ঘাসের ব্যবসা করে প্রতিমাসে 1 লক্ষ টাকা আয় করুন | Grass farming business right now

খুবই অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ঘাসের ব্যবসা খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করছে। বর্তমানে অনেক চাষী আছেন যারা সকল প্রকার চাষের জমিতে বাকি অন্য কোন ফসল না ভুলিয়ে শুধুমাত্র ঘাস চাষ করছেন। কারণ বর্তমান সময়ে ঘাসের ব্যবসা এতটা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে যেখান থেকে প্রতিমাসে একজন চাষী ২০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। আপনারা হয়তো প্রথমবার ঘাসের ব্যবসার কথা শুনে অবাক হচ্ছেন তবে আজকের এই সমগ্র পোস্ট করার পর আপনাদের সকল ধারনা স্পষ্ট হয়ে যাবে। তারপরে আপনারা চাইলে ঘাসের ব্যবসা শুরু করতে পারেন অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে এবং এই ব্যবসা থেকে আপনিও একজন সফল ব্যবসায়ী হতে পারেন।

ঘাসের ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা বিনিয়োগ করতে হয়?

ঘাসের ব্যবসা শুরু করার জন্য খুবই অল্প পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। সাধারণত আপনি যদি আপনার বাড়ির সামনের উঠানে ঘাস চাষ করেন সেক্ষেত্রে আপনার খরচ হবে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকার মত। আর আপনি যদি চাষের জমিতে ঘাস চাষ করে ঘাসের ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনার খরচ হবে প্রতি বিঘায় ৪ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। সাধারণত ঘাস চাষের ব্যবসায়ীরা চাষের জমিতেই ঘাস চাষ করে থাকেন। আবার যাদের চাষের জমি নেই তারা বাগানে অথবা উঠানে ঘাস চাষ করেন। তবে আপনি যদি ঘাসের ব্যবসা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ঘাস চাষ করতে হবে।

কি ধরনের ঘাস চাষ করা হয়?

বর্তমানে যে সকল চাষী জমিতে ঘাস চাষ করছেন তারা মূলত পাকচং, নেপিয়ার ও জার্মান ঘাস চাষ করছেন। কারণ নেপিয়ার ও জার্মান ঘাস আমাদের এই জলবায়ুতে খুব ভালোভাবে জন্মায়। আর যে সকল চাষী বাড়ির উঠানে বা বাগানে ঘাস চাষ করেন তারা মূলত দুর্বা ঘাস চাষ করেন। তবে প্রতিটা ঘাসের মধ্যে থেকে দূর্বা ঘাসের চাষ সব থেকে বেশি লাভজনক একটি চাষ। এই সকল ঘাস ছাড়াও বর্তমানে আরো বহু ধরনের ঘাস চাষ করেন বাংলার চাষীরা।পাকচং, নেপিয়ার ও জার্মান ঘাস আমাদের এই অঞ্চলে আগে দেখতে পাওয়া না গেলেও চাষের জন্য বহু বছর আগে বাইরে থেকে এই ঘাস নিয়ে আসেন একদল মানুষ। বর্তমানে এই সকল ঘাস বাংলার জমিতে চাষ করে দেশে-বিদেশে ঘাসের ব্যবসা করছেন বহু চাষি।

অবশ্যই পড়ুন- সেলোটেপ তৈরীর ব্যবসায় এখন প্রচুর টাকা ইনকাম

কিভাবে ঘাস চাষ করা হয়?

ঘাস চাষ করার জন্য জমিতে হাল করার প্রয়োজন পড়ে। তারপর অনেক সময় অনেক চাষী ঘাসের দানা জমিতে ছড়িয়ে দেয়। আবার অনেক চাষী আছেন ঘাসের মূল জমির বিভিন্ন জায়গায় পুঁতে দেন। এরপর জমিতে ভালো করে একবার জল সেচ দিয়ে দিলে কিছুদিনের মধ্যেই জমি ভর্তি হয়ে ঘাসের জন্ম হয়। ঘাস বড় হয়ে যাওয়ার পর প্রায় প্রতি মাসেই এই ঘাস কেটে আটি বেঁধে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করে ফেলেন প্রতি চাষী। পশ্চিমবঙ্গের বহু চাষী ঘাসের চাষ করছেন বহুবছর ধরে।

আবার বাংলাদেশের বহু চাষী আছেন যারা সর্বপ্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে থেকে ঘাস কেটে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা ঘাস চাষের এক ট্রেনিং দেওয়া হয় ১০-১২ বছর আগে, তারপরে সেখান থেকে ট্রেনিং প্রাপ্ত হয়ে কিছু জন নিজে নিজেও জমিতে ঘাস চাষ করেন। পরবর্তীকালে তাদের দেখাদেখি আরো বহু চাষী ঘাস চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের দুটি পঞ্চায়েত এলি এলাকার দশবার খানা গ্রামে ঘাস চাষ করছেন সকল চাষী। এইভাবে বাংলাদেশে খাসের ব্যবসা জনপ্রিয়তা লাভ করছে।

Grass farming business
ঘাস চাষের ব্যবসা

ঘাস চাষের ব্যবসা কোথায় হচ্ছে?

এক সংবাদ মাধ্যমের ইন্টারভিউ তে একদল চাষী জানান ঘাস চাষের ব্যবসা যেমন অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় তেমন এই ব্যবসা থেকে বহু টাকা উপার্জন করা যায়। আবার ঘাসের ব্যবসা করার জন্য আলাদা করে ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন পড়ে না।

বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ঘাসের কোন ক্ষতি হয় না এবং বছরের সারা মাসেই ঘাস চাষ করা যায়। এই চাষীরা জানান প্রতিদিন তারা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার ঘাস বিক্রি করেন। তারা এটা বলেন যে বর্তমানে এক বস্তা ঘাসের দাম ১০০ টাকা দরে ও বড় আটি বাঁধা ঘাসের বস্তার দাম ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। বর্তমানে বাংলাদেশের জয়পুরের পাঁচ উপজেলায় ১৭৮ বিঘা জমিতে খাস চাষ করছেন ওখানের চাষিরা। আক্কেলপুরে ৩৫ বিঘা জমিতে ঘাস চাষ করা হচ্ছে এবং পাঁচবিবি উপজেলায় ১৫০ বিঘা জমিতে ঘাস চাষের ব্যবসা চলছে।

ঘাস কোথায় বিক্রি করা হয়?

বর্তমানে বহু মানুষ আছেন যারা বিভিন্ন ধরনের গবাদি পশু পালন করেন। কিন্তু তাদের এলাকাতে ঘাসের অভাব থাকার জন্য গবাদি পশুর খাবার হিসেবে তাদের বাইরে থেকে ঘাস কেনার প্রয়োজন পড়ে। গরু ছাগলের খামারিরা তাদের সকল গরু ও ছাগলের খাবার হিসেবে বাইরে থেকে ঘাস কিনে নিয়ে যান। বর্তমানে ঘাসের সবচেয়ে বড় মার্কেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে প্রতিদিন বসে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিভিন্ন এলাকার মানুষ যাদের ঘাস কেনার প্রয়োজন পড়ে তাদের গবাদি পশুর খাদ্যর জন্য তারা সবাই সকালে চলে আসেন। আপনি যদি ঘাসের ব্যবসা করতে চান তাহলে অবশ্যই প্রতিদিন ঘাস বিক্রির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আপনাকে আসতে হবে কারণ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ঘাসের বাজার সবথেকে বড় বাংলাদেশের ঘাসের মার্কেট।

আরো পড়ুন- বিউটি পার্লার ব্যবসা

ঘাসের কার্পেট কিভাবে তৈরি করা হয়?

আপনি যদি ঘাসের ব্যবসা একটু অন্যরকম ভাবে শুরু করতে চান এবং বেশি টাকা উপার্জন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ঘাসের কার্পেট বানানো জানতে হবে। বর্তমানে ঘাসের কার্পেট বানাতে গেলে আপনাকে বাড়ির উঠান কিংবা বাগানে ঘাস চাষ করতে হবে। যে পদ্ধতিতে ঘাসের কার্পেট বানাতে হয় তা হলো-

  • জমিতে পাতলা প্লাস্টিক দিয়ে মাটি গুঁড়ো ছড়িয়ে মাটির পাতলা আস্তরণ তৈরি করুন।
  • তারপর হালকা জল ছড়িয়ে মাটিগুলিকে ভিজিয়ে নিন
  • দুর্বা ঘাসের মূল বিভিন্ন জায়গায় পুঁতে দিন।
  • সপ্তাহে তিন দিন করে এই দূর্বা ঘাসের ওপরে জল দিন।
  • ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্য দুর্বা ঘাস সমস্ত প্লাস্টিক টি জুড়ে হয়ে যাবে।
  • আরো দুই থেকে তিন মাস পর সমস্ত প্লাস্টিক জুড়ে দুর্বা ঘাস ভালো করে জন্মে গেলে স্কয়ার ফুট আকারে প্লাস্টিক কেটে বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করুন।
  • প্লাস্টিকের পরিবর্তে আপনি প্লাস্টিক নেট ব্যবহার করতে পারেন।
ঘাসের কার্পেট চাষ
ঘাসের কার্পেট

ঘাসের কার্পেট কি কাজে ব্যবহৃত হয়?

ঘাসের ব্যবসা আপনি যখন করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে আপনার বিক্রি করা ঘাস কি কি কাজে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ঘাসের বাজার সারা পৃথিবীতে অনেক বেশি থাকায় প্রতিটা ঘাসের ব্যবসায়ী বেশি লাভবান হচ্ছেন। ঘাসের কার্পেট আপনি যখন তৈরি করছেন তখন তা বিক্রি করার জন্য আপনাকে বেশি ভাবতে হবে না, কারণ ঘাসের কার্পেটের চাহিদা ছাড়া পৃথিবীতে সারা বছর প্রচুর পরিমাণে থাকে। যে কাজের জন্য ঘাসের কার্পেটের বাজার এত চাহিদা তা হল-

  • বিভিন্ন ধনী মানুষ তাদের বাগান সাজানোর জন্য ঘাসের কার্পেট কেনেন।
  • ওয়াল ডেকোরেশন এর জন্য ঘাসের কার্পেটের চাহিদা প্রচুর।
  • খেলার মাঠের ঘাসের জন্য খাসের কার্পেটের চাহিদা থাকে।
  • স্কুল মাঠের ঘাসের জন্য ঘাসের কার্পেটের চাহিদা সর্বদাই থাকে।
  • বিভিন্ন সৌখিন বাগান এবং রাস্তার ধারে ডেকোরেশনের জন্য ঘাসের কার্পেটের প্রয়োজন পড়ে।
  • আমেরিকা, জাপান, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকার মত বিভিন্ন দেশে ঘাসের কার্পেটের রপ্তানি হচ্ছে।

ঘাসের কার্পেট চাষ কোথায় হয়?

পশ্চিমবঙ্গের নোদাখালি থানার গোলবাড়ি এলাকা এবং পশ্চিমবঙ্গের আরো অন্য জায়গাতে ঘাসের কার্পেট চাষ হয়ে থাকে। এছাড়া ভারতের আরও বিভিন্ন রাজ্যে যেমন ঝাড়খন্ড,তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকে ঘাসের কার্পেটের চাষ প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে ভারতের সাথে সাথে বাংলাদেশের ও ঢাকার আশেপাশের কয়েকটি অঞ্চলে ঘাসের কার্পেট চাষ হচ্ছে। যেহেতু ঘাসের কার্পেটের বাজার সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে তাই এর চাষ বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা রাজ্যের চাষী করার জন্য প্রচেষ্টা করছেন।

অবশ্যই পড়ুন- বাড়িতে আদা চাষের ব্যবসা করে 1 লক্ষ টাকা আয়

ঘাসের মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

ঘাসের মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন রকম মার্কেট স্ট্র্যাটেজি বুঝতে হবে। কারণ ঘাস বিক্রি করার জন্য যেমন ঘাসের পাইকারি বাজার রয়েছে। তেমন অনলাইন পদ্ধতিতেও ঘাস দেশে-বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা যায়। তাই আপনি যখন ঘাসের ব্যবসা শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে বিভিন্ন মার্কেট বুঝে মার্কেটিং স্ট্যাটাজি কাজে লাগাতে হবে। তবে এই আধুনিকতার যুগে যেকোনো ব্যবসার মার্কেটিং করা খুবই সহজ একটি ব্যাপার একটু জানলে যে কোন ব্যবসায়ী তার ব্যবসা সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে পারেন। তাই আপনি ঘাসের ব্যবসায় পড়ার জন্য যে পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে পারেন তা হল-

  • আপনাকে প্রথমে দেখতে হবে আপনার এলাকার কোথায় ঘাস বিক্রি হয়, তারপর সেইখানে প্রতিদিন ঘাস বিক্রি করতে হবে।
  • বিভিন্ন বড় বড় হোলসেলার এর কাছে আপনি ঘাস বিক্রি করতে পারেন।
  • আপনার এলাকা থেকে যারা ঘাস পাইকারি করে কিনে তাদের সাথে যোগাযোগ করে ঘাস বিক্রি করা যায়।
  • ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এবং ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট ও পেজ তৈরি করে নিত্য নতুন ঘাসের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করুন। আপনার যখন ফলোয়ার বাড়বে তখন এই সকল সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম থেকেই আপনি অনেক কাস্টমার পেয়ে যাবেন।
  • নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং এই ওয়েবসাইটের মধ্যে ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করুন। প্রত্যেকদিনের ঘাস সম্পর্কিত বিভিন্ন পোস্ট করাতে আপনার ওয়েবসাইট যখন জনপ্রিয়তা লাভ করবে সেখান থেকে আপনি দেশে-বিদেশের বহু কাস্টমার পেয়ে যাবেন।
  • অ্যামাজন, indiamart এর মত ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলিতে একটা বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলে ঘাসের কার্পেটের ছবি পোস্ট করুন এবং এখান থেকে প্রচুর কাস্টমার পাবেন দেশে-বিদেশের।

ঘাসের ব্যবসায় লাভ কত?

বর্তমানে আপনি যদি শুধু ঘাসের চাষ করেন সেক্ষেত্রে আপনার প্রতি ঘাসের আটির বস্তা বিক্রি হবে ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দামে। বাংলাদেশে এই ঘাসের বস্তার আটির দাম ৩০০ টাকা থেকে 400 টাকা। আর ঘাসের কার্পেট বিক্রি হয় দেশের মধ্যে হলে প্রতি এক স্কয়ার ফুট কার্পেটের দাম ১০০ টাকা থেকে 150 টাকা। বিদেশে রপ্তানি করলে ঘাসের কার্পেট নোটি স্কয়ার ফুটে ২৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা দাম পাবেন। একজন ঘাসের চাষী প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকার ঘাস বিক্রি করেন।

আপনি বুঝতেই পারছেন ঘাসের ব্যবসা কতটা লাভজনক একটি ব্যবসা কারণ এই ব্যবসা থেকে প্রতি মাসে ১-২ লক্ষ টাকার বেশি ইনকাম করা যায়। তবে আপনি যদি ঘাসের নতুন ব্যবসা শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনার প্রতি মাসের আয় ৩০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা হতে পারে।

তবে মনে রাখবেন ঘাসের ব্যবসা যেমন লাভজনক ব্যবসা তেমন এই ব্যবসা যদি আপনি সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে পারেন তবেই বেশি পরিমাণে লাভবান হবেন। কারণ ঘাস চাষ করা যেমন সহজ কাজ এটা বিক্রি করার মার্কেট বোঝা ততটাই চাপের। আপনার বাড়ির এলাকাতে যদি ঘাসের ব্যবসা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি খুব সহজেই ঘাসের চাষ করতে পারেন। যেমন বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে যে সকল ঘাসের চাষী রয়েছেন তারা খুব সহজেই ঘাস চাষ করে বিক্রি করার মার্কেট পেয়ে যায়।

তাই তাদের ব্যবসা সারা বছর ভালোভাবে চলে এবং প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা ইনকাম করেন। আবার পশ্চিমবঙ্গের নোদাখালী থানা অঞ্চলের ঘাসের কার্পেট চাষের ব্যবসায়ীরা বড় মার্কেট পেয়ে যান কারণ এই অঞ্চলের নার্সারি বাগান থাকার কারণে দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন অর্ডার আসতে থাকে। তাই আপনি ব্যবসা করার আগে একটু মার্কেট রিসার্চ করুন তারপর ব্যবসায় নামুন

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

১০টি কম খরচে গ্রামের ব্যবসা

দুধের ব্যবসা করে 50 হাজার টাকা আয়

Leave a Comment