ঘি তৈরির ব্যবসা বাড়িতেই শুরু করুন |Became a successful entrepreneur in the business of making ghee

ঘি তৈরির ব্যবসা বাড়িতে শুরু করে আপনি সফল ব্যবসায়ী হতে পারেন, কারণ বর্তমানে প্রতিটা মানুষ প্রতিটি পরিবারেই ঘিয়ের কমবেশি চাহিদা থেকে যায়। আবার ঘি তৈরির ব্যবসা কম পুঁজি বিনিয়োগ করে শুরু করা যায়। আপনার বাড়ি যেদিন গ্রামে হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য সুবর্ণ সুযোগ ঘি তৈরির ব্যবসা বাড়ি থেকে শুরু করার। গ্রামাঞ্চলের দিকে গরুর ঘাটাল কিংবা প্রায় প্রতিটা বাড়িতে গরু থাকে। আর গরুর দুধ থেকেই তৈরি করা হয় ঘি।

এছাড়াও যদি আপনার শহরাঞ্চলে ঘর হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে খুঁজতে হবে আপনার নিকটবর্তী এরিয়াতে কোথায় গরুর খাটাল রয়েছে। গরুর খাটাল থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণের দুধ সংগ্রহ করে আপনি তৈরীর ব্যবসা করতে পারেন। আবার আপনি নিজে গরুর খাটাল তৈরি করে দুধের ব্যবসার সাথে সাথে ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হল।

ঘি তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? (How much does it cost to make ghee?)

ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে খুব অল্প পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয় ঠিকই তাও আপনাকে কয়েক হাজার টাকা নিয়ে এই ব্যবসায় অবশ্যই নামতে হবে। ঘি তৈরির ব্যবসা ছোট করে শুরু করতে হলে আপনার হোম করে 20 থেকে 50 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। একটু মাঝারি আকারের ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে কমপক্ষে 1 লক্ষ টাকার মতো পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করতে হবে। আর আপনি যদি ঘি তৈরীর ব্যবসা খুব বড় করে শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে 3 লক্ষ টাকার বেশি টাকা নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে হবে।

ঘি তৈরির জন্য কি কি কাঁচামাল লাগে?

ঘি তৈরির ব্যবসাতে ঘি তৈরি করার জন্য সবচেয়ে প্রধান এবং প্রথম কাঁচামাল হিসেবে দুধ (Milk) লাগবে। এছাড়া ঘি তৈরি করার জন্য আর দ্বিতীয় কোন কাঁচামালের প্রয়োজন পড়ে না। হলে আপনাকে এমন কোন জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেখান থেকে আপনি খুব সহজেই দুধ সংগ্রহ করতে পারবেন।

Ghee making business
ঘি তৈরির ব্যবসা

ঘি তৈরির জন্য কি কি মেশিন লাগে? (What machines do you need to make ghee?)

ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে বেশ কিছু মেশিন কিনতে হবে। মেশিন ছাড়া আপনি পুরনো কিছু পদ্ধতিতে ঘি তৈরি করতে পারবেন ঠিকই কিন্তু তা অনেক সময় সাপেক্ষ এবং কষ্টকর হবে। তাই আপনাকে আধুনিক পদ্ধতিতে ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই বেশ কিছু সরঞ্জাম এবং মেশিন কিনতে হবে। ঘি তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মেশিন গুলি হল-

  • দুধ সংরক্ষণের বড় পাত্র
  • মিল্ক হোমোজেনাইজার
  • দুধ পাস্তুরাইজার
  • ছোট পাম্প
  • বয়লার বা ওভেন
  • মাখন মন্থন মেশিন
  • বড় কিছু স্টিলের পাত্র
  • চলিং মেশিন
  • স্টাচ ফিলিং মেশিন

অবশ্যই পড়ুন- হোয়াটসঅ্যাপের সাহায্যে কিভাবে ব্যবসা করা যায়?

ঘি তৈরির মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়? (Where can I buy ghee making machine?)

ঘি তৈরীর ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে যে মেশিন গুলো কিনতে হবে সেগুলো আপনি আপনার নিকটবর্তী বড়বাজার থেকে পেয়ে যাবেন। অথবা আপনি চাইলে কলকাতার বড় বাজার পাইকারি মার্কেট থেকে কিনতে পারেন। বাংলাদেশ থাকলে আপনি চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে সকল প্রকার মেশিন সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়াও আপনি আপনার নিকটবর্তী যেকোনো মেশিন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি থেকে সরাসরি মেশিন অর্ডার করে আপনার বাড়িতে প্রতিস্থাপন করতে পারেন। বর্তমানে অনলাইন মার্কেটিংয়ের জন্য আপনি চাইলে অনলাইনে ইন্ডিয়ামার্ট অথবা অ্যামাজন থেকে সকল প্রকার মেশিন অনলাইনে কিনে নিতে পারেন।

ঘি তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কমপক্ষে 10/10 ফুটের এক কামরা ঘর প্রয়োজন হবে। এছাড়াও যদি আপনি বড় করে ব্যবসা শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে কমপক্ষে 10/30 ফুটের জায়গার প্রয়োজন পড়বে। আপনি যখন ব্যবসা করবেন তখন আপনি ব্যবসার শুরুতে আপনার ঘরের রান্নাঘর থেকেই আপনি এই ব্যবসার কাজ শুরু করতে পারেন। তবে ব্যবসা যত দিনে দিনে বড় হতে থাকবে তখন আপনাকে অবশ্যই আলাদা করে ঘর ভাড়া নিতে হবে অথবা ঘর বানাতে হবে ঘি তৈরির ব্যবসা করার জন্য।

ঘি তৈরির ব্যবসা কোন জায়গায় করা যায়?

আমরা সবাই জানি ঘি প্রতিটা বাঙালি অথবা ভারতীয়দের মধ্যে খাবারের তালিকায় বহু প্রাচীন সময় থেকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই আপনি যদি ঘি তৈরীর ব্যবসা শুরু করেন সেটা যেকোনো জায়গাতেই আপনি করতে পারবেন। তবে ব্যবসার মার্কেটিং করার সুবিধার জন্য এমন একটি জায়গা আপনাকে নির্বাচন করতে হবে যা আপনার বাড়ি অথবা কারখানা থেকে করা সম্ভব হয়। দুধ সংগ্রহ করার জন্য যেমন বড় কোন খাটাল অথবা গ্রামাঞ্চলের প্রয়োজন পড়ে।

তেমনি ঘি তৈরি হয়ে যাবার পর বাজারে বিক্রি করার জন্য যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই এমন একটি জায়গা আপনাকে নির্বাচন করতে হবে যেখান থেকে আপনি দুধ খুব কম দামে এবং সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন, আবার তৈরী হয়ে যাওয়া কি বড় বাজারে বিক্রি করা ও আপনার পক্ষে সহজ হবে এমন একটি জায়গা। তবে বর্তমানে যে সকল ঘিয়ের ছোট ছোট ব্যবসায়ী আছেন তারা সবাই তাদের বাড়িতে ঘি তৈরি করে বাজারে বিক্রি করেন।

আরো পড়ুন-  ব্যবসা মাত্র 10 হাজার টাকা দিয়ে

কিভাবে ঘি তৈরি করা হয়? (How is ghee made?)

ঘি বানানোর প্রক্রিয়া খুবই সহজ হয়ে থাকে, আপনি যদি কোথাও ঘি বানানো একবার শেখেন তাহলে আপনি খুব সহজেই ঘি তৈরি করতে পারবেন। ঘি তৈরীর ব্যবসা শুরু করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কোথাও থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এই এই ব্যবসা করা উচিত। ঘি তৈরি করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হল-

  • দুধ সংগ্রহ করে বড় স্টিলের পাত্রে দুধ ঢালার পর নির্দিষ্ট টেম্পারেচার এ দুধ গরম করতে হবে।
  • দুধ গরম হয়ে যখন ফুটতে থাকবে তখন সেই দুধ টা আরেকটি বড় স্টিলের পাত্রের মধ্যে অথবা হোল্ডিং ট্রাংকের ভেতরে ঢালতে হবে।
  • তারপর দুধ টা ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
  • দুধ ঠান্ডা হয়ে গেলে দুধের ওপরে বড় করে মোটা শর পড়বে। আর ঘি তৈরি করার জন্য অবশ্যই দুধের এই শর বা ক্রিম এর প্রয়োজন পড়বে।
  • আপনি চাইলে দুধের ক্রিম বার করার জন্য ভারসাম্য ট্রাংক ব্যবহার করতে পারেন।
  • এরপর শর বা ক্রিম টা আলাদা করে নিয়ে ঠান্ডা করার জন্য চিলার মেশিনে রেখে দিতে হবে 4 থেকে 5 ডিগ্রি টেম্পারেচারে।
  • তারপর মাখন তৈরীর মেশিনে শরটি ভালো করে গ্রাইন্ডিং করলে ক্রিম তৈরি হয়ে যাবে।
  • ক্রিম গুলি নিয়ে একটি পাত্রে ঢেলে সেটা কিছুক্ষণের জন্য আপনি গরম করলে অথবা জাল দিলে আস্তে আস্তে কি তৈরি হয়ে যাবে।
  • এইভাবে অল্প অল্প করে ঘি তৈরি হতে থাকবে এবং তা আপনাকে আলাদা করতে হবে।
  • সম্পূর্ণ ঘি তৈরি হয়ে যাবার পর আপনি ঘি গুলিকে পরিমাণমতো ছোট ছোট পাত্রে ভরে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করে ফেলুন।
Ghee making machine
ঘি তৈরির মেশিন

ঘিয়ের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

ঘি তৈরীর ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে উৎপাদিত ঘি বাজারে বিক্রি করার জন্য প্লাস্টিকের কিছু পাত্রে পরিমাণমতো ভর্তি করতে হবে। তারপর প্রতিটি পাথরের গায়ে আপনার কোম্পানির নাম লাগানো স্টিকার লাগিয়ে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করুন। মনে রাখবেন যে-পাত্রে আপনি কি ভর্তি করছেন তা যেন অবশ্যই ভালো করে সিল্ড থাকে। এবং পাত্রের গায়ে অবশ্যই আপনার কোম্পানির অ্যাড্রেস এবং যোগাযোগ নাম্বার যেন থাকে। প্রতিটা বাক্স আপনি ট্রান্সপারেন্ট তৈরি করলে ক্রেতারা ক্রেতারা বাইরে থেকে ঘি দেখতে পাবে এবং কেনার আগ্রহ বেড়ে যাবে।

ঘি তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

প্রতিটা ব্যবসার মতোই ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে বেশ কয়েকটি লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়া আপনি যে এলাকাতে ব্যবসা করছেন অথবা যে জায়গাতে ব্যবসা করছেন তার নির্দিষ্ট কাগজপত্র প্রয়োজন পড়বে। আপনি যদি সমস্ত লাইসেন্স ছাড়া এবং কাগজপত্র ছাড়া ব্যবসা শুরু করেন তাহলে ব্যবসার শুরুতে কোন সমস্যা না আসলেও পরবর্তীকালে আইনি বিভিন্ন জটিলতার মধ্যে আপনাকে পড়তে হবে। তাই ঘি তৈরির ব্যবসার জন্য যেসকল লাইসেন্স লাগবে সেগুলি হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • জিএসটি লাইসেন্স
  • FSSAI লাইসেন্স
  • কারখানার লাইসেন্স
  • পলিউশন লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স মূলত ব্যবসাকে সরকারের কাছে নথিভূক্ত করার জন্য করা হয়ে থাকে। জিএসটি লাইসেন্স মুলাকত ব্যবসায়ী যখন দু’লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা মাসিক ইনকাম হবে তখন করতে হবে। FSSAI লাইসেন্স যে কোন খাদ্যবস্তু নিয়ে ব্যবসা করলে অবশ্যই নিতে হয়। এছাড়াও বাকি সমস্ত লাইসেন্স আপনি চাইলে বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে পেতে পারেন। আবার আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস কিংবা বিডিও অফিস অথবা কর্পোরেশন থেকে যোগাযোগ করে পেতে পারেন। প্রতিটা লাইসেন্স নেয়ার জন্য আপনার কমবেশি 2 থেকে 3 হাজার টাকা খরচ হবে।

অবশ্যই পড়ুন- জুতার ব্যবসা করার আইডিয়া

ঘি এর মার্কেটিং কিভাবে করা হয়?

ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করলেও আপনাকে উৎপাদিত ঘি বাজারে বিক্রি অবশ্যই করতে হবে। আর বাজারে বিক্রি করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে ব্যবসার কাজে। যেসকল পদ্ধতিতে আপনি আপনার কোম্পানিতে তৈরি হওয়া ঘি বাজারে খুব সহজে বিক্রি করতে পারবেন সেগুলি হল-

  • ছোট ছোট ডিস্ট্রিবিউটার তৈরি করা এবং তাদেরকে ঘি বিক্রি করা।
  • বড় ডিস্ট্রিবিউটার এর কাছে ঘি বিক্রি করতে পারেন।
  • বড় কোনো বাজার এর হোলসেল মার্কেট এ আপনি বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন এলাকায় একাধিক লোক নিযুক্ত করে প্রতিটা দোকানে দোকানে ঘি বিক্রি করা যায়।
  • আপনাকে খুব ভালো একটি নাম ঠিক করতে হবে যা প্রতিটা মানুষের মনে থাকে, সেটাই আপনার BRAND-NAME হিসেবে ঘিয়ের ব্যবসাকে ত্বরান্বিত করবে।
  • আপনি চাইলে নিজস্ব কোন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঘিয়ের অনলাইন ব্যবসা করতে পারেন।
  • বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট রয়েছে সেইসব ওয়েবসাইটে একটি করে বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলে আপনি সেখানে ঘি বিক্রি করতে পারেন। যেমন অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ড, ইন্ডিয়ামার্ট ইত্যাদি।
  • এছাড়াও আপনি ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, টেলিগ্রামের মত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে সেখানে প্রচার করে ঘি বিক্রি করতে পারেন।
  • আবার আপনি চাইলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক, ইউটিউব, কিংবা গুগোল এর অ্যাডভার্টাইজমেন্ট করে ঘি এর বিক্রি বাড়াতে পারেন।
  • বড় বড় শপিং মলে আপনি চাইলে ঘি বিক্রি করতে পারেন।

ঘি তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit of ghee making business?)

ঘি তৈরির ব্যবসা যেমন অল্প পুঁজি খরচ করে আপনি করতে পারেন তেমনি এই ব্যবসায় লাভের পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে থাকে। যেমন বলা যেতে পারে এক কেজি ঘি তৈরি করতে আপনার কমপক্ষে 150 থেকে 200 টাকা খরচ হতে পারে। আর আপনি যখন সেই 1 কেজি ঘি বাজারে বিক্রি করবেন তা আপনি পাইকারি রেটে সবচেয়ে কম হলেও 300 থেকে 400 টাকা দামে বিক্রি করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার প্রতি কেজিতে লাভ থাকবে কম করে 150 থেকে 200 টাকা। প্রতিদিন আপনি যদি 40 থেকে 50 কেজি ঘি বানাতে পারেন তাহলে আপনার প্রতিদিন লাভ থাকে 8 থেকে 10 হাজার টাকা। অর্থাৎ আপনি প্রতিমাসে 2.5 লাখ থেকে 3 লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন।

ঘি তৈরীর ব্যবসা করতে কি কি সমস্যা তৈরি হয়?

ঘি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে প্রথমে যেমন প্রশিক্ষণ নিতে হবে তেমনি এই ব্যবসা করতে গেলে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন আপনি হবেন। প্রতিটা ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে গেলে কমবেশি সমস্যার সম্মুখীন হন। আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, সেইসব সমস্যা কি সমাধান করে এগিয়ে যেতে হবে। আপনি যেগুলি করবেন এবং মাথায় রাখবেন সেগুলি হল-

  • ঘি এর কোয়ালিটি যেন বাকি বাজারে বিক্রি হওয়া ঘি এর থেকে ভালো হয়।
  • ব্যবসার শুরুতে দাম কম রেখে অর্থাৎ লাভ কম রেখে ব্যবসা করুন। এতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার ব্যবসার সুনাম বৃদ্ধি পাবে।
  • বড় বড় ব্যবসায়ীরা আপনাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে পারে তার জন্য সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।
  • নিত্য নতুন পদ্ধতিতে আপনাকে ব্যবসা করতে হবে।
  • ঘি এর প্রতিটা পাত্র যেন সুন্দর ডিজাইনের এবং সুরক্ষিত থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • তৈরি হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিনই যেন মার্কেটে বিক্রি করা যায়।

এছাড়াও আপনার ব্যবসায় যেকোনো সমস্যায় আপনি যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে। আর এই লেখাটি পড়ে যদি আপনার কোন কিছু মনে হয় তাহলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। সর্বদাই আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো করুন এবং আপনার ভালো লাগে যে কোন ব্যবসার আইডিয়া আপনার বন্ধুদের শেয়ার করুন

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

বেকারি ব্যবসা শুরু করুন

১০টি কম খরচে গ্রামের ব্যবসা করার উপায়

Leave a Comment