reply
  2. আমি ঢাকা পোস্তোগোলা থাকি,আমিও দুধের বিজনেস করতে চাই,ঢাকার কোথায় গরুর খাটি দুধ পাবো এবং একটু কম দামে পাবো , এই জন্য আপনাদের সাহায্য চাই।

    Reply
    • আমি পাইকারি ভাবে প্রতিদিন ৪থেকে ৫ মুন খাঁটি গাভীর দুধ দিতে পারবো কেউ কিনলে যোগাযোগ করুন,,01910650028

      Reply

Leave a Comment