[1] চালের পাইকারি ব্যবসা | Rice Wholesale Business | Business idea in Bengali,Right Now

চালের পাইকারি ব্যবসা আপনাকে অনেক লাভবান করতে পারে। আমরা সবাই জানি যে ভাত আমাদের প্রধান খাদ্য। সেই জন্য ভারত সহ বিভিন্ন দেশে চালের চাহিদা প্রচুর। ভারতের এমন কোনো মানুষ নেই যে ভাত খায় না। বাংলাদেশেও একই জিনিস লক্ষ্য করা যায়। যেহেতু আমাদের প্রধান খাদ্য ভাত তাই চালের চাহিদা সর্বদা অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। হলে আপনি যদি চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার অর্থাভাব তো খুঁজবেই তার সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণে লাভবান হতে পারবেন। চলুন দেখে নেয়া যাক চালের পাইকারি ব্যবসার সম্বন্ধিত যাবতীয় তথ্য।

চালের পাইকারি ব্যবসা
Rice Wholesale Business

Table of Contents

চালের পাইকারি ব্যবসা করতে কত পুঁজি লাগে? | Rice wholesale Business idea in Bengali

যে কোন ব্যবসা করার আগেই আমাদের সকলেরই প্রথমেই মাথায় আসে ব্যবসা করতে গেলে কত টাকা লাগবে। তেমনই হয়তো আপনাদের অনেকেরই মাথায় এসেছে চালের পাইকারি ব্যবসা করার জন্য কত টাকা লাগে।
আপনি যদি ছোট করে চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে আপনার খরচ হবে 2 থেকে 2.5 লাখ টাকা। আর আপনি যদি ভালোভাবে বা বলা যায় বড় করে চালের ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার খরচ হবে 4 থেকে 5 লাখ টাকা। হলে আপনি কেমন ভাবে চালের ব্যবসা শুরু করতে চাইছেন সেটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে।

চাল কোথায় থেকে কম দামে কেনা যায়?

আপনাদের সব সময় মনে রাখতে হবে চালের পাইকারি ব্যবসা করার জন্য, যেখানে ধান উৎপাদন হয় বা চাল উৎপাদন হয়, সেখান থেকে যদি আপনি সরাসরি চাল কিনতে পারেন তাহলে সবচেয়ে কম দামে আপনি চাল কিনতে পারবেন। এছাড়াও বড় বড় কোম্পানিগুলো সঙ্গে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন সেইসব কোম্পানি থেকে আপনি সরাসরি চাল কিনে চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ভারতের উত্তর প্রদেশ, উত্তরাঞ্চল হরিয়ানা, পাঞ্জাব, আসাম, বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ প্রকৃতি রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে ধান চাষ হয়। হলে আপনি সরাসরি এইসব রাজ্য থেকে ধান কিনে চালের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আবার প্রতিটা রাজ্যে একাধিক চালের কোম্পানি রয়েছে যারা সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে ধান কিনে চাল উৎপাদন করে থাকে। আপনি গুগলে সার্চ করলে এই রকম প্রচুর কোম্পানির নাম পেয়ে যাবেন সেই সব কোম্পানির ফোন নাম্বারে ফোন করে আপনি সরাসরি কথা বলে তাদের কাছ থেকে অল্প রেটে চাল কিনে হোলসেল ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

নতুন ব্যবসা দেখুন- ব্যবসা করে প্রতি দিন ইনকাম করুন 50000 টাকা

চালের পাইকারি ব্যবসা করার জন্য কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

তালের পাইকারি ব্যবসা করার জন্য আপনার 10/12 ফুটের একটা ঘর হলে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার ব্যবসার শুরুতে আপনি চাইলে আপনার বাড়িতেই চালু রেখে মার্কেটে বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া আপনি যদি চান তাহলে মার্কেটে কোন ঘর ভাড়া নিয়ে সেই ঘরে সমস্ত চালের গোডাউন করে সেখান থেকে পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
তবে বর্তমান ক্ষেত্রে সমস্ত ব্যবসায়ীরাই তাদের প্রত্যেকের লোকাল বাজারের কাছাকাছি অথবা বাজারের মধ্যে কোন একটি ঘর ভাড়া নিয়ে চালের পাইকারি ব্যবসা করছেন।

সঠিক জায়গা নির্বাচন করা (Choosing the right place)

যে কোন ব্যবসা শুরু করতে হলে আগেই আপনাকে ঠিক করতে হবে যে ব্যবসা করবেন সেই ব্যবসার জন্য সঠিক জায়গা। ঠিক তেমনই চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে গেলে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে সঠিক জায়গা যেখান থেকে আপনি চালের এই ব্যবসাটি চালিয়ে যাবেন। আপনার সুবিধার্থে বাজারের মধ্য বা শহরাঞ্চল থেকে কিছুটা দূরে যেখানে আপনি গোডাউন করতে চাইছেন সেখানে একটি ঘর ভাড়া নিতে হবে। চালের গোডাউন করার আগে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার গোডাউন থেকে বাকি রিটেল দোকানদারদের চাল দেওয়ার ক্ষেত্রে যেন সুবিধা হয়।

চালের ব্যবসা কত ধরনের ও কি কি? (How many types of rice business and what are they?)

চালের ব্যবসা প্রধানত পাঁচ ধরনের হয়ে থাকে। প্রতিটা ব্যবসার ধরন এবং প্রকার আলাদা হয়ে থাকে। এবং প্রতিটা ব্যবসায় লাভের পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে। হলে আপনি চাইলে চাইলে এই পাঁচ রকমের ব্যবসার মধ্যে যে কোন ব্যবসা করতে পারেন, যেটা আপনার পক্ষে সহজলভ্য এবং সুবিধার হবে সেটাই করা আপনার পক্ষে শ্রেয় হবে।

  1. চালের রিটেল ব্যবসা বা চালের খুচরা ব্যবসা
  2. চালের পাইকারি ব্যবসা
  3. চাল রপ্তানির ব্যাবসা
  4. চালের ব্র্যান্ড তৈরির ব্যবসা
  5. সরকারকে বিক্রি বা সরকারি ট্রেন্ডার নেওয়ার ব্যবসা।

পরে আরো কোনো একটি পোস্টে চালের প্রত্যেকটা ব্যবসা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য আমি আলাদা আলাদাভাবে দেবো।

আরো পড়ুন- পেরেক তৈরির ব্যবসা

চাল কত রকমের এবং কি কি হয়? (What kind of rice and what is it?)

চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে প্রথমে মাথায় রাখতে হবে এবং জানতে হবে যে চাল কত রকমের হয় এবং সেই চাল গুলো কি কি।
বর্তমানে প্রধানত দুই ধরনের চালু হয়ে থাকে বাসমতি চাল আর নন বাসমতি চাল।
বাসমতি চাল প্রধানত উত্তরাঞ্চল, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাবে, চাষ হয়।
নন বাসমতি চাল প্রধানত আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উড়িষ্যাতে চাষ হয়।

প্রতিটা চালের কি আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়- সেলা রাইস, নন সেলা রাইস। আর বর্তমানে বাসমতি চাল এবং নন বাসমতি চালের হাজারেরও বেশি রকমের প্রকারভেদ দেখা যায়।

তাই আপনাকে প্রথমে চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করার আগেই এই প্রতিটা চালের একটি লিস্ট তৈরি করতে হবে যে কত রকমের চালু রয়েছে এবং সেগুলো কি কি। তারপর সেই লিস্ট অনুযায়ী আপনি কি ধরনের চাল এবং কি কি চাল আপনার দোকানে রাখবেন সেটাও লিস্ট করে নিতে পারেন।

চালের ব্যবসা করতে গেলে কি কি লাইসেন্স লাগে?

চালের পাইকারি ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে প্রথমেই একটা ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। তারপর আপনি যদি নিজস্ব ব্যান্ড করে পাইকারি ব্যবসা করেন তার জন্য আপনাকে একটা FSSAI লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়াও আপনাকে জিএসটি লাইসেন্স নিতে হবে।
তবে যে কোন ব্যবসা শুরুতেই লাইসেন্স না নিয়ম শুরু করেন অনেক ব্যবসায়ীরা তাই আপনিও চাইলে লাইসেন্স পড়ে নিতে পারেন ব্যবসা আগে শুরু করতে পারেন। সাধারণত ব্যবসায়ী 30 থেকে 40 লক্ষ টাকা বাৎসরিক ইনকাম হলে তবেই ব্যবসায়ীরা জিএসটি লাইসেন্স এবং বাকি সব লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে থাকেন।

বাংলাদেশ চালের ব্যবসা কেমন লাভজনক?

পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশেও চালের চাহিদা বর্তমানে অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সব ধরনের চাল চাষ না হওয়ার কারণে ভারত থেকে অনেক চাল আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশের মানুষজনও বিভিন্ন রকম চাল খাবার জন্য বিভিন্ন ধরনের চালের চাহিদা দেখা যায়।

Rice Wholesale Business
চাউলের পাইকারি ব্যবসা


তাই আপনি যদি বাংলাদেশে থাকেন তাহলে আপনি সরাসরি ভারত থেকে চাল আমদানি করে বাংলাদেশে ব্যবসা করে অনেক বেশি লাভবান হতে পারেন। ভারত থেকে চাল আমদানি করতে হলেও আপনাকে সরাসরি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাল আমদানি করতে হবে। আপনি কোম্পানিতে ফোন করে বলে অনলাইনে কিছু টাকা পেমেন্ট করলেই তারা আপনার বাড়িতে বা আপনার ঠিকানায় চাল পাঠিয়ে দেবে।
হলে আপনিও অল্প টাকায় চাল কিনে বাংলাদেশ লাভজনক দামে চালের পাইকারি ব্যবসা করতে পারেন।

নতুন ব্যবসা দেখুন- ব্যবসা করুন মাত্র 600 টাকা দিয়ে

চাউলের পাইকারি ব্যবসায়, বাংলাদেশ কোথা থেকে চাউল কিনবেন?

বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটা জেলাতে চাউল উৎপাদন হয়ে থাকে। তাই আপনি আপনার নিকটবর্তী জেলার চাষীদের সাথে যদি যোগাযোগ করেন, তাহলে তাদের কাছ থেকেই অল্প দামে চাল কিনতে পারবেন। এবং প্রত্যেক বস্তা চাল কিনে আপনি পাইকারি মার্কেটে বিক্রি করে প্রতি বস্তা কিছু 100 থেকে 200 টাকা ইনকাম করতে পারেন। ফলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশের চালের পাইকারি যে সকল মার্কেট রয়েছে, সেইসব মার্কেট থেকে চাল কেনার পরিবর্তে সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে চাল কেনা টাই বেশি লাভজনক হবে।

চালের পাইকারি বাজার তৈরি (Rice Wholesale Market)

আপনি যে অঞ্চলে চালের পাইকারি ব্যবসা করতে চাইছেন সেই অঞ্চলকেই চালের পাইকারি বাজার হিসেবে তৈরি করুন। কোন নির্দিষ্ট জায়গা বলে চালের পাইকারি মার্কেট নেই। কারণ বর্তমানের বড় বড় ব্যবসায়ীরা ধান উৎপাদনের পর সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে ধান কিনে নিয়ে চলে আসেন তাদের চালের কারখানায়। ফলে আলাদা করে চালের কোন পাইকারি মার্কেট তৈরি হয়নি। তারপর সেই চালগুলো তারা কোম্পানি থেকে সরাসরি ডিস্ট্রিবিউটর বা হোলসেলার দের বিক্রি করেন।
এই জন্য আপনার কাছে একটা বড় সুযোগ রয়েছে চালের পাইকারি মার্কেট তৈরি করার। অর্থাৎ আপনি যে অঞ্চলের চালের পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে চলেছেন সেই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের তুলনামূলক অল্প রেটে যদি আপনি চান বৃদ্ধি করতে পারেন। তাহলে প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার আপনার তৈরি হয়ে যাবে, ফলে আপনি নিজেই একটা বৃহৎ মার্কেট তৈরি করতে পারবেন।

Rice Wholesale Market
চালের পাইকারি বাজার

চাল কিভাবে রিটেল দোকানদারদের বিক্রি করা হয়?

আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে বর্তমানে চালের ব্যবসা অনেক ব্যবসায়ী করছে। এর জন্য আপনাকে যখন রিটেল দোকানদারদের চাল বিক্রি করতে হয় তাহলে সেই চালের উপরে দামের বিষয়টি নজর দিতে হবে। অর্থাৎ বাকি ব্যবসায়ীদের থেকে অল্প রেটে আপনাকে চাল দোকানদারদের বিক্রি করতে হবে। এর জন্য আপনাকে সরাসরি যেখান থেকে চাল অল্প দামে আপনি কিনতে পারবেন সেখান থেকে জল সংগ্রহ করতে হবে। তবেই আপনি ভাল অঙ্কের লাভ রাখতে পারবেন।
ব্যবসা করার আগে আপনাকে মার্কেট রিচার্জ করতে হবে আপনাকে দেখতে হবে আপনার নিকটবর্তী বাজারগুলিতে কতগুলো রিটেল দোকানদার বা খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। প্রথমে এইসব বিক্রেতাদের একটা নামের লিস্ট করুন তারপর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের একাধিক অফার দিয়ে আপনার কাছ থেকে চাল কেনার অর্ডার গুলি তুলে নিন।

চালের পাইকারি ব্যবসায় লাভ কত?(What is the profit of rice wholesale business?)

যে কোন ব্যবসা করতে হলে আমাদের প্রথমে যেমন মনে হয় সে ব্যবসায় কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। তেমনি আবার মনে হয় সেই ব্যবসাটি করে আমরা কত টাকা লাভ করতে পারব। ঠিক তেমনই চালের পাইকারি ব্যবসা করতে হলে আমাদের অনেকেরই মাথায় আসে যে এই ব্যবসা করে আমরা কতটা লাভ করতে পারব। চালের পাইকারি ব্যবসায়ী সাধারণত 10% থেকে 40% লাভ হয়ে থাকে।

অর্থাৎ আপনি এক লক্ষ টাকার চাল বিক্রি করলে কোন সময় 10 হাজার টাকা লাভ হতে পারে আবার কোন সময় 40 হাজার টাকা লাভ হতে পারে। দামের ফারাকটা এই কারণে হয় চালের দাম ওঠানামা করে এই জন্য। আবার আপনি কোথা থেকে চাল কিনছেন আর কিভাবে বিক্রি করছেন তার ওপরে ও আপনারই লাভের পরিমাণ টা নির্ভর করবে। তবে সর্বনিম্ন যেমন দশ শতাংশ আপনি লাভ করছেন তেমন সর্বোচ্চ 40 শতাংশ লাভ রাখতে পারছেন।

চালের পাইকারি ব্যবসা করতে গেলে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে

চালের পাইকারি ব্যবসা আপনি যখন শুরু করবেন তখন আপনাকে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। যেমন শুরুতেই আপনি খুব বেশি কাস্টমার নাও পেতে পারেন। এর জন্য আপনাকে সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে হবে।
আর বাকি ব্যবসায়ীদের থেকে নি অল্প রেটে দোকানদারদের চাল বিক্রি করতে হবে। এর ফলে আপনার লাভের পরিমাণ টা অনেকাংশেই কমে যাবে।
নিজের উপর ধৈর্য হারিয়ে ফেলতে পারেন কিন্তু এটা করা একদমই চলবে না, ফলে নিজের ওপর সর্বদা ধৈর্য্য বজায় রাখতে হবে।
নিজের উপর ভরসা রাখুন এবং ব্যবসায় সাহসী হোন। তারপর আপনি যেমন ভাবে চাইছেন তেমনভাবে ব্যবসা করে আপনার ব্যবসাটি সর্বোচ্চ চূড়ায় আপনি পৌঁছে যান।

যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। আমাদের এই পোষ্টে যদি কোন ভূল-ত্রূটি থেকে থাকে তাহলেও জানাতে ভুলবেন না।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

চালের পাইকারি দোকান কোথায় করা যায়?

উত্তর: যেকোনো বড় বাজার এলাকা অথবা পাইকারি বাজার এলাকাতে দোকান ভাড়া নিয়ে আপনি চালের পাইকারি দোকান তৈরি করতে পারেন।

চালের গোডাউন করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

উত্তর: কমপক্ষের 300 স্কয়ার ফুট জায়গা নিয়ে একটি চালের গোডাউন করতে পারেন।

সেলা রাইসের চাষ কোথায় হয়?

উত্তর: ভারতের উত্তর দিকে রাজ্য যেমন হরিয়ানা, পাঞ্জাব এই সমস্ত রাজ্যে বেশি পরিমাণে শেলা রাইসের চাষ হয়।

চালের পাইকারি ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: কমপক্ষে 2 লক্ষ টাকা থেকে 3 লক্ষ টাকার প্রয়োজন চালের পাইকারি ব্যবসা করতে।

চালের পাইকারি ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: প্রতি কেজি চালে 10 টাকা করে লাভ থাকলেও আপনার প্রতি মাসের ইনকাম 1 থেকে 2 লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

চিপস তৈরির ব্যবসা 1 লক্ষ টাকা লাভ

পানীয় জলের ব্যবসা করে 1 লক্ষ টাকা লাভ করুন

Leave a Comment