জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা | Successfully do the business of making James clips, 1 Now

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা শুধু এখন নয় ভবিষ্যতেও আপনার ব্যবসাকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যেতে পারে। আবার জেমস ক্লিপ তৈরি করার জন্য বেশি মূলধন খরচ করতে হয় না। জেমস ক্লিপ তৈরি ব্যবসা শুধুমাত্র আপনি করতে পারেন একটা জেমস ক্লিপ বানানোর ছোট মেশিন কিনে। আর আপনার ব্যবসাকে ত্বরান্বিত করার জন্য চাই মার্কেট স্ট্রাটেজি আর এই পোস্টে সেই মার্কেট স্ট্র্যাটেজি নিয়ে সমস্ত রকম ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে।

1800 সালের সূচনালগ্নে যখন শিল্প বিপ্লব চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল ঠিক সেইসময় কল-কারখানার উন্নতির সাথে সাথে জেমস ক্লিপ এর আবির্ভাব ঘটে। তখন থেকে জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা চলে আসলেও বর্তমান সময়ে তার উন্নতি অনেক চরমে পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রতিটা অফিস থেকে প্রতিটি পরিবারেই কাগজপত্র একত্রিত রাখার জন্য জেমস ক্লিপ এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে দেখা যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা কিভাবে করা যায়।

The business of making James clips
জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা

Table of Contents

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (How much does it cost to make a James clip business?)

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা বা পেপার ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম জেমস ক্লিপ তৈরি করার মেশিন কিনতে হবে। তাই জেমস ক্লিপ তৈরি করার মেশিনের দাম অনুযায়ী আপনার নির্ভর করবে এই ব্যবসায় বিনিয়োগ করা পুঁজির পরিমাণটা। সাধারণত জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করার জন্য আপনাকে 1 লক্ষ টাকা থেকে 1.5 লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে। তবে ছোট করে ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে এই পুঁজি নিয়ে অবশ্যই ব্যবসা শুরু করতে হবে। জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা আপনি আরো বড় করে শুরু করতে পারেন তার জন্য আপনাকে আরো বেশ কিছু টাকা খরচ করতে হবে।

জেমস ক্লিপ তৈরীর কাঁচামাল কি কি?

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে সর্বপ্রথম কাঁচামাল হিসেবে সরু লোহার তার যা প্লাস্টিক রাবারে মোড়া এইরকম সরু তার কিনতে হবে। এছাড়া জেমস ক্লিপ তৈরি করার জন্য আলাদা কোন কাঁচামাল থাকেনা তবে আপনি চাইলে শুধুমাত্র লোহার তার কিনে জেমস ক্লিপ তৈরি করতে পারেন। তবে তার জন্য আপনাকে আলাদা করে প্লাস্টিক রাবারের মোরক কিনতে হবে।

অবশ্যই পড়ুন- দুধের ব্যবসা করে 50 হাজার টাকা আয়

জেমস ক্লিপ তৈরীর কাঁচামাল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কাঁচামাল গুলো খুব অল্প দামে কিনতে হবে। এর জন্য আপনি চাইলে সরাসরি যে কোম্পানি তার ম্যানুফ্যাকচার করে তাদের কাছ থেকে কিনতে পারেন। সরাসরি তার ম্যানুফেকচার কোম্পানির কাছ থেকে কিনলে তাহলে দাম অনেক কম পড়বে। এছাড়াও আপনি চাইলে যেকোনো বড় হোলসেল মার্কেট যেমন কলকাতার বড়বাজার, বাংলাদেশের চকবাজার পাইকারি মার্কেট প্রভৃতি আপনার দেশের সবচেয়ে বড় বড় পাইকারি মার্কেট থেকে কিনতে পারেন। আবার আপনি চাইলে অনলাইনে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে অল্প মূল্যে জেমস ক্লিপ তৈরীর লোহার তার কিনতে পারেন।

জেমস ক্লিপ তৈরীর মেশিনের দাম কত? (How much does a James clip making machine cost?)

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে সর্ব প্রথমে মেশিন কিনতে হবে। বর্তমানে জেমস ক্লিপ তৈরীর মেশিন বিভিন্ন রকম দামে পাওয়া যায়। আবার কোম্পানি অনুযায়ী আর মেশিনের কোয়ালিটি অনুযায়ী মেশিনের দাম আলাদা আলাদা হতে পারে। তবে বর্তমানে যে জেমস ক্লিপ তৈরির মেশিন আপনি কিনে ছোট করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সেই মেশিনের দাম হল।

  • জেমস ক্লিপ তৈরির অটোমেটিক মেশিন- 1 লক্ষ 10 হাজার টাকা
  • জেমস ক্লিপ তৈরির ছোট মেশিন-70 হাজার টাকা থেকে 90 হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

জেমস ক্লিপ তৈরির মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where can I buy a James clip making machine?)

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে মেশিন ও অল্প দামে কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে জেমস ক্লিপ তৈরীর মেশিন আপনি যেমন অনলাইনে ইন্ডিয়ামার্ট, অ্যামাজন, আলিবাবা ওয়েবসাইট থেকে পেয়ে যাবেন, তেমনি বড় বড় মেশিন নির্মাতা কোম্পানির কাছ থেকেও আপনি মেশিন কিনতে পারেন। আপনি আপনার শহরের বড় মেশিন নির্মাতা কোম্পানির কাছ থেকে সরাসরি যদি মেশিন কিনে জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করেন তাহলে আপনার অনেক ভালো কোয়ালিটির মেশিন এবং বিভিন্ন ওয়ারেন্টিও পেয়ে যাবেন। পশ্চিমবঙ্গের বড় বড় কয়েকটা মেশিন নির্মাতা কোম্পানির নাম সহ ফোন নাম্বার দিয়ে দিলাম যেখান থেকে আপনি মেশিন কিনতে পারবেন।

বাংলাদেশের যে সকল মেশিন নির্মাতা বড় বড় কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে তাদের নাম ফোন নাম্বার দেওয়া হলো। আপনারা বাংলাদেশের এই সকল কম্পানি থেকেও মেশিন কিনতে পারেন।

আরো পড়ুন- কিভাবে ব্যবসা শুরু করব?

James clip making machine
জেমস ক্লিপ তৈরির মেশিন

পেপার ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

পেপার ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে আপনাকে বেশ কয়েক রকমের লাইসেন্স নিতে হবে। প্রতিটা ব্যবসার ব্যবসায়ীকেই তাদের ব্যবসা শুরু করার আগে কিংবা পরে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। তাই আপনাকেও জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা শুরু করার সাথে সাথেই ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়াও আপনি যখন আপনার ব্যবসা থেকে প্রতিমাসে দু’লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা আয় করা শুরু করবেন তখন আপনাকে GST লাইসেন্স নিতে হবে। আবার আপনাকে ইলেকট্রিক এর জন্য ইলেকট্রিক দপ্তর থেকে কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক এর জন্য আবেদন করে আপনার কোম্পানিতে কমার্শিয়াল ইলেকট্রিক এর ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রতিটা লাইসেন্সের জন্য আপনি বর্তমানের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। কারণ বর্তমানে অনলাইনে এপ্লাই করে ও আপনি সকল প্রকার লাইসেন্স পেতে পারেন। আবার আপনি চাইলে সরাসরি বিডিও অফিস অথবা আপনার নিকটবর্তী কর্পোরেশন অফিস থেকে সকল প্রকার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। বর্তমানে প্রতিটা লাইসেন্সের জন্য আপনাকে দুই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

কিভাবে জেমস ক্লিপ বানানো হয়?

জেমস ক্লিপ তৈরি করার জন্য প্রথমে আপনাকে লোহার তার বান্ডিলটা একটা রোলিং মেশিন এর মধ্যে রাখতে হবে।
তারপর লোহার তারের একটা প্রান্ত অটোমেটিক জেমস ক্লিপ তৈরির মেশিনের মধ্যে আটকাতে হবে।
এরপর মেশিন চালালে অটোমেটিক জেমস ক্লিপ তৈরি হয়ে নিচে পড়তে থাকবে এবং লোহার তার আস্তে আস্তে মেশিনের মধ্যে প্রবেশ করতে থাকবে।
তৈরি হয়ে যাওয়া জেমস ক্লিপ গুলোকে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অনুযায়ী গুনে প্যাকেট করতে হবে।

জেমস ক্লিপ এর প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাজারে বিক্রি করার জন্য তৈরি হওয়া জেমস ক্লিপ গুলোকে সুন্দর করে প্যাকেজিং করতে হবে।এর জন্য আপনি আপনার কোম্পানির নামের সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের বাক্স এবং প্লাস্টিক ছাপাতে পারেন। প্রতিটা প্লাস্টিকের মধ্য নির্দিষ্ট পরিমাণ মতো জেমস ক্লিপ ভর্তি করে সিলেক্ট করে দিতে হবে। আর প্যাকেট ভর্তি হয়ে যাওয়ার পর আপনার কোম্পানির নাম লাগানো বাক্স তাতে জেমস ক্লিপ গুলো ভর্তি করে বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করতে হবে। মনে রাখবেন জেমস ক্লিপ এর প্রতিটা প্যাকেট 10 টাকা থেকে 100 টাকার মধ্যে যেন হয়ে থাকে। কারণ যাদের অল্প পরিমাণে জেমস ক্লিপ এর প্রয়োজন পড়বে তারা যাতে ছোট প্যাকেট কিনতে পারে আর যাতে বড় প্যাকেট কিনতে পারে তার সমস্ত ব্যবস্থা আপনাকে করতে হবে।

অবশ্যই পড়ুন- ফ্লোর ক্লিনিং ভাইপার তৈরির ব্যবসা

Paper clip making business
পেপার ক্লিপ তৈরির ব্যবসা

জেমস ক্লিপ এর মার্কেটিং কিভাবে করা হয়? (How is James Clips marketed?)

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে তৈরি হওয়া জেমস ক্লিপ গুলোকে বাজারে বিক্রি করার জন্যে নিত্য নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। আপনি চাইলে পুরনো কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে জেমস ক্লিপ যেমন বাজারে বিক্রি করতে পারবেন তেমন বর্তমানের আধুনিক পদ্ধতি অর্থাৎ ইন্টারনেট এর মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া জেমস ক্লিপ বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। জেমস ক্লিপ তৈরীর ব্যবসাতে যে যে পদ্ধতিতে আপনি জেমস ক্লিপ বাজারে বিক্রি করতে পারবেন সেগুলি হল-

  • বিভিন্ন বইয়ের দোকানে জেমস ক্লিপ বিক্রি করতে পারবেন।
  • বড় বড় বইয়ের পাইকারি মার্কেট যেমন কলেজ স্ট্রিটে প্রতিটি দোকানে আপনি বিক্রি করতে পারবেন।
  • বড় বড় হোলসেল মার্কেটের জেমস ক্লিপ তৈরি করে বিক্রি করতে পারবেন।
  • বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ডিস্ট্রিবিউটার তৈরি করে তাদের মাধ্যমে জেমস ক্লিপ বিক্রি বাড়াতে পারবেন।
  • নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে জেমস ক্লিপ বিক্রি করতে পারবেন।
  • বর্তমানে জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেমন অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, ইন্ডিয়ামার্ট এই ধরনের ওয়েবসাইটে একটি করে বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলে তার মধ্য দিয়ে জেমস ক্লিপ বিক্রি করতে পারবেন।
  • এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, অফিসে আপনি জেমস ক্লিপ বিক্রি করতে পারেন।

জেমস ক্লিপ তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit of James clip making business?)

জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসাতে লাভের পরিমাণটা একটু ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। প্রতিটা মেশিন থেকে আপনি প্রতি মিনিটে 100 টা করে জেমস ক্লিপ তৈরি করতে পারেন। প্রতিদিন কমপক্ষে 40 থেকে 50 হাজার জেমস ক্লিপ বানানো যায় একটা মেশিন দিয়ে। 100 জেমস ক্লিপ তৈরি করতে আপনার খরচা হবে 30 টাকা। আর আপনি সেই 100 টা জেমস ক্লিপ বাজারে বিক্রি করতে পারেন সর্বনিম্ন 60 টাকা পাইকারি দামে। প্রতিদিন আপনি কমপক্ষে 4 থেকে 5 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন জেমস ক্লিপ তৈরি ব্যবসা করে। এছাড়াও একজন ছোট ব্যবসায়ী প্রতি মাসে 80000 টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকা আয় করতে পারে জেমস ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করে।

জেমস ক্লিপ সম্পর্কিত কিছু তথ্য

1800 সালের সূচনালগ্নে জেমস ক্লিপ এর প্রথম উদ্ভব ঘটে। এই সময় ইউরোপে শিল্প বিপ্লবের এক চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছিল । সেই সময় নতুন নতুন কল-কারখানার উদ্ভব ঘটেছিল তার সাথে সাথে কাগজের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর সেই কাগজ গুলো কে সম্মিলিতভাবে রাখার জন্য জেমস ক্লিপ আবিষ্কারক ঘটে।

এই কাগজ আটকানোর ক্লিপটা সরু তারে বাঁকানো এবং প্লাস্টিকে আবৃত লুপ এর মত দেখতে হয়ে থাকে। এটা তৈরি করা হয়েছিল একটা সরল এবং জরুরী কাগজপত্র গুলিকে আটকানোর জন্য এবং সংরক্ষণ করার জন্য। প্রথমের দিকে কাগজ আটকানোর জন্য শুধুমাত্র লোহার পিন ব্যবহার করা হলেও পরবর্তীকালে জেমস ক্লিপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

19 শতাব্দীর প্রথমদিকে কারখানাতে যখন জেমস ক্লিপ তৈরি করা হতো তখন একজন মানুষ সারাদিনে তিরিশটা করে জেমস ক্লিপ বানাতে পারত। পরবর্তীকালে মেশিনের আবির্ভাব হয় প্রতিদিন 3000 টাকা করে জেমস ক্লিপ বানানো যেত। আর বর্তমান সময়ে সেইটা দাঁড়িয়েছে 50 থেকে 60 হাজার জেমস ক্লিপ বানানোর ক্ষমতা সম্পন্ন মেশিনে।

1883 সালে জেম মেনুফেকচারিং কোম্পানি সর্বপ্রথম সেইসময় জেমস ক্লিপ এর পেটেন্ট দাবি করেন। তারপর থেকেই জেমস ক্লিপ এর উদ্ভব এবং উদ্যোক্তা হিসেবে ইউরোপকে আমরা চিনে আসছি। কিন্তু এর আগেও জেমস ক্লিপ এর ব্যবহার থাকলেও ইউরোপের কোন কোম্পানির জেমস ক্লিপ এর পেটেন্টের দাবি করেনি।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

জেমস ক্লিপ এর আবিষ্কর্তার নাম কি?

উত্তর: নরওয়েজিয়ান জোহান ভালার জেমস ক্লিপ এর আবিষ্কর্তা।

পেপার ক্লিপ তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: পেপার ক্লিপ তৈরির ব্যবসা শুরু করতে 1 লক্ষ টাকা থেকে 1.5 লক্ষ টাকা লাগে।

জেমস ক্লিপ তৈরির মেশিনের দাম কত?

উত্তর: জেমস ক্লিপ তৈরির মেশিনের দাম 80 হাজার টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকা ।

জেমস ক্লিপ কত সালে তৈরি করা হয়?

উত্তর: 1800 শতাব্দী সূচনালগ্নে জেমস ক্লিপ তৈরি করা হয়।

জেমস ক্লিপ ব্যবসাতে লাভ কত?

উত্তর: জেমস ক্লিপ তৈরির ছোট ব্যবসায়ীরা প্রতিমাসে 60 হাজার টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারেন।

জেমস ক্লিপ কি দিয়ে তৈরি করা হয়?

উত্তর: প্লাস্টিক রাবার লাগানো শুরু লোহার তার দিয়ে তৈরি করা হয়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

মোবাইল সুরক্ষার ডিলারশিপ ব্যবসা

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা

Leave a Comment