অল্প পুজিতে ওষুধের ব্যবসার আইডিয়া | 1 Medicine Business idea in Bangla Right now

অল্প পুজিতে ওষুধের ব্যবসা করা সম্ভব এবং করেও আপনি লাখোপতি হতে পারেন। আমরা সবাই জানি যে ওষুধ এমন একটা জিনিস যা প্রতিটা মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দরকার হয়। ফার্মেসি ব্যবসা লাভজনক ব্যবসার মধ্যে একটা। তাই আপনি যদি ফার্মেসি ব্যবসা বা ওষুধের ব্যবসা করেন তাহলে আপনার প্রতি ওষুধ পিছু ৫০% পর্যন্ত লাভ থাকতে পারে। তবে আপনি কেমন ভাবে ব্যবসা করবেন তার ওপরে নির্ভর করবে আপনার লাভের পরিমাণ টা।

এখনকার দিনে মানুষের দৈনন্দিন খাবারের মতো ওষুধ দৈনন্দিন জীবনের একটি অঙ্গ হিসাবে দেখা দিয়েছে।সেই জন্য আমরা আজ অল্প পুজি নিয়ে কিভাবে আপনি ওষুধের ব্যবসা করবেন সেই সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আপনাকে দেব। এইসব তথ্যগুলি আপনি কাজে লাগিয়ে আপনি ছোট করে হলেও ওষুধ ফার্মেসি ব্যবসা করতে পারবেন।

Medical pharmacy business
মেডিকেল ফার্মেসি ব্যবসা

Table of Contents

মেডিকেল ফার্মেসি ব্যবসা কে করতে পারবে?

মেডিকেল ফার্মেসি ব্যবসা করার জন্য কিছু কোডস করা অত্যন্ত জরুরি তাছাড়া আব্বা মেডিকেলে ফার্মেসীর ব্যবসা করতে পারবেন না। ভারতে আপনি যদি মেডিকেল ফার্মেসীর ব্যবসা করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই বি ফার্মা, ডি ফার্মা, এম ফার্মা, ফার্মা ডি -এর কোর্স করা অত্যন্ত জরুরি।
আপনি যদি বাংলাদেশে থাকেন বাংলাদেশে থেকে ফার্মেসি ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ফার্মেসী ফাউন্ডেশন কোর্স করতে হবে। ফার্মেসী ফাউন্ডেশন কোর্স 3 মাসের হয়ে থাকে এটা করার জন্য আপনি অনলাইনে www.pcb.gov.bd ওয়েবসাইটে এপ্লাই করে করতে পারেন।

ওষুধের ব্যাবসা করতে গেলে কি কি লাইসেন্স নিতে হবে?

ওষুধের ব্যবসা বা ফার্মেসি ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে কয়েকটি লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে। এই লাইসেন্সগুলো ছাড়া আপনি ওষুধের ব্যবসা করতে পারবেন না। তাই আপনি যখন ওষুধের ব্যবসা শুরু করবেন তখনই এই লাইসেন্স গুলোর জন্য আবেদন করে দিন সরকারের কাছে।

ভারতে ওষুধের ব্যবসার জন্য লাইসেন্স

ভারতে ওষুধের ব্যবসা করতে হলে প্রথমে আপনাকে যেসকল লাইসেন্স এবং রেজিস্ট্রেশন গুলি করাতে হবে সেগুলি হল-

  1. দোকানের রেজিস্ট্রেশন
  2. ব্যবসার রেজিস্ট্রেশন বা ট্রেড লাইসেন্স
  3. জিএসটি লাইসেন্স
  4. ড্রাগ লাইসেন্স

বাংলাদেশ ওষুধের ব্যবসার জন্য লাইসেন্স

বাংলাদেশ আপনি যদি থাকেন তাহলে ওষুধের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে যে সকল লাইসেন্স করলে অবশ্যই নিতে হবে সেগুলি হল-

  1. নাগরিকত্বের প্রমাণ বা ভোটার আইডি কার্ডের ছবিসহ ফটো
  2. ট্রেড লাইসেন্স
  3. ব্যাংক সলভেন্সি
  4. দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র
  5. ফার্মেসী ফাউন্ডেশন কোর্স এর সার্টিফিকেট

এই সকল লাইসেন্সগুলো আপনার থাকলে আপনি তবেই ফার্মেসি ব্যবসা করতে পারবেন।

আরো পড়ুন- মাত্র 600 টাকা দিয়ে ব্যবসা

ড্রাগ লাইসেন্স কি?

মেডিকেল ফার্মেসি ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স এর মধ্যে একটি। ভারত-বাংলাদেশ যেখানেই থাকুন না কেন প্রতিটা দেশের ক্ষেত্রে ড্রাগ লাইসেন্স অত্যন্ত জরুরি একটি জিনিস ওষুধের ব্যবসার জন্য। ড্রাগ লাইসেন্স দুই ধরনের হয়ে থাকে একটা RDL বা Retail Drag Licence, ও WDL বা Wholesale Drag License। আপনি যদি ওষুধের খুচরা ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে রিটেল ড্রাগ লাইসেন্স নিতে হবে। আপনি যদি পাইকারি ওষুধের ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে হোলসেল ড্রাগ লাইসেন্স নিতে হবে।
আপনি যদি ওষুধের দোকান খুলতে চান তাহলে অবশ্যই আর ডি এল লাইসেন্সটাই আপনাকে বেছে নিতে হবে এবং তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপনাকে তৈরি করে নিতে হবে।

ফার্মেসি ব্যবসা কি? (What is pharmacy business?)

ফার্মেসি ব্যবসা বলতে সাধারণত ওষুধের ব্যবসা কি আমরা বলে থাকি। অর্থাৎ যে দোকানে ওষুধ বিক্রি হয় সেই দোকানটি আমরা ফার্মেসি বলে থাকি। বর্তমানে ওষুধ এবং ফার্মেসির ব্যবসা অনলাইনে হচ্ছে তাই আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট করে অনলাইন ফার্মেসি ব্যবসা করেন তাহলে অনেক লাভবান হবেন।

pharmacy business
ফার্মেসি ব্যবসা

ওষুধের ব্যবসা বা ফার্মসির ব্যবসা করতে কত পুঁজি লাগে?

যে কোন ব্যবসা করতে হলে আমাদের মাথায় রাখতে হবে সেই ব্যবসাটা করার জন্য আমাদের কত টাকা খরচ লাগবে। ফার্মেসি ব্যবসা আপনি যদি ওষুধের ব্যবসা করেন তাহলে আপনার পুঁজি লাগবে সর্বনিম্ন 1 লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকার মধ্যে।
এরমধ্য দোকান ভাড়া, আসবাবপত্র এবং ওষুধ ও চিকিৎসার সমস্ত সরঞ্জাম কিনতে খরচ হবে।
তবে একটু বড় রকমের ওষুধের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই 4 লাখ থেকে 5 লাখ টাকা খরচ করতে হবে। কারণ বিভিন্ন লাইসেন্স এবং ওষুধ সরঞ্জাম তোলার জন্য, বিভিন্ন শহরে বিভিন্ন রেটে দোকান ভাড়া নেওয়ার জন্য এই টাকাটা আপনাকে খরচ করতে হতেই পারে।

ওষুধের ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

সাধারণত আপনি যদি একটি ওষুধ দোকান করতে চান তাহলে আপনার 10/10 স্কয়ার ফিটের একটা ঘর হলেই আপনি খুব সহজেই ওষুধের ব্যবসা করতে পারবেন। তবে আপনি যদি ফার্মেসি ব্যবসা পাইকারিভাবে করতে চান তাহলে আপনাকে আরেকটু বড় ঘরের প্রয়োজন পড়বে সমস্ত ওষুধ পত্র রাখার জন্য।

দোকানের স্তরেজ ক্যাপাচিটি যেন ভালো হয় এবং দোকানটি যেন না ঠান্ডা না গরম এইরকম রাখতে হবে। ফলে দরকার হলে এয়ারকন্ডিশন আপনি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ওষুধ ভালো থাকে আর ফ্রীজেরও দরকার পড়ে না।

ওষুধ কোথায় থেকে সংগ্রহ করবেন?(Where to collect medicine?)

আপনি যে এলাকাতে থাকেন সেই এলাকাতে আপনি যদি আরো দশটা ওষুধ দোকানের সঙ্গে খোঁজ নেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে সেই ওষুধ দোকানদাররা কোথা থেকে ওষুধ পাইকারি দামে নিচ্ছে বা কোন কোন কোম্পানির এজেন্ট সেই ওষুধ দোকানে এসে ওষুধ দিয়ে যাচ্ছে। আপনি সেইসব ওষুধ ডিলার দের সঙ্গে যোগাযোগ করে আপনিও ওষুধ নিতে পারেন। এছাড়া প্রতিটা শহরের হোলসেল দোকানদার অনেক রয়েছে, এবং কোম্পানিও অনেক রয়েছে। বর্তমান অনলাইনের যুগের আপনি খুঁজলেই পেয়ে যাবেন আপনার নিকটবর্তী বিভিন্ন হোলসেলার দোকানদারদের এবং কোম্পানিদের আপনি সরাসরি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আপনি ওষুধ নিতে পারেন।
বাংলাদেশে যারা থাকেন তারা ঢাকার মিটফোর্ডে খুব অল্প দামে সস্তা ওষুধ কিনতে পারবেন।

প্রতিটা বড় শহরে এবং মফস্বল এরিয়াতে একাধিক ওষুধের ডিলার মেডিকেল ফার্মেসি গড়ে উঠেছে। আপনি চাইলে এইসব বড় মেডিকেল ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিতে পারেন। তবে এইসব ফার্মেসি থেকে ওষুধ আপনি সংগ্রহ করলে কম্পানী থেকে সরাসরি ওষুধের যে কমিশন পেতেন তা কিছুটা কম হতে পারে।

অবশ্যই পড়ুন- মিনারেল ওয়াটার প্লান্ট ব্যবসা

ফার্মেসি ব্যবসাতে লাভ কত হয়?

যে কোন ব্যবসা করতে হলে আমাদের প্রথমে যেমন মনে হয় সেই ব্যবসাটি করতে কত টাকা খরচ হবে। ঠিক তেমনই মনে হয় ব্যবসাটা করার পর আমরা কতটা লাভবান হব। ওষুধের ব্যবসা করার জন্য আপনার যেমন মনে হয়েছে সেটা করতে কেমন খরচ হবে তেমন এখন মনে হচ্ছে যে এই ব্যবসা করার পর আপনার লাভ কত হবে। ফার্মেসি ব্যবসা এমন একটি ব্যবসা যাতে লাভের পরিমাণ অনেক বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে।

ফার্মেসি ব্যবসা আপনি কীভাবে করবেন তার ওপর নির্ভর করবে আপনার লাভের পরিমাণ টা। আসলে ফার্মেসি ব্যবসা তিন ধরনের পদ্ধতিতে আপনারা আয় নির্ধারণ করবে।

ওষুধের কোম্পানি ওপর নির্ভর করবে আয়

যেহেতু আপনি ফার্মেসি ব্যবসা করছেন, তাই ফার্মেসি ব্যবসায় যেসব ওষুধ আপনি বিক্রি করবেন, সেই সব ওষুধ কোম্পানির ওপর নির্ভর করবে আপনার লাভের পরিমাণ টা।
আপনাকে এই জন্য বিভিন্ন কোম্পানির একই ধরনের ওষুধ রাখতে হবে। এবং বিভিন্ন কোম্পানি সেইসব ওষুধের ওপর কমিশন টাও আলাদা আলাদা রকম ভাবে আপনাকে দেবে।

মনে করুন আপনি যদি square কোম্পানির ওষুধ বিক্রি করেন, তাহলে সেই কোম্পানি যে পরিমাণে আপনাকে কমিশন দেবে, তার থেকে হয়তো বেশী পরিমাণে কমিশন আপনি lupin কোম্পানির ওষুধ বিক্রি করে পাবেন।

এই ধরনের বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কোয়ালিটির ওষুধ আপনাকে রাখতে হবে এবং সেই সব কোম্পানির কমিশনের পরিমাণ অনুযায়ী আপনার ব্যবসার লাভ নির্ধারণ করবে।

ওষুধের সেলের ওপর নির্ভর করবে লাভ

আপনি যে ব্যবসায় করুন না কেন সে ব্যবসাতেই আপনি যদি প্রোডাক্ট ঠিকঠাক বিক্রি করতে না পারেন তাহলে আপনার লাভ থাকবে কম। ঠিক তেমনই আপনি যদি ওষুধের ব্যবসা করেন তাহলে ওষুধ যদি ঠিকভাবে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে আপনার লাভের পরিমাণ এমনিতেই কমে যাবে।

আপনাকে লাভের পরিমাণ বাড়াতে হলে এবং ওষুধ সেল বাড়াতে হলে ওষুধের প্রতি কমিশন দিতে হবে কাস্টমারদের। কম করে আপনি যদি 10-20% কমিশন কাস্টমারকে দেন তাহলে কাস্টোমারের ভীড় উপচে পড়বে আপনার ওষুধের দোকানের উপর। ফলে আপনি রমরমিয়ে ওষুধের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

ফলে কাস্টমার বাড়াতে গেলে আর ওষুধের সেল বাড়াতে গেলে অবশ্যই আপনাকে কাস্টমারকে ওষুধের প্রতি কমিশন দিতে হবে।

ওষুধের ব্যবসা_drug business
ওষুধের ব্যবসায় লাভ

আপনার নিজের দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে লাভের পরিমাণ

আপনি যেহেতু ফার্মেসি ব্যবসা করছেন তাই অবশ্যই আপনাকে নজর রাখতে হবে আশে পাশের ফার্মেসি ব্যবসায়ীরা কিভাবে তাদের ব্যবসা করছে। লক্ষ্য রাখার পর আপনি তাদের থেকে ভালো সার্ভিস কাস্টমার কে দেবেন এবং স্মার্টলি ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

ফলে আপনার নিজের দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে আপনার দোকানের ব্যবসার লাভের পরিমাণ টা। ধরুন আপনি যদি দোকান করেন তাহলে ব্যবসা শুরুতে আপনি নিজের ব্যবসা চালালেও পরবর্তীকালে আপনাকে বেশ কিছু ছেলে নিয়োগ করতে হবে আপনার ব্যবসাটি চালানোর জন্য।

লক্ষ্য রাখতে হবে কাস্টমার আপনার দোকানে এসে যেন বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে না থাকে তাদের সাথে সাথেই ওষুধ আপনাকে দিতে হবে।

বাকি আর দশটা দোকানের থেকে অল্প রেটে বা বলা যেতে পারে একটু বেশি কমিশন দিয়ে আপনি যদি কাস্টমারদের ওষুধগুলো সেল করতে পারেন তাহলে আপনি দ্রুত অনেক কাস্টমার বানাতে পারবেন।

বর্তমানে ওষুধের ব্যবসা নতুন যুবক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কারণ করোনা পরিস্থিতিতে যখন সব মানুষের কাজ হারাতে বসেছিল এবং অনেক মানুষের কাজ হারিয়ে গেছে, যখন মানুষ ঘরে চুপচাপ বসে আছে, ঠিক হাভে খাবার সংগ্রহ করতে পারছেনা, জমানো খরচা হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সেই সময় ও ওষুধের ব্যবসা রমরমিয়ে চলেছে। তাই যুবক সম্প্রদায়ের মধ্যে ওষুধের ব্যবসা করার জন্য অনেক কৌতুহল জন্মেছে। যদি আপনারও সেই ধরনের কৌতুহল থেকে থাকে তাহলে আপনি এই সমস্ত জিনিস গুলি করলে সাধারণ জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন এবং ওষুধের ব্যবসা করার জন্য যেসব পদক্ষেপ বলা হলো সেগুলি পালন করলে আপনিও একজন ওষুধের ব্যবসায়ী হতে পারবেন।

ওষুধের ব্যবসায় সাধারণ লাভ কেমন?

ওষুধের ব্যবসা করতে গেলে সম্পূর্ণ আপনার নিজের ছেলের ক্যাপাসিটির ওপর নির্ভর করবে লাভের পরিমাণ টা। সাধারণত একটা কোম্পানি থেকে আপনি ওষুধ নিলে ওষুধ কোম্পানি আপনাকে যে পরিমাণ কমিশন দেয় তা আপনি বিক্রি করলে 30 শতাংশ পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। অর্থাৎ 100 টাকার ওষুধ কুড়ি পারসেন্ট কমিশন দিয়ে কাস্টমারকে বিক্রি করলেন 80 টাকা দামে, তার পরেও আপনার সেই ওষুধের ওপর 30 টাকা লাভ থেকে যাবে। অর্থাৎ ওষুধটা আপনি কিনেছিলেন 50 টাকা দামে। ফলে ওষুধের ব্যবসা করলে আপনি 50% ছাড়পান কোম্পানি থেকে প্রতিটা ওষুধের প্রতি। কোম্পানি অনুযায়ী কমিশনের অংক টা আলাদা আলাদা হতে পারে । তবে আপনি যত বেশি টাকার ওষুধ তুলে ব্যবসা করতে পারবেন তত বেশি পরিমাণে আপনি লাভ করতে পারবেন

( আমাদের এই পোষ্টে যদি কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে জানাবেন। আর আপনার ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যদি কোনো অসুবিধা হয় তাহলেও আমাদের কমেন্ট করতে ভুলবেন না, আমরা দ্রুত সম্ভব আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেব । )

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও FAQ

ফার্মেসি ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: 2 লক্ষ টাকা থেকে 4 লক্ষ টাকা কম করে লাগে ফার্মাসি ব্যবসা।

ফার্মেসি দোকান ডেকোরেশন কেমন করা উচিত?

উত্তর: দেওয়ালে কাঠের সেল্ফ করে প্রতিটি জাতের ওষুধ এক একটি খপে রেখে দোকানের ডেকোরেশন করলে সুন্দর লাগে।

ওষুধের পাইকারি ব্যবসা করতে কি লাগে?

উত্তর: ওষুধের পাইকারি ব্যবসা করতে প্রতিটি ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে ফ্রাঞ্চাইসি বা ডিলারশিপ লাগে।

ওষুধের ব্যবসা কোথায় করা যায়?

উত্তর: গ্রাম কিংবা শহরের যে কোন জায়গাতেই ওষুধ দোকান তৈরি করে ওষুধের ব্যবসা করা যায়।

ওষুধের ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: বিভিন্ন ওষুধের ওপর 30% থেকে 50% লাভ থাকে। একটি ওষুধ দোকান কম করে প্রতি মাসে 30 হাজার টাকা থেকে 1 লক্ষ টাকারও বেশি আয় করতে পারে।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

খাতা তৈরির ব্যবসা

প্লাস্টিক আইটেমের পাইকারি ব্যবসা

Leave a Comment