আলুর পাইকারি ব্যবসা করুন মাত্র 50 হাজার টাকায় | Potato wholesale business right now

বাঙালি মাত্রই খাবার লিস্টে আলুর ব্যবহার চোখে পড়ার মত। শুধু বাঙালি না ভারতের প্রতি রাজ্যে আলু খাদ্য তালিকায় প্রত্যেকেরই থাকে। তাই আলুর চাহিদা সব সময় বাজারে প্রথম শাড়িতে দেখা যায়। আপনি যদি আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করেন আপনার এলাকায় তাহলে আপনি প্রতি মাসে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন। আপনার কাছে যদি অল্প টাকা থাকে তাহলেও আপনি শুরু করতে পারেন আলুর পাইকারি ব্যবসা। আজ এখানে আলুর পাইকারি ব্যবসার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দেওয়া হল আপনি যদি ব্যবসা করতে চান তাহলে এই তথ্যগুলি আপনার ব্যবসা করার জন্য অনেক সহযোগিতা করবে। তাই আপনি সম্পূর্ণ পোস্টটি ভাল করে মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং নিজেও উদ্যোগে শুরু করুন আলুর পাইকারি ব্যবসা।

আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে?

আপনি যদি আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে তা শুরু করতে পারেন মাত্র 50 হাজার টাকা বিনিয়োগ করে। আবার এই ব্যবসা আপনি আরও বড় আকারের শুরু করতে পারেন 2 থেকে 5 লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে। আপনি যদি আপনার এলাকার একটি বাজারে পাইকারি আলুর বিক্রেতা হতে চান তাহলে আপনার 50 হাজার টাকা বিনিয়োগের মধ্য দিয়েই এই ব্যবসা সহজে করতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি একাধিক বাজার ধরেন এবং একাধিক ছোট পাইকারি বিক্রেতাকে আলু বিক্রি করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে 2 লক্ষ টাকা থেকে 5 লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আপনি কি পদ্ধতিতে ব্যবসা করতে চাইছেন বা কতটা জায়গা ধরে ব্যবসা করতে চাইছেন তার ওপরে নির্ভর করবে আপনার ব্যবসার বিনিয়োগের পুঁজি। তবে ব্যবসার শুরুটা আপনি অল্প টাকা বিনিয়োগ করেই করুন, আগে বুঝুন মার্কেট তারপর আরো বিনিয়োগ করে বড় করে ব্যবসা শুরু করুন।

অবশ্যই পড়ুন- আলুর চিপস তৈরির ব্যবসা 1 লক্ষ টাকা লাভ

কম দামে আলু কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে আপনার এলাকার মধ্যে কোথায় কম টাকায় আলু কেনা যায়। পশ্চিমবঙ্গের যে সকল জেলাতে আলুর চাষ হয় সেই এলাকার হিমঘর গুলি থেকে আপনি আলু কিনতে পারবেন। আবার বাংলাদেশের যে জায়গায় আলুর চাষ হয় তার আশেপাশের হিমঘর গুলি থেকে আপনি আলু কিনতে পারবেন খুবই কম দামে। তাই আপনাদের সুবিধার্থে এমন বেশ কিছু হিমঘরের যোগাযোগ নাম্বার নিচে দেওয়া হল-

  • HARA PARBATI POTATO COLD STORAGE PVT LTD– VILL & P.O – PURSURAH,P.S – PURSURAH,DIST – HOOGHLY,PIN – 712401, Pursura, West Bengal 712401
  • Cold Storage (Potatoes)– 48G5+W53, Nishadbag, West Bengal 742149
  • Shree Bishnu Potato Storage– RWRW+JGG, Jangalpara, West Bengal 712415
  • Kiamacha Potato Cold Storage– P69X+6PC, Kusmasuli, West Bengal 721253
  • Potidurga Potato Cold Store–  238W+FW7, Palasi, West Bengal 712303

আপনি যদি সরাসরি হিমঘর থেকে আলু কিনে ব্যবসা করেন তাহলে অবশ্যই আপনি অল্প দামে আলু পাবেন। আবার আপনি যে মরশুমে আলুর চাষ হয় সেই সময় সরাসরি চাষীদের কাছ থেকেও আলু কিনতে পারেন। তাই আপনি যখন আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনাকে দেখতে হবে কোন জায়গায় আলুর দাম কত এবং কোন সময় আলুর দাম সব থেকে কম। আপনি চাইলে আপনার এলাকায় একটি ছোট হিমঘর বানাতে পারেন এবং যে সময় আলুর দাম সবচেয়ে কম থাকে সেই সময় সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে আলু কিনে আপনার ছোট হিমঘরে আলু রাখতে পারে। তবে এক্ষেত্রে একটি হিমঘর বানাতে গেলে এবং তা রক্ষণাবেক্ষণ করতে আপনাকে বেশ কিছু টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

তাই এই ঝামেলায় না গিয়ে আপনি আলুর পাইকারি ব্যবসা করুন সরাসরি বড় হিমঘর থেকে আলু কিনে এনে। আপনি চাইলে কলকাতার বড়বাজার থেকে আলু কিনতে পারেন খুবই অল্প দামে। ভারতের সকল বড় হিমঘরের একটি করে অফিস কলকাতার বড় বাজারে রয়েছে তাই। এই বড়বাজার থেকে আপনি সরাসরি আলু পাইকারি দামে কিনে আপনার এলাকাতে আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে পারেন। কারণ আপনি যদি হিমঘর থেকে আলু কিনে আনেন তাতে আপনার যাতায়াত খরচা অনেকটা বেড়ে যাবে সেই খরচা কমতে পারে কলকাতার বড় বাজার থেকে আলু কিনলে। প্রতি বস্তা পিছু দুই তিন টাকা বেশি দামে আপনি আলু পাবেন হিমঘরের থেকে বড় বাজার এলাকায়। তবুও আপনার প্রতি বস্তা থেকে ভালই লাভ হবে যদি আপনি বড়বাজার থেকে আলু পাইকারি ধরে কিনে আপনার এলাকার আলুর পাইকারি ব্যবসা করেন।

Potato wholesale business
আলুর পাইকারি ব্যবসা

আলুর পাইকারি ব্যবসা কিভাবে করবেন?

যেহেতু প্রতিটি বাজারে আলুর চাহিদার সব সময় অনেক বেশি পরিমাণে থাকে তাই আলুর পাইকারি ব্যবসা করা খুবই সহজ। আপনি যে এলাকায় ব্যবসা করবেন সেই এলাকার ব্যবসা করার আগে প্রতিটা আলুর ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দিন আপনি আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করেছেন। সেই এলাকার প্রতিটি আলুর ব্যবসায়ীকে জানান তারা যে দামে আলু কেনে তার থেকে 10 কোটি টাকা কম দামে আপনি তাদেরকে আলো বিক্রি করতে পারবেন। এইভাবে আপনি আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী নিজের মার্কেটটা ধরুন।

তারপর প্রতিদিন আপনি থিম ঘর থেকে আলু কিনে আনুন এবং নিজের লোকাল মার্কেটে আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করুন। বর্তমানে প্রতিটি হিমঘর থেকে প্রথমে আপনি যখন আলু কিনবেন তখন আপনাকে নগদ টাকা দিয়ে দিতে হবে সাথে সাথে। ব্যবসা করতে করতে যখন তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আপনার ভালো হয়ে যাবে তখন শুধুমাত্র একটা ফোন করেই আপনার প্রয়োজনমতো আলুর বস্তা কিনে আনতে পারবেন এবং পরে আপনার সময় মত তাদেরকে টাকা প্রদান করতে পারবেন।

আলুর গোডাউন তৈরি করুন

আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনার ব্যবসা করার আগেই আপনার এলাকাতে একটি গোডাউন তৈরি করতে হবে। বর্তমান সময়ে একটি এলাকায় নতুন করে গোডাউন বানাতে অনেক টাকার খরচ, তাই আপনি দেখুন গোডাউনের মতো বড় কোন ঘর ভাড়ায় পাওয়া যায় কিনা। চেষ্টা করবেন যে গোডাউন টি আপনি ভাড়া নেবেন তা যেন বাজারের সামনে বা বাজারের মধ্য হয়ে থাকে। সব থেকে ভাল হয় আলুর গোডাউন রাস্তার ধারে এবং বাজারের কাছাকাছি যদি ঘর পাওয়া যায় তাহলে।

তাই আপনি যখন একটি আলুর গোডাউন ভাড়া নেবেন তখন এমন একটি জায়গা নির্বাচন করুন যা আপনার বিক্রি করা আলোর বাজারের কাছে হবে এবং রাস্তার পাশে হবে কারণ গাড়িতে করে আলু গোডাউন এ নামানো এবং আলোর ব্যবসায়ীদের পরিমাণ মতো আলুর বস্তা পাঠাতে আপনারই সুবিধা হবে। আপনি যদি একটু লক্ষ্য করেন দেখতে পাবেন এখনো যে সকল আলুর গোডাউন রয়েছে তা প্রতিটা বাজারের মধ্যে অথবা বাজারের কাছাকাছি এলাকাতেই তৈরি এবং প্রতিটি গোডাউনে রাস্তার ধারে রয়েছে। এই গোডাউনের আয়তন যেন কমপক্ষে 150 স্কয়ার ফিট হয়ে থাকে তা অবশ্যই আপনাকে নজর দিতে হবে।

আরো পড়ুন- ১০টি অল্প পুজিতে নতুন ব্যবসার আইডিয়া

আলু চাষীদের কাছ থেকে কিভাবে আলু কিনবেন?

আপনি যখন আলুর পাইকারি ব্যবসা করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই আলু চাষীদের কাছ থেকে আলু কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। যদিও আপনি চাইলেই আলু চাষিদের কাছ থেকে আলু কিনতে পারবেন না কারণ প্রতিটি এলাকাতে হিম ঘরের একাধিক এজেন্ট সবসময় থাকে। এই এজেন্টরা আপনাকে আলু চাষীদের কাছ থেকে আলু কিনতে বাধা দেবে এবং অনেক সমস্যার মধ্য ফেলবে। এই এজেন্টরা চাইবে আপনি সরাসরি আলু চাষিদের কাছ থেকে আলু না কিনে তাদের হিমঘর থেকে আলু কিনুন। কিন্তু আপনাকে বছরের যে সময় আলুর উৎপাদন হয় সেই সময় আগে থেকে আলু চাষীদের কাছে গিয়ে আলু কেনার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে আসতে হবে।

হিমঘর যে দামে চাষীদের কাছ থেকে আলু কেনে তার থেকে কিছু টাকা বেশি দিয়ে আপনাকে আলু কিনতে হবে প্রতি চাষির কাছ থেকে। আপনি যদি সরাসরি আলু চাষির কাছ থেকে কিনে সাময়িক সময়ের জন্য ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনার ব্যবসা ওই কয়েক মাসে দ্বিগুণ হাড়ে লাভ দেবে। সাধারণত একটি হিমঘর আলু কেনার জন্য চাষীকে প্রতি কেজিতে 3 টাকা থেকে 5 টাকা দিয়ে থাকে। কোন কোন সময় ৮ টাকা প্রতি কেজি আলুর দাম হিসেবে চাষীকে দেওয়া হয়। কিন্তু বাজারে সেই আলো বিক্রি হয়, 15 টাকা 20 টাকা 25 টাকা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দামে।

তাই আপনি যখন আলু কিনবেন চাষীর কাছ থেকে তখন সিং ঘরের থেকে একটু বেশি দাম দিলেই চাষী আপনাকে আলু বিক্রি করবে। তবে আপনার যেহেতু নিজস্ব হিম ঘর নেই তাই আপনি চাইলেও বেশি আলো কিনতে পারবেন না কারণ আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই আলুর মৌসুমে আলু উৎপাদনের সময় আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি আলু কিনুন চাষীদের কাছ থেকে ও তা বাজারে বিক্রি করুন এবং দ্বিগুণ হারে লাভ করুন।

আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্সের প্রয়োজন?

আপনি যখন আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে সরকারের কাছ থেকে। ব্যবসার শুরুটা যদি আপনি গ্রামাঞ্চলের দিকে করে থাকেন এবং ব্যবসাটি যদি ছোট করে করে থাকেন সেক্ষেত্রে ব্যবসার শুরুতেই আপনার লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়বে না। তবে ব্যবসা করতে করতে যখন আপনার ব্যবসা থেকে অনেক টাকা উপার্জন করা শুরু করবেন তখন আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে তা না হলে আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে। তাই আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে আপনার যে সকল লাইসেন্স নেবেন তা হল-

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • গোডাউন করার অনুমোদন পত্র
  • জি এস টি নাম্বার
  • কারেন্ট ব্যাংক একাউন্ট

অবশ্যই পড়ুন- ঘি তৈরির ব্যবসা বাড়িতেই শুরু করুন

আলুর ব্যাবসায় মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে সঠিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে হবে। আপনি যদি সুন্দর ভাবে সঠিক মার্কেটিং করেন তাহলে আপনার এই ব্যবসা দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি পাবে এবং একটি মার্কেট থেকে আরেকটি মার্কেট ধরার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হবে। তাই আপনার ব্যবসা করার জন্য পুরনো মার্কেটিং পদ্ধতির সাথে সাথে নতুন আধুনিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে হবে। আলুর ব্যবসা করতে যে পদ্ধতিতে আপনি মার্কেটিং করতে পারেন তা হল-

  • যে এলাকায় আপনি ব্যবসা করতেন সেই এলাকার প্রতিটি আলুর ব্যবসায়ীকে গিয়ে মৌখিকভাবে জানান আপনি আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করেছেন।
  • বাজার এলাকার সাথে সাথে গ্রামাঞ্চলের দিকে প্রতিটি মুদিখানা দোকানে গিয়ে জানান আপনি আলুর পাইকারি ব্যবসা করেন।
  • শহরাঞ্চলের দিকে বাজারের পাশাপাশি পাড়ার দোকানগুলিতে আলুর পাইকারি ব্যবসা করেন এটি জানাতে হবে।
  • আপনি চাইলে লিফলেট ছাপিয়ে তাতে আপনার যোগাযোগ নাম্বার এবং আপনি যে আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী তা লিখে দোকানে দোকানে প্রচার করতে পারেন।
  • ব্যবসা বড় করার জন্য বিভিন্ন বাজার এলাকাতে একাধিক এজেন্ট বা কর্মচারী নিয়োগ করতে হবে। যাদের কাজ হবে সেই বাজার এলাকার প্রয়োজনীয় আলুর বস্তাগুলি যাতে আপনার কাছ থেকে কেনা হয় তা দেখা এবং ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনমতো আলুর বস্তা প্রদান করা।
potato business
আলুর ব্যবসা

আলুর পাইকারি ব্যবসায় লাভ কত?

আপনি যখন আলুর পাইকারি ব্যবসা শুরু করবেন তখন আপনি কোথা থেকে আলু কিনছেন এবং কোন সময় আলু বিক্রি করছেন তার ওপর নির্ভর করবে অনেকটা আলুর দাম। সাধারণত যেই বছর আলুর চাষ বেশি হয় এবং আলু উৎপাদন বেশি হয় সেই বছর আলুর দাম অনেক কম থাকে তাই লাভের পরিমাণও কমে যায়। আবার যে বছর আলুর চাষ ভালো হলেও আলুর উৎপাদন ভালো হয় না বা কোন কারণ বশত আলুর চাষ খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে আলুর উৎপাদন কমে যায়, তখন বাজারে আলুর চাহিদা বেশি থাকে, তাই আলুর ব্যবসাগুলিতে সেই বছর লাভ হয় অনেক বেশি।

আপনি যদি সরাসরি হিমঘর থেকে আলুর বস্তা কিনে পাইকারি বাজারে বিক্রি করেন তাহলে আপনার লাভ থাকবে প্রতি বস্তাতে 50 টাকা থেকে 80 টাকা। আর আপনি যদি সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে আলু কিনে পাইকারি বাজারে বিক্রি করেন তাহলে এই লাভ ডবল হয়ে গিয়ে দাঁড়াবে 100 টাকা থেকে 120 টাকা প্রতি বস্তায়। তাই আপনি কোন বছরে কেমন লাভ করবেন তার হিসেব দেওয়া অনেকটাই নদীর ধারে নূরী কুড়ানোর মতো। একজন ছোট আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী প্রতিমাসে কমপক্ষে 25 হাজার টাকা থেকে 40 হাজার টাকা লাভ করতে পারেন। আবার একজন বড় আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী প্রতিমাসে 1 লক্ষ টাকা থেকে 2 লক্ষ টাকারও বেশি লাভ করতে পারে। আপনি যদি একটি বাজার ধরে পাইকারি ব্যবসা করেন তাহলে আপনার লাভের পরিমাণ কম হবে।

আর আপনি যদি একাধিক বাজারে আলু পাইকারি দামে বিক্রি করতেন তাহলে আপনি বেশি লাভ করতে পারবেন। তাই ব্যবসার শুরুটা একটি বাজার থেকে হলেও চেষ্টা করুন আপনার আশেপাশের যতগুলি বাজার রয়েছে সব বাজারের পাইকারি আলু আপনি বিক্রি করবেন।

আলুর ব্যবসায় সমস্যা গুলি কি কি?

আলুর পাইকারি ব্যবসা করতে গেলে আপনি দেখবেন অনেক সমস্যা কিছু কিছু সময় আসবে। এই সমস্যাগুলিকে সমাধান করার মধ্য দিয়েই আপনাকে ব্যবসা করে যেতে হবে। সাধারণত আলুর ব্যবসাতে যে সকল সমস্যা এসে থাকে তা হল-

  • আলুর চাহিদা বেশি থাকলে আলুর দাম বাড়ে কিন্তু আলুর উৎপাদন বেশি হলে আলুর দাম খুবই কমে যায়। তখন আপনার স্টোরে রাখা আলু বস্তা বিক্রি করে আপনি খুব বেশি লাভ করতে পারবেন না হতে পারে কিনা দামেও বিক্রি করতে হতে পারে।
  • আলু যেহেতু বেশিদিন গোডাউনে রাখা যায় না তাই গরমের সময় কিংবা বর্ষার সময় আলু পচন বেশি হয়। এই সময় অনেক আলো নষ্ট হয়ে যাবে এবং তা আপনার ব্যবসাতে সামান্য ক্ষতি করবে।
  • আপনার এলাকাতে আবার নতুন করে কোন আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী আসলে তারা অল্প দামে আলু বিক্রি করবে এবং এতে আপনার ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে।
  • আলুর খুচরো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাইকারি দরে আলু বিক্রি করলেও সময়মতো আপনি টাকা নাও পেতে পারেন, কারণ সব ব্যবসায়ী সময়মত টাকা দেয় না। তাই আপনাকে কিছু টাকা আগে থেকেই গচ্ছিত রাখতে হবে এই ধরনের সমস্যা আসলে নতুন আলু কেনার জন্য

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

বেকারি ব্যবসা শুরু করুন

পতঞ্জলি ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যাবসা

Leave a Comment