ক্যাপসিকাম চাষ করে 3 লাখ টাকা আয় করুন | Grow capsicum right now

আমরা যারা চাষবাসের সাথে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত তারা সবাই জানে সাধারণ চাষে তেমন বেশি লাভ হয় না কিন্তু কিছু আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে অনেক লাভ পাওয়া যায়। তাই বর্তমানে দেখিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন ক্যাপসিকাম চাষী বিদেশী আধুনিক পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম এর চাষ করে প্রতি বিঘাতে লাখ টাকারও বেশি আয় করছেন। আপনি চাইলে আপনার ছোট্ট জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে সফল ব্যবসায়ী হতে পারেন। তাই আজ ক্যাপসিকাম চাষ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদনটি। আপনি যদি ভালো করে সমগ্র প্রতিবেদন টি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে আপনিও খুব সহজে চাষ করতে পারবেন এবং বেশি ফলন পাবেন।

Table of Contents

কিভাবে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করবেন? (How to start Capsicum cultivation?)

বাকি অন্য চাষের মত ক্যাপসিকাম চাষের জন্যও আপনাকে জমি প্রস্তুত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় বেশ কিছু সামগ্রিক কিনতে হবে। সাধারণত ক্যাপসিকাম চাষ আপনি ভারত এবং বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় করতে পারেন তবে মাথায় রাখবেন মাটি যেন লবণাক্ত না হয়। এছাড়াও ক্যাপসিকাম গাছ সাধারণত বেশি জলে নষ্ট হয়ে যায় তাই বর্ষায় আপনি চাষ করতে পারবেন না। ক্যাপসিকাম চাষের জমি নির্বাচন করার আগে আপনাকে খেয়াল করতে হবে জমি কি যেন খাল অথবা নদীর কাছাকাছি না হয় কারণ জোয়ারের জল জমিতে যদি প্রবেশ করে তাকে গাছের শিকড় নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Cultivation of capsicum by mulching method
মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ

আপনার যদি সবজি চাষের জন্য আলাদা ডাঙ্গা থেকে থাকে তাহলে সবথেকে ভালো ভাবে আপনি চাষ করতে পারবেন। যেহেতু ক্যাপসিকাম সবজি তাই ডাঙ্গাতে চাষ করে বেশি ফলন ফলানো সম্ভব। তবে সবার ডাঙা থাকে না সাধারণ চাষের জমি থাকে, সেই কারণে সাধারণ চাষের জমিতে চাষ করতে গেলে বর্ষাকাল বাদে বাকি সকল ঋতুতেই আপনি ক্যাপসিকাম চাষ করতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন- বাড়িতে আদা চাষের ব্যবসা করে 1 লক্ষ টাকা আয় করুন

ক্যাপসিকাম চাষ করতে কি কি জিনিসের প্রয়োজন?

ক্যাপসিকাম চাষ করতে গেলে আপনাকে বেশ কয়েকটি জিনিস কিনতে হবে। প্রতিটা চাষের আগেই চাষীকে সাধারণত এইসব জিনিসগুলি কিনতে হয়। তবে ক্যাপসিকাম চাষের ক্ষেত্রে আলাদা একটি জিনিস আপনার বেশি করে প্রয়োজন পড়বে।

  • ক্যাপসিকাম চারা
  • মালচিং পেপার
  • ভার্মি কম্পোস্ট
  • রাসায়নিক সার
  • ফাঙ্গাসাইট পাউডার
  • জল দেবার পাত্র
  • পাটকাঠি

কিভাবে ক্যাপসিকাম চারা তৈরি করবেন?

মনে রাখবেন ক্যাপসিকাম চাষ সবথেকে ভালো হয় ভালো উন্নত মানের চারা থেকে। তাই বাজারে যে সকল ক্যাপসিকামের দানা বিক্রি হয় তার মধ্য থেকে আপনাকে বাছাই করতে হবে ভালো উন্নত জাতের দানা। এই বাজার থেকে ক্যাপসিকাম দানা কিনে এনে আপনি আপনার বাড়িতে মাটি প্রস্তুত করুন ক্যাপসিকাম ছাড়া তৈরি করার জন্য। মাটি প্রস্তুত হয়ে গেলে ক্যাপসিকাম দানা তার ওপর ছড়িয়ে দিন এবং তার ওপরে অল্প গুঁড়ো মাটি দিয়ে দানাগুলি ঢেকে দিন। এরপর সমস্ত মাটিতে ভালো করে জল দিয়ে দিন। 15 থেকে 20 দিনের মধ্য ভালো ভাবে বড় আকারের ক্যাপসিকাম চারা তৈরি হয়ে যাবে। এই ক্যাপসিকাম ছাড়া তুলে জমিতে বসানোর জন্য প্রস্তুত করে ফেলুন।

ক্যাপসিকাম চাষের জমি প্রস্তুত পদ্ধতি? (Land preparation methods for Capsicum cultivation?)

ক্যাপসিকাম চাষ করতে গেলে সর্বপ্রথম আপনাকে জমি প্রস্তুত করা শিখতে হবে। আপনি যেভাবে সাধারণ সবজি চাষ করেন তার থেকে একটু আলাদাভাবে ক্যাপসিকাম চাষ করতে হবে।

  • জমি প্রস্তুত করার আগে আপনাকে সমগ্র জমিটা ভালো করে হাল করিয়ে নিতে হবে।
  • হাল করা জমির মাটিগুলি আপনাকে আরো ভেঙ্গে গুড়ো গুড়ো করে ঝরঝরে করে নিতে হবে।
  • এরপরে 2 ফুট চওড়া এবং 30 ফুট লম্বা আকারের লাইন তৈরি করতে হবে গাছ বসানোর জন্য। আপনার জমির আয়তন যতটা সেই আয়তনের মধ্য 2 ফুট চওড়া করে কতগুলি লাইন তৈরি করতে পারছেন সেটা দেখে নিন।
  • 2 ফুট চওড়া লাইনের পর 1 ফুটের একটি ড্রেন রাখতে হবে লম্বালম্বি ভাবে।
  • যে লাইনে গাছ বসাবেন সেই লাইনের মাটির ওপর ভার্মি কম্পোস্ট এবং রাসায়নিক সার পরিমাণ মতো ছড়িয়ে দিতে হবে।
  • মালচিং পেপার এই দুই ফুট চওড়া লাইনের ওপর ভালো করে বিছিয়ে দুই সাইডে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
  • মালচিং পেপারের ওপর 1 ফুড ছাড়া ছাড়া ফুটো করে ক্যাপসিকাম চারা পুঁতে দিতে হবে।

মালচিং পদ্ধতি কি? (What is the mulching method?)

আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে বেশি ফলন পাবার জন্য মালসিং পেপার ব্যবহার করে চাষের আধুনিকরণ করার পদ্ধতিকে এই মালচিং পদ্ধতি বলে। মালচিং পেপার সাধারণ প্লাস্টিকের থেকে একটু আলাদা রকমের হয়ে থাকে। এই মালচিং পেপারের ওপরে সূর্য রশ্মি পড়ে ভেতরে প্রতিফলিত হতে পারেনা এবং মালচিং পেপারের ওপর বৃষ্টির জল পড়ার সাথে সাথে তা বাইরে গড়িয়ে যায় ফলে গাছের গোড়ায় জল জমে তা নষ্ট হবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

আবার মালচিং পেপার পেতে চাষ করার কারণে জমিতে আগাছা জন্মাতে পারেনা। ফলে চাষের সবজি বা গাছগুলির জন্য যে সার মাটিতে প্রয়োগ করা হচ্ছে তা শুধুমাত্র গাছগুলি বেড়ে ওঠার জন্য সুন্দর ভাবে কাজ করে। বর্তমানে ভারত সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা হয়। ভারতে বিভিন্ন সবজি চাষী থেকে ফুল চাষীরা ভালো ফলন পাবার জন্য মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করেন।

আরো পড়ুন- ১০টি কম খরচে গ্রামের ব্যবসা করার উপায়

ক্যাপসিকাম গাছের পরিচর্যা

ক্যাপসিকাম চাষ করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই গাছের পরিচর্যার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সাধারণ চাষের থেকে ক্যাপসিকাম চাষ একটু আলাদা ধরনের হয়ে থাকে আবার সাধারন গাছের থেকে ক্যাপসিকাম গাছও একটু আলাদা রকমের হয়। কারণ ক্যাপসিকাম গাছের বেশি পরিমাণে জীবাণুর আক্রমণ হয় এবং ফাঙ্গাস লাগার ঝুঁকি থাকে। তাই গাছের জন্য যে যত্ন গুলি নেবেন তা হল-

  • ক্যাপসিকাম গাছের পাতা যদি কুকড়ে যাই এবং পাতাতে যদি সাদা দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ দেখতে পান তাহলেই বুঝবেন গাছে ফাঙ্গাস লেগেছে। তৎক্ষণাৎ আপনাকে ফাঙ্গাসাইট পাউডার জলেগুলে ব্যবহার করতে হবে গাছের এই ফাঙ্গাস মুক্তির জন্য।
  • গাছ একটু বড় হলে যখন ফুল হওয়া শুরু হবে তখন যদি কোন প্রকার উপদ্রক বারে তাহলে বিষ প্রয়োগ করে তা নিরাময় করতে হবে।
  • বড় গাছ ফল হলে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই পাটকাঠি দিয়ে প্রতিটি গাছ ভালো করে বেঁধে দিতে হবে।
  • প্রতিদিন অল্প অল্প জল গাছের গোড়ায় দিতে হবে।
  • নিয়মিত লক্ষ্য রাখতে হবে কোন গাছের বৃদ্ধি কেমন। যদি কোন গাছের বৃদ্ধি কম হয় তাহলে সেই গাছের জন্য আপনাকে আলাদা যত্ন নিতে হবে।
  • প্রয়োজন হলে কৃষি আধিকারিকের পরামর্শ নিয়ে গাছের যত্ন নিতে হবে।

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষের ট্রেনিং কোথায় পাওয়া যায়?

আপনি যদি ক্যাপসিকাম চাষের ট্রেনিং নিতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে আপনার নিকটবর্তী বিডিও অফিসের কৃষি দপ্তরে। ভারতের প্রতিটি রাজ্যের কৃষি দপ্তর চাষের জন্য প্রতিটি চাষীকে আলাদা করে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে। তেমন বাংলাদেশেও কৃষি দপ্তর থেকে প্রতিটি চাষীকে আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে। আপনি যখন ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে কোন সরকারি কৃষি দপ্তর থেকে অথবা ক্যাপসিকাম চাষ করা অভিজ্ঞ চাষীর কাছ থেকে সাময়িক প্রশিক্ষণ নিয়েই চাষ করতে হবে।

বিনা প্রশিক্ষণের আপনি যদি চাষ শুরু করেন আপনার বেশি ফলন হবে না এবং যে পুঁজি আপনি বিনিয়োগ করবেন সেই পুঁজিও উদ্ধার করতে পারবেন না। কারণ ক্যাপসিকাম চাষে অনেক সমস্যা আসতে পারে অভিজ্ঞ চাষীদেরও অনেক সময় অনেক সমস্যা হয়। তাই আপনি যেহেতু নতুন এই চাষ শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

ক্যাপসিকাম চাষের সময়কাল

বছরের বর্ষাকালের চারটি মাস বাদ দিয়ে বাকি আটটি মাস ক্যাপসিকাম চাষ আপনি করতে পারেন। সাধারণত ক্যাপসিকাম চাষের সময়কাল হয় 4 মাস। অর্থাৎ আপনি চারা রোপন করার চার মাসের মধ্যে ফলন পেয়ে যাবেন এবং গাছ উপড়ে ফেলে নতুন চারা রোপন করতে হবে। একটি চারা রোপন করার পর 45 দিন থেকে 3 মাসের মধ্যে আপনি ফলন পাওয়া শুরু করে দেবেন।

আবার চার মাসের সময়ে গাছের ফলন কমে যাবে এবং একটা সময় গাছের ফলন বন্ধ হয়ে যাবে। তখন আবার আপনাকে আলাদা করে জমি প্রস্তুত করতে হবে নতুন করে চাষ করার জন্য। সেপ্টেম্বর মাস থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত একটা চাষ করতে পারেন। আবার ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত আরেকটি চাষ করতে পারেন। জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল হবার কারণে এই সময় সাধারণ জমিতে চাষ করা যায় না। তবে আপনি যদি পলি হাউস তৈরি করে চাষ করেন তাহলে চাষ করতে পারবেন।

Land preparation methods for Capsicum cultivation
ক্যাপসিকাম চাষ

1 বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করতে কত টাকা খরচ হয়? ( How much does it cost to grow capsicum?)

এক বিঘা জমিতে আপনি যদি ক্যাপসিকাম চাষ করেন তাহলে আপনার খরচ হবে সব মিলিয়ে 50 থেকে 60 হাজার টাকার মত। কারণ এক বিঘা জমিতে মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে আগাছা তুলে গাছ রোপন করার সময় পর্যন্ত যে কর্মচারীদের নিয়োগ করবেন তাদের বেতনে আপনার খরচ হবে কিছু টাকা। সব থেকে বেশি খরচ হবে মালচিং পেপার কিনতে। এরপর যারা প্রস্তুত হয়ে যাবার পর সমগ্র চাষ দেখাশোনার জন্য যদি কোন কর্মচারী রাখেন তার বেতন হিসেবে কিছু টাকা খরচ হবে। ফলে সমগ্র খরচ মিলিয়ে আপনার খরচ হতে পারে 50 থেকে 60 হাজার টাকার মত। আর আপনি যদি নিজে থেকে কাজ করেন এবং আপনার বাড়ির সবাই মিলে চাষ শুরু করেন সেক্ষেত্রে খরচ কিছুটা কমতে পারে।

অবশ্যই পড়ুন- দুধের ব্যবসা করে 50 হাজার টাকা আয়

ক্যাপসিকাম বিক্রি কোথায় করবেন? (Where to sell capsicum?)

ক্যাপসিকাম চাষ করার পর বিক্রি করাটা আপনাকে বেশি ভাবতে হবে না কারণ বর্তমানে বাজারে যেভাবে ক্যাপসিকাম এর চাহিদা রয়েছে তাতে আপনি খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। আপনি যদি প্রতিদিন 40-50 কেজি ও ক্যাপসিকাম জমি থেকে তোলেন তাহলেও আপনি খুব সহজেই তা বিক্রি করতে পারবেন। সাধারণ আপনার এলাকার বাজারে যদি ক্যাপসিকাম চাহিদা কম থাকে তাহলে আপনি যেকোন শহর এলাকার পাইকারি বাজারের ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে পারবেন। আবার বিভিন্ন শপিং মল থেকে শুরু করে সবজি মান্ডিতেও ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে পারবেন। তবে প্রতিদিন 100 কিলো ক্যাপসিকাম বিক্রি করা খুবই সহজ ব্যাপার একটি সাধারন চাষীর কাছে। শহরাঞ্চলের বাজারে ক্যাপসিকামের চাহিদা সব সময় বেশি থাকে তাই আপনি যদি গ্রামের বাজারে বিক্রি করে বেশি মুনাফা না পান তাহলে আপনি শহরের বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি করতে পারেন।

ক্যাপসিকাম চাষের ব্যবসায় লাভ কত? (What is the profit in Capsicum farming?)

ক্যাপসিকাম চাষের ব্যবসায় লাভ হয় অনেক বেশি টাকা। আপনি যে টাকা বিনিয়োগ করবেন ক্যাপসিকাম চাষ করার জন্য তার তিনগুণ টাকা লাভ করতে পারেন এই ব্যবসায়।
1 বিঘা জমিতে 3 হাজার থেকে 5 হাজার গাছ বসানো হয়।
একটা গাছে কমপক্ষে 1 কেজি করে ক্যাপসিকাম হতে পারে।
3000 গাছে তাহলে 3 হাজার কেজি ক্যাপসিকাম আপনি কম করে পাবেন। প্রতি কেজি ক্যাপসিকামের দাম পাইকারি বাজারে 80 টাকা থেকে 100 টাকায় বিক্রি করতে পারলে। 2.5 লক্ষ টাকা থেকে 3.5 লক্ষ টাকায় ক্যাপসিকাম বিক্রি হবে

এক বিঘা জমি চাষ করতে খরচ হবে 60 থেকে 65 হাজার টাকা। তাহলে আপনি চার মাসে একটি এক বিঘা জমি থেকে 2 লাখ টাকা কমপক্ষে আয় করতে পারবেন। চাষের শুরুতে আপনি এক বিঘা জমি দিয়ে এই ক্যাপসিকাম যার শুরু করুন। ব্যবসায় সফল হলে আপনি আরো কয়েক বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে প্রতি চার মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

ক্যাপসিকাম চাষের ব্যবসা কোথায় করা যায়?

উত্তর: যেহেতু ক্যাপসিকাম মাটিতে চাষ হয় তাই আপনাকে অবশ্যই গ্রামাঞ্চলে এই চাষ করতে হবে। তবে ব্যবসা আপনি সব জায়গাতেই করতে পারেন।

১ বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষে খরচ কত?

উত্তর: ৫০ হাজার টাকা থেকে ৬৫ হাজার টাকার মতো খরচ হবে এক বিঘা জমিতে চাষ করতে।

বর্তমানে ক্যাপসিকামের পাইকারি বাজারের রেট কত?

উত্তর: 90 টাকা থেকে 100 টাকায় ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে পারবেন পাইকারি বাজারে ।

ক্যাপসিকাম চারা কত দিনে তৈরি হয়?

উত্তর: 10 থেকে 15 দিনে ভালো বড় আকারের ক্যাপসিকাম চারা তৈরি হয়ে যায়।

ক্যাপসিকাম চাষে লাভ কত?

উত্তর: এক বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষে লাভ হয়, 2 লাখ টাকা থেকে 3 লাখ টাকার মত।

1 কেজি ক্যাপসিকাম এর দাম কত?

উত্তর: 150 টাকা থেকে 160 টাকা এক কেজি ক্যাপসিকাম বর্তমান বাজারে বিক্রি হয়

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

ঘাসের ব্যবসা করে প্রতিমাসে 1 লক্ষ টাকা আয়

ভেষজ আবির তৈরির ব্যবসা

Leave a Comment