কোচিং সেন্টার খুলে প্রতি মাসে 50 হাজার টাকা আয় করুন | Coaching Center Business Right Now

বর্তমানে এই বেকারত্বের যুগে আপনি যদি শিক্ষিত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি কোচিং সেন্টার তৈরি করে ছোট বড় সকলকে শিক্ষাদান করতে পারেন। আপনি খেয়াল করলে লক্ষ্য করবেন বর্তমানে প্রাইভেট টিউটরের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে শুধুমাত্র এই বেকারত্বের কারণে। সবাই ন্যূনতম জীবিকা হিসেবে বাঁচার তাগিদের শিক্ষা দানকেই পেশা করে বেঁচে থাকছে। কিন্তু শুধুমাত্র প্রাইভেট টিউটর হয়ে পড়িয়ে যে ইনকাম করা যায় তার থেকে বহু গুণ বেশি ইনকাম করা সম্ভব কোচিং সেন্টার খুলে। তাই আপনি যদি কোচিং খুলতে চান তার জন্য যাবতীয় তথ্য এখানে দেওয়া হলো। এই পোস্ট সম্পূর্ণ পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন কি পদ্ধতিতে আপনার কোচিং সেন্টার আরো বড় হবে এবং সেখান থেকে আপনি বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

কিভাবে কোচিং সেন্টার খুলবেন?

কোচিং খোলার জন্য অবশ্যই আপনাকে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করতে হবে যা স্কুল অথবা কলেজের পাশে হবে। আমরা সবাই জানি বর্তমান সময়ে স্কুলে যে পাঠক্রম পড়ানো হয় তা থেকে ছেলেমেয়েদের সাধারণ বেসিক আইডিয়া তৈরি হলেও ভালোভাবে তারা শিখতে পারে না। তাই প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে পড়ার পাশাপাশি প্রাইভেট টিউটর অথবা কোচিং সেন্টারে পড়ে। আবার যে সকল ছাত্র-ছাত্রী পরিবার তাদের পড়ানোর মতো অর্থ ব্যয় করতে পারে তারা শুধুমাত্র স্পেশাল প্রাইভেট টিউটর দিয়ে পড়াশোনা করে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেশিরভাগ পরিবারই তাদের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করতে পারেনা।

কিন্তু তারাও চাই তাদের সন্তানরা ভালো পড়াশোনা শিখুক এবং মানুষ হোক। তাই স্পেশাল আলাদা আলাদা সাবজেক্টের বদলে একসাথে এমন একটি জায়গা তারা খোঁজে যেখানে অল্প টাকায় তাদের সন্তানদের টিউশন পড়ানো যাবে। এক্ষেত্রে কোচিং খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মানুষ করার পেছনে। তাই আপনি যদি কোচিং সেন্টারের ব্যবসা ভালোভাবে করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে কোচিং সম্পর্কে বুঝতে হবে, বুঝতে হবে মার্কেটিং স্ট্যাটাজি, জানতে হবে ব্যবসা বড় করার উপায়।

কোচিং সেন্টার ব্যবসা করতে কত টাকা বিনিয়োগ করতে হয়?

সাধারণত একটি কোচিং সেন্টারের ব্যবসা করতে আপনার বিনিয়োগের অর্থ হয় খুবই নগণ্য। কারণ বর্তমান সময়ে আপনি যদি ভালো পড়াতে পারেন তাহলে যে কোন স্কুলের পাশে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে কোচিং খুলতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ঘর ভাড়া, ব্ল্যাকবোর্ড, চেয়ার টেবিল ও ছাত্রদের বসার বেঞ্চ তৈরি করে সেন্টার খোলার জন্য আপনাকে কমপক্ষে 30 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

আবার আপনি আরো অল্প খরচেও কোচিং সেন্টার তৈরি করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ছাত্রদের বসার জন্য শুধু একটি প্লাস্টিক হলেই গ্রামাঞ্চলের দিকে কোচিং শুরু করতে পারবেন। ফলে বেঞ্চ তৈরির যে খরচ সেটা আপনার অনেক কমে যাবে । আর আপনি শহরের দিকে যদি আধুনিক নিয়মের ভালো কোচিং সেন্টার তৈরি করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে 2 লক্ষ টাকা থেকে 10 লক্ষ টাকার উপরে বিনিয়োগ করতে হবে।

আর গ্রামাঞ্চলের দিকে কোচিং সেন্টার তৈরীর ক্ষেত্রে বিনিয়োগের অর্থ খুবই কম থাকে। কারণ গ্রামাঞ্চলে অনেক এমন কোচিং রয়েছে যারা ব্ল্যাকবোর্ড, বসার চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ কিছুই না কিনে শুধুমাত্র একটি ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু করছে। সেক্ষেত্রে তাদের খরচ হচ্ছে মাত্র 1 হাজার টাকা এবং মাসের ঘর ভাড়ার টাকা। তবে আপনি কোন জায়গায় কোচিং সেন্টার তৈরি করবেন তার ওপর নির্ভর করবে আপনার খরচের পরিমাণ। আর আপনি কিভাবে ব্যবসাটি করতে চাইছেন তার ওপরেও নির্ভর করবে খরচের পরিমাণটা।

Coaching Centre
কোচিং সেন্টার

কোচিং সেন্টার কোথায় তৈরি করা যায়?

প্রথমত কোচিং এ পড়ার জন্য যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা আসে তারা স্কুল কলেজ থেকেই আসে। তাই আপনাকে আপনার সেন্টার তৈরি করার জন্য এমন একটি জায়গা নির্বাচন করতে হবে যা রাস্তার ধারে হবে এবং স্কুল ও কলেজের কাছাকাছি অবস্থিত হবে। আপনি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন বর্তমানের প্রায় সকল কোচিং সেন্টারি স্কুল অথবা কলেজের কাছাকাছি চলছে। আপনি যদি এমন এক জায়গায় কোচিং তৈরি করেন যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের সমস্যা বা তাদের স্কুল-কলেজ থেকে দূরে সেক্ষেত্রে আপনি অনেক অল্প পরিমাণে স্টুডেন্ট পাবেন পড়ানোর জন্য।

আপনাকে একটি ভালো উপযুক্ত সেন্টার করার জন্য যে কোন স্কুলের কাছাকাছি ঘর ভাড়া নিতে হবে। তবে কলেজের ছাত্র-ছাত্রীকে পড়ানোর জন্য কোচিং সেন্টার দূরে হলেও খুব অসুবিধা হবে না। কারণ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজের কাছাকাছি পড়ার পরিবর্তে তারা একটু দূরে পড়তে যাওয়া পছন্দ করে। আর কলেজ চত্বরের মধ্য ঘর ভাড়া নিতে গেলে তাতে আপনার খরচ অনেক বেড়ে যাবে। তাই আপনি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানোর কোচিং তৈরি করতে হলে একটু কলেজ থেকে দূরেই করুন।

অবশ্যই পড়ুন- ড্রাইভিং স্কুল ব্যবসা করে মাসে 1 লাখ টাকা আয়

কোচিং সেন্টারে পাঠদান কেমন হবে?

আপনি যদি কোন সময় গৃহ শিক্ষকতার কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই যানবেন একজন ছাত্র-ছাত্রীকে কিভাবে পড়াতে হয় এবং তারা কিভাবে পড়ালে সহজেই বুঝতে পারে। কোচিং সেন্টারে পড়ানোটা গৃহ শিক্ষকের পড়ানোর থেকে একটু আলাদা হয়ে থাকে। গৃহ শিক্ষক যেমন ভালোভাবে একটা ছাত্র অথবা ছাত্রীকে একক ভাবে পড়াই এবং ভালো করে সময় দিয়ে বোঝায়, সেই রকম কোচিং সেন্টারে করা সম্ভব হয় না কারণ কোচিংয়ে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনা করে। তবুও আপনাকে সর্বদাই চেষ্টা করতে হবে যেন প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী ভালো করে পড়াশোনা করতে পারে এবং আপনার অথবা অন্য শিক্ষকের পড়ানো বুঝতে পারে।

কোচিং সেন্টারের শর্তাবলী

একটা কোচিং সেন্টার তৈরি করার ক্ষেত্রে একাধিক শর্তাবলী আপনাকে মেনে চলতে হবে কারণ আপনি যখন এই ব্যবসায়ী ভালোভাবে ঢুকবেন তখন বুঝতে পারবেন যদি আপনার পড়ানো ছাত্র-ছাত্রীদের পছন্দ বা ভালো না লাগে সেক্ষেত্রে পরবর্তী বছর থেকে আপনি ছাত্র-ছাত্রী কম পাবেন ফলে আপনার ব্যবসায় অর্থাভাব হতে পারে। তাই যে সকল শর্তাবলী গুলো অবশ্যই একজন কোচিং সেন্টারে মেনে চলতে হয় তা হল-

  • পড়াশোনা করার মতো উপযুক্ত জায়গা
  • ছাত্র-ছাত্রীদের বসার জন্য জায়গা
  • টিচারের বোঝানোর জন্য ব্ল্যাকবোর্ড
  • প্রতিটা সাবজেক্ট এর জন্য আলাদা আলাদা অভিজ্ঞ শিক্ষক
  • প্রতি মাসে ছাত্র-ছাত্রীদের মাসিক পরীক্ষা নেওয়া
  • পড়াশোনায় অবনত ছাত্র-ছাত্রীদের গার্জেনের সঙ্গে কথা বলে তাদের পাঠ দান করা
  • প্রতিমাসের মাইনে নেওয়ার একটি কার্ড তৈরি করা।

কোচিং সেন্টারে অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ

আপনি যখন একটি কোচিং তৈরি করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে এমন কিছু অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে যারা ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো করে পড়ানোর সাথে সাথে তাদের বোঝাতে পারে এবং মানুষ করতে পারে। মনে রাখবেন এককভাবে পড়াতে হলে আপনি শুধু টিউশন পড়াতে পারেন কিন্তু কোচিং সেন্টার তৈরি করলে অবশ্যই আপনাকে আলাদা আলাদা বিষয়ের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক রাখতেই হবে।

কারণ কারোর একার পক্ষে সব বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে ওটা সম্ভব নয়। আপনাকে দেখতে হবে প্রতিটা শিক্ষক যাতে ছাত্রছাত্রীকে ভালো করে পড়ায় এবং বোঝায় তার দিকটা। কারণ আপনি অভিজ্ঞ শিক্ষক বুঝে নিয়োগ করলেন তারপরে সেই শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কোন খারাপ ব্যবহার, অথবা ভাল করে না পরিয়ে ফাঁকি দিলে আপনারই ব্যবসার ক্ষতি হবে। তাই একটি কোচিং এর ব্যবসা করতে অবশ্যই আপনাকে সার্বিক দিকটা খেয়াল রাখতে হবে।

আরো পড়ুন- ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা করার সহজ উপায়

কোচিং সেন্টারে কাদের পড়ানো হয়?

কোচিং সেন্টারে সব ধরনের ছাত্র-ছাত্রীকে পড়ানোর পাশাপাশি একাধিক ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকে। তবে সাধারণত আমাদের গ্রামাঞ্চল ও শহরের কোচিং সেন্টারগুলি যে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ায় তা হল-

  • কেজি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী বা বাচ্চাদের
  • হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী
  • কলেজের ছাত্র-ছাত্রী
  • বিভিন্ন চাকরি প্রার্থী মানুষকে পড়ানো হয়।

ছোট বাচ্চা পড়ানোর কোচিং সেন্টার কেমন হয়?

বড়দের পড়ানো একরকম আবার বাচ্চাদের পড়ানো আরএক রকম, তাই ছোট নার্সারি স্কুলের বাচ্চাদের পড়ানোর ক্ষেত্রে আপনাকে এমন কিছু শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে যারা খুব সহজেই এই সকল বাচ্চাদের পড়াতে সক্ষম। ছোট বাচ্চারা পড়ার সাথে সাথে অনেক দুষ্টুমি করে ফলে আপনাকেও এমন কিছু ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে বাচ্চারা পড়তে আগ্রহী হয় এবং দুষ্টুমিও কম করে। ছোট বাচ্চাদের পড়াতে গেলে পাঠরত বিষয়ের ওপরে যে সকল খেলনা জাতীয় জিনিস পাওয়া যায় তা কোচিং সেন্টারে রাখতে হবে।

বাচ্চাদের বোঝানোর জন্য ডিজিটাল বোর্ডের ব্যবস্থা আপনি করতে পারেন কারণ বর্তমানের আধুনিকতার যুগে প্রায় প্রতিটি কোচিং সেন্টার এখন ডিজিটাল বোর্ড ব্যবহার করছে। বাচ্চাদের মনসংযোগ ঠিক করার জন্য এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করানোর জন্য আপনাকে এমন কিছু উপায় বার করতে হবে যা বাচ্চাদের ভীষণ ভালো লাগে এবং তাদের পড়াশোনার উন্নতি করতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য আপনি একাধিক সাবজেক্ট এর জন্য আলাদা আলাদা শিক্ষক না রেখে দুই থেকে তিনজন শিক্ষক রেখেই পড়াতে পারবেন।

হাই স্কুল ছাত্রদের কিভাবে কোচিং এ পড়ানো হয়?

হাই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা যেহেতু একটু বড় হয়ে গেছে তাই তাদের পড়ানোর জন্য আপনাকে প্রতিটা সাবজেক্টের আলাদা আলাদা অভিজ্ঞ শিক্ষক রাখতে হবে। এবং এই হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী রাই যাতে ভবিষ্যতের সঠিকভাবে দাঁড়াতে পারে এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য শিক্ষিত হতে পারে তার জন্য আপনাকে প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রীকে প্রতি মাসে একাধিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রস্তুত করতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার অসুবিধা যদি কোন কারণবশত হয়ে থাকে তা দ্রুততার সাথে সমাধান করতে হবে। পুরনো বোর্ডের পাশাপাশি ডিজিটাল বোর্ডের মধ্য দিয়ে তাদেরকে একাধিক বিষয়ের ওপরে ভিডিওর মাধ্যমে ও পড়াতে পারেন।

বর্তমান সময়ের আধুনিক কোচিং সেন্টারগুলি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য সর্বদা ডিজিটাল বোর্ডের ব্যবহার করছে। এই হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যখন কোন ছাত্র-ছাত্রী কোনো সাবজেক্ট বোঝার অসুবিধা হবে তখন তাদেরকে আলাদা করে শেখানোর ব্যবস্থা আপনাকে রাখতে হবে। এই বয়সের ছেলে মেয়েদের মধ্যে অনেক ভুল চিন্তাভাবনারও সৃষ্টি হয় এবং তারা অনেক সময় ভুল পথে চলে যায়। তাই আপনাকে এমনভাবে শিক্ষাদান করতে হবে যাতে তারা সঠিক পথে থাকে এবং সঠিকভাবে শিক্ষা লাভ করে। প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি তাদের অভিভাবকের সাথে কথা বলে জিনিসটা ঠিক করতে পারেন।

Coaching Center Business
কোচিং সেন্টার ব্যবসা

কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং এ কিভাবে পড়ানো হয়?

কলেজ ছাত্র ছাত্রীদের কচি মেয়ে পড়ানোটা খুবই সহজ ব্যাপার বর্তমান সময়ে। কলেজের প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রীর আলাদা আলাদা বিষয়ের জন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ শিক্ষক যেমন আপনাকে রাখতে হবে তেমন তাদের প্রতিটা বিষয় যাতে তারা ভালো করে শিখতে পারে তার জন্য আপনাকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বর্তমানে প্রায় সব কোচিং সেন্টারে কলেজ পড়া ছাত্র ছাত্রীদের জন্য শুধুমাত্র নোটস এর ব্যবস্থা করে যা তারা প্রতি তার ছাত্র-ছাত্রীকে দিয়ে দেয় এবং সেখান থেকেই প্রতিমাসে একবার পরীক্ষা নেয়। তবে এই পদ্ধতিতে আপনিও যদি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান তাহলে বাকি সেন্টার গুলোর থেকে আপনার সেন্টার আলাদা কখনো হবে না তাই আপনি ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো করে পড়ান বোঝান তারপরে তাদের নোটস দিন।

অবশ্যই পড়ুন- বিনা পুঁজিতে মাসে আয় করুন 1 লক্ষ টাকা

চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে কোচিং সেন্টারের ভূমিকা

পড়াশোনার শেষে এমন কিছু ছাত্র-ছাত্রী আপনি পাবেন যারা চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমানে এই চাকরিপ্রার্থী ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিক পাঠ দান করে চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়। এই ধরনের কোচিং সেন্টারে গুলি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অভিজ্ঞ কিছু শিক্ষক নিয়োগ করেন যারা এই সকল চাকরির সঙ্গে অজ্ঞান কিভাবে যুক্ত বড় পদের অফিসার। তাই আপনি যদি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির কোচিং সেন্টার তৈরি করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে এমন কিছু অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে যারা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার সাথে বহুদিন ধরে যুক্ত।

বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারি, WBCS আরো বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য ছেলেমেয়েরা আগে থেকে বিভিন্ন পরীক্ষা প্রস্তুতি নিতে থাকে। আর পরীক্ষাগুলোতে কি ধরনের প্রশ্ন আসে, কিভাবে পরীক্ষায় পাশ করা যায়, তা শেখানোর জন্য আপনি কোচিং সেন্টার তৈরি করতে পারেন।

কোচিং সেন্টারের মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

যেহেতু বর্তমানে প্রচুর শিক্ষক শিক্ষকতার সাথে সাথে কোচিং সেন্টার ব্যবসাতে নামছেন, তাই আপনিও যদি এই ব্যবসা করেন আপনাকে উপযুক্ত মার্কেটিং করতে হবে। আপনার কোচিং এর মার্কেটিং করার জন্য আপনি যে পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করতে পারেন তা হল-

  • স্কুল ও কলেজ গেটের বাইরে পোস্টার লাগান আপনার কোচিং সেন্টারের।
  • স্কুল কলেজ গেটের বাইরে বড় ফ্লেক্স লাগিয়ে বিজ্ঞাপন নিতে পারেন।
  • ফেসবুক ইনস্টাগ্রামে পেজ তৈরি করুন আপনার কোচিং এর নামে এবং তাতে প্রতিদিন নিত্যনতুন পড়াশোনার বিষয়ে কথা বলুন বা পোস্ট করুন। ধীরে ধীরে এখান থেকে অনেক ছাত্রছাত্রী আপনি পেয়ে যাবেন।
  • বড় কোচিং সেন্টার ব্যবসা করতে আপনাকে গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব এ অল্প টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা রাখতে পারেন।
  • আপনার সেন্টারে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়েই তাদের বন্ধুদের বা পরিচিতদের বলে সেন্টারে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে পারেন।

কোচিং সেন্টার ব্যবসায় লাভ কত?

বর্তমানে ছোট কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি বড় কোচিং সেন্টার আস্তে আস্তে তাদের ব্যবসার বিস্তার করছে। হলে বুঝতেই পারছেন এই ব্যবসাতে কত টাকা লাভ হলে তবেই একটা সেন্টার থেকে একাধিক জায়গাতে শাখা সেন্টার তৈরি করা সম্ভব। গ্রামাঞ্চলের দিকে আপনি যদি কোচিং সেন্টার তৈরি করেন সে ক্ষেত্রে একজন ছাত্র পড়িয়ে প্রতিমাসে 300 টাকা থেকে 500 টাকা পাওয়া যায়।

ফলে আপনার সেন্টারে যদি একটি ক্লাসের 50 টা ছাত্র-ছাত্রী পড়ে তাহলেই আপনি একটি ক্লাস পড়িয়েই 12 হাজার টাকা থেকে 15 হাজার টাকায় করতে পারেন। নার্সারি স্কুল থেকে হাই স্কুল পর্যন্ত পরিয়ে আপনি একটি সেন্টারে প্রতি মাসে 1 লক্ষ টাকা থেকে 5 লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি যদি বড় করে কোচিং সেন্টার তৈরি করেন তাহলে আপনার ব্যবসা থেকে আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবেন

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

ডিটারজেন্ট পাউডার তৈরির ব্যবসা

প্লাস্টিক আইটেমের পাইকারি ব্যবসা

Leave a Comment