ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করুন আপনার এলাকায় | Digital printing business now at Rs 1 lakh, Wow

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল দুনিয়ার যুগে ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা খুব জনপ্রিয়তা লাভ করছে। স্কুলে পড়া ছোট বাচ্চা থেকে ব্যবসা করার জন্য প্রতিটি কাজেই ডিজিটাল প্রিন্টিং এর প্রয়োজন করছে প্রত্যেক মানুষের। তাই আপনি যদি ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করেন এই ব্যবসা থেকে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন। আজ ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা সম্বন্ধিত সাময়িক তথ্য এখানে প্রদান করা হলো যাতে আপনার সামান্য হলেও এই ব্যবসা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বাড়ে এবং আপনি ব্যবসা করার ক্ষেত্রে কোন সমস্যাই যাতে না পড়তে হয়।

Table of Contents

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে কত টাকা বিনিয়োগ করতে হয়? (How much money to invest in digital printing business?)

অন্য সব ব্যবসার মতো ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে গেলেও আপনাকে কিছু টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আপনি যদি ছোট করে ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার কি কমপক্ষে 50 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আর আপনি যদি এই ব্যবসার সব ধরনের মেশিন কিনে বড় করে শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই ব্যবসার শুরুতেই 3 লক্ষ টাকা থেকে দশ লক্ষ টাকার মত বিনিয়োগ করতে হবে।

ব্যবসার শুরুটা আপনি আপনার কাছে থাকা মূলধন বুঝেই শুরু করুন। অর্থাৎ মার্কেট এনালাইসিস করে বুঝুন মার্কেটে চাহিদা কেমন রয়েছে তারপর আপনি প্রয়োজনীয় অর্থ বিনিয়োগ। সাধারণত ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করার জন্য সরকার থেকে আপনি বিভিন্ন লোন পেতে পারেন। তাই ব্যবসার শুরুতে অল্প টাকা বিনিয়োগ করে শুরু করুন, এবং পরবর্তীকালে সরকারের কাছ থেকে লোন নিয়ে ব্যবসাটি বড় করুন আরো আধুনিক মেশিন কিনে।

Digital printing business
ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা

ডিজিটাল প্রিন্টিং মেশিন কি কি লাগে? (What does a digital printing machine need?)

একটি ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে কয়েক রকমের মেশিন কিনতে হবে। যেহেতু ডিজিটাল প্রিন্টিং এর কাজ কম্পিউটার ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে করা হয়, তাই আপনার মেশিনের তালিকায় সবথেকে প্রথমে কম্পিউটার যেমন থাকবে তেমন প্রিন্টিং করার জন্য একাধিক ধরনের মেশিন একাধিক কাজের জন্য কিনতে হবে। এই যে সকল মেশিন এই ব্যবসার জন্য আপনি কিনবেন তা হল-

  • কম্পিউটার
  • ডিজিটাল প্রিন্টার
  • স্ক্রীন প্রিন্টিং মেশিন
  • ফ্লেক্স মেকিং মেশিন
  • টি শার্ট প্রিন্টিং মেশিন
  • কফি মগ প্রিন্টিং মেশিন

আপনি আপনার ব্যবসাতে যে ধরনের প্রিন্টিং করতে চাইবেন সেই ধরনের প্রিন্টিং মেশিন আপনাকে কিনতে হবে। আপনি চাইলে শুধুমাত্র এক ধরনের প্রিন্টিং ব্যবসা করতে পারেন তবে এই ব্যবসা গুলি একসাথেই করা যায় একটি দোকান থেকেই।

অবশ্যই পড়ুন- বিজ্ঞাপন এজেন্সির ব্যবসা করে প্রতিমাসে 5 লক্ষ টাকা আয়

প্রিন্টিং মেশিনের দাম কত? (How much does the printing machine cost?)

বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টিং মেশিনের দাম বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তবে ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে যে মেশিন গুলো কিনতে হবে সেই মেশিন গুলোর বর্তমান আনুমানিক দামের একটি তালিকা দিয়ে দিলাম। আপনারা চাইলে এই মেশিন গুলি কিনতে পারেন।

মেশিনদাম
কম্পিউটার30 হাজার টাকা থেকে 40 হাজার টাকা
ডিজিটাল প্রিন্টার10 হাজার টাকা থেকে 15 হাজার টাকা
ফ্লেক্স মেকিং মেশিন1 লাখ 25 হাজার টাকা থেকে 5 লাখ টাকা
টি শার্ট প্রিন্টিং মেশিন10 হাজার থেকে 12 হাজার টাকা
কফি মগ প্রিন্টিং মেশিন (হিট প্রেস মেশিন)10 হাজার থেকে 12 হাজার টাকা

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করার জন্য কি কি লাগবে?

আপনি যখন ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনার ব্যবসা করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম মেশিন বসানোর মত জায়গা এবং কাজ করার মতো আলাদা একটি জায়গার প্রয়োজন পড়বে। সাধারণত প্রতিটি ডিজিটাল প্রিন্টিং দোকান তারা দুটি রুম নিয়ে কাজ শুরু করে। আপনিও আপনার ব্যবসা করার জন্য দুটি রুম যুক্ত ঘর বা বড় কোন হল রুম ভাড়া নিয়ে কাজ করতে পারেন। এই প্রিন্টিং ব্যবসা করার জন্য যে সকল জিনিসের প্রয়োজন হবে তা হল-

  • ৩০০ স্কয়ার ফিটের জায়গা
  • ইলেকট্রিক ব্যাকআপ বা ইনভার্টার
  • দোকানে এয়ারকন্ডিশন লাগাতে হবে কারণ মেশিনগুলি খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়।
  • একই সাথে দুটি কম্পিউটার একটিতে ডিজাইন অন্যটিতে মেশিন পরিচালনা করা।

প্রিন্টিং দোকান তৈরি করুন (Create a printing shop)

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে রাস্তার ধারে বা জনবহুল বাজার এলাকাতে একটি ডিজিটাল প্রিন্টিং দোকান তৈরি করতে হবে। সবথেকে ভালো হয় আপনি যদি দোকানটি তৈরি করেন রাস্তার ধারে। তাহলে পথ চলতি সাধারণ মানুষের চোখে পড়বে এবং আপনি বেশি বেশি অর্ডার পেতে পারবেন আপনার ব্যবসাতে। দোকান ঘর ভাড়া নেওয়ার জন্য আপনাকে দেখতে হবে দোকান ঘরের আয়তন কেমন। সাধারণত এই ব্যবসা যদি আপনি বড় মেশিন নিয়ে করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে 300 স্কয়ার ফিট জায়গার প্রয়োজন পড়বে।

আর আপনি যদি শুধুমাত্র ছোট প্রিন্টিং কাজ করেন তাহলে আপনার 10/10 ফুটের একটি ঘর হলেই এই ব্যবসা আপনি সহজে করতে পারবেন। ব্যবসা করার আগে দোকান ঘরটি ভালো করে ডেকোরেশন করুন যাতে সাধারণ মানুষের নজর খুব সহজেই আপনার প্রিন্টিং দোকানের ওপর পড়ে। দোকান ঘর ডেকোরেশনের জন্য আপনি সুন্দর ডিজাইনের ফ্লিক্স দিয়ে বড় সাইনবোর্ড বানাতে পারেন কিংবা ডিজিটাল সাইনবোর্ড তৈরি করে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। দোকানের ভেতরে যখন কোন কাস্টমার আসবে তখন তারা যেন দোকানের ভেতরের ডেকোরেশন দেখেও মনোমুগ্ধ হয়ে যায়।

তাই যখন আপনি একটি ডিজিটাল প্রিন্টিং দোকান তৈরি করবেন তার বাইরে এবং ভেতরের ডেকোরেশনের ওপর আপনাকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। আপনার দোকানটি যদি রাস্তা থেকে কিছুটা ভেতরে হয়, তাহলে রাস্তার ধারে এমন কিছু ফ্লেক্স লাগান যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে যে ভেতরে ডিজিটাল প্রিন্টিং এর কাজ হয়।

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যাবসায় কি ধরনের কাজ আপনি করতে পারবেন?

আপনি যখন ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনি বহু ধরনের কাজ করতে পারেন আপনার এই ব্যবসায়। এক এক করে সমস্ত কাজের তথ্য দেওয়া হল-

ছাত্র-ছাত্রীদের প্রজেক্ট তৈরি করা

বর্তমান সময়ে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য এবং পরীক্ষার জন্য একাধিক প্রজেক্ট বানাতে হয়। এই প্রজেক্ট গুলি দ্বারা লিখলেও বিভিন্ন ডিজিটাল প্রিন্টিং এর প্রয়োজন পরে প্রজেক্টে। এটা প্রজেক্ট কভারে হতে পারে কিংবা প্রজেক্ট এর ভেতরে কোন ছবি বা লেখা হতে পারে। তাই আপনি যদি এই ছাত্র-ছাত্রীদের প্রজেক্ট বানানোর কাজ আপনার ব্যবসাতে শুরু করেন তাহলে আপনি প্রতি মাসেই প্রচুর ছাত্র-ছাত্রীর প্রজেক্ট তৈরি করে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে প্রায় সব প্রিন্টিং ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসার সাথে সাথেই এই নতুন ধরনের কাজও শুরু করেছে। এতে বাকি অন্য ব্যবসার সাথে লাভ হয়ই আবার কিছু আলাদা এক্সট্রা লাভ হয়ে থাকে।

3D প্রিন্টিং ব্যবসা (3D printing business)

বর্তমানে 3D প্রিন্টিং এর যেভাবে প্রবণতা বাড়ছে, প্রতিটি মানুষই তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে থ্রিডি প্রিন্টিং করাচ্ছে। অনেক প্রোডাক্ট কোম্পানি তাদের প্রোডাক্টের রিভিউ করানোর জন্য 3D প্রিন্টিং কিছু ডিজাইন তৈরি করাচ্ছে। আবার অনেক মানুষ তাদের দেয়ালের ওয়ালপেপার থ্রিডি প্রিন্টিং করিয়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন কাজের জন্য থ্রিডি প্রিন্টিং এর চাহিদা বর্তমান সময়ে অনেকটাই বেশি।

আপনি যদি আপনার ব্যবসাতেও শুরু করেন এই থ্রিডি প্রিন্টিং এর কাজ তাহলে যেসব কাস্টমার বাইরে থেকে থ্রিডি প্রিন্টিং করাতো তারা আর বাইরে না গিয়ে আপনার কাছ থেকেই পড়াবে সকল থ্রিডি বিল্ডিং এর কাজ গুলি। অনেকেই মনে করেন বর্তমান সময়ে যেভাবে এই ব্যবসা জনপ্রিয়তা লাভ করছে তাতে ভবিষ্যতের কাজ আরো বাড়বে বলে আশা করা যায়। আপনার কিনা প্রিন্টিং মেশিনগুলোর সাহায্যেই আপনি করতে পারবেন 3D প্রিন্টিং।

ফটো প্রিন্টিং ব্যবসা (photo printing business)

বর্তমান সময়ে প্রত্যেকটা ডিজিটাল প্রিন্টিং দোকানে, এই ফটো প্রিন্টিং এর কাজ হয়ে থাকে। আবার আপনি চাইলে শুধু ফটো প্রিন্টিং ব্যবসা এককভাবেও করতে পারেন। বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন কাজের জন্য তাদের ফটো প্রিন্ট করতে হয় বা বুক কভার, পোস্টার ডিজাইন করার আগে ফটো প্রিন্ট করে নিতে হয়। তাই আপনি যদি আপনার ব্যবসাতে ফটো প্রিন্টিং অ্যাড করেন তাহলেও আপনি এই ব্যবসা করে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

ফটো প্রিন্টিং ব্যবসা করতে গেলে সাধারণত একটি কালার ডিজিটাল প্রিন্টার হলেই খুব সহজেই করা যাবে। একটি ফটো প্রিন্ট পেপারে ফটো প্রিন্ট করতে আপনার খরচ হবে মাত্র 5 টাকা। আর আপনি কাস্টমারকে বিক্রি করতে পারবেন 50 টাকা থেকে 100 টাকা দামে। তাই ফটো প্রিন্টিং ব্যবসাও অনেক লাভজনক একটি ব্যবসা।

ব্যানার তৈরির ব্যবসা (Banner making business)

এখনকার দিনে ছোট-বড় যে কোন কাজের জন্য ব্যানারের প্রয়োজন পড়ে। আগে একটা সময় ছিল যখন হাতে ব্যানার লেখা হত কাপড়ের ওপরে। বর্তমান সময়ে সেই হাতে লেখা ব্যানারের পরিবর্তে হয়ে গেছে ডিজিটাল ফ্লেক্স। তাই সব মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় কাজগুলির জন্য flex অর্ডার দেয়। আপনি যদি ফ্লেক্স কম্পিউটারের ডিজাইন করে flex তৈরীর মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন সাইজের ফ্লেক্স বা ব্যানার তৈরি করেন তাহলেও আপনি এই ব্যবসা থেকে ভালো উপার্জন করতে পারবেন। বর্তমানে এক স্কয়ার ফিট ফ্লেক্সের জন্য 15 টাকা দিতে হয়। আর আপনার এক স্কয়ার ফিট ফ্লেক্স বানাতে খরচ হবে 6 টাকা থেকে 7 টাকা।

বর্তমান সময়ে আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে কোন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ব্যবসার প্রতিটি কাজে ফ্লেক্সের প্রয়োজনীয়তা কতটা বেশি। রাজনৈতিক দলগুলি তো আবার তাদের প্রচারের জন্য বিভিন্ন সাইজের ফ্লেক্স বানাই অনেক বেশি পরিমাণে। তাই আপনি যদি একটি ফ্লেক্স তৈরীর মেশিন কিনে ফ্লেক্স তৈরির কাজ করেন তাহলে আপনি প্রতি মাসে লক্ষ্যাদিক টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। একজন ফ্লেক্স তৈরীর ব্যবসায়ী প্রতি মাসে 1 লক্ষ টাকা থেকে 5 লক্ষ টাকারও বেশি ইনকাম করতে পারেন। এই কারণে ফ্লেক্স তৈরীর ব্যবসা এতটা জনপ্রিয়তা লাভ করছে।

Digital printing machine
ডিজিটাল প্রিন্টিং মেশিন

বিজনেস কার্ড তৈরি (Business card making)

আপনি আপনার ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসাতে শুরু করতে পারেন বিজনেস কার্ড তৈরির ব্যবসা। বর্তমানে ছোট বড় দোকান থেকে শুরু করে বড় কোম্পানির অফিসার এবং কোম্পানিগুলি তাদের প্রয়োজনে বিজনেস কার্ড বানাতে দেয়। আপনি একটু ডিজাইনের কাজ শিখেই কম্পিউটারের সাহায্যে বিভিন্ন ডিজাইনের বিজনেস কার্ড তৈরি করে তা প্রিন্টিং করিয়ে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারেন। যেহেতু বর্তমান সময়ে ছোট-বড় সকলের বিজনেস কার্ডের প্রয়োজন পড়ে তাই আপনার ব্যবসাতে যদি এই বিজনেস কার্ডেরও কাজ করেন তাহলেও আপনি প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারেন। বিজনেস কার্ড বানানো খুবই সহজ যা আপনি আপনার ডিজিটাল প্রিন্টিং মেশিনের এর সাহায্যেই করতে পারবেন।

গ্রিটিংস কার্ড প্রিন্টিং ব্যবসা (Greetings Card Printing Business)

বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য গ্রিটিংস কার্ড ব্যবহার করার প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। জন্মদিন থেকে শুরু করে মৃত্যুর দিন, আবার ভালোবাসা দিবস থেকে শুরু করে মাত্রীয় পিতৃ দিবস প্রতিটি কাজেই গ্রিটিংস কার্ডের প্রয়োজনীয়তা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিউ ইয়ারের সময় বা নতুন বছরের শুরুতে গ্রিটিংস কার্ড বিক্রির হার বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই আপনি যদি আপনার ব্যবসাতে শুরু করেন গ্রিটিংস কার্ড তৈরির কাজ তাহলে আপনি এই সকল অর্ডার গুলি পাবেন এবং ব্যবসাতে ভালো টাকা উপার্জন করবেন। এই গ্রিটিংস কার্ডের সাথে সাথে আপনি শুরু করতে পারেন বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান গুলির নেমন্তন্ন করার কার্ড ছাপানোর কাজ। এর জন্য আপনার ডিজিটাল প্রিন্টিং মেশিন সব কাজ করা যাবে।

আরো পড়ুন- বুটিক ব্যবসা শুরু করুন অল্প পুঁজিতে

আপসেট প্রিন্টিং ব্যবসা (Upset printing business)

আপসেট প্রিন্টিং ব্যবসা বলতে সাধারণত ম্যাগাজিন, ব্রসিওর, লিফলেট, স্টেশনারি ক্যালেন্ডার এই ধরনের প্রিন্টিং এর কাজ গুলিকে বলা হয়। বর্তমানে খেয়াল করলে দেখবেন স্টেশনারি ক্যালেন্ডার, লিফলেট, ম্যাগাজিন এইসবের ব্যবহার দিনে দিনে বাড়ছে তাই এইগুলি ছাপানোর কাজেরও চাহিদা প্রচুর। আপনি যদি আপনার ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসাতে এই ধরনের আপসেট প্রিন্টিং এর কাজ শুরু করেন তাহলেও আপনি ভালই কাজ পাবেন প্রতিমাসে। বর্তমানের বড় প্রিন্টিং দোকানগুলি সব ধরনের অর্ডার নেওয়ার চেষ্টা করে এবং সব কাজ নিজেরাই করার চেষ্টা করে।

আপনি যদি আপনার ব্যবসাটিকে বড় করে করতে চান আপনাকেও সব ধরনের অর্ডার নিতে হবে এবং সব কাজ করতে হবে তাহলে আপনার কাছ থেকে কোন কাস্টমার ফিরে যাবে না এবং আপনি সবাই এর অর্ডার নিয়ে নিজে কাজ করে বেশি উপার্জন করতে পারবেন।

ব্লু প্রিন্ট বা অ্যামোনিয়া প্রিন্ট ব্যবসা

বর্তমান সময়ে ব্লু প্রিন্টে চাহিদা অনেক বেশি, বিভিন্ন নির্মাণ শিল্প থেকে শুরু করে সরকারি অনেক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ব্লুপ্রিন্টের প্রয়োজন পড়ে। তাই আপনি যদি একটু ব্লুপ্রিন্ট এর কাজ শিখে নিয়ে আপনার ব্যবসাতেই শুরু করেন এই ব্লু প্রিন্ট তৈরি তাহলে আপনার কাছে বিভিন্ন লোক আসবে তাদের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করানোর জন্য। গ্লুকিং করার জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে একটা প্রিন্টার মেশিন যা আপনার কাছে অলরেডি থাকছে আর যদি না থেকে থাকে তাহলে আপনি বড় ভালো ডিজিটাল জেরক্স মেশিন দিয়েও এর কাজ করতে পারেন। সাধারণত ব্লু প্রিন্ট তৈরির ব্যবসা করতে আপনাকে আলাদা করে দোকান করার প্রয়োজন পড়বে না। কারণ এই ব্যবসা আপনি বাড়ি থেকেই করতে পারবেন যদি এই কাজ করেন তা মানুষ জানে।

প্লাস্টিক প্যাকেট প্রিন্টিং ব্যবসা (Plastic Packet Printing Business)

যে কোন ব্যবসায়ীকেই তার ব্যবসা করার জন্য নিজস্ব ব্র্যান্ডিং প্লাস্টিকের উপর করতে হয়। অর্থাৎ ছোট-বড় যে কোন ব্যবসার ব্যবসায়ী তাদের প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য নিজস্ব ব্র্যান্ডিং করেন প্যাকেজিং প্লাস্টিকের ওপর। আর আপনি যদি আপনার ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসাতে এই প্লাস্টিক প্রিন্টিং এর কাজও শুরু করেন তাহলে সমস্ত অর্ডার আপনি পাবেন। আপনি খেয়াল করলে দেখতে পারবেন আপনার এলাকায় থাকা ডিজিটাল প্রিন্টিং দোকানগুলিতে কিন্তু এই ধরনের কাজ হয় না।

তাই প্রতিটা ব্যবসায়ীকে বাইরে থেকে প্রিন্ট করিয়ে নিয়ে আসতে হয় তাদের প্রয়োজনীয় প্লাস্টিক প্যাকেট গুলি। এই কারণে আপনি যদি আপনার এলাকাকে শুরু করেন এই প্লাস্টিক প্রিন্টিং এর কাজ তাহলে আপনি বিভিন্ন ছোট বড় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তাদের ব্র্যান্ডিং প্লাস্টিক গুলি প্রিন্টের অর্ডার পাবেন এবং আপনার ব্যবসার উন্নতি করতে সক্ষম হবেন।

অবশ্যই পড়ুন- নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা করে মাসে আয় 1 লক্ষ টাকা

কাস্টম মোবাইল কভার প্রিন্টিং ব্যবসা (Custom Mobile Cover Printing Business)

ভালোবাসার মানুষকে গিফট দেয়া থেকে শুরু করে নিজস্ব ছবি দিয়ে কাস্টম মোবাইল কভার প্রিন্ট করার প্রবণতা বর্তমানে অনেক বেড়ে গেছে। তাই আপনি যদি আপনার ব্যবসাতে এই মোবাইল কভার প্রিন্ট এর কাজ শুরু করেন তাহলে আপনি প্রতি মাসে ভালই চাহিদা পূরণ করতে পারবেন সাধারণ মানুষের। বর্তমানে একটি কাস্টম মোবাইল কভার প্রিন্ট করতে আপনার খরচ হবে মাত্র 20 টাকা কিন্তু আপনি সেই কভার বিক্রি করতে পারবেন 100 টাকা থেকে 150 টাকা দামে ।

যে কারণে বুঝতেই পারছেন কাস্টম মোবাইল কভার প্রিন্টিং ব্যবসাটি কেন লাভ যুক্ত একটি ব্যবসা। এই ব্যবসা সম্বন্ধিত আরো একটি পোস্ট আগেই করা আছে চাইলে আপনি দেখতে পারেন। একটা মেশিন কিনে আপনি এই ধরনের 5-7 রকমের ব্যবসায় করতে পারেন। এই ব্যবসা সম্পর্কে আরো জানতে দেখুন- মোবাইল দোকানের ব্যবসা

স্টিকার মুদ্রণ ব্যবসা

বিভিন্ন ছোট বড় কোম্পানি তাদের লোগো থেকে শুরু করে তাদের নাম স্টিকার আকারে প্রোডাক্টের গায়ে লাগায়। এই স্টিকার গুলি ছাপানোর জন্য কলকাতা কিংবা ঢাকার বড় বড় ব্যবসায়ীর কাছে যেতে হয়। আপনি যদি আপনার এলাকাতেই স্টিকার তৈরির কাজ শুরু করেন তাহলে আপনার এলাকার সমস্ত অর্ডার গুলি নিজেই পাবেন। স্টিকার তৈরি করা খুবই সহজ কাজ কারণ ডিজাইনটি আপনি কাগজের ওপর ছাপিয়ে নিয়ে তার ওপরে কিছু কেমিক্যাল যুক্ত আঠা ব্যবহার করে স্টিকার তৈরি করা যায়। আবার স্টিকার জাতীয় কাগজে প্রিন্টিং করিও নরমাল স্টিকার তৈরি করা যায়। তাই আপনি আপনার ব্যবসাতে শুরু করুন স্টিকার তৈরীর কাজ।

শপিং ব্যাগ প্রিন্টিং ব্যবসা (Shopping bag printing business)

বর্তমান সময়ে শপিং করার জন্য যে ব্যাগ আমরা দেখতে পাই তার ওপরে দোকানের প্রিন্টিং থাকে। প্রতিটা দোকানে তার থেকে প্রদত্ত ব্যাগ গুলির ওপর প্রিন্টিং করিয়ে নেয়। আপনি যদি আপনার এই ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসার সাথে এই ব্যাগ প্রিন্টিং এর কাজও করেন তাহলে আপনি আপনার এলাকার সমস্ত ব্যবসায়ীর শপিং ব্যাগগুলি বিল্ডিং এর অর্ডার পাবেন। শপিং ব্যাগ প্রিন্টিং করার জন্য আপনাকে আলাদা যে প্রিন্টিং মেশিন কিনতে হবে তা দিয়ে আপনি একাধিক ডিজাইনের প্রিন্টিং এর কাজ করতে পারবেন। নন ওভেন ব্যাগগুলিতে প্রিন্টিং থেকে শুরু করে প্লাস্টিক ব্যাগগুলির ওপর প্রিন্টিং করার কাজ আপনি খুব সহজেই করতে পারবেন। তাই আপনি আপনার ব্যবসাতে এখনই যুক্ত করুন এই শপিং ব্যাগ প্রিন্টিং এর কাজ।

টি শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা

বর্তমান সময়ে প্রতিটি টি-শার্টের ওপর বিভিন্ন ডিজাইনের প্রিন্ট আমরা লক্ষ্য করি। এই প্রিন্ট করার জন্য আলাদা টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা চলে আসছে যা আপনিও শুরু করতে পারেন আপনার এলাকার আপনারই দোকানে। প্রিন্টিং করার জন্য যে মেশিন লাগবে তা আপনি খুব অল্প দামে কিনতে পাবেন এবং এই ব্যবসাও ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসার অংশ। কাস্টমারের পছন্দমত যেকোনো ছবি প্রিন্ট করা যায় ডিজিটাল এই টি শার্ট প্রিন্টিং মেশিনের সাহায্যে। আপনি যদি নিজে টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা আলাদা করে শুরু করতে চান তাহলে এই ব্যবসা সম্বন্ধিত আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন এই লিংকে- টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা

দেওয়ালের ওয়ালপেপার প্রিন্টিং ব্যবসা (Wall Wallpaper Printing Business)

সৌন্দর্য সচেতন মানুষরা তাদের ঘরের দেওয়ালে রং করার পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের রুম ওয়ালপেপার ব্যবহার করছে। এই রুম ওয়ালপেপার বা দেওয়ালের ওয়ালপেপার গুলি দেখতে খুবই সুন্দর হয় কারণ এগুলি বিভিন্ন ডিজাইনের নকশা ও ছবিতে পরিপূর্ণ থাকে। এই দেওয়ালের ওয়াল পেপারগুলি তৈরীর জন্য যেকোনো কম্পিউটারে ডিজাইন তৈরি করে আপনি প্রিন্টিং মেশিনের সাহায্যে কাগজ দিয়ে ছাপিয়ে নিতে পারেন। আপনি আপনার ব্যবসার সাথে এই ওয়াল পেপার ব্যবসা যুক্ত করে আপনার এলাকার সমস্ত অর্ডার গুলি ধরতে পারেন। আপনি যদি ওয়ালপেপার ব্যবসা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে দেখুন এই লিংকে-

জেরক্স ব্যবসা

পড়াশোনা করা প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রী তাদের পড়াশোন ার প্রয়োজনে জেরক্স করায় আমরা সবাই জানি কিন্তু বিভিন্ন সরকারি কাজ থেকে শুরু করে আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু কাজের জন্যেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের জেরক্স করাতে হয়। তাই আপনি যদি আপনার ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসার সাথে জেরক্স এর ব্যবসা শুরু করেন তাহলেও আপনি প্রতিদিন ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন শুধু জেরক্স করেই। আপনি যদি নিজে ভাবেন যে শুধুমাত্র আপনি জেরক্সের দোকান দেবেন এবং জেরক্সেরই ব্যবসা করবেন তাহলেও আপনি এই ব্যবসা করতে পারেন। আর এই জেরক্স ব্যবসার সম্পর্কে যদি আপনি আরো তথ্য জানতে চান তাহলে দেখুন এই জাগায়- জেরক্স ব্যবসা করুন

Digital printing
ডিজিটাল প্রিন্টিং

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স এর প্রয়োজন হয়?

আপনি যখন আপনার এলাকায় ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনাকে সরকারিভাবে একাধিক লাইসেন্স নিতে হবে আপনার ব্যবসার জন্য। গ্রামের দিকে ব্যবসা করতে গেলে আপনার বেশি লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়বে না তবে গ্রামের দিকে আপনি ব্যবসা করে বেশি টাকা উপার্জন করতে পারবেন না। তাই ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে শহর অঞ্চলের দিকে বা জমজমাট পূর্ণ এলাকাতে ব্যবসা করতে হবে এই জন্য আপনাকে একাধিক লাইসেন্স নিতে হবে।যেহেতু আপনার ব্যবহৃত মেশিনগুলি ইলেকট্রিকের চলে তাই এই ইলেকট্রিকের জন্য আপনাকে কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক এর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে।

এছাড়া আপনাকে ব্যবসা করার জন্য যে সকল লাইসেন্স গুলি নিতে হবে তা আপনি চাইলে সরকারি অফিস গুলি থেকে পেয়ে যাবেন। আবার আপনি চাইলে আপনার এলাকার যেকোনো পঞ্চায়েত অফিস ভিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশন অফিস থেকে যোগাযোগ করে সব লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে পেতে পারবেন। তবে বর্তমান সময়ে লাইসেন্স নেয়ার জন্য আপনাকে আর অফিসের দোরে দোরে ঘুরতে হবে না কারণ এখন অনলাইনে আবেদন করেই সমস্ত লাইসেন্স আপনি পেতে পারবেন খুব সহজে। আপনার ব্যবসার জন্য যে সকল লাইসেন্স গুলি আপনাকে নিতে হবে তা হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • দোকান করার পারমিশন
  • কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক লাইসেন্স
  • জি এস টি নাম্বার
  • কারেন্ট ব্যাংক একাউন্ট

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসায় মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

আপনি যখন একটি এলাকায় ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনার ব্যবসায়ী মার্কেটিং ভালোভাবে না করলে সাধারণ মানুষের কাছে আপনি পৌঁছাতে পারবেন না। তাই আপনার ব্যবসাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আপনাকে ভালোভাবে পুরনো পদ্ধতির সাথে নতুন পদ্ধতিকে মিশিয়ে মার্কেটিং টা ভালো করে করতে হবে। আর আপনি আপনার ব্যবসার উন্নতির জন্য যে পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে পারেন সেগুলি হল-

  • যে এলাকায় ব্যবসা করছেন সেই এলাকার আশেপাশের এলাকাতে আপনি ছোট-বড় পোস্টার ছাপিয়ে আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • বিভিন্ন ফ্লেক্স ছাপিয়ে জনবহুল বাজার এলাকাগুলি সহ রাস্তার মোড় গুলিতে flex লাগিয়ে আপনার ব্যবসার প্রচার করতে পারেন।
  • আপনার এলাকার লোকাল খবরের চ্যানেল এবং ম্যাগাজিন গুলিতে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম এ পেজ তৈরি করে ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা সম্বন্ধিত বিভিন্ন পোস্ট নিয়মিত করে অর্গানিক ভাবে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • অল্প টাকা খরচ করে ফেসবুক গুগল ইউটিউবে আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। বর্তমান সময়ে মানুষ অনলাইনে এর উপর বেশি নির্ভর করে, তাই এই ধরনের অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে খুব দ্রুততার সাথে আপনি মানুষের কাছে পৌঁছতে সক্ষম হবেন।
  • আপনি যখন ব্যবসা শুরু করবেন তখন ব্যবসা করার সাথে সাথেই আপনার এলাকার কোন একটি গাড়িতে মাইক লাগিয়ে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করে আপনি প্রচার করতে পারেন আপনার ব্যবসার।

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসায় লাভ কত?

ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা করতে গেলে যেমন একটু বেশি টাকা বিনিয়োগ করতে হয় ব্যবসাতে তেমন এই ব্যবসাতে লাভ করা যায়। সাধারণত একটা ছোট ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে বিনিয়োগ করতে হয় 50 হাজার টাকা থেকে 1.5 লাখ টাকা তেমনি ছোট ব্যবসায় আপনি লাভ করতে পারেন এ মাসে 50 টাকা থেকে 1 লাখ টাকার বেশি। যে কাজটা করতে আপনার খরচ হয় 10 তা আপনি কাস্টমারের কাছ থেকে নিতে পারেন 100 টাকা দামে। ফলে বুঝতেই পারছেন একটা ডিজিটাল প্রিন্টিং ব্যবসায় লাভ কত বেশি হয়ে থাকে।

আপনি যদি সঠিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে পারেন এবং বেশি কাস্টমার আপনার ব্যবসায় আনতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজেই প্রতি মাসে 50 হাজার টাকা থেকে 1 লাখ টাকারও বেশি ইনকাম করতে সক্ষম হবেন

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

টিস্যু পেপার তৈরির ব্যবসা

আচার তৈরির ব্যবসা মাত্র 10 হাজার টাকা দিয়ে

Leave a Comment