কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা | The business of making paper envelopes, No 1 success plane

কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা শুধু এখন নয় বহু সময় থেকে পৃথিবী জুড়ে তার অস্তিত্ব বজায় রেখেছে। আপনি যদি খুব অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করবেন ভাবেন তাহলে অবশ্যই আপনি কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা করতে পারেন। বর্তমানে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অফিসে নিয়মিতভাবে কাগজের খাম এর ব্যবহার দেখা যায়। এছাড়াও এখনো বিভিন্ন জন্মদিন পার্টি, ক্রিসমাস ও বিবাহ বার্ষিকীতে তাদের প্রিয়জনদের কাছে খামের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন চিঠি পাঠান অনেক মানুষ। আমরা সবাই জানি বহু প্রাচীনকাল থেকে খামের ব্যবহার চলে আসছে। যেহেতু এখনও পর্যন্ত মানুষের মধ্যে খামের ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে তাই বাজারে খামের চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি যদি খাম তৈরির ব্যবসা শুরু করেন আপনি অবশ্যই একজন সফল ব্যবসায়ী হতে পারবেন।

Envelope making business
খাম তৈরির ব্যবসা

Table of Contents

খাম তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা আপনি যদি করেন এই ব্যবসাতে আপনার খুব অল্প পরিমাণ এর টাকা খরচ হবে। অল্প পুজিতে যেসকল ব্যবসা করা যায় তার মধ্য কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা অন্যতম। খাম ব্যবসা করতে আপনার কমপক্ষে 10 হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ 30 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হতে পারে। আপনি চাইলে একদম ছোট করে মাত্র 10,000 টাকার বিনিময়ে এই ব্যবসা করতে পারেন।

আবার একটু বড় করে করবো ভাবলে তাহলে 30-40 হাজার টাকা খরচ করলে যথেষ্ট ভাল এবং বড় করে খাম তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। আর আপনি যদি বড় বড় কিছু মেশিন ইন্সটল করে অটোমেটিক পদ্ধতিতে খাম ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে 2 লক্ষ থেকে 5 লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আপনার কাছে যেমন পুঁজি থাকবে আপনি সেই রকম ভাবেই ব্যবসা করতে পারেন। কাগজের হাতে তৈরি খাম সারাদিনে 5-10 হাজার বানানো যায়। কিন্তু অটোমেটিক মেশিন দ্বারা বানালে এক এক দিনে আপনি এক লক্ষ খাম বানাতে পারেন।

খাম তৈরির ব্যবসা কি কি কাঁচামাল লাগে? (What raw material does envelope business need?)

খাম তৈরির ব্যবসা শুরু করতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রয়োজনীয় র-মেটেরিয়াল কিনতে হবে। খাম তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল গুলি হল-

  • বিভিন্ন রঙের কাগজ
  • আঠা
  • কাঁচি
  • পিচবোর্ড
  • বাটাল
  • হাতুড়ি ইত্যাদি

খাম তৈরির র-মেটেরিয়াল কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

খাম তৈরি করার সকল প্রকার রমে ট্রিয়াল বা কাঁচামাল আপনি আপনার শহরের যেকোনো পাইকারি দোকান থেকে পেয়েছেন। এছাড়াও আপনি চাইলে কলকাতার কলেজস্ট্রিট ও শিয়ালদা অঞ্চলে কাগজের অনেক কম দাম থাকায় সেখানে থেকে কাগজ এবং সকল প্রকার র মেটেরিয়াল কিনে নিয়ে খাম তৈরির ব্যবসা করতে পারবেন।
বাংলাদেশের চকবাজার পাইকারি মার্কেট থেকে খুব সহজেই আপনি কাঁচামাল এবং কাগজ কিনে খাম তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন বাংলাদেশ।

অবশ্যই পড়ুন- লিকুইড হ্যান্ড ওয়াশ তৈরি ব্যবসা

কাগজের খাম তৈরির মেশিন কি কি লাগে?

কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা আপনি যখন শুরু করবেন তখন আপনি যে চাইলে হাতে তৈরি করে খাম বাজারে বিক্রি করতে পারেন। আবার খাম তৈরি করার জন্য বিভিন্ন অটোমেটিক মেশিন কিনে তার মাধ্যমে খাম ব্যবসা চালাতে পারেন। বর্তমানে বাজারে বিক্রি হয় বিভিন্ন অটোমেটিক খাম তৈরির মেশিন। এইসব অটোমেটিক মেশিনের দাম কমপক্ষে 1.5 লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। খাম তৈরির প্রয়োজনীয় মেশিন গুলি হল-

  • কাগজ কাটার মেশিন
  • Automatic Envelope Making machine
  • পেপার কাউন্ট মেশিন

খাম তৈরির মেশিন কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

খাম তৈরির মেশিন কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে যেকোন মেশিন মেনুফেকচার বড় কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে ইন্ডিয়ামার্ট ওয়েবসাইট থেকে খুবই অল্প রেটে বিভিন্ন দামের খাম তৈরির মেশিন কিনতে পারেন। এছাড়াও আপনি চাইলে সরাসরি গুগলে সার্চ করতে পারেন আপনার এলাকার মেশিন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলিকে।

Envelope making machine
খাম তৈরির মেশিন

কিভাবে খাম তৈরি করা হয়?(How are envelopes made?)

খাম তৈরি করার জন্য কোন সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই ঠিকই, যেকোনো খাম তৈরির ব্যবসায়ীর কাছে আপনি একদিন থাকলেই আপনি ও খাম তৈরি করতে পারবেন।

  • সর্বপ্রথম আপনি যে সাইজের খাম তৈরি করতে চান সেই সাইজের একটি কাগজ নিন।
  • এর পর খামের একটি ডাইস সেই কাগজের ওপর রেখে পেপার কাটার মেশিন সাহায্যে সমস্ত কাগজ গুলো কেটে ফেলুন।
  • তারপর কাগজের ত্রিকোণাকৃতি ধার গুলিকে আঠা দিয়ে পরপর লাগিয়ে দিন আর খাম প্রস্তুত করে ফেলুন।
  • এরপর সমস্ত খাম গুলি পেপার কাউন্ট মেশিন দ্বারা একশো টা করে গুনে আলাদা করে রাখুন।

খামের প্যাকেজিং কেমন হবে

সমস্ত খাম তৈরি হয়ে যাবার পর 100টা করে গুনে আলাদা করে প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা বান্ডিল তৈরি করুন। তারপর খামের বান্ডিল গুলির জয়েন্ট মুখে আপনার কোম্পানির লাগানোর স্টাম্প লাগিয়ে দিন। তারপর প্রতিটা খামের বাণী একটা প্লাস্টিকের মধ্য সুন্দর করে সাজিয়ে, বাক্সে ভরে, বক্সটা সিল করে দোকানে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করুন। মনে রাখবেন প্রতিটা জিনিস যেমন সুন্দর দেখতে হলেই বেশি পরিমাণে বিক্রি হয়। তেমন খানের ক্ষেত্রেও যদি সুন্দরভাবে আঠার পেস্টিং এবং প্রতিটা কাগজের কোনা ঠিক না মেলে তাহলে কিন্তু খাম বিক্রি করা মুশকিল হবে।

আরো পড়ুন- পেন তৈরির ব্যবসা

কত ধরনের খাম তৈরি করা যায়?(How many types of envelopes can be made?)

বর্তমানে গ্রাহকরা বিভিন্ন ধরনের গিফটের জন্য বিভিন্ন ধরনের খাম কেনেন। আবার বিভিন্ন দরকারি কাজ এবং চিঠিপত্র পাঠানোর জন্য বিভিন্ন আলাদা আলাদা রকমের আলাদা আলাদা রকমের খাম গ্রাহকরা পছন্দ করেন। সর্বদা আপনি চেষ্টা করবেন আপনার তৈরি খাম গুলো ভিন্ন ভিন্ন রকমের ডিজাইনের হয়ে থাকে। আপনি যদি তবুও না জেনে থাকেন তাহলে আপনি বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ডিজাইনের খাম কিনে দেখে নিতে পারেন। তবুও বেশি প্রচলিত খামের ধরন হলো-

  • সাদা ছোট খাম
  • অরেঞ্জ পেপারের লম্বা খাম
  • ব্রাউন পেপার এর লম্বা খাম
  • ওষুধ প্যাকিং এর জন্যে ছোট্ট খাম
  • গিফট দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা খাম


আরো কয়েকশো রকমের খাম বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে। মানুষ তার গিফট এবং তার প্রয়োজন অনুযায়ী খাম কিনতে পছন্দ করে। তাই অবশ্যই আপনার কোম্পানিতে সমস্ত রকমের খাম তৈরি করার চেষ্টা আপনি করবেন। এর মধ্য দিয়ে আপনি একজন সফল খাম তৈরির ব্যবসায়ী হতে পারবেন।

খাম তৈরির ব্যবসায় কি কি লাইসেন্স লাগে?

প্রতিটা ব্যবসার মতো খাম তৈরির ব্যবসা ও আপনাদের করতে হলে ব্যবসার শুরুতে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স মানে সরকারের কাছে আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত নথি থাকা। এছাড়াও আপনি আপনার ব্যবসায় যখন প্রতিমাসে দু’লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা আয় করতে শুরু করবেন তখন আপনাকে জিএসটি লাইসেন্স নিতে হবে। সকল প্রকার লাইসেন্সই আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস কিংবা বিডিও অফিস অথবা কর্পোরেশন অফিস থেকে ফরম ফিলাপ করে পেয়ে যাবেন। আবার আপনি চাইলে বর্তমানের অনলাইনে এপ্লাই করে সকল প্রকার লাইসেন্স পাওয়া যায়। সমস্ত লাইসেন্সের জন্য আপনাদের খরচ হবে 2000 টাকা থেকে 3000 টাকার মধ্যে।

খাম তৈরির ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

খাম তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন আপনি একটি 10/10 ঘর থেকে। তবে এই ব্যবসা যদি বৃহৎ আকারে করতে চান বা বড় বড় মেশিন ইন্সটল করে ব্যবসাটি শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে কমপক্ষে 10/20 ফুটের ঘর কিংবা তার থেকেও কিছুটা বড় ঘরের প্রয়োজন পড়বে। তবে অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু তে আপনি আপনার ঘরের মধ্যেই খাম তৈরি করতে পারেন অথবা আপনার বারান্দাতে বসে খাম তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতে পারেন। বাড়ির সবাই একসাথে যদি খাম তৈরি করেন তাহলে আপনার খাম তৈরির ব্যবসা অনেক দ্রুত অল্প খরচে বৃদ্ধি হবে।

খামের মার্কেটিং কিভাবে করা হয়

খাম তৈরি ব্যবসায়ী অবশ্যই আপনি যদি আপনার তৈরি খাম কোটি বাজারে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে সমস্যার মুখে পড়তে হবে। তাই খাম তৈরির ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে প্রতিদিনের তৈরি খাম প্রতিদিনই বাজারে বিক্রি করার ব্যবস্থা নিতে হবে। বিক্রি করার জন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস ছাড়াও সরকারি সমস্ত অফ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে আপনাকে এবং সেখানে বিক্রি করতে হবে। এছাড়া প্রতিটা সরকারি টেন্ডার যেখান থেকে বার হয় আপনি যদি খামের টেন্ডার টিপে যান তাহলে দেশের কিংবা রাজ্যের সকল খামের বন্দোবস্ত আপনি করতে পারেন। এছাড়াও আপনি অনলাইনে খাম বিক্রি করতে পারেন।

Paper envelope
কাগজের খাম

কোথায় কোথায় কাগজের খাম বিক্রি করা যায়?

কাগজের খাম তৈরির ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে সর্ব প্রথমে জানতে হবে কোথায় কোথায় আপনি খাম বিক্রি করতে পারবেন। তাই আপনি খাম তৈরির ব্যবসার শুরুতে মার্কেট রিসার্চ করতে পারেন। তবুও যে সকল জায়গাতে আপনি খাম বিক্রি করতে পারবেন সেগুলি হল-

  • বিভিন্ন বইয়ের দোকান,
  • স্টেশনারি দোকানে ব্যবহারের মত খাম,
  • ফটো স্টুডিও দোকানের জন্য এক ধরনের খাম তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
  • মিষ্টির দোকানে যে ধরনের মিষ্টি প্যাকেজিং করার জন্য প্রয়োজনীয় খাম লাগবে তা তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
  • ওষুধ দোকানে ওষুধ দেবার জন্য যে ধরনের খাম লাগে সেরকম খাম তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
  • অনলাইন ওয়েবসাইট গুলিতে অর্ডার ডেলিভারির জন্য প্রয়োজনীয় খাম তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
  • এছাড়াও আপনি চাইলে বিভিন্ন জিনিসের জন্য আলাদা আলাদা ডিজাইনের খাম আলাদা আলাদা জায়গাতে বিক্রি করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- LED লাইটের ব্যবসা

খাম তৈরির ব্যবসায় অভিজ্ঞ কারিগর নিয়োগ

খাম তৈরির ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে খাম তৈরি করার অভিজ্ঞ কারিগর নিয়োগ করতে হবে। আপনি যদি হাতে তৈরি খাম ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে অবশ্যই অভিজ্ঞ কারিগর আপনাকে রাখতে হবে। অভিজ্ঞ কর্মচারীরা খুব দ্রুততার সাথে খাম তৈরি করতে পারেন। তাই খাম তৈরির ব্যবসা শুরুতে যে সকল কর্মচারী কে আপনি নিয়োগ করবেন সেই সমস্ত কর্মচারী আগে কোথাও খাম তৈরির কাজ করেছে, অথবা খাম তৈরি করা জানে, এই রকম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মচারীকে নিয়োগ করতে হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার কোম্পানিতেই কর্মচারীদের অভিজ্ঞতা তৈরি হয়ে যাবার পরে আপনি তাদের পার্মানেন্ট ভাবে নিয়োগ করাতে পারেন। অর্থাৎ শুরুতে প্রতিটা কর্মচারীকে খাম তৈরি ট্রেনিং এবং ভালোভাবে খাম তৈরির কাজ শেখাতে পারেন।

খাম তৈরির ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit of envelope making business?)

খাম তৈরির ব্যবসায় লাভের পরিমাণ টা একটু ওঠা নামা করে। অর্থাৎ কাগজও কাঁচামালের দাম যে সময় যেমন থাকে সেই অনুযায়ী লাভের পরিমাণ টা একটু ওঠা নামা করে।
তবুও বলা যেতে পারে একজন কারিগর যেমন একদিনে 2000 খাম তৈরি করতে পারে। আর 1,000 খাম তৈরি করতে খরচ হবে 200 টাকা। 1000 খাম বিক্রি করতে পারেন 400 টাকা পাইকারি দামে। আবার দামি কাগজের ভালো কোয়ালিটির খাম তৈরি করতে 1000 পিসে পড়বে 1 হাজার টাকা। সেই দামি কোয়ালিটির খাম পাইকারি দামে বিক্রি করতে পারেন 3000 টাকা দামে। অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন 1000 টাকার জিনিস 3000 টাকায় বিক্রি করছেন প্রতিদিন লাভ করতে পারছেন 2000 টাকা।

প্রতিদিন 2000 টাকা করে লাভ আপনি করতে পারছেন খাম তৈরির ব্যবসা করে। অর্থাৎ আপনি প্রতিমাসে কমপক্ষে 60 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন শুধুমাত্র খাম তৈরির ব্যবসা করে। এই লাভের পরিমাণ টা বাড়তে পারে যদি আপনি অটোমেটিক মেশিন দ্বারা খাম তৈরি করেন। তবে খাম তৈরি ব্যবসা খুবই স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগের মধ্য দিয়েই করা যায় আর লাভ হয় অনেক বেশি পরিমাণে।

খাম তৈরির ব্যবসায় কি কি সমস্যা আসতে পারে?

খাম তৈরি ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। যেমন বলা যায়-

  • খামের ভাঁজ গুলো এলোমেলো হলে খাম সুন্দর দেখায় না হলে খাম গুলি রিজেক্ট হয়ে যায়।
  • বাকি অন্য কোম্পানির খাম গুলির থেকে আপনার খামের কোয়ালিটি যেন ভালো থাকে।
  • ব্যবসার শুরুতে অল্প লাভ রেখে কম দামে গাঙ্গুলীকে বাজারে বিক্রি করতে থাকুন।
  • কাগজে ব্যবহারের আঠা ভালো কোয়ালিটির ব্যবহার করুন যাতে আঠা দেওয়ার পরে শুকনো হলে কাগজ খুলে না যায়।
  • কাগজ যেহেতু বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায় তাই খাম তৈরি হয়ে যাবার পর সেটা সুন্দর করে প্লাস্টিকে মুড়ে বাজারে বিক্রি করার প্রস্তুতি নিন।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

খাম তৈরির ব্যবসা করতে গেলে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

উত্তর: কমপক্ষে 10 বাই 10 ফুটের একটি ঘর দরকার। তবে মেশিন লাগিয়ে ব্যবসা করতে হলে 10/20 ফুটের ঘরের প্রয়োজন।

খাম তৈরির ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: কমপক্ষে 10 হাজার থেকে 20 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

খাম তৈরির ব্যবসায় কত টাকা লাভ হয়?

উত্তর: খাম তৈরির ব্যবসা এর সর্বোচ্চ আপনি 20% টাকা লাভ করতে পারেন।

কত ধরনের খাম হয়ে থাকে?

উত্তর: বর্তমান বাজারে 100 রকমেরও বেশি ধরনের কি হয়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

জুতার ব্যবসা করার আইডিয়া

সম্পূর্ণ নতুন ব্যবসার আইডিয়া

Leave a Comment