ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা (Electric Bicycle Dealership Business) 15 Amazing ideas

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা বর্তমান সময়ের অনেক লাভজনক ব্যবসার মধ্যে অন্যতম একটি ব্যবসা। কারন মানুষ এখন অনেক বেশি সময় সচেতন হয়ে উঠেছে। তাই মানুষের সময়ের দাম দেওয়ার জন্য বিজ্ঞান ও উন্নতি লাভ করেছে এবং বিজ্ঞানের উন্নতি লাভের জন্য সাইকেল এখন ইলেকট্রিক চালিত হয়ে উঠেছে। তাই জন্য আপনি যদি ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে আর বেশি দেরি না করে আপনার এলাকাতেই ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ এর ব্যবসা শুরু করুন

Table of Contents

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা খরচ হয়?

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ আপনি চাইলে একটু পুঁজি খরচা করেই শুরু করতে পারেন এই ব্যবসাটি। কারণ আপনি হবেন আপনার শহরের প্রথম ইলেকট্রিক বাইসাইকেল এর প্রথম ডিলার। তাই বেশি কিছু ভাববেন না শুরু করে ফেলুন ইলেকট্রিক সাইকেল এর ডিলারশিপ ব্যবসা।
ইলেকট্রিক বাইসাইকেল এর ডিলারশিপ নিতে আপনার খরচ হবে 2 লক্ষ থেকে 3 লক্ষ টাকার মতো।
আপনি চাইলে আরো অল্প পুঁজি দিয়ে প্রথমে দুটো তিনটে সাইকেল নিয়ে এসে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন

Electric Bicycle
ইলেকট্রিক সাইকেল

ইলেকট্রিক সাইকেল এর ডিলারশিপ কোন কোম্পানি থেকে পাওয়া যায়?

বর্তমান সময়ে অনেক নামিদামি বড় বড় কোম্পানির কাছ থেকে আপনি ডিলারশিপ নিতে পারেন। তবে বড় বড় কোম্পানির ডিলারশিপ আপনি যদি নেন তার ক্ষেত্রে সাইকেলের দাম টা একটু বেশি হয়ে গিয়ে থাকে। যেমন আপনি যদি Hero কিংবা Hercules কোম্পানির ডিলারশিপ নেন তাহলে এই কোম্পানী গুলির সাইকেলের দাম একটু বেশি হয়ে থাকে।
তবে আপনার ব্যবসার সুবিধার্থে প্রথমে অল্প দামের ইলেকট্রিক সাইকেল তুলে ব্যবসা করতে পারেন। আর অল্প দামের ইলেকট্রিক সাইকেল একদম নতুন যে সকল কম্পানি বাজারে এসেছে সেই সব কোম্পানির কাছ থেকে আপনি ডিলারশিপ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
Go Zero Electric Bicycle,
JD Cycles,
Voltron Vehicles,
Pinaaki E-Cycle
এইসকল কোম্পানিগুলির কাছ থেকে আপনারা চাইলে ডিলারশিপ নিতে পারেন খুব অল্প টাকা খরচ করেই।

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ কোথায় থেকে পাওয়া যায়?

প্রত্যেকটা কোম্পানির অফিস প্রতিটা রাজ্যের বড় বড় শহরে বর্তমান সময়ে তৈরি হয়েছে । তবে কলকাতায় প্রতিটা কম্পানি একটি করে অফিস এবং একাধিক শোরুম রয়েছে। আপনারা চাইলে কলকাতায় এসে প্রতিটা কোম্পানির অফিসে একবার দেখা করে ডিলারশিপ এ কত টাকা খরচ হবে যাবতীয় তথ্য এবং আপনাকে কোম্পানি থেকে কিভাবে সাহায্য করতে পারেন সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য আপনারা সংগ্রহ করতে পারেন। তারপরে আপনি চাইলে ডিলারশিপ নিয়ে ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা আপনার এলাকাতে শুরু করতে পারেন

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা

ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স এর দরকার হয়?

যে কোন ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রত্যেকটা ব্যবসায়ীর লাগে ট্রেড লাইসেন্স।
ঠিক তেমনই ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা শুরু করলেও আপনাকে একটা ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। এবং সাথে সাথে একটা GST লাইসেন্স করাতে হবে।
ট্রেড লাইসেন্স আপনি আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস অথবা বিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশন থেকে পেয়ে যাবেন।
বর্তমান সময়ে অনলাইন এপ্লাই করে ও ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যায়। আপনারা চাইলে এক বছরের জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারেন, অথবা দু’বছর কিংবা তিন বছরের জন্য একেবারে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে নিতে পারেন।

ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন হয়?

আপনি যখন ইলেকট্রিক সাইকেল এর ডিলারশিপ ব্যবসা করবেন, তখন ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসার জন্য আপনাকে ভালো বড় কোন মার্কেট এর কাছে রাস্তার পাশেই একটি ভালো দোকান ভাড়া নিতে হবে।
কিংবা আপনি চাইলে রাস্তার পাশে কোন একটি বড় বাড়ি ভাড়া নিতে পারেন যেখানে আপনি ইলেকট্রিক সাইকেল গুলিকে সাজিয়ে রাখবেন যাতে কাস্টমার দেখে আপনার কাছ থেকে ইলেকট্রিক সাইকেল নিতে আসে।
ব্যবসার শুরুতে আপনি 10/12 ফুটের একটি ঘর নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন । তবে ব্যবসা যত বড় হতে থাকবে তখন আপনার এই ঘরটা ও ছোট হয়ে যাবে, তখন আপনার জন্য 10/20 ফুটের ঘর হলে ভালো হবে কিংবা আপনি চাইলে আরও বড় ঘর নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা কিভাবে করতে হয়?

আপনি যে দোকানটি ভাড়া নিয়ে এই ব্যবসাটি শুরু করতে চলেছেন সেই দোকানটি সুন্দর করে সাজাতে হবে প্রথমে এই দিকটা খেয়াল রাখবেন। দোকানটি সাজানোর জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন কাচের ট্রান্সপারেন্ট স্বচ্ছ দেওয়াল। অর্থাৎ দোকানের সামনে একটা গাছ দিয়ে ঘিরে রাখতে পারেন এবং ভেতরে সাইকেল সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে পারেন, যাতে রাস্তা দিয়ে যে সকল লোক যাবে তারা ইলেকট্রিক সাইকেল দেখতে পাই এবং দেখার পরেই তারা কেনার জন্য উৎসাহিত বোধ করবে। দোকানের বাইরে ভালো করে সাজাতে হবে ইলেকট্রিক সাইকেলের বিভিন্ন ব্যানার দিয়ে, যাতে সবাই আকর্ষণ অনুভব করে আপনার দোকানটা প্রতি।

ব্যাটারি চালিত সাইকেল কোথায় পাওয়া যায়?

বর্তমান সময়ে ব্যাটারি চালিত সাইকেল মানে ইলেকট্রিক সাইকেলের একটি অনুকরণ। অর্থাৎ সেই ব্যাটারিটা ও ইলেকট্রিকের চার্জ দিতে হয়। আর বর্তমান সময়ে ব্যাটারি চালিত সাইকেল গুলি সমস্তটাই ইলেকট্রিক চালিত সাইকেলের রূপান্তরিত হয়ে গেছে তাই ইলেকট্রিক চালিত সাইকেল গুলি যদি আপনি আপনার শোরুমে তোলেন সেখান থেকেই সমস্ত কাস্টমার এসে এই ইলেকট্রিক চালিত সাইকেল কিনে নিয়ে যাবে।

ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম কত?

ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম বিভিন্ন কম্পানি অনুযায়ী এবং সাইকেলের কোয়ালিটি অনুযায়ী ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম শুরু হয় সর্বনিম্ন 20 হাজার টাকা থেকে আর সর্বোচ্চ 2-3 লক্ষ টাকা হয়ে থাকে।
তবে সচারাচর আমাদের লোকাল দোকানগুলিতে যেসকল ইলেকট্রিক সাইকেল আমরা দেখে থাকি তার দাম 20 থেকে 40 হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম কত?

বাংলাদেশ ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম 25 হাজার টাকা থেকে শুরু করে 40 হাজার টাকার মতো হয়ে থাকে। তবে সচরাচর ব্যবহৃত সাইকেল গুলি 25 থেকে 30 হাজার টাকার মধ্যে বাংলাদেশ বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অনেক কাস্টোমার ইলেকট্রিক সাইকেলের উপর ভরসা করে চলছে।

সাইকেল কে ব্যাটারির সাইকেলে কিভাবে পরিণত করা হয়?

যেকোনো সাইকেল কে বর্তমানে সবাই ব্যাটারি চালিত সাইকেল এ পরিণত করতে চাই। তার জন্য আপনাকে সাইকেল কে ব্যাটারি চালিত করার জন্য যাবতীয় সরঞ্জাম গুলো কিনে আপনার দোকানে রেখে দিতে হবে।
একটা মোটর এবং মোটরের সাথে সাথে যা যা জিনিস লাগে সাইকেলকে মোটরসাইকেলে পরিণত করতে। সমস্ত সরঞ্জাম যদি আপনার দোকানে পাওয়া যায় তাহলে কাস্টমাররা ইলেকট্রিক সাইকেলের সাথে সাথে তাদের সাইকেলটাও ইলেকট্রিক সাইকেলের রূপান্তর করতে চাইবে।

নরমাল সাইকেল কে ইলেকট্রিক সাইকেলের রূপান্তর করার জন্য আপনাকে একজন দক্ষ সাইকেল মেকানিক কে আপনার দোকানে কাজে লাগাতে হবে এবং সাইকেল ইলেকট্রিকের সরঞ্জামগুলি যেগুলো লাগবে সেই সমস্ত সরঞ্জাম আপনার দোকানে রাখতে হবে।

electric bicycle-motor-kit-ebicycle-kit-ebike
সাইকেল কে ব্যাটারির সাইকেলে পরিণত সরঞ্জাম

চার্জার সাইকেলের দাম কত?

বর্তমান সময়ে চার্জার সাইকেলের দাম পনেরো কুড়ি হাজার টাকায় হয়ে থাকে। তাকে সাইকেলকে মোটর লাগিয়ে ইলেকট্রিক সাইকেল এ পরিণত করতে খরচা খুব একটা বেশি হয় না মাত্র 8-10 হাজার টাকার মধ্যেই হয়ে যায়।

4500 টাকায় ব্যাটারী চালিত ইলেকট্রিক সাইকেল কোথায় পাওয়া যায়?

হ্যাঁ 4500 টাকার মধ্যে শুধুমাত্র সাইকেলে ব্যাটারি এবং একটা ছোট মোটর লাগিয়ে সাইকেল কে ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যাটারি সাইকেলের পরিণত করা যায়। তবে এই সমস্ত সরঞ্জামগুলি আপনাকে আপনার দোকানের মধ্যে রাখতে হবে ব্যবসা করার জন্য।
আর এই ধরনের মোটর গুলি বর্তমান সময়ে যেকোন সাইকেল গ্যারেজে অর্ডার করলে তারা মার্কেট থেকে কিনে এনে আপনার সাইকেলের লাগিয়ে দিতে পারে।

সাইকেল মোটর কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

আপনারা যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকেন তাহলে কলকাতার বড় বাজার মার্কেট টা সবচেয়ে ভালো মার্কেট যে কোন পার্টস এর জন্য।
ইলেকট্রিক সাইকেল বানানোর যেকোনো পার্টস কিংবা ব্যাটারী চালিত মোটর সমস্ত কিছুই বড়বাজারে খুব কম দামে কিনতে পাবেন।
তবে আপনি চাইলে আপনার লোকাল যেকোনো মার্কেট থেকে আপনি কিনতে পারেন, তবে কম দামে পাওয়ার জন্য বড় হোলসেল মার্কেট এ যোগাযোগ করুন।

ব্যাটারি চালিত সাইকেলের দাম কত?

ব্যাটারি চালিত সাইকেলের দাম বর্তমান সময়ে 4500 হাজার টাকা থেকে শুরু হয় এবং যা মোটর এবং ব্যাটারির কোয়ালিটির উপরে নির্ভর করে দামের তারতম্য দেখা যায়।
যতই বলা হোক 4.5 হাজার টাকার মধ্যে মোটর চালিত সাইকেল বিক্রি হয়, কিন্তু দোকানে গিয়ে আপনাকে দেখতে হবে যে মোটরটি কি কোম্পানির এবং সেটি কতদিন চলবে, সমস্ত খুঁটিনাটি জিনিস তাই যদি একটা জায়গাতেই আপনি পেয়ে যান তাহলে সেটা আপনার পক্ষে অসুবিধা হয়। সেই জন্য ইলেকট্রিক সাইকেলের প্রতিটা দোকানদারি বর্তমান সময়ে এই ধরনের সরঞ্জাম তাদের দোকানের রাখছেন।

ইলেকট্রিক সাইকেলের মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়?

এখনকার দিনে মার্কেটিং হয় দু’ধরনের পদ্ধতিতে একটি পদ্ধতি অনলাইন পদ্ধতি এবং অপরটি রিটেল মার্কেটিং।
আপনার ব্যবসার জন্য আপনাকে দু’ধরনের মার্কেটিং করতে হবে।

প্রথমত দোকানটা আপনাকে খুব সুন্দর ভাবে সাজাতে হবে এবং তার সাথে সাথে স্কুল-কলেজের কাছাকাছি আপনার দোকানের নামে কিছু ফ্লেক্স ছাপিয়ে সেগুলি টাঙিয়ে দিন এতে স্কুল কলেজের ছাত্ররা খুব আগ্রহ সহকারে সেই পেজটা দেখবে এবং আপনার দোকান থেকে ইলেকট্রিক সাইকেল কিনবে।

এছাড়া আপনি চাইলে অনলাইন যে সমস্ত সাইট রয়েছে যেমন অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, ইন্ডিয়ামার্ট এই ধরনের ই-কমার্স সাইট গুলিতে একটি করে বিজনেস একাউন্ট খুলে তার মধ্যে যদি আপনি ইলেকট্রিক সাইকেলের ব্যবসা শুরু করেন তাহলে দেখবেন খুব অল্পসময়ের মধ্যে ইলেকট্রিক সাইকেল গুলি আপনার শোরুম থেকে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে।

Electric bicycle shop
ইলেকট্রিক সাইকেলের মার্কেটিং

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসায় লাভ কত?(Electric bicycle dealership babsai lav koto?)

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা লাভ অনেকটা বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে।একটা ইলেকট্রিক সাইকেল আপনি যেহেতু ডিলার হয়েছেন তার জন্য 25 হাজার টাকার সাইকেল আপনি পেয়ে যাবেন 20 হাজার টাকা দামের মধ্যে। কিংবা আরও কমিয়ে পেয়ে যেতে পারেন বিভিন্ন কোম্পানি যেভাবে আপনাকে ডিলারশিপ অনুযায়ী ছাড় দেবে তার ওপরে।
তবে ধরে নেওয়া যেতে পারে প্রতিটা সাইকেল বিক্রি করে আঁখি 5000 টাকা কম করে লাভ রাখতে পারেন।
আপনি যদি প্রতিদিন একটা করে ও সাইকেল বিক্রি করতে পারেন তাহলে প্রতিদিন কম করে 5 হাজার টাকা আপনার লাভ থাকছে।
অর্থাৎ ব্যবসা শুরুর দিকে ও আপনি প্রতিমাসে 1.5 লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারছেন।
তবে এই লাভের পরিমাণ টা দিনে দিনে বাড়তে থাকবে যত আপনার দোকানের নাম চারিদিকে ছড়িয়ে যেতে থাকবে।

ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ ব্যবসা করতে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে?

প্রথমত ইলেকট্রিক সাইকেলের ডিলারশিপ হয়তো আপনি নিচ্ছেন আপনার এলাকাতে প্রথম কিন্তু মনে রাখতে হবে ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম অন্যান্য সাধারণ সাইকেলের থেকে কিছুটা পরিমাণে বেশি হয়ে থাকে।
তাই এই সাইকেল বিক্রি হয় অন্য সাইকেলের থেকে তুলনামূলক কম বর্তমান সময়ে। মানুষ এখন আগের থেকে অনেক বেশী সচেতন হওয়ার চেষ্টা করছে এবং তার জন্যই সেই সচেতন মানুষটাই বর্তমান সময়ে ইলেকট্রিক সাইকেল ব্যবহার করছেন। তাই জন্য ব্যবসার শুরুতে হয়তো আপনাকে প্রতিদিন একটা করে সাইকেল কিংবা যদি আপনি ঠিক করে মার্কেটিং না করতে পারেন তাহলে হয়তো প্রতি সপ্তায় দুটো-তিনটে সাইকেল বিক্রি করতে পারবেন।
তাই আপনাকে মারকেটিং টা খুব ভালো করে করতে হবে। দরকার হলে আপনি একটা লোক রাখবেন যে শুধুমাত্র মার্কেটিং টা করবে, আর আপনি দোকানে বসে বাকি ব্যবসাটা সামলাবেন।

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির ব্যবসা

নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি