কিভাবে ব্যবসা শুরু করব? ব্যবসা শুরু করার সহজ 12 টি উপায় | How to start a business? 12 Easy Ways to Start a Business

কিভাবে ব্যবসা শুরু করব বলতে গেলে, আপনি যদি আর দশটা লোকের মত সকাল 9 টা থেকে বিকাল 6 টা পর্যন্ত ডিউটি করে চাকরি করার পক্ষে না থাকেন, এবং আপনি চান যে নিজে কিছু করার। আপনার নিজের লক্ষ্য ব্যবসা করার, কিন্তু আপনার আশেপাশের অনেক মানুষ জন আছে যারা আপনাকে উৎসাহ দেবার পরিবর্তে অনুৎসাহিত করে করে তোলেন, এবং আপনিও তাদের কথাতে অনেকটাই অনুৎসাহিত হয়ে পড়েন ব্যবসা করার লক্ষ্যে। এবং আপনি হয়তো ভাবতে থাকেন যে ব্যবসা করার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। প্রত্যেকটা জিনিস করার জন্য টাকার দরকার আছে ঠিকই তেমনি ব্যবসা করার জন্য টাকার দরকার আছে, তবে অনেক টাকার দরকার আছে এমনটা নয়।

আপনি যদি নিজের একটা ব্যবসা শুরু করতে চান কিন্তু আপনি বুঝতে পারছেন না কিভাবে ব্যবসা শুরু করবেন, কি ব্যবসা করবেন, বা কিভাবে ব্যবসা করতে হয়? এইসব জিনিসগুলো যদি আপনি না জেনে থাকেন তাহলে আজকের আমার এই পোষ্টটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই তৈরি।

কিভাবে ব্যবসা শুরু করব

Table of Contents

কিভাবে ব্যবসা শুরু করব? (How to start a business)

আমাদের অনেকেরই মনের মধ্যে স্বপ্ন থাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর, নিজের একটা ব্যবসা করার। তবে আমরা অনেক সময় কিছু ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবসা শুরু করতে যায়, এবং সেই ভুল তথ্য গুলোই আমাদের ভুল পথে পরিচালনা করে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে। আমরা বুঝতেই পারিনা কিভাবে ব্যবসা শুরু করব এবং কিভাবে ব্যবসা করতে হয়, ফলে আমাদের কোনো কাজই সম্পূর্ণ হয় না, এবং ব্যবসা – ব্যবসার মতো করে করতে পারি না।


একটা ব্যবসা শুরু করার জন্য যে যে প্রাথমিক জিনিস গুলোর দরকার হয়, এবং কোন কোন স্টেপ গুলি মেনে চললে আপনি নিজের একটা সফল ব্যবসা শুরু করতে পারবেন, সেই সমস্ত জিনিস গুলি নিয়ে বিস্তারিতভাবে আজকের আমাদের এই পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে।

নিজের আগ্রহের ওপর ব্যবসা করুন(Do business on your own interests)

নিজের আগ্রহের ওপর ব্যবসা বলতে, যে কোন ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে আপনার কোন জিনিসের প্রতি বেশি আগ্রহ রয়েছে, অথবা কোন জিনিস বা কি কাজ করতে আপনার বেশি ভাল লাগে। কারণ আমাদের প্রত্যেকেরই যে জিনিসটা করতে ভালো লাগে সেই জিনিসটা যদি আমরা মনো সহযোগে করি তাহলে সেই জিনিসটা তে সাফল্য আসবেই। আর যে জিনিসটার প্রতি আমাদের কোনো আগ্রহ নেই সেই জিনিসটা যদি আমরা জোরপূর্বক করি তাহলে আমরা সেই কাজে অসফল থাকবো।


এইজন্য আপনাকেও খেয়াল রাখতে হবে আপনি কোন কাজটি বেশি পছন্দ করেন বা পরিপূর্ণতা ও নিষ্ঠার সাথে করতে পছন্দ করেন কোন কাজ। আপনি যখন নিজে নিজের ভালোলাগার কাজ বা ব্যবসা টা ঠিক করতে পারবেন, তখনই আপনি শুরু করবেন সেই ব্যবসাটি। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনি আপনার আগ্রহের ওপর কাজ করলে সফলতা আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে এবং আপনার কাজটিও অনেক সুন্দর এবং ভালো হয়। তাই আপনাকে দুটো জিনিস মনে রাখতেই হবে-
1: আপনার কি ধরনের কাজ করতে পছন্দ?
2: আপনার নিজের কোন ব্যবসার প্রতি বেশি আগ্রহ রয়েছে?

মার্কেট রিচার্জ করুন (Market Recharge)

আপনি যখন আপনার পছন্দের এবং আগ্রহের কাজ বা ব্যবসাটি বেছে নিয়েছেন, তারপরে আপনার প্রধান কাজ হল ব্যবসা শুরুর আগে মার্কেট রিসার্চ করা। মার্কেট রিসার্চ বলতে আপনি যে ব্যবসাটি করতে চাইছেন সেই ব্যবসাটি বর্তমান মার্কেটে চাহিদা কেমন, ব্যবসাটা করতে গেলে কোথায় থেকে কাঁচামাল অথবা প্রডাক্ট সংগ্রহ করতে হবে, কোন জায়গাতে ব্যবসাটি করলে যথাযোগ্য চাহিদা পূরণ করা যাবে।

এছাড়া আপনি যে ব্যবসাটি করছেন তার টার্গেট কাস্টমার কারা, যে ব্যবসাটি আপনি করতে চলেছেন সেই ব্যবসায় কতটা প্রতিযোগিতা রয়েছে, আপনি যে ব্যবসাটি করতে চলেছেন সেই ব্যবসায় কাস্টমারদের আপনি কি ভাবে আকৃষ্ট করবেন আপনার ব্যবসার প্রতি। এইরকম কিছু জিনিস গুলি আপনাকে প্রথমে রিচার্জ করতে হবে। আর তাই এই সমস্ত জিনিস গুলির ওপরে রিচার্জ করার পরে আপনি ব্যবসা করতে পারবেন তাই আপনাকে মার্কেট রিসার্চের ওপর একটু বেশি জোর দিতে হবে।

পড়ুন নতুন ব্যবসা- পারফিউম তৈরির ব্যবসা

ব্যবসার পরিকল্পনা বা বিসনেস প্ল্যান তৈরি করুন (Create a business plan)

কিভাবে ব্যবসা শুরু করব এই কথাটি ভাবার সাথে সাথেই এটাও ভাবতে হবে ব্যবসা শুরু করার আগে পরিকল্পনাটি। যে কোনো কাজ বা ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে আপনার সেই পছন্দের ব্যবসার পরিকল্পনা বা বিসনেস প্ল্যান তৈরি করতে হবে। প্রত্যেকটা কাজই আমাদের পরিকল্পনামাফিক যদি চলতে থাকে তবেই সেই কাজটি সুন্দরভাবে এবং কাজটি করার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়।
আপনি যখন আপনার পছন্দের ব্যবসাটি নিয়ে মার্কেট রিসার্চ কমপ্লিট করবেন, তখনই যে বিজনেস প্ল্যান আপনাকে তৈরি করতে হবে সেই বিজনেস প্লানে অবশ্যই এই জিনিসগুলো উল্লেখ থাকবে-

•ব্যবসার যাবতীয় তথ্য
•আপনার ব্যবসায় তৈরি প্রোডাক্ট
•মার্কেট এনালাইসিস বা মার্কেট রিসার্চের তথ্য
•আপনার ব্যবসার কৌশল বা মার্কেটিং স্ট্রাটেজি
•আপনার ব্যবসা যে ম্যানেজমেন্ট সামলাবে তার তথ্য
•ব্যবসার জন্য আর্থিক যে মূলধন লাগবে তার বিনিয়োগের এবং সেই ব্যবসার বিনিয়োগের পুঁজির যাবতীয় তথ্য

Create a business plan
ব্যবসার পরিকল্পনা

এই সমস্ত বিষয় গুলিকে একত্রিত নিয়ে আপনাকে একটি বিজনেস প্ল্যান রেডি করতে হবে। আর আপনাকে মনে রাখতে হবে সময়ের সাথে সাথে এই বিসনেস প্ল্যান এবং বিজনেস স্টাডিজ দুটোই বদলাতে হতে পারে অর্থাৎ আপডেট করতে হবে।

ব্যবসার শুরুতে কী কী খরচ হয়?(What are the costs of starting a business?)

ব্যবসা করতে গেলে একদম শুরুতে বেশ কিছু খরচ হয়ে থাকে, সেই সব খরচ গুলি আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। কারণ সেই সময় অনেক কিছু জিনিস আপনাকে কিনতে হয়। যেমন-
•ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় লাইসেন্স আপনাকে নিতে হবে, তার জন্য খরচ হয়।
•যে জায়গাতে আপনি ব্যবসা করবেন সেই জায়গার জন্য কিছু আইনি খরচ হতে পারে।
•ব্যবসার শুরুতেই আপনাকে একটি বীমা বা ইন্সুরেন্স করে রাখতে হবে তার জন্য কিছু খরচ হবে।
•আপনার ব্যবসায় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য খরচ হবে।
•আপনি আপনার ব্যবসায় যে প্রোডাক্ট তৈরি করবেন তার ব্র্যান্ডিং এবং মার্কেটিং এর জন্য বেশকিছু টাকা খরচ হবে।
•এছাড়া বিজ্ঞাপন বা Advertisement এর জন্য খরচ হবে।

ব্যবসায় খরচ হওয়া সমস্ত টাকার হিসাব রাখতে হবে (Keep track of all the money spent on the business)

আমরা ছোটবেলা থেকে অনেক খরচা করি কিন্তু কোন খরচের হিসাব রাখিনা। আবার কেউ কেউ খরচের হিসাব রাখলেও ছোট ছোট অল্প খরচের হিসাব কেউ রাখেনা। তবে ব্যবসা করতে গেলে একদম ছোট্ট ছোট্ট খরচগুলো হিসেবে আপনাকে রাখতে হবে। আপনি যদি খরচের হিসাব রাখার অভ্যাস শুরু থেকে করেন, তাহলে সমস্ত খরচ এক মাসে কত হচ্ছে এইটা বুঝতে পারবেন এবং কতটা লাভ হচ্ছে সেটাও ধরার ক্ষমতা আপনার তৈরি হবে।
সাধারণত ব্যবসা শুরু করার সময় খরচটা একটু বেশি হয়ে থাকে। মনে রাখবেন ব্যবসা করতে গেলে যদি এক কাপ চা ও আপনাকে কিনতে হয় সেই হিসেব টাও ব্যবসার খাতাতে আপনার তোলা যায়।

ব্যবসা করার জায়গা নির্বাচন করুন। (Choose a place to do business. )

একটা ব্যবসা শুরু করতে গেলে সঠিক জায়গা প্রয়োজন হয়। কোন ব্যবসা করার জন্য অনেক বড় জায়গার দরকার হয়। আবার কোন ব্যবসা করার জন্য আপনার ঘরের সাইজের একটা ছোট ঘর হলেই সেই ব্যবসা করা যায়। তাই আপনি কি ধরনের ব্যবসা করবেন এবং সেই ব্যবসা করার জন্য আপনার কেমন জায়গা দরকার পড়বে, সেইটা আপনি আগে ঠিক করে সেই ধরনের জায়গা নির্বাচন করুন।

একটা বিজনেস স্ট্রাকচার তৈরি করুন।(Build a business structure.)

যে কোন ব্যবসা শুরু করার আগে প্রত্যেককে ভাবা দরকার, যে ব্যবসাটি করা হবে সেই ব্যবসাটি কেমন ধরনের ব্যবসা হবে। অর্থাৎ আপনি পার্টনারশিপ এর ব্যবসা করতে চান নাকি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি তৈরি করতে চান, নাকি আপনি ছোট ব্যবসা শুরু করতে চান। এই সমস্ত বিষয় গুলির উপর নির্ভর করে আপনার সম্পূর্ণ ব্যবসাটি। তাই ব্যবসা শুরু করার আগে আপনি কিভাবে ব্যবসা শুরু করতে চান সেটাকে আপনাকে আগে ঠিক করে নিতে হবে।

আরো পড়ুন নতুন ব্যবসা- মাছের আঁশের ব্যবসা করে হয়ে যান কোটিপতি

ব্যবসার সঠিক নাম নির্বাচন করুন (Choose the correct business name)

ব্যবসা করতে গেলে প্রত্যেককেই মাথায় রাখতে হবে যে ব্যবসাটি করা হবে সেই ব্যবসার সঠিক নাম যেন নির্ধারণ করা হয়। সঠিক নামের ওপর নির্ভর করে ব্যবসার পপুলারিটি কতটা বাড়বে মানুষের কাছে তার ওপর। আর মানুষের কাছে যত ব্যবসার পপুলারিটি বাড়বে ততই ব্যবসার ব্র্যান্ডিং ও বড় হতে থাকবে। তাই ব্যবসা শুরু করার সাথে সাথেই আপনাকে ব্যবসার সঠিক নাম নির্বাচন করতে হবে। ব্যবসার নাম আপনি যেটা রাখতে চান সেটাই রাখতে পারেন কিন্তু আমি বলব আপনি যে প্রোডাক্ট তৈরি করছেন বা যে ধরনের ব্যবসা করছেন সেই ধরনের নাম রাখার চেষ্টা করবেন।

Easy Ways to Start a Business
ব্যবসা শুরু করার সহজ উপায়

লাইসেন্স ও আইনি কাগজপত্র তৈরি করা। (Create licenses and legal documents.)

যে কোন ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়া আপনি যে ধরনের ব্যবসা করবেন তার জন্য যেই যেই লাইসেন্স দরকার সেই সমস্ত লাইসেন্স আপনাকে শুরুতেই নিয়ে নিতে হবে। এছাড়া ব্যবসার জন্য আইনি যে সকল কাগজপত্র দরকার হয় সমস্ত জিনিসটাই আপনাকে ব্যবসার শুরুতেই তৈরি করে নিতে হবে।
মনে রাখবেন বর্তমান সময়ে অনলাইন দুনিয়া হয়ে যাওয়ার জন্য সমস্ত লাইসেন্স এর জন্যই আপনি অনলাইনে এপ্লাই করে পেয়ে যেতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস কিংবা বিডিও অফিস অথবা কর্পোরেশন থেকে সমস্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন।

ব্যবসার জন্য সঠিক কর্মচারী নিয়োগ করুন। (Hire the right employee for the business.)

যে কোন ব্যবসা করার জন্য দরকার সঠিক কর্মচারী। তাই আপনার ব্যবসা শুরু করার আগেই নির্বাচন করুন, আপনার ব্যবসায় দরকারি সঠিক কর্মচারীদের। ব্যবসার শুরুতে একদম কোন নতুন কাজ না জানা কর্মচারী রাখবেন না। ব্যবসার শুরুতেই একটু অভিজ্ঞ কর্মচারী নিয়োগ করুন। কারণ অভিজ্ঞ কর্মচারীদের কাজ সৌখিন এবং সুন্দর হয়ে থাকে। সেই তুলনায় নতুন কর্মচারীদের কাজ সৌখিন নাও হতে পারে কারণ তারা শিক্ষানবিশ। তাই শুরুতেই নতুন অল্প বয়সী কর্মচারী না নিয়োগ করে একটু অভিজ্ঞ কর্মচারী নিয়োগ করুন।
কারণ প্রোডাক্টের কোয়ালিটি যত ভালো হবে, ততো তাড়াতাড়ি আপনি মার্কেটে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

ব্যবসা কে প্রমোট করুন বা ব্যবসায় বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু করুন (Promote business or start advertising business)

ব্যবসা শুরু করার পরে আপনাকে কেউ চিনবে না, চিনবে আপনার প্রোডাক্ট কে, আবার শুরুর দিকে প্রোডাক্টগুলো কেউ চিনবে না। তাই ব্যবসা শুরু করার সাথে সাথেই ব্যবসাকে প্রমোট করা দরকার অর্থাৎ আপনার ব্যবসায় তৈরি প্রডাক্ট গুলিকে বিজ্ঞাপন দিন। প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন দিলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার প্রোডাক্ট গুলো মানুষের কাছে সুপরিচিত হবে এবং ততো তাড়াতাড়ি আপনার ব্র্যান্ডিং হবে। আর মানুষকে চেনার জানার বোঝার জন্য Advertisement অনেক দরকার।

নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন (Believe in yourself)

এতক্ষণ আপনি দেখলেন ব্যবসা তৈরি করার জন্য 11 টি ধাপ। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল জিনিসটা হল নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা। পৃথিবীর যত ধরনের ব্যবসার ব্যবসায়ী রয়েছেন প্রত্যেক ব্যাবসায়ী মূলমন্ত্র এবং আসল রহস্য হচ্ছে নিজেরা নিজেদের বিশ্বাসের ওপর ভরসা রাখতে জানে। তাই আপনিও যদি আপনার নিজের ওপর ভরসা এবং বিশ্বাস রাখেন তবে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন আগামী দিনের সফল ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী। নিজের বিশ্বাস ও ভরসা কে কখনো টলোমলো হতে দেবেন না, সব সময় এইটা মনে রাখবেন আপনি যখনই দুর্বল হবেন তখনই আপনার ব্যবসা ও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই আপনাকে সর্বদা পাহাড়ের মত শক্ত হতে হবে, আপনার ব্যবসাকে রক্ষা করার জন্য। তাই নিজের ওপর বিশ্বাস ও ভরসা রাখুন, ব্যবসা করে যান মনের আনন্দে

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

ফলের জুসের ব্যবসা

বিনা পুঁজিতে মাসে আয় করুন 1 লক্ষ টাকা

Leave a Comment