আচার তৈরির ব্যবসা মাত্র 10 হাজার টাকা দিয়ে শুরু করুন |Succeed in the business of making pickles, great Business Ideas

আচার তৈরির ব্যবসা করে লাভবান হতে পারেন ভারত, বাংলাদেশের সকল ব্যবসায়ী। কারণ ভারত-বাংলাদেশ এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলিতে আচার বা চাটনি মুখরোচক খাবারের মধ্যে পড়ে। সমস্ত নারী পুরুষ এবং বাচ্চারা আচার ও চাটনি খেতে ভীষণ পছন্দ করে। ভারতের অনেক রাজ্যে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আচার থেকে যায়। কিন্তু আচার সবাই সুন্দর করে তৈরি করতে পারে না তার জন্য বাজার থেকে আচার কিনে ঘরে স্টোর করে রেখে দেয় অনেকে। যেহেতু আসার খাবার প্রবণতা প্রতিটা মানুষের মধ্যে কম বেশি থেকে যায় তাই আপনি যদি আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনি এই ব্যবসায় সফলতা পাবেন। আচার তৈরির ব্যবসা শুরু গ্রামে গঞ্জে ও শহরে নয় আপনি চাইলে ইন্টারন্যাশনাল ভাবে বিদেশে রপ্তানী ও করতে পারেন।

আচার তৈরির ব্যবসা খুবই অল্প পুঁজির ব্যবসার মধ্যে পড়ে। যে কোন ব্যক্তি তার বাড়িতে থেকেই আচার তৈরি করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। উল্টোদিকে আবার আচার তৈরি রেসিপি ও খুব সহজ সরল হয়ে থাকে যা আপনি অল্প সময়ের মধ্যেই রপ্ত করতে পারবেন। এছাড়া আচার এমন একটি জিনিস যা দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করা যায় ও দীর্ঘ সময় ধরে বিক্রি করা যায়।

The business of making pickles
আচার তৈরির ব্যবসা

Table of Contents

আচার তৈরির ব্যবসা করতে কত টাকা খরচ হয়?

অনেক অল্প পুঁজি দিয়ে আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। যেহেতু আপনি আচার তৈরি করতে পারেন আপনার বাড়িতেই, তাই আচার তৈরির ব্যবসা করার জন্য আলাদা করে বেশি পুঁজি খরচ করতে হয় না, শুধুমাত্র কাঁচামাল এবং আচার তৈরীর সরঞ্জাম কিনলেই এই ব্যবসা শুরু করা যায়। তবুও বলা যায় আপনারা সার তৈরির ব্যবসা শুরু করতে কমপক্ষে 5 থেকে 10 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। তবে আপনি যদি আচার তৈরির ব্যবসা কে খুব বৃহৎ আকারে নিয়ে যেতে চান বা খুব বড় করে ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে 40 থেকে 50 হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এই ব্যবসাতে। তবে ব্যবসার শুরুতে আপনি ছোট করে 2-3 হাজার টাকা খরচ করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

আচার তৈরির ব্যবসায় প্রয়োজনীয় কাঁচামাল গুলি কি কি?

আচার তৈরির ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে আচার তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু কাঁচামাল কিনে তবে ব্যবসা শুরু করতে হবে। যেমন-

  • বিভিন্ন ফল
  • সবজি
  • আচার তৈরির প্রয়োজনীয় কিছু মসলা
  • তেল
  • লবণ
  • বড় কড়াই
  • বাঁশের চালনি
  • কাচের বয়াম

আচার তৈরির ব্যবসায় কাঁচামাল গুলি কোথায় কিনতে পাওয়া যায়?

আচার তৈরীর ব্যবসায় প্রয়োজনীয় সমস্ত কাঁচামাল আপনি আপনার নিকটবর্তী যে কোন ছোট বড় বাজার থেকে কিনতে পারেন। যেহেত আচার তৈরি করার জন্য কাঁচামাল গুলি আপনারই নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের মধ্য পড়ে, তাই এই সমস্ত জিনিস গুলো কেনার জন্য আপনার নিকটবর্তী বাজারি শ্রেয়।

অবশ্যই পড়ুন- খাতা তৈরির ব্যবসা 

আচার তৈরীর মেশিন কি কি লাগে?

আচার তৈরির ব্যবসা বড় করে করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে আচার তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় মেশিন কিনতে হবে। এই কারণে মেশিন ব্যাবহার করতে হবে,যাতে দ্রুততার সাথে কাজ করা হয় এবং বেশি পরিমাণে আচার তৈরি করা যায়। তবে আপনি যদি ছোট করে আসার তৈরির ব্যবসা শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে আচার তৈরীর মেশিন না কিনে ব্যবসা করতে হবে । কারণ ছোট করে ব্যবসা করলে আপনার কোন মেশিনের প্রয়োজন পড়বে না। আচার তৈরীর ব্যবসার জন্য যে সকল মেশিন আপনি ব্যবহার করতে পারেন সেগুলি হল-

  • ফল, সবজি কাটার মেশিন
  • ড্রায়ার মেশিন
  • সিলিং মেশিন
  • ওয়েট মেশিন

আচার তৈরি ব্যবসা করতে কত বড় জায়গার প্রয়োজন?

আচার তৈরির ব্যবসা পড়তে শুরুতে খুব অল্প জায়গায় আপনার প্রয়োজন পড়বে। আপনি চাইলে আপনার রান্না ঘর থেকেই আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে আপনার ব্যবসা যদি বড় হয় এবং বড় করে শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে কমপক্ষে 10/20 ফুটের ঘর নির্বাচন করতে হবে। আবার এর থেকেও ছোট ঘরে আচার তৈরির ব্যবসা করতে পারেন, তবে নির্ভর করবে সম্পূর্ণ আপনার ব্যবসার ক্যাপাসিটির ওপর।

আচার তৈরীর প্রশিক্ষণ

যেকোনো কাজ করার আগে আমাদের সেই কাজটি শিখতে হয়। আপনিও আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করার আগে অবশ্যই আচার তৈরির প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। আচার তৈরির প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য আপনি আপনার নিকটবর্তী বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও বড় কোন আচার ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে কিছুদিন কাজ করে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। মনে রাখবেন প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনি যদি আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করেন তাতে বেশি ভালো মানের আচার আপনি তৈরি করতে পারবেন আর বেশি ভালো ভাবে ব্যবসাও করতে পারবেন। সাধারণত বর্তমানে আচার তৈরি প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য খরচ হতে পারে দুই থেকে তিন হাজার টাকার মতো।

Pickle making training
আচার তৈরীর প্রশিক্ষণ

কিভাবে আচার তৈরি করা হয়? (How is the pickle made?)

বিভিন্ন রকমের আচার তৈরি করার পদ্ধতি ও বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে আচার তৈরির পদ্ধতি সব রকম আচারের জন্য কিছুটা একই রকম হয়ে থাকে।

লেবুর আচার

লেবুর আচার দুই তিন রকমের হয়ে থাকে। তবে সাধারণত নুন লেবুর আচার টি বেশি করে মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। লেবুর আচার তৈরি করতে হলে লেবুর ভালো করে জলে ধুয়ে নিতে হবে, তারপর লেবু গুলির মাথার এবং পেছনের দিকের অংশ কিছুটা কেটে বাদ দিয়ে লেবু গুলিকে কাচের জার এর ভেতর ভরে বেশকিছু লবণ দিয়ে রাখতে হবে। কাচের জারটি এক মাস 2-3 ঘণ্টা করে প্রতিদিন রোদে রাখতে হবে এরপর নুন লেবুর আচার তৈরি হয়ে যাবে।

করলার আচার

অনেকেরই পছন্দ করলার আচার খেতে। করলার আচার তৈরি করতে হলে, করোলা গুলিকে প্রথমে ভাল করে জলে ধুয়ে খোলা ছাড়িয়ে কাটতে হবে। এরপর করোলা গুলিকে তেলের সঙ্গে সরিষা হলুদ এবং লবণ মিশিয়ে ভালো করে রোদের শুকনো করা হয় এবং এর মধ্য দিয়ে আচার তৈরি করা হয়।

আমের আচার

আমের আচার ও 5 থেকে 10 রকমের হয়ে থাকে। আমের আচার তৈরি করতে হলে কাঁচা আম ছাড়িয়ে বিভিন্ন মসলা মাখিয়ে, নুন ও সরিষার তেল দিয়ে একটি জারের ভেতরে এক মাসের মত প্রতিদিন 2-3 ঘণ্টা করে রোদে রাখলে আচার তৈরি হয়ে যাবে।

আরো পড়ুন- ডালিমের হোলসেল বিজনেস

আচারের প্যাকেজিং কিভাবে করা হয়?

আচার তৈরীর ব্যবসায় আপনি যদি আচারগুলি ভালো করে প্যাকেজিং করে বাজারে বিক্রি করতে পারেন তবেই আপনি সফলতার সাথে ব্যবসা করতে পারবেন। সাধারণত বর্তমানের বেশকিছু আচার ব্যবসায়ী তাদের আচার তৈরীর ব্যবসাতে আধুনিক বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে ব্যবসা করার ফলে তাদের ব্যবসা অনেক উন্নতি ঘটেছে। আপনাকেও আচার তৈরির ব্যবসা করতে হলে আচার গুলিকে প্যাকেজিং পড়ে তবেই বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করতে হবে। আজ আর যদি ভালোভাবে প্যাকেজিং করা না হয় তাহলে নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে এবং দূর-দূরান্তে আচার পাঠানোর ক্ষেত্রেও অনেক সমস্যার মধ্যে আপনাকে পড়তে হবে। আচার তৈরীর ব্যবসায় তাই আচার ভালো করে প্যাকেজিং করার পদ্ধতি গুলি আপনাকে জানানো হলো-

  • ছোট ছোট অল্প আচার যেগুলি প্রতিদিন বাজারে বিক্রি করতে পারবেন, তার জন্য ভালো মানের প্লাস্টিকের ভেতরে পরিমাণমতো আচার ভর্তি করে ভালো করে সিল করে বাজারে বিক্রি করতে হবে।
  • এছাড়া আচার এক করার জন্য ভালো অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালুমিনিয়াম বাচিনা মাটির পাত্র যদি ব্যবহার করেন তাহলে আচার দীর্ঘদিন নষ্ট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকেনা।
  • যে পাত্র বাজে প্লাস্টিকে আপনি প্যাকেজিং করবেন তাতে অবশ্যই আপনার কোম্পানির লেভেল বা নাম থাকার প্রয়োজন।
  • আবার স্বচ্ছ প্লাস্টিকের বাক্সে আপনি আজহার ভর্তি করে ওজন মত বিক্রি করতে পারেন।
  • প্রতিটা প্যাকেটের গায়ে তার নির্দিষ্ট দাম এবং এক্সপায়ারি ডেট হিসাবে একটা নির্দিষ্ট ডেট যেন থাকে।
  • এছাড়া আপনার কোম্পানির ঠিকানা এবং যোগাযোগ নাম্বার অবশ্যই প্রতিটা প্যাকেটে যেন থাকে এটা দেখবেন।

আচার তৈরির ব্যবসা করতে কি কি লাইসেন্স লাগে?

আচার তৈরির ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে প্রতিটা ব্যবসার মতো ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।
এছাড়া আপনি যেহেতু খাবারের জিনিস নিয়ে ব্যবসা করছেন তাই অবশ্যই আপনাকে FSSAI লাইসেন্স নিতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স এই কারণে আপনাকে নিতে হবে যাতে সরকারের কাছে আপনার ব্যবসার সকল ইনফরমেশন থাকে। আর FSSAI লাইসেন্স এই কারণে নিতে হবে যাতে ফুড দপ্তরের অনুমতি আপনার ব্যবসাতে থাকে তার জন্য। এছাড়াও আপনি যখন আপনার ব্যবসা থেকে প্রতি মাসে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা করে ইনকাম করতে পারবেন তখন অবশ্যই জিএসটি নাম্বার নিতে হবে।

এই সমস্ত লাইসেন্স করলে আপনি আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিস অথবা বিডিও অফিস কিংবা কর্পোরেশন অফিস থেকে নিতে পারেন। আবার আপনি চাইলে সমস্ত লাইসেন্সের জন্য বর্তমানের অনলাইনে এপ্লাই করেও যেতে পারে। সকল প্রকার লাইসেন্সের জন্য আপনার খরচ হবে তিন থেকে চার হাজার টাকা।

অবশ্যই পড়ুন- বিনা পুঁজিতে মাসে আয় করুন 1 লক্ষ টাকা

কিভাবে আচার বিক্রি করবেন?

আচার তৈরির ব্যবসা করতে হলে তৈরি হওয়া আচার গুলিকে বাজারে বিক্রি করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। আচার তৈরীর ব্যবসায়ী আপনি বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

  • ছোট ছোট আচার ব্যবসায়ীকে আচার তৈরি করে আপনি বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন এলাকায় দোকানে দোকানে আচার প্যাকেট অথবা জার বিক্রি করতে পারেন।
  • বিভিন্ন জনবহুল এলাকা তে আচারের দোকান তৈরি করতে পারেন।
  • খাবার রেস্টুরেন্ট ও হোটেল গুলিতে আচার বিক্রি করতে পারেন।
  • বড় বড় সুপার মার্কেট গুলিতে আচার বিক্রি করতে পারেন।
  • এছাড়া বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউটার তৈরি করে আচার আপনি তাদেরকেও বিক্রি করতে পারেন।
  • অনলাইনে নিজস্ব ওয়েব সাইট তৈরী করে আচার বিক্রি করা যায়।
  • আবার প্রচলিত বড় বড় ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলি যেমন অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট এই ধরনের ওয়েবসাইটেও আপনি আচার বিক্রি করতে পারেন।

বর্তমানে সমস্ত শ্রেনীর মানুষ আচার খেতে ভালবাসে তাই আচার তৈরির ব্যবসা করতে গেলে এমন জায়গা নির্বাচন আপনাকে করতে হবে যেখানে ব্যবসা করলে আপনি বিপুল মুনাফা কামাতে পারবেন। বিভিন্ন রোগ সারাতে আচারের অনেক ভূমিকা দেখা যায়। তাই জন্য আচারের চাহিদাও মার্কেটে অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। বর্তমানে সকালের ব্রেকফাস্ট থেকে রাতের খাবার গ্রহণ করা শেষ প্রান্তে আচারের ভূমিকা দেশেবিদেশে ব্যাপক ভাবে দেখা যায়। এই কারণে আচার তৈরীর ব্যবসা অনেক লাভজনক একটি ব্যবসা।

Selling pickles
আচার বিক্রি

আচার তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত?(What is the profit of pickle making business?)

আচার তৈরির ব্যবসায় লাভের পরিমাণ টা নির্ভর করে সম্পূর্ণ আপনার বিক্রি করার পদ্ধতির ওপর। মানে আপনি আচার কেমন ভাবে বিক্রি করতে পারছেন তার ওপর নির্ভর করবে লাভের পরিমাণ টা। তবে একজন ছোট আচার ব্যবসায়ী প্রতিমাসে 50 থেকে 60 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন আচার তৈরির ব্যবসা করে। আপনি যদি ভালো করে ব্যবসা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি আচার তৈরির ব্যবসা করে প্রতিমাসে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করতে পারেন।

আচার তৈরীর ব্যবসায় কি কি সমস্যা হয়?

আচার তৈরির ব্যবসা করতে গেলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে। যেমন বলা যেতে পারে-

  • আচার তৈরি হয়ে যাবার পর যদি ঠিকভাবে মার্কেটে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।
  • ভালো করে মার্কেট রিসার্চ করে আপনাকে ব্যবসা করতে হবে।
  • আচার তৈরি হবার পর প্যাকেজিং যদি ভালো না হয় তাহলেও আপনার ব্যাবসায় অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
  • আচারের কোয়ালিটি বাকি পণ্য আচার কোম্পানিগুলির থেকে যদি খারাপ হয়ে থাকে তাহলে আপনার প্রোডাক্ট কেউ কিনবে না। তাই জন্য অবশ্যই ভালো মানের আচার তৈরি করে ব্যবসা করুন।
  • ব্যবসার শুরুতে বড় বড় ব্যবসায়ীরা আপনার ব্যবসাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে পারে। তাই আপনাকে সাহসিকতার সাথে ব্যবসা করতে হবে।

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

প্রশ্ন: কত ধরনের আচার হয়?

উত্তর: বর্তমানে 132 ধরনের আচার বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে।

প্রশ্ন: আচার তৈরীর ব্যবসায় লাভ কত?

উত্তর: আচার তৈরি ব্যবসায় লাভ হয় সর্বনিম্ন 50 থেকে 60 হাজার টাকা। সর্বোচ্চ লক্ষাধিক টাকা।

প্রশ্ন: আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: আচার তৈরির ব্যবসা শুরু করতে কমপক্ষে 5 থেকে 10 হাজার টাকা লাগে।

প্রশ্ন: কোন জায়গায় আচার তৈরির ব্যবসা করা যায়?

উত্তর: যেকোনো জনবহুল এলাকা তে আপনি আচার তৈরির ব্যবসা করতে পারেন সেটা গ্রাম কিংবা শহর যাই হোক

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

মিনারেল ওয়াটার প্লান্ট ব্যবসা

মপ তৈরির ব্যবসা

Leave a Comment