ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা মাত্র 10 হাজার টাকায় | Data cable making business right now

বর্তমানে প্রায় প্রতিটি পরিবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে আর সেই মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার জন্য ডাটা কেবিল এর প্রয়োজন প্রত্যেকেরই পরে। আপনি যদি আপনার এলাকায় ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা শুরু করেন তাহলে এই ব্যবসা করে প্রতি দিন আপনি 2 থেকে 5 হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। খুব সহজ নিয়মেই ডাটা কেবল তৈরি করা যায়, তা আপনি একদিনের ট্রেনিং এই শিখে যাবেন। আজ তাই নতুন যে ব্যবসার আলোচনা করা হবে তা এই ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসা। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক সমস্ত ব্যবসার আইডিয়াটি।

Table of Contents

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায়? (How to start data cable making business?)

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করার জন্য খুব অল্প পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয়। আর এই ব্যবসা ভারতবর্ষ এবং বাংলাদেশের যেখানেই আপনি করুন না কেন সফলতা অবশ্যই পাবেন। তবে ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসা করার আগে আপনাকে মার্কেট রিসার্চ করে দেখে নিতে হবে কোন মার্কেট থেকে কাঁচামাল কিনবেন এবং তৈরি করা প্রোডাক্ট কোথায় বিক্রি করবেন। যদি আপনার বাড়ির কাছাকাছি কোন শহরাঞ্চল থেকে থাকে তাহলে ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসায়ী আপনি সফলতা খুব দ্রুততার সাথে পাবেন। তবে গ্রামে থেকেও ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসা করা যায়।

অবশ্যই পড়ুন- মোবাইল ফোনের ব্যবসা করে মাসে 50 হাজার টাকা আয়

ডাটা কেবিল তৈরির কাঁচামাল কি কি? (What are the raw materials for making data cables?)

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করতে যে র মেটেরিয়াল বা কাঁচামালের প্রয়োজন পড়ে তা আপনি আপনার এলাকার ইলেকট্রনিক্স মার্কেট থেকে পেয়ে যাবেন। বর্তমানে একটি ডাটা কেবল বানানোর জন্য যে সকল র-মেটেরিয়াল লাগে তা হল-

  • কেবিল তারের রোল
  • LD দানা
  • মেটাল ক্যাপ
  • ডাটা কেবল ডাইস
  • কানেক্টর
Method of making data cable
ডাটা কেবিল তৈরির পদ্ধতি

ডাটা কেবল তৈরির কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where to buy raw materials for making data cables?)

ব্যবসা করতে যে কাঁচামাল গুলির প্রয়োজন পড়ে তা আপনার এলাকার যেকোনো বড় ইলেকট্রনিক্স মার্কেটে হোলসেল রেটে আপনি পেয়ে যাবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে যেখান থেকে আপনি মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই অনলাইনে অর্ডার করিয়ে নিতে পারেন সমস্ত রকমের কাঁচামাল। ডাটা কেবল তৈরীর ব্যবসাতে সবথেকে বেশি খরচ পরে কাঁচামাল গুলি কিনতে। পশ্চিমবঙ্গে যদি আপনি থেকে থাকেন তাহলে কলকাতার চাকরি মার্কেট অথবা খিদিরপুরের ফ্যান্সি মার্কেট থেকে খুবই কম দামে সমস্ত রকমের কাঁচামাল কিনতে পাবেন।

আবার সব থেকে কম দামে কিনতে গেলে দিল্লির গফর মার্কেট থেকে অনলাইনে কাঁচামাল অর্ডার করতে পারেন। বাংলাদেশের চকবাজার পাইকারি মার্কেট এ সব ধরনের র মেটিরিয়াল বা কাঁচামাল কিনতে পারবেন।বর্তমানে যে দামে আপনি কিনতে পারবেন তা হল-

  1. LD দানা- 150 টাকা প্রতি কেজি
  2. কেবিল তারের রোল 200 মিটারের দাম 400 টাকা থেকে 600 টাকা।
  3. কানেক্টর প্রতি প্যাকেটের দাম 200 টাকা।
  4. মেটাল ক্যাপ প্রতি প্যাকেটের দাম 500 টাকা।

ডাটা কেবল তৈরির মেশিন এর দাম কত? (What is the price of data cable making machine?)

ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসায়ী প্রধানত দুটি মেশিনের ব্যবহার হয়ে থাকে। একটি তার সোল্ডিং করার জন্য ইলেকট্রিক তাতাল। আর একটা মেশিন হল ডাটা কেবল মোল্ডিং মেশিন। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন বাজারে মেশিন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানিগুলি নানা দামে এইসব মেশিন বিক্রি করে। তবে মাত্র 14 হাজার টাকায় আপনি পেয়ে যাবেন ডাটা কেবল মোল্ডিং মেশিন। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন মেশিন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানিগুলি অটোমেটিক মেশিন ও বিক্রি করছে আর অটোমেটিক মেশিন এর দাম একটু বেশি থাকে।

  • ডাটা কেবল মোল্ডিং মেশিন- 14 হাজার টাকা।
  • ডাটা কেবিল অটোমেটিক মোল্ডিং মেশিন-2 লক্ষ টাকা।

ডাটা কেবল তৈরির মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where to buy data cable making machine?)

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করার জন্য যে সকল মেশিনারি কিনতে হয় সেই মেশিনগুলি বর্তমানে প্রায় প্রতিটি রাজ্যের মেশিন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানিগুলি তৈরি করছে। তবুও সব থেকে কম দামি কেনার জন্য যে সকল মেশিন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি তা বিক্রি করে তাদের যোগাযোগ নাম্বার নিচে দেওয়া হল। বাংলাদেশ থেকে যদি কেউ এইসব মেশিন কিনতে চাই তাহলে তারা ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট অথবা ভারত থেকে অর্ডার করে কিনতে পারেন। বাংলাদেশের মেশিন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি বা মেশিনের দোকান ডাটা কেবল তৈরির মেশিন ভারত থেকেই অর্ডার করে বাংলাদেশে বিক্রি করে। তবে আপনি যদি কম দামে ভালো কোয়ালিটির মেশিন কিনতে চান তাহলে নিচে দেওয়া মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে কিনতে পারেন।

  • INFINITY GROUP : 7982284800. Narela, Delhi.
  • CONTACT NO. :- 7053838682 , 8750284942, ADDRESS :- 139-C, Street No. 4, Than Singh Nagar, Anand Parbat, New Delhi – 110005

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গা লাগে? (How much space does a data cable manufacturing business require?)

আপনি যখন নিজে উদ্যোগে ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন তখন এই ব্যবসা ভালোভাবে করার জন্য আপনাকে কমপক্ষে 10/10 একটি ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে। এই ঘরের ভেতর একটি মেশিন লাগিয়ে দুইজন কর্মচারী ভালোভাবে কাজ করতে পারবে। ডাটা কেবল তৈরি করার জন্য দুজন কর্মচারী অবশ্যই প্রয়োজন। তাই আপনি যখন এই ব্যবসা শুরু করবেন তখন চাইলে আপনার বাড়িতেই এমন একটি ফাঁকা ঘর ঠিক করে তারপর মেশিন কিনে আনবেন। অথবা কোন ঘর ভাড়া নিয়ে আপনি এই ব্যবসা করতে পারেন।

ডাটা কেবিল তৈরির পদ্ধতি (Method of Making Data Cables)

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করতে আপনাকে জানতে হবে ডাটা কেবল বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে। খুবই সহজ পদ্ধতিতে ডাটা কেবল বানানো হয়। যা আপনি একদিনের ট্রেনিংয়ে ভালোভাবে শিখে যাবেন এবং নিজে উদ্যোগে এই ব্যবসা করতে পারবেন।

  • 1 মিটার করে তার কেটে নিতে হবে।
  • কানেক্টর তারের সাথে জোড়ার জন্য তাতাল গরম করে সল্ডিং করতে হবে হবে।
  • ডাটা কেবল তৈরীর ডাইসের ভেতর কানেক্টর লাগিয়ে মেশিনের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
  • মেশিনের ভেতর LD দানা ঢেলে দিয়ে মেশিন চালিয়ে দিলে দানা গরম হয়ে গলে যাবে।
  • ডাইসের ফুটো দিয়ে মোল্ডিং মেশিনের সাহায্যে মোল্ড করতে হবে।
  • ডাটা কেবিল সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবার পর অতিরিক্ত প্লাস্টিক কেটে ফেলতে হবে।
  • প্রতিটা ডাটা কেবিল সরু করে গুলিয়ে নিয়ে প্লাস্টিক প্যাকেটে ভরে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

আরো পড়ুন- ক্যাপসিকাম চাষ করে 3 লাখ টাকা আয়

USB কেবিলের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়? (How is usb cable packaging done?)

আপনি যদি মার্কেটে নিজস্ব ব্র্যান্ড আকারে ডাটা কেবিল বিক্রি করতে চান তাহলে USB কেবলের প্যাকেজিং আপনাকে খুব ভালো করে করতে হবে। বর্তমান বাজারে যেভাবে ডাটা কেবল দোকানে দোকানে বিক্রি হয় তা আপনি ভালো করে খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন। নিজস্ব কোম্পানির ব্র্যান্ড তৈরি করতে হলে প্লাস্টিক প্যাকেটে নিজস্ব কোম্পানির লোগো লাগিয়ে ছাপিয়ে নিন। তারপর সেই প্লাস্টিক প্যাকেট বা কাগজের বাক্সের ভেতর ডাটা কেবল বিভিন্ন কোয়ালিটি অনুযায়ী ভর্তি করে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করুন।

বিভিন্ন কোয়ালিটির ডাটা কেবিল থাকার জন্য তা আলাদা আলাদা ধরনের প্যাকেজিং করতে হবে। ডাটা কেবিল বিনা প্যাকেজিংয়ে মার্কেটে বিক্রি করলে তার দাম অনেক কমে যাবে। আর প্যাকেজিং করে বিক্রি করতে পারলে অনেক বেশি পরিমাণে দাম পাওয়া যায়। তাই এই ব্যবসায় ভালোভাবে নিজস্ব নাম করতে হলে আগে বর্তমানে চলা ডাটা কেবিলগুলি দেখে অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করতে হবে।

Data cable making machine
ডাটা কেবল তৈরির মেশিন

ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে? (What licenses are required to make data cable business?)

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসার জন্য আপনাকে কয়েকটি লাইসেন্স নিয়ে নিতে হবে। ব্যবসার শুরুতেই কোনো রকম লাইসেন্সের প্রয়োজন না হলেও যেহেতু আপনি তৈরি করা ডাটা কেবিল সরাসরি পাইকারি মার্কেট অথবা দেশের অন্যপ্রান্তেয় বিক্রি করবেন তাই আপনাকে জি এস টি নাম্বার নিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন আইনি জটিলতা এড়ানোর জন্য প্রতিটা ব্যবসায়ীকেই তার ব্যবসার জন্য নূন্যতম লাইসেন্স গুলি নিতে হয়। আপনি যখন নিজে উদ্যোগে ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনাকেও যে সকল লাইসেন্স গুলি নিতে হবে তা হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • জি এস টি নাম্বার
  • ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার
  • উদ্যোগ আধার রেজিস্ট্রেশন

এই সমস্ত লাইসেন্স গুলি আপনি খুব অল্প টাকা খরচ করে অনলাইনে আবেদন করে নিতে পারবেন। তবে আপনার রাজ্যে যদি আরও অন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে তা জানার জন্য আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস অথবা বিডিও অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সকল প্রকার লাইসেন্স করলে নেওয়ার জন্য আপনাকে কমপক্ষে এক থেকে দুই হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (How much money does it take to make a data cable business?)

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করতে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করতে হলেও তা কমপক্ষে 20 থেকে 25 হাজার টাকা হয়ে যাবে। মাত্র 10 হাজার টাকা দিয়ে মেশিন কিনলেও প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কেনার জন্য আরো টাকার প্রয়োজন পড়বে। তবে আপনি যদি ভালোভাবে অটোমেটিক মেশিন কিনে ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করতে চান তাহলে এই ব্যবসাতে কমপক্ষে 3 লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আর আপনি যদি ছোট আকারের ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করেন হ্যান্ড মেশিনের সাহায্যে তাহলে 25 থেকে 50 হাজার টাকা বিনিয়োগ করলেই ভালোভাবে ব্যবসা টি করতে পারবেন। বর্তমানে ফাইনান্স এ বা লোন নিয়ে এই ব্যবসা করা যায়।

ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit in data cable making business?)

ডাটা কেবল তৈরীর ব্যবসায় লাভ ডাবল এরও বেশি হতে পারে। কারণ একটি ডাটা কেবল তৈরি করতে খরচ হবে মাত্র 6 টাকা থেকে 7 টাকা। সেই 6 টাকার ডাটা কেবিল প্যাকেজিং করে বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি করতে পারবেন 15 টাকা থেকে 50 টাকা দরে। অর্থাৎ আপনি যদি পাইকারি মার্কেটে বিক্রি করেন তাহলে 15-20 টাকা প্রতি ডাটা কেবল বিক্রি করতে পারবেন। আর আপনি যদি লিটল দোকানদারকে বিক্রি করেন তাহলে প্রতিটি ডাটা কেবল 30 টাকা থেকে 50 টাকা দামে বিক্রি করতে পারবেন।

প্রতিদিন একটি মেশিন থেকে 7000 ডাটা কেবিল তৈরি করা যায়। আর প্রতিদিনের তৈরি করা ডাটা কেবল প্রতিদিন বিক্রি করতে পারলে 15-20 হাজার টাকা প্রত্যেক দিনের লাভ থাকে। আপনি যদি বড় পাইকারি মার্কেটের বড় বড় অর্ডারগুলি পেতে পারেন তাহলে প্রত্যেকদিন 15-20 হাজার টাকা ও বিক্রি করে লাভ করতে পারবেন।

ডাটা কেবল এর মার্কেটিং কিভাবে করবেন? (How to do marketing of data cable?)

ডাটা কেবল তৈরির ব্যবসা করতে গেলে সব থেকে প্রধান বিষয় যেটি দাঁড়াবে তার মার্কেটিং করাটা। যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটি বাজারেই ডাটা কেবিল এর চাহিদা সব সময় অনেক বেশি পরিমাণে থাকে তাই এর বিক্রি করাটা খুবই সহজ। আপনি একটি বিশেষ এলাকাকে ধরে ব্যবসা করতে পারেন আবার ন্যাশনালি অর্থাৎ দেশের সমস্ত মার্কেটে বিক্রি করতে পারেন। তবে ব্যবসার শুরুর দিকে নিজস্ব এলাকার মধ্যে ব্যবসা করুন। ডাটা কেবিল এর মার্কেটিং করার জন্য যে পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করতে পারেন তা হল-

  • প্রতিটি ইলেকট্রিক ও ফোনের দোকানে ডাটা কেবল বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল মার্কেট যেমন চাঁদনী চক, চকবাজার, ফ্যান্সি মার্কেট, গফর মার্কেট, এই সকল মার্কেট গুলিতে হোলসেল রেটে বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন এলাকাতে একাধিক ডিস্ট্রিবিউটার তৈরি করে তাদের মারফত ব্যবসা করতে পারেন।
  • ব্যবসাতে একাধিক সেলসম্যান নিযুক্ত করে তাদের দিয়ে বিভিন্ন দোকানে দোকানে মার্কেটিং করে ব্যবসা করতে পারেন।
  • গুগল ফেসবুক ইউটিউবে অল্প টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিয়ে মার্কেটিং করতে পারেন এবং নিজস্ব কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।
  • ছোট বড় ডাটা কেবিল এর কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে তাদেরকে অল্প দামে ডাটা কেবল বিক্রি করে ব্যবসায় লাভ করতে পারেন।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

ডাটা কেবল তৈরীর মেশিনের দাম কত?

উত্তর: 12 হাজার টাকা থেকে 2 লক্ষ টাকার মতো বিভিন্ন ধরনের মেশিন পাওয়া যায়।

গ্রামে থেকে কি ডাটা কেবিল তৈরির ব্যবসা করা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ, গ্রামে থেকেও ডাটা কেবল তৈরি করে মার্কেটে বিক্রি করে ব্যবসা করা যায়।

ডাটা কেবিল তৈরীর মেশিন কি ধরনের ইলেকট্রিক চলে?

উত্তর: সাধারণ বাড়ির টু-টোয়েন্টি ভোল্টে প্রতিদিন 17 ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে একটি ডাটা কেবিল তৈরীর মোল্ডিং মেশিন।

ডাটা কেবল তৈরীর কারখানা করতে কত বড় জায়গা লাগে?

উত্তর: 10/10 একটি ঘর কিংবা 50 স্কয়ার ফিট জায়গার প্রয়োজন পড়ে একটি কারখানা তৈরি করতে।

ডেটা কেবল ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: ২৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা ডেটা কেবল ব্যবসায় লাগে।

কত ধরনের ডাটা কেবিল তৈরি হয়?

উত্তর: দুই ধরনের প্রধানত ডাটা কেবিল তৈরি করা হয়। ডাটা ট্রান্সফার কেবিল ও চার্জিং কেবল।

USB কেবিল ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: প্রতিদিন কমপক্ষে 5 হাজার টাকা লাভ থাকে ডাটা কেবিল ব্যবসায়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

রুম ওয়ালপেপার ব্যবসার গাইড

কার্পেট ব্যবসা করুন ৫০ হাজার টাকায়

Leave a Comment