১০টি অল্প পুজিতে নতুন ব্যবসার আইডিয়া | 10 new business ideas with little capital, Wow

আমরা সবাই চাই অল্প পুজিতে ব্যবসা করতে। তাই আজ আপনাদের জন্য অল্প পুজিতে ১০টি নতুন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে এসেছি। ব্যবসা শুরুর দিকে অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করাটা অধিক বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ ব্যবসায় লাভ লস দুটোই থাকে, তাই ব্যবসার শুরুতে বেশি পুঁজি না নিয়ে অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করাটাই আপনার পক্ষে সবচেয়ে শ্রেয় হবে। অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা নিয়ে ব্যবসা করলে সবসময়ই ঝুঁকি কম থাকে।

বর্তমানে অল্প পুঁজিতে ব্যবসা সাধারণত এক কোটি টাকার কম এর ব্যবসা কে বলা হয়। শুনে হয়তো আপনি মনে মনে হাসছেন যে এক কোটি টাকার নিচের ব্যবসা যদি করতেই হয় তাহলে আপনার কাছে সেটি অনেক বড় পুঁজির ব্যবসা হয়ে যায়। কিন্তু ব্যবসায়ীক যে তথ্য অনুযায়ী এক কোটি টাকার নিজের ব্যবসা গুলিকেই অল্প পুঁজির ব্যবসা বলে। এই অল্প পুঁজির ব্যবসা পরে মধ্য পুঁজির ব্যবসা হয় তারপরে উচ্চ পুঁজির ব্যবসা হয়।

আমি আপনাদের এমন কিছু ব্যবসার আইডিয়া শেয়ার করব যা আপনি আগেও দেখেছেন, কিন্তু কখনও ভাবেননি যে এই ব্যবসা করে এত পরিমাণে লাভবান আপনি হতে পারবেন। আর এই ব্যবসা গুলি খুবই অল্প পুঁজির ব্যবসার মধ্যে পড়ে। চলুন দেখে নেয়া যাক ১০টা অল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া গুলি

হস্তশিল্পের ব্যবসা (Handicraft business)

অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার আইডিয়া গুলির মধ্য মধ্য হস্তশিল্পের ব্যবসা অন্যতম জনপ্রিয়। বর্তমানে মেশিনের যুগেও মানুষের মধ্যে হস্তশিল্পের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি যদি এমন কিছু জিনিস বানাতে পারেন যা হস্তশিল্পের মধ্য পড়ে তাহলে আপনি হস্তশিল্পের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের এমন কিছু কিছু ব্যবসায়ী রয়েছেন যারা হস্তশিল্পের ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছেন। শুনলে আপনার হয়তো অবাক লাগবে পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর ইউনিভার্সিটির একটি মেয়ে যে সুতো দিয়ে হার, কানের দুল এইসব জিনিস বানানো এবং সেগুলি সে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতে করতে বিভিন্ন অর্ডার নিতে শুরু করে এবং পরবর্তীকালে সে প্রতি মাসে ২০-৩০ লক্ষ টাকা করে ইনকাম করছে এই ব্যবসা করে।

হলে আপনিও যদি যেকোনো ধরনের হস্তশিল্পের কাজ জেনে থাকেন তাহলে সেই কাজটি আপনি বর্তমানের মর্ডান দুনিয়ায় মডার্ন পদ্ধতিতে উপস্থাপন যদি করতে পারেন তাহলে আপনিও হস্তশিল্পের ব্যবসা করে অনেক বেশি পরিমাণে লাভবান হবেন।

পশ্চিমবঙ্গের আর একজন ব্যবসায়ী যিনি চায়ের কাপ বা মাটির পাত্রে সুন্দর সুন্দর ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন পরবর্তীকালে সেই সব চায়ের কাপ মাটির পরী গুলি তিনি বড় বড় মার্কেটে বিক্রি করা শুরু করেন এবং বর্তমানে তার ব্যবসা 100 কোটি ছাড়িয়ে গেছে। হলে এইভাবেও যদি আপনি ব্যবসা করেন একটু বুদ্ধি লাগিয়ে তাহলে হস্তশিল্পের ব্যবসা বর্তমানে একটি যুগান্তকারী ব্যবসার মধ্যে একটি।

অবশ্যই পড়ুন- হস্তশিল্পের ব্যবসা করে প্রতিমাসে 50000 টাকার আয় করুন

Handicraft business
হস্তশিল্প ব্যবসা

চা-কফির দোকানের ব্যবসা (Tea-Coffee Shop Business)

ছোটবেলায় যখন পড়াশোনা না করা হতো তখন শিক্ষক বলতো যে পড়াশোনা না করলে বড় হয়ে চায়ের দোকানে কাজ করতে হবে বাচা দোকান খুলে বসতে হবে। তবে এখনকার দিনে চায়ের দোকান বা কফির দোকানের ব্যবসা করে লাভবান হচ্ছেন নতুন নতুন তরুণ প্রজন্মের উদ্যোক্তারা। ভারত এবং বাংলাদেশের মানুষের কাছে চা কতটা দরকারি এবং নিত্য দিনের খাদ্যের তালিকা অংশ হয়ে গেছে তা আমরা সবাই জানি। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার আইডিয়া গুলির মধ্য মধ্য চা-কফির ব্যবসা অন্যতম জনপ্রিয়।

তাই আপনি যদি চা কফির ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলেও আপনি অনেক বেশি পরিমাণে লাভবান হবেন। চা কফির ব্যবসা করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ঘর ভাড়া নিতে হবে খুব জনবহুল এলাকা তে। তারপর সেই ঘরটি আধুনিক উন্নত মানের ডেকোরেশন করতে হবে তারপর সেখানে আপনি যদি চা-কফি ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে প্রতিদিন আপনার যে পরিমাণ লাভ হবে এবং পরবর্তীকালে সেই চা-কফির দোকানের ফ্র্যাঞ্চাইজি সেল করে আপনিও হতে পারেন কোটিপতি।

আপনি যদি বর্তমানে ইউটিউব দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন ভারতে এইরকম নতুন 2-3 জন ব্যবসায়ী এক বছরের মধ্যে কোটিপতি হয়েছেন যারা শুধুমাত্র চায়ের দোকানের ব্যবসা করছেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়-এমবিএ চাওয়ালা, চায়ে সুত্তা বার ইত্যাদি।

অবশ্যই পড়ুন- গ্রামে কি ব্যবসা করা যায়?

নার্সারি ব্যবসা (Nursery business)

বর্তমান সময়ে নার্সারি ব্যবসা করে লাভবান হয়েছেন বহু মানুষ, বহু পরিবার। নার্সারি ব্যবসা এমন একটি লাভজনক ব্যবসা যা মানুষেরা চাকরি প্রিয়তা ছেড়ে দিয়ে নার্সারি ব্যবসার দিকে মনোযোগ নেই বেশ করেন। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার আইডিয়া গুলির মধ্য মধ্য নার্সারির ব্যবসা অন্যতম জনপ্রিয়। নার্সারি শব্দটা শুনলে আপনার হয়তো মনে অনেক প্রশ্ন হতে পারে আসলে নার্সারি ব্যবসাটি পুরনো দিনের আগেকার তথাকথিত ব্যবসার মতো ব্যবসা না। বর্তমান শহরের অধিকাংশ মানুষই বাড়ির ছাদে, ফ্ল্যাটে, বারান্দায়, বিভিন্ন জায়গাতে টবে ফুল, গাছ পালা লাগাতে পছন্দ করেন তাদেরকে আপনি যদি এই গাছপালা সরবরাহ এবং সেই গাছপালা সুন্দর করে প্রতিস্থাপন এর কাজ শুরু করেন তাহলেও আপনি অনেক বেশি লাভবান হবেন।

গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী আপনি গাছ নির্বাচন করবেন এবং সেই কাজ গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন তার জন্য আপনি টাকা উপার্জন করবেন। আবার আপনি চাইলে নিজের শহরের বিভিন্ন জায়গায় নার্সারি গাছগুলি নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনার যদি খুব অল্প পুঁজি ও থাকে মাত্র 4-5 হাজার টাকা দিয়েও আপনি অল্প পুজিতে নার্সারি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। নার্সারি ব্যবসা করে আপনি যে ধরনের লাভ করতে পারবেন তা আপনি নিজেও কল্পনা করতে পারবে না।

10 টাকার গাছ কে আপনি 70 থেকে 80 টাকা কিংবা মানুষ বিবেচনা করে 100 টাকায় বিক্রি করতে পারেন। একটি গাছকে একটি সুন্দর টবের মধ্যে প্রতিস্থাপন করেই আপনি এই ব্যবসাটা দারুণভাবে বড় করে করতে পারেন। এইভাবে অল্প পুজিতে ব্যবসা করলে আপনার বিক্রির পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পাবে এছাড়া বনসাই, অর্কিড বা বিভিন্ন ধরনের ফুলের নার্সারি করে অধিক টাকাও আপনি উপার্জন করতে পারবেন।

অল্প পুজিতে নার্সারি ব্যবসা করতে হলে আপনার বাড়ি যদি গ্রামে থেকে থাকে তাহলে আপনার একটু বেশি সুবিধা হয় যদি গ্রামে নাও থাকে তাহলে গ্রামের কোন একটি জায়গাতে আপনি যদি একটি জায়গা কিছু বছরের জন্য ভাড়া নিয়ে সেখানে নার্সারি তৈরি করে শহরের নার্সারি গাছ গুলো বিক্রি করতে পারেন তাহলেও আপনি অনেক বেশি লাভবান হবেন।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের নোদাখালি থানা গোলাবাড়ি নার্সারি ব্যবসার জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত। পশ্চিমবঙ্গের নোদাখালি থানার গোলবাড়ি অঞ্চল এশিয়ার বৃহত্তম নার্সারি অঞ্চলের মধ্যে একটি। আপনি চাইলেই এই অঞ্চল থেকে গাছ নিয়ে গিয়ে আপনি ব্যবসা করতে পারেন এই অঞ্চলের প্রতিটা ব্যাবসায়ী পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে গাছ সরবরাহ করে থাকেন।

দর্জি ব্যবসা (Tailor business)

মানুষ যতই কেনা পোশাক করুক না কেন দর্জির চাহিদা আগেও যেমন ছিল এখনো ঠিক তেমনভাবেই আছে। তবে এখনকার দিনে অল্প পুজিতে দর্জির ব্যবসা শুধু মানুষের জামা কাপড় সেলাই করে করলে হবেনা, এখন কারের মর্ডান জমানার যুগে আপনাকে দর্জির ব্যবসা ও আধুনিক পদ্ধতিতে করতে হবে।

অল্প পুজিতে দর্জি ব্যবসা করার জন্য আপনাকে একটি ঘর নির্ধারণ করতে হবে যেখানে দর্জি মেশিন আপনি রাখবেন তারপর বড় বড় কোম্পানিরা যারা বিভিন্ন জামা প্যান্ট তৈরি করে থাকে বাইরের দরজিদের কাছ থেকে তাদের কাছ থেকে বড় বড় অর্ডার গুলি নিয়ে আপনি একাধিক লোক রেখে এই ব্যবসাটি করতে পারেন। দর্জি ব্যবসা করে এখন অনেক ছোট মাপের ব্যবসায়ী ও বড় ব্যবসায়ী তে রূপান্তরিত হয়েছেন। আপনি নজর রাখলে দেখতে পাবেন আপনার আশেপাশেই এরকম অনেক ব্যবসায়ী রয়েছেন যারা দর্জির ব্যবসা করছেন কিন্তু আধুনিক পদ্ধতিতে যার কারণে তারা অনেক বড় মাপের ব্যবসায়ী হয়েছেন।

এছাড়া নতুন নতুন আকর্ষণীয় ডিজাইনের পোশাক আপনি যদি তৈরি করতে পারেন সেই পোশাক অনলাইনে বিক্রি করে আপনি একাই অনেক সুনাম পেতে পারেন এবং অনেক বেশি পরিমাণে অর্ডার পেয়ে লাভবান হতে পারেন এই ব্যবসাতে।
অল্প পুজিতে দর্জির ব্যবসা করার জন্য বা দর্জির কাজ করার জন্য বেশি পুঁজি প্রয়োজন পড়ে না অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করা যায়। আর দর্জির চাহিদা সারা বছর যেমন থাকে তেমন উৎসবের সময় এই চাহিদা অনেক বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। তাই আপনি অল্প পুঁজির ব্যবসার মতো দর্জির ব্যবসাটি করে অনেক বেশি লাভবান হতে পারেন।

অনলাইন টিউশন ব্যবসা (Online tuition business)

বর্তমানে অল্প পুজিতে ব্যবসার মধ্যে অনলাইনে টিউশন ব্যবসা অন্যতম। এখনকার দিনে শিক্ষিত ছেলের সংখ্যা অনেক যারা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাবার কারণে ঘরে বসে আছেন তাদের জন্য অনলাইনে টিউশন পড়ানোর ব্যবসা অন্যতম ব্যবসা হতে পারে।

যাদের শিক্ষকতা করতে ভালো লাগে কিন্তু তথাকথিত শিক্ষা দানের বাইরে ও তারা আরও বেশি করে টাকা ইনকাম করতে চায় তাহলে তাদের জন্য অনলাইনে টিউশন পড়ানোর টা অনেক ভালো হবে। অনলাইনে কিউশন পড়ানোর জন্য আলাদা করে কোনো ক্যামেরা বা কম্পিউটারের দরকার পড়ে না শুধুমাত্র আপনার কাছে যে মোবাইল ফোনটা রয়েছে তার মাধ্যমেই আপনি অনলাইনে টিউশন পড়াতে পারেন। অল্প পুজিতে অনলাইনে টিউশান পরানোর জন্য ফেসবুক গ্রুপ বা ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনি টিউশন পড়াতে পারেন অথবা বর্তমানে গুগোল মিট, জুম, এইসব সফটওয়্যার গুলোর সাহায্যে আপনি অনলাইনে টিউশন পড়াতে পারেন।
ফেসবুক ইউটিউবে আপনার জনপ্রিয়তা যত বৃদ্ধি পাবে ততোই সরাসরি ফেসবুক ইউটিউব কোম্পানি আপনাকে টাকা প্রদান করবে আবার ছাত্র দের কাছ থেকেও আপনি চাইলে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

Online-tutoring
অনলাইন টিউটরিং

আরো পড়ুন- অল্প পুজিতে ওষুধের ব্যবসা

টিকিট বুকিং ব্যবসা (Ticket Booking Business)

অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার আইডিয়া গুলির মধ্য টিকিট বুকিং এর ব্যবসা অন্যতম জনপ্রিয় একটি ব্যবসা। টিকিট বুকিং এর ব্যবসার প্রথমে একটু আপনাকে কষ্ট করতে হতে পারে কারণ আপনার পরিচিতি কম থাকার কারণে হয়তো শুরুর দিকে আপনার কাছে তেমন বেশি কেউ টিকিট বুকিং করতে আসবে না। তবে আপনার জনপ্রিয়তা যত বাড়তে থাকবে তত মানুষজন আপনার কাছে টিকিট বুকিং করতে আসবে। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করতে হলে অনলাইনের মাধ্যমেই আপনি যেভাবে টিকিট বুকিং করবেন তা মানুষের উপকারে লাগবে। বর্তমানে ট্রেন বাস এরোপ্লেন সমস্ত কিছুর জন্যই টিকিটের প্রয়োজন পড়ে।

আর প্রতিটা মানুষজন টিকিট কাটার জন্য অনলাইন এইসব দোকানগুলি এর শরণাপন্ন হয়। অনলাইন টিকিট বুকিং ব্যবসা করার জন্য আপনাকে জনবহুল এলাকার মধ্য বা কোন একটি বড় বাজারের মধ্যে একটি দোকান ভাড়া নিতে হবে। সেখানে একটি কম্পিউটার রাখতে হবে অথবা আপনার স্মার্টফোনে কাজ হবে ঠিকই কিন্তু কম্পিউটার হলে কাজটা সুবিধা হবে। তারপর দোকানটি ভালো করে সাজিয়ে সেখানে বড় বড় করে লিখে দিন অনলাইনে সমস্ত কিছু টিকিট বুকিং করা হয় দেখবেন আস্তে আস্তে মানুষজন সবাই আপনার কাছে আসবে টিকিট বুকিং করার জন্য। টিকিট বুকিং এর পাশাপাশি আপনি বর্তমানে সরকারি যে সকল অনলাইন কাজ হয়ে থাকে সেই কাজগুলো আপনার এই দোকানের মাধ্যমে করতে পারবেন। অল্প পুজিতে ব্যবসা করতে হলে এর থেকে অল্প পুঁজির ব্যবসা আপনি পাবেন না।

লন্ড্রি ব্যবসা (Laundry business)

বর্তমানের লন্ড্রির ব্যবসা একটি আদর্শ অল্প পুজিতে ব্যবসার মধ্যে একটি। এই কারণে লন্ড্রি ব্যবসা অল্প পুঁজির ব্যবসা কারণ এতে শুধুমাত্র একটি টেবিল দুটো ইলেকট্রিক ইস্ত্রি হলেই এই ব্যবসা করা যায়। লন্ডির চাহিদা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনেক বেশি পরিমাণে পড়েছে। এখন মানুষ অনেক পরিপাটি থাকতে এবং সময়ের মূল্য দিতে জানে সেই কারণে তারা তাদের প্রয়োজনীয় জামাকাপড় নিজেনা ইস্ত্রি করে লন্ড্রিতে দিয়ে আসে।


আপনি চাইলে অল্প পুজিতে লন্ড্রি ব্যবসা কে একটু স্মার্ট পদ্ধতিতে করতে পারেন যেমনটা Bandbox পড়ে থাকে। কেরালার একটি লন্ড্রী ব্যবসায়ী অনেক আধুনিক মানের লন্ড্রী ব্যবসা করছেন। তিনি প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন শুধুমাত্র লন্ড্রি ব্যবসা করে। আপনি লন্ড্রি ব্যবসা একটু আধুনিক মানের যেমন বাড়ি বাড়ি গিয়ে হোম ডেলিভারি এনে আবার কাজ সম্পন্ন করার পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সেই জামা কাপড় গুলি দিয়ে আসতে পারেন, এবং প্রতিটি জামাকাপড় এক থেকে দু দিনের মধ্যেই ইস্ত্রি করে বা লন্ড্রী করার পর দিয়ে আসতে পারেন। এছাড়াও আপনি লন্ড্রি ব্যবসা থেকে গুরুত্বপূর্ণ পোশাক গুলি ভাড়া দেওয়ার কাজটাও করতে পারেন।

অবশ্যই পড়ুন- ১২ টি সেরা গ্রামীণ ব্যবসার আইডিয়া

পুরনো জিনিসের দোকান (Antique shop)

বর্তমানে কিছু কিছু মানুষের শখ রয়েছে পুরনো জিনিস সংগ্রহ করা। এইজন্য আপনি অল্প পুজিতে পুরনো জিনিসের দোকান করতে পারেন। বর্তমানে অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করে পুরনো জিনিসের দোকানে লাভ করছেন বেশ কিছু জন মানুষ। এন্টিক দোকান করে আপনিও অনেক বেশি পরিমাণে লাভবান হতে পারেন। আপনার যখন পুঁজি বাড়বে তখন আপনি ধীরে ধীরে দুর্লভ পণ্যগুলো আপনার দোকানে রাখবেন যেসব পণ্যের চাহিদা বাজারে অনেক বেশি থাকবে সেগুলো রাখতে পারেন।

প্রথমের দিকে আপনি আপনার দোকানে পুরনো বই পুরনো ছোট ছোট পণ্য বিক্রি করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে এন্টিক জিনিসগুলি কে বিক্রি করতে। আপনি যখন পুরনো জিনিসের দোকান দিবেন দেখবেন ধীরে ধীরে কত মানুষের ভিড় আপনার দোকানে বাড়ছে কারণ বর্তমানে পুরনো জিনিসের দোকানে অনেক বেশি পরিমাণে জিনিস বিক্রি হচ্ছে নতুন জিনিসের দোকানে থেকে।

খাবার তৈরির ব্যবসা (Food business)

আপনি অনেকদিন থেকেই ভাবছেন অল্প পুজিতে কোন ব্যবসা করবেন, কিন্তু কি ব্যবসা করবেন সেটা বুঝতে পারছেন না, তাহলে আপনার জন্য খাবার তৈরির ব্যবসা অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার অন্যতম উদাহরণ হতে পারে। বর্তমানে খাবার তৈরির ব্যবসা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরাঞ্চলে অনেক মানুষজন কর্মব্যস্ততার কারণে ঘরে খাবার তৈরি করতে পারে না, এই জন্য এরা বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করে। আপনি যদি খাবার তৈরির ব্যবসা করেন তাহলে আপনি এই সকল অর্ডার গুলি নিয়ে প্রতিদিন এইসব মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে পারেন।

আবার আপনি একটি দোকান করলেন সেই দোকানে খাবার তৈরি করছেন এবং ব্যবসাও করছেন তার সাথে সাথে যেসব হোম ডেলিভারি অর্ডার আসবে সেই সব হোম ডেলিভারি অর্ডার গুলো নিয়ে তাদেরকে হোম ডেলিভারি খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। কারন মানুষ এখন ঘরের তৈরি খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে তাই দোকানের খাবার অনেকের পছন্দ হয় না সেই জন্য আপনি যদি ঘরের তৈরি খাবার সেইসব মানুষের কাছে পৌঁছে দেন তাহলে আপনি অনেক বেশি পরিমাণে লাভবান হবেন। আর খাবার তৈরীর ব্যবসা করতে অল্প পুঁজির বিনিয়োগ লাগে।

মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যবসা
মোবাইল মেরামতের দোকান

মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যবসা(Mobile Repairing Business)

বর্তমান সময়ে অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মোবাইলে রিপেয়ারিংয়ের ব্যবসাটি ভেবে দেখতে হবে। মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যবসা করতে হলে আপনাকে প্রথমে মোবাইল রিপেয়ারিং শিখতে হবে। অথবা একটি দোকান করে সেখানে যার মোবাইল রিপেয়ারিং করতে পারে এমন কোনো ছেলেকে কাজে নিয়োগ করতে হবে। বর্তমানে প্রতিটা মানুষের কাছেই মোবাইল একটি অন্যতম জরুরী জিনিস এর মধ্যে একটা। আর সেই মোবাইল যদি কোন কারনে খারাপ হয়ে যায় মানুষ খাওয়া-দাওয়া ভুলে মোবাইল সারানোর জন্য উতলা হয়ে পড়েন।

আপনি যদি মোবাইল সারানো একটি দোকান করে ব্যবসা করেন তাহলে আপনি অনেক বেশি পরিমাণে লাভবান হবেন বর্তমান সময়ে পরিপ্রেক্ষিতে। মোবাইল সারানোর ব্যবসা এমন একটি ব্যবসায় যা বর্তমানে যেমন রমরমিয়ে চলছে তেমন ভবিষ্যতেও রমরমিয়ে চলবে। মোবাইল সারানোর ব্যবসা খুবই অল্প পুঁজির একটি ব্যবসা, কারণ এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে মোবাইল সারানোর কয়েকটি যন্ত্রপাতি যা আপনার কয়েক হাজার টাকার মধ্যে হয়ে যাবে তা নিয়েই আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

আপনি চাইলে আরো অল্প পুজিতে অনেক লাভজনক ব্যবসা করতে পারেন, কিন্তু আজকের এই 10টি লাভজনক অল্প পুঁজির ব্যবসা রইল যা আপনি চাইলেই করতে পারেন। তবে প্রতিটা ব্যবসায়ী বর্তমানে অনেক ব্যবসায়ী করলেও আপনি যদি আধুনিক এবং স্মার্টলি প্রতিটা ব্যবসা করতে পারেন তাহলে বাকি সব ব্যবসায়ীক থেকে আপনি হবেন আলাদা এবং ইউনিট ব্যবসায়ী

নতুন নতুন ব্যবসার আইডিয়া দেখুন-

মহিলাদের জন্য ঘরে বসে ব্যবসা করার সেরা ১৩ টি আইডিয়া

ধূপকাঠির বিজনেস

Leave a Comment